সুস্থ থাকতে যে ৭ টি সব্জী সকলের খাওয়া উচিৎ

সুস্থ থাকতে যে সাতটি সব্জী আপনার খাওয়া উচিৎ সেগুলোর গুয়াঙ্গুন নিয়ে নীচে আলোচনা করা হল । এছাড়াও, বিবিধ গুন সম্পন্ন আরো সব্জী আছে সেগুলির গুনাগুন নিয়েও আমরা পরে আলোচনা করব -




সুস্থ থাকতে বেগুন

১। একটা কচি বেগুন পুড়িয়ে রোজ সকালে খালি পেটে ১ চামচ গুড় মিশিয়ে ১ মাস খেলে ম্যালেরিয়ার দরুন লিভার বেড়ে যাওয়া কমে।
২। লিভারের দোষের জন্যে চেহারায় হলদেটে ভাব এলে তা ক্রমশ কমে যায়। মাস খানেক খান।
৩। যাঁদের ঘুম ভাল হয় না তাঁরা যদি একটু বেগুন পোড়ায় মধু মিশিয়ে সন্ধ্যেবেলা চটকে ৭ দিন খান তাহলে তাঁদের রাত্তিরে ভাল ঘুম হবে। তবে ২০-২২ দিন একটানা খেতে হবে।
৪। বেগুনের তরকারি, বেগুন পোড়া, বেগুনের স্যুপে রোজ যদি একটু হিং ও রসুন মিশিয়ে ২১ দিন খাওয়া যায় তাহলে বায়ুর প্রকোপ তো কমেই, যদি কারো পেটে বায়ু গোলকের সৃষ্টি হয়ে থাকে সেটাও কমে যায় বা সেরে যায়। নিয়মিত ২০-২২ দিন খান।
৫। মহিলাদের নিয়মিত ঋতু না হলে বা কোনো কারনে বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা যদি শীতকালে নিয়ম করে বেগুনের তরকারি বাজরার রুটি এবং গুড় ১ মাস খান তাহলে উপকার পাবেন। অবশ্য যাঁদের শরীরের গরমের ধাত বেশি তাঁদের পক্ষে এটা না খাওয়াই ভাল।
৬। নিয়মিত বেগুন খেলে মুত্রকৃচ্ছ্রতা সারে।
৭। প্রস্রাব পরিষ্কার হওয়ার প্রারম্ভিক অবস্থায় কিডনির ছোট পাথরও গলে গিয়ে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।
৮। ছোট সাইজের গোল সাদা বেগুন অর্শের পক্ষে উপকারী। তরকারী বানিয়ে ২-৩ মাস খান।
৯। বেগুনের পুলটিস বাঁধলে ফোড়া তাড়াতাড়ি পেকে যায়। ৩-৫ দিন বেঁধে রাখুন।
১০। বেগুনের রস খেলে ধতুরার বিষ নেমে যায়। ১ গ্লাস পরিমান খান।

সুস্থ থাকতে পটোল

১। পটোলের তরকারি খেলে হজম করবার ক্ষমতা বেড়ে যায়।
২। কাশি, জ্বর ও রক্তের দোষ অর্থাৎ রক্তবিকার সারে।
৩। এর রস মাথায় লাগলে টাক পড়া বন্ধ হয় ও মাথায় নতুন চুল গজায়।
৪। পটোলের গুনঃ সাধারন পটোল সহজে হজম হয় এবং অন্য খাবার হজমে সাহাজ্য করে। পটল হার্টের পক্ষে খুব ভাল, লঘুপাক, খিদে বাড়ায়, শরীর স্নিগ্ধ করে অথচ গরম। কাশি, রক্তবিকার, শ্লেষ্মা বাত ও পিত্ত, জ্বর ও কৃমি সারিয়ে তোলে।
৫। তেতো পটোলের ক্কাথ তৈরী করে মধু মিশিয়ে খেলেও পিত্তজ্বর সারে, তৃষ্ণা নিবারন হয় আর শরীর জ্বালা কমে।
৬। পটল সেদ্ধ করে তাতে চিনি মিশিয়ে খেলেও পিত্তজ্বরে উপকার হয়। একটানা ১০-১৫ দিন সকালবেলা খান।
৭। ১০ গ্রাম ওজনের তেতো পটোল, ১০ গ্রাম ধনে এক রাত এক কাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালবেলা এই জল ছেঁকে নিয়ে মধু মিশিয়ে দিয়ে তিন বার খান-সমস্ত কৃমি নাশ হবে ১৩-১৫ দিন খাওয়ান।
৮। পটোল খেলে ত্বকের রোগও উপকার হয়। তেতো পটোল ও তেতো নিম পাতার ক্কাথ দিয়ে ফোড়া ধুয়ে নিলে তাড়াতাড়ি সেরে যায়।
৯। তেতো পটলের পাতার রস টাকের পক্ষে উপকারি। টাক পড়া জায়গায় ২ মাস লাগান উপকার হবে।
সুস্থ থাকতে চাল কুমড়ো
১। কুমড়ো বা চাল কুমড়ো খেলে পরিশ্রম করবার ক্ষমতা বেড়ে শরীর পুষ্ট হয়।
২। এই সবজি বলকারক, পুষ্টিকর, ফুসফুসও ভাল রাখে। চাল কুমড়োর বীজ কৃমি নাশ করে।
৩। ২-৪ চা চামচ কুমড়োর রস বের করে নিয়ে তাতে চিনি মিশিয়ে ৬ মাস খেলে অম্বল বা অজীর্ণ রোগ সারে।
৪। মৃগী ও উন্মাদ রোগের পক্ষেও এটি উপকারি।
৫। কোনো কোনো চিকিৎসকের মতে যক্ষ্মা, অর্শ, গ্রহনী (একটানা পেটের অসুখ) প্রভৃতি অসুখেও চালকুমড়ো খেলে উপকার হয়।
৬। ডায়বেটিসে চালকুমড়োর রস খাওয়া অতি হিতকর। চাল্কুমড়্র মোরব্বা, হালুয়া, অবলেহ ও চাল কুমড়োর বীজের লাড্ডু অনেক রোগ সারিয়ে তোলে।


সুস্থ থাকতে মূলো

১। ভাত, রুটি খাওয়ার সঙ্গে মূলো নুন দিয়ে খেলে রুচি বাড়ে। ১৫ দিন খান।
২। কচি মূলোর স্যালাড খেলে খিদে বেড়ে যায়। ১০ দিন খেতে হবে।
৩। মূলোর মধ্যে আছে জ্বর সারাবার গুন।
৪। নিয়মিত খেলে পিলের রোগে পরম উপকারী।
৫। শীতকালে কাঁচা মূলো খেলে কাজে উৎসাহ বাড়ে। খাওয়ার সহজে হজম হয় এবং শ্রীরের পুষ্টি হয়। টানা ২ সপ্তাহ খান।
৬। মূলোর শাক বেশি মাত্রায় খেলে প্রস্রাব ও মল পরিষ্কার হয়ে গিয়ে শরীরের ভিতরের যন্ত্রগুলি পরিচ্ছন্ন থাকে। ৭ দিন খান উপকৃত হবেন।
৭। অর্শ রোগীরা মূলোর পাতা বা মূলোর শাকের রস খেলে উপকার পাবেন।
৮। মূলোর চেয়ে মূলোর শাকেরই গুন বেশী। মূলোর শাক সহজে হজম হয় এবং খাওয়া-দাওয়ায় রুচি বাড়ায়।
৯। মূলোর শাক কাঁচা খেলে পিত্ত বৃদ্ধি পায়। কিন্তু ঘিয়ে বা তেলে সাঁতলে নিয়ে শাক রান্না করে খেলে শরীরের অক্ষে সবদিক থেকে উপকারী। দিন ১৫ খেতে হবে।
১০। মূলো প্রতিদিনের আটপৌরে সস্তা তরকারি। সস্তা বা সুলভ বলেই কিন্তু হেলাফেলার নয়-মূলোর অনেক গুন, অনেক রোগ সারাবার ক্ষমতা রয়েছে।
১১। শুকনো মুলোর ঝোল রান্না কররে ২ ঘন্টা অন্তর ১ কাপ করে গরম গরম পান করালে খিঁচুনি সারে।
১২। দুপুর বা রাত্তিরের গুরুপাক ভোজনের পরে ১ কাপ মূলোর রস ১২ ফোঁটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে পেটের ব্যাথা ও গ্যাস কমে যায়।
১৩। মূলো আর তিল একসাথে মিশিয়ে ১ চামচ করে ২০-২৫ দিন খেলে শরীর ফোলা কমে আর যদি ত্বকের নিচে কোনো কারনে জল জমে তাও সেরে যায়। রস খাওয়ালেও ফুলো তাড়াতাড়ি কমে যায়।
১৪। শুকনো মূলোর স্যুপ খাওয়ালে এবং শুকনো মূলো একটা কাপড়ের পুঁটলিতে বেঁধে তার সেঁক দিলেও অর্শের কষ্টে আরাম পাওয়া যায়।
১৫। ২ চামচ মূলো পাতার রসে একটু সোডিয়াম-বাই-কার্বনেট মিশিয়ে খাওয়ালে প্রস্রাব পরিষ্কার হয় এবং কোনো কারনে প্রস্রাব জমে থাকার কষ্ট (মূত্রাবরোধ) দূর হয়।
১৬। ৮ চামচ মূলোর বীজ আধ লিটার জলে ফুটিয়ে নিয়ে জল কমে অর্ধেক হয়ে গেলে তা পান করালে পাথরি রোগ (কিডনি বা গলব্লাডারে পাথর হওয়া) সারে। ২-৩ মাস খেতে হবে।

নানা রোগ সারাতে ডুমুর

১। ডুমুর পিত্ত ও আমাশার অসুখ সারিয়ে দেয়।
২। ডুমুরে যথেষ্ট লোহা থাকায় রক্তপিত্ত (স্কার্ভি), রক্তপ্রদর, রক্তপড়া, অর্শ, রক্তস্রাব ও রক্তহীনতা (অ্যানিমিয়া) রোগে উপকারি।
৩। কচি ডুমুরের রসে মিছরি মিশিয়ে দিনে দুবার (১ চা চামচ ডুমুরের রস+ অর্ধ চা চামচ মিছরি গুঁড়ো) খেলে মুখ থেকে রক্ত ওঠা বন্ধ হয়। ৩ দিন এইভাবে ডুমুরের রস খেতে হবে।
৪। আমাশা রোগে ডুমুর পাতার একটি কুঁড়ি আতপ চালের সঙ্গে ১ মাস খেলে রোগের উপশম হয়।
৫। ডুমুর গাছের ছাল থেঁতো করে মিছরির পানায় মিশিয়ে ভাল করে চটকে ছেঁকে খেতে হবে। প্রতিদিন ২ বেলা ২ চামচ করে ২৪ দিন একটু চিনি মিশিয়ে খেলে সাদা আমাশা ও রক্ত আমাশা সারবে।
৬। যদি মাথা ঘোরে তাহলে ভাতের পাতে প্রথমে ১ চা চামচ দূর্বা ঘাস ভাজা খেয়ে তার পরে বীজ বাদ দিয়ে ২ চামচ ডুমুর ভাজা খেলে উপকার হয়। ১২-১৮ দিন খেতে হবে।
৭। যজ্ঞ ডুমুরের রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে মেয়েদের প্রদর ররোগ সারে। ২০-২২ দিন খেতে হবে।

সুস্থ থাকতে করোলা

১। করোলার পাতা খেলে মূত্র বৃদ্ধি হয়, জ্বর সারায় ও কৃমি নাশ করে। টানা ১ মাস খেতে হবে।
২। বিখ্যাত প্রাচীন বৈদ্য সুশ্রুতের মতে করোলার পাতা জোলাপের কাজ করে এবং প্রোয়জনে বমিও করায়।
৩। ৩ চামচ করোলা পাতার রস নুন মিশিয়ে খাওয়ালে পিত্তের বিষ, বমন ও মলত্যাগ দ্বারা বেরিয়ে যায়।
৪। ম্যালেরিয়ায় করোলা পাতার রস শরীরে লাগালে এবং ৪টি করোলার পাতা ও ৪টি আস্ত গোলমরিচ একসঙ্গে পিষে নিয়ম করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
৫। করোলার ফুল বা পাতা ঘিয়ে ভেজে বা কাঁচাই নুন মিশিয়ে খেলে অম্লপিত্তের জন্যে যদি ভাত খাওয়ার পরই বমি হয়ে যায় তাহলে তার নিবারন হয়।
৬। ৩টি করোলার বিচি ও ৩টি গোলমরিচ একসঙ্গে অল্প জল দিয়ে পিষে খাওয়ালে বাচ্চাদের বমি বন্ধ হয়।
৭। দশ চা চামচ করোলা পাতার সঙ্গে একটু হিং মিশিয়ে ২ মাস খাওয়ালে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়ে যায়। কোনো কারনে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে এটা ওষুধ হিসেবে প্রয়োগ করা যায়।
৮। কচি করোলার টুকরো কেটে ছাওয়ায় শুকিয়ে নিয়ে মিহি করে পিষে ৪মাস ধরে সকাল ও সন্ধ্যেবেলায় নিয়মিত দু চা চামচ করে চুর্ণ খেলে ডায়বেটিস নিশ্চয় সারবে। সেই সঙ্গে অবশ্য ডায়াবেটিসের খাওয়া-দাওয়ার বিধি নিষেধ মেনে চলতে হবে। এইভাবে করলার চুর্ণ খেলে প্রসাবের সঙ্গে চিনি বা শর্করা বেরোনো একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে।
৯। করোলার রস এক চা চামচ নিয়ে তাতে অল্প চিনি মিশিয়ে নিয়মিত দু মাস খেলে অর্শ ও অর্শ থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়।

সুস্থ থকতে কাঁচকলা ও কলাগাছ

১। পেটের অসুখে, আমাশয় ও রক্তআমাশয়ে কাঁচকলা সেদ্ধ করে টাটকা টক দইয়ের সঙ্গে মেখে ২ সপ্তাহ খেলে রোগ সারে।
২। কলা গাছের শুকনো শেকড় গুঁড়ো করে অল্প পরিমানে ১ মাস খেলে পিত্ত রোগ সারে। রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগেরও এটি একটি মহৌষধ।
৩। অনেকের মতে কলা গাছের শিকড়ের রসের সঙ্গে ঘি ও চিনি মিশিয়ে নিয়মিত ২ মাস খেলে প্রস্রাবের অসুখ বা মেহ রোগ সারে।
৪। কাঁচকলা শুকিয়ে গুঁড়ো করে প্রতিদিন অল্প পরিমানে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে ৪ মাস খেলে যৌন ব্যাধি সারে ও প্রস্রাবের অসুখ সারে।
৫। একেবারে কচি দুটি কলাপাতা মিহি করে বেটে ১ গ্লাস দুধে মিশিয়ে ঘন ক্ষীরের মতো করে ৩ মাস খাওয়ালে মেয়েদের প্রদর রোগে উপকার হয়।


রোগ আরোগ্যে কাঁচা পেঁপে

১। প্রতিদিন দুপুরে ভাত খাওয়ার পর এবং রাত্তিরে রুটি খাওয়ার পর এক টুকরো কাঁচা পেঁপে ভাল করে চিবিয়ে খেয়ে এক গ্লাস জল খেলে সকালে পেট পরিষ্কার হয়-অম্বল ও বদহজমের কষ্ট দূর হয়। নিয়মিত ২ মাস খেতে হবে।
২। ১০ ফোঁটা করে কাঁচা পেঁপের দুধ বা আঠা প্রতিদিন অল্প জলে মিশিয়ে ২ মাস খেলে দাদ ও চর্মরোগ সারে, কৃমি নাশ হয়।
৩। ২০/২৫ ফোঁটা কাঁচা পেঁপের আঠা কাঁচা চিনির সঙ্গে মিশিয়ে ১ মাস নিয়ম করে খেলে পিলে (প্লীহা) রোগ সারে ও পেটের ভেতর টিউমার এবং বায়ু রোগে খুব উপকার পাওয়া যায়।
৪। ২ চা চামচ কাঁচা পেঁপের আঠা ২ চা চামচ চিনি মিশিয়ে কিছুদিন ধরে দিনে ৩ বার করে ১ মাস খেলে পিলের আয়তন ক্রমশ কমে যায়।
৫। ২ চা চামচ পেঁপের আঠায় ১ চা চামচ চিনি মিশিয়ে দুধের সঙ্গে নিয়মিত খেলে অম্বল ও অজীর্ন রোগে উপকার হয়। ৪ সপ্তাহ মত খান।
৬। যে সব মায়েদের সদ্য বাচ্চা হয়েছে ১টা গোটা কাঁচা পেঁপের তরকারি নিয়মিত খেলে তাঁদের স্তনের দুধ বাড়বে।
৭। কাঁচা পেঁপে বা পেঁপে গাছের আঠা পুরনো অজীর্ণ রোগে, পেটের অসুখে (অতিসার), পুরনো পেটের অসুখে কোষ্টবদ্ধতা (মল না হওয়া) প্রভৃতি রোগের পক্ষে উপকারী।
৮। পিলে ও লিভার বেড়ে যাওয়া, তার সঙ্গে জ্বর ও দুর্বলতার ওষুধ হিসেবে দিনে ও রাত্তিরে খাওয়া-দাওয়ার পর ৫/১০ ফোঁটা করে পেঁপের আঠা ৩ মাস খেলে উপকার পাওয়া যায়।
৯। ওষুধ হিসেবে কাঁচা পেঁপের গুন পাকা পেঁপের চেয়ে বেশী। পেপটিন বা পেঁপের আঠার গুন অশেষ।
১০। গর্ভবতী মহিলাদের এবং যাদের মাসিক বেশি হয় তাদের পেঁপ্র খাওয়া উচিৎ নয়-কারন পেঁপে রজঃ (রক্ত) ও ভ্রুন নিঃসারক।
১১। বড় কাঁচা পেঁপে চিরে নিয়ে তার নীচে একটি কাপ বা ডিশ রাখুন। এইভাবে দুধ বের করে নিন। এই দুধ বা আঠা তৎক্ষনাৎ রোদে শুকিয়ে নিন। এই আঠা গুড়ো করে শিশিতে ঢাকনা বন্ধ করে রাখুন। গ্যাস্ট্রিক আলসার বা গ্যাস্ট্রিকের অসুখে এই চুর্ণ ভাল ফল দেয়। পাকস্থলীর দাহ, বায়ু গোলক, ব্রণ, অম্লপিত্ত, বদহজম প্রভৃতি অসুখও এই চুর্ণ নিয়মিত খেলে সেরে যায়।
১২। ১ চামচ পেঁপের দুধে চিনি মিশিয়ে ৩ সপ্তাহ খেলে অজীর্ণতা সারে।
১৩। কাঁচা পেঁপের বীজ কৃমিনাশক। তবে ১ মাস নিয়মিত খেতে হবে।
১৪। সকালে খালি পেটে ২ সপ্তাহ এই বীজ খেলে মেয়েদের ঋতু নিয়মিত হয় এবং বেশি পরিমানে খেলে গর্ভপাত হয়।
১৫। পেঁপের পাতা হার্ট সবল করে এবং ১ মাস খেলে জ্বর নাশ করে।
১৬। পেঁপের পাতা জলে সেদ্ধ করে চায়ের মতো তৈরী করে খাওয়ালে হৃদরোগে ভাল ফল দেয়।

সুস্থ থাকতে যে ৭ টি সব্জী সকলের খাওয়া উচিৎ সুস্থ থাকতে যে ৭ টি সব্জী সকলের খাওয়া উচিৎ Reviewed by Kona Dey Chakraborty on August 28, 2018 Rating: 5

No comments:

Powered by Blogger.