Featured Posts

[Quotes][feat1] [Travel][feat2]

এ পি জে আব্দুল কালামের ভাষণ - IIT হায়দ্রাবাদে প্রদত্ত - complete speech of APJ Abdul Kalam in Bengali

এপ্রিল ০৩, ২০২২

এ পি জে আব্দুল কালামের IIT হায়দ্রাবাদে প্রদত্ত ভাষণ 

complete speech of apj abdul kalam in bengali

ভারতের জন্য আমার তিনটি দৃষ্টিভঙ্গি আছে। আমাদের সভ্যতার তিন হাজার বছর ধরে বিশ্বের সব প্রান্ত থেকে মানুষ এখানে এসেছে এবং আমাদের আক্রমণ করেছে, আমাদের জমি দখল করেছে, আমাদের মন দখল করেছে। আলেকজান্ডার থেকে, গ্রিক, তুর্ক, মােগল, পর্তুগিজ, ব্রিটিশ, ফরাসি, ডাচ সবাই এখানে এসে আমাদের লুঠ করেছে, আমাদের যা ছিল নিয়ে নিয়েছে। আমরা কাউকে আক্রমণ করিনি। আমরা ওদের জমি, ওদের সংস্কৃতি, ইতিহাস দখল করিনি এবং আমাদের জীবন ওদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করিনি। কেন? কারণ আমরা অন্যের স্বাধীনতাকে সম্মান করি

এজন্যই আমার প্রথম দৃষ্টিভঙ্গি হল ‘ফ্রিডম’ বা স্বাধীনতা। আমি মনে করি, ভারত তার প্রথম দৃষ্টিভঙ্গি পেয়েছিল ১৮৫৭ সালে, যখন আমরা স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু করেছিলাম। এটাই সেই স্বাধীনতা যা আমাদের অবশ্যই রক্ষাকরতে হবে এবং লালনপালন করতে হবে। আমরা যদি স্বাধীন না হই, কেউ আমাদের সম্মান করবে না। 

ভারতের জন্য আমার দ্বিতীয় দৃষ্টিভঙ্গি হল উন্নয়ন। পঞ্চাশ বছর ধরে আমরা একটি উন্নয়নশীল দেশ। এখন সময় এসেছে আমাদের উন্নত দেশ রূপে আত্মপ্রকাশ করার। জিডিপির ক্ষেত্রে আমরা বিশ্বের প্রথম পাঁচটা দেশের মধ্যে রয়েছি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমাদের দশ শতাংশ বৃদ্ধির হার আছে। আমাদের দারিদ্র্যসীমা হ্রাস পেয়েছে। আমাদের কৃতিত্ব আজ বিশ্ব স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছে। এরপরও আমরা নিজেদের উন্নত, স্বনির্ভরশীল ও স্বনিশ্চিত দেশ হিসেবে দেখার আত্মবিশ্বাসের অভাব বােধ করছি। এটা কি সত্যি নয়?

আমার তৃতীয় দৃষ্টিভঙ্গি হল যে বিশ্বের কাছে ভারতকে উঠে দাঁড়াতে হবে। কারণ আমি বিশ্বাস করি যে যদি ভারত বিশ্বের সামনে উঠে না দাঁড়ায় তবে আমাদের কেউ সম্মান শ্রদ্ধা করবে না। একমাত্র শক্তিই শক্তিকে সম্মান করে। আমাদের শক্তিশালী হতে হবে শুধু সামরিক শক্তিতেই নয়, এইসঙ্গে অর্থনৈতিক শক্তিতেও। উভয়ের উচিত হাতে হাত মিলিয়ে চলা। আমার সৌভাগ্য যে তিনজন বিখ্যাত মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযােগ পেয়েছি। মহাকাশ বিভাগের বিক্রম সারাভাই, তার উত্তরসূরি অধ্যাপক সতীশ ধাওয়ান এবং পরমাণু সামগ্রীর জনক ব্ৰহ্ম প্রকাশ। আমি খুব ভাগ্যবান যে এই তিনজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি এবং এই মহান সুযােগ আমার জীবনে এসেছে। আমার কেরিয়ারে চারটি মাইলফলক দেখেছি ।

 আমি কুড়ি বছর কাটিয়েছি আইএসআরও-তে। ভারতের প্রথম উপগ্রহ চালিত যানের— এসএলভি৩– প্রজেক্ট ডিরেক্টর হওয়ার সুযােগ আমাকে দেওয়া হয়েছিল। এটা রােহিণী প্রতিস্থাপন করেছিল। আমার বৈজ্ঞানিক জীবনে এই বছরগুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আমার আইএসআরও জীবন শেষ হওয়ার পর আমি যােগ দিই ডিআরডিও-তে এবং ভারতের মিসাইল কর্মসূচিতে কাজ করার সুযােগ পাই। এটা ছিল আমার দ্বিতীয় আশীর্বাদ যখন ১৯৯৪ সালে অগ্নি তার প্রয়ােজনীয় অভিযান প্রাপ্ত হল।

১১ ও ১৩ মে, সাম্প্রতিক পরমাণু পরীক্ষায় আণবিক শক্তি ও ডিআরডিও-র এই দুর্দান্ত জুটি ছিল। এটা ছিল তৃতীয় আশীর্বাদ। এই পরমাণু পরীক্ষাগুলােয় আমার দলের সঙ্গে কাজ করার আনন্দ পেয়েছি এবং বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছি যে ভারত এটা করতে পারে, আমরা আর উন্নয়নশীল দেশ নই বরং ওদের অন্যতম। এটা আমাকে একজন ভারতীয় হিসেবে খুব গর্বিত করিয়েছে । সত্যি কথা হল এখন আমরা অগ্নির জন্য নতুন কাঠামােয় উন্নয়ন করছি, যার জন্য আমরা এই নতুন সামগ্রী উন্নত করেছি। খুব হালকা সামগ্রী যাকে বলা হয় কার্বন-কার্বন।

একদিন নিজাম ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্স থেকে একজন অর্থোপেডিক সার্জন আমার গবেষণাগার দেখতে আসেন। তিনি এই সামগ্রী তুলে উপলব্ধি করেন যে এটা খুব হালকা এবং এরপর তিনি আমাকে তার হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তার রােগীদের দেখান। যেখানে ছােট্ট ছােট্ট বালকবালিকা তাদের পায়ে তিন কেজি ওজনের ধাতুর ক্যালিপার লাগিয়ে শুয়েছিল।

তিনি আমাকে বলেছিলেন : অনুগ্রহ করে আমার রােগীদের ব্যথা দূর করুন। তিন সপ্তাহের মধ্যে আমরা ৩০০ গ্রাম ওজনের ক্যালিপার তৈরি করে অর্থোপেডিক সেন্টারে নিয়ে গেলাম। এটা ছেলেমেয়েরা চোখে দেখেও বিশ্বাস করতে পারছিল না। পা থেকে তিন কেজি ওজন সরিয়ে দেওয়ার পর ওরা তখন হাঁটতেও পারছিল! ওদের বাবা-মায়ের চোখে আনন্দাশ্রু। এটা আমার চতুর্থ আশীর্বাদ


এখানে সংবাদমাধ্যম কেন এত নেতিবাচক? ভারতে কেন আমরা আমাদের নিজস্ব শক্তি, নিজস্ব কৃতিত্ব স্বীকার করতে ইতস্তত বােধ করি ? আমরা এত মহান দেশ। আমাদের অনেক দুরন্ত সাফল্যের কাহিনি আছে, কিন্তু আমরা সেগুলাে স্বীকার করতে কুণ্ঠা বােধ করি। কেন?

দুধ উৎপাদনে আমরা বিশ্বের প্রথম। রিমােট সেন্সিং স্যাটেলাইটে আমরা এক নম্বর। আমরা দ্বিতীয় বৃহত্তম গম উৎপাদনকারী। আমরা দ্বিতীয় বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারী। ড. সুদর্শনের দিকে তাকান, তিনি একটা উপজাতি গ্রামকে স্বনির্ভরশীল, আত্মচালিত গ্রামে পরিণত করেছেন। এরকম লক্ষ লক্ষ কৃতিত্বের কাহিনি আছে, কিন্তু আমাদের সংবাদমাধ্যম শুধুই খারাপ সংবাদ, ব্যর্থতা ও বিপর্যয়ের খবরে মােহাবিষ্ট।

একসময় আমি তেল আভিভে ছিলাম এবং একটা ইজরায়েলি সংবাদপত্র পড়তাম। অনেক আক্রমণ, বােমা বিস্ফোরণ ও মৃত্যু ঘটেছিল একদিন। হামারা আক্রমণ করে। পরের দিন সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় ছিল একজন ইহুদি ভদ্রলােকের ছবি যিনি পাঁচ বছরে একটা মরু অঞ্চলকে অর্কিড ও শস্যভূমিতে পরিণত করেছেন।

এটা ছিল সেই অনুপ্রেরণামূলক ছবি যে সবাইকে জাগিয়ে দেয়। হত্যা, বােমা বিস্ফোরণ, মৃত্যুর খবর ছিল সংবাদপত্রের ভেতরের পাতায় অন্যান্য খবরের সঙ্গে মিলেমিশে। ভারতে আমরা শুধু মৃত্যু, রুগ্নতা,উগ্রপন্থা, অপরাধের খবর পড়ি। আমরা কেন এত নেতিবাচক ? 

আরেকটা প্রশ্ন : জাতি হিসেবে আমরা কেন বিদেশি সামগ্রী নিয়ে এত মােহাবিষ্ট? আমরা বিদেশি টিভি চাই, আমরা বিদেশি জামা চাই,আমরা বিদেশি প্রযুক্তি চাই। আমদানিকৃত সামগ্রী নিয়ে আমরা কেন মােহাবিষ্ট। আমরা কি অনুভব করি না যে আত্মনির্ভরশীলতা থেকেই আত্মসম্মান তৈরি হয় ? হায়দরাবাদে আমি যখন এই ভাষণ পেশ করি, একটি ১৪ বছরের মেয়ে আমার অটোগ্রাফ নিতে আসে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করি তােমার জীবনের লক্ষ্য কী? সে উত্তর দিয়েছিল : আমি উন্নত ভারতে বাস করতে চাই। তার জন্য আপনারা এবং আমাকে এই উন্নত ভারত গড়তে হবে। আপনারা নিশ্চয় জানেন যে ভারত আর অনুন্নত দেশ নয়, এটা খুব উন্নত দেশ

আপনাদের কি দশ মিনিট সময় আছে? আমাকে একটু সময় দিন। আপনাদের দেশের জন্য দশ মিনিট সময় দেবেন না? যদি হ্যা বলেন,তাহলে বলুন, অবশ্য পছন্দটা আপনাদের।

আপনারা বলছেন যে 'আমাদের সরকার অক্ষম?

আপনারা বলছেন যে আমাদের আইন খুব পুরনাে?

আপনারা বলছেন যে পৌরসভার গাড়ি আবর্জনা সরায় না

আপনারা বলছেন যে ফোন কাজ করে না, রেলপথ হাস্যকর, বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ এয়ারলাইন, চিঠি কখনাে গন্তব্যে পৌঁছায় না।

আপনারা বলছেন যে আমাদের দেশ কুকুরের খাদ্যে পরিণত হয়েছে।

আপনারা বলতে থাকুন, বলতে থাকুন।

আপনারা এসম্পর্কে কী করেছেন? সিঙ্গাপুরগামী কোনাে ব্যক্তিকে ধরুন। তার নাম দিন আপনাদের। তাকে একটা মুখ দিন-- আপনাদের। আপনি বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে আসুন এবং আপনারা সবার সেরা হয়ে উঠুন। সিঙ্গাপুরে সিগারেটের টুকরাে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলা যায় না ।  তাদের ভূতল যােগাযােগ নিয়ে আপনি গর্বিত হবেন। বিকেল ৫টা থেকে সন্ধে ৮টার মধ্যে ৫ ডলার দিয়ে (প্রায় ৬০ টাকা) অর্চাড রােডে আপনাকে গাড়ি চালাতে হবে। কোনাে রেস্তোরাঁ বা শপিং মলে অতিরিক্ত সময় কাটালে আপনি যেই হন না কেন, পার্কিং মাশুল দিতে হবে। সিঙ্গাপুরে আপনি কিছু বলতে পারেন না, পারেন কি ? দুবাইয়ে রমজানের সময় আপনি প্রকাশ্যে কিছু খেতে পারবেন না। জেড্ডায় আপনি আপনার মাথা না ঢেকে হাঁটতে পারবেন না। আপনি লন্ডনে কোনাে টেলিফোন এক্সচেঞ্জ কর্মীকে ১০ পাউন্ড দিয়ে বলার সাহস করবেন না যে দেখবেন আমার এসটিডি ও আইএসডি কলের বিল যেন অন্য কারও নামে আসে।

ওয়াশিংটনে আপনি ঘণ্টায় ৫৫ মাইল (ঘণ্টায় ৮৮ কিলােমিটার) গতিবেগে গাড়ি চালানাের সাহস করবেন না এবং কোনাে ট্রাফিক পুলিশকে বলতে পারবেন না, জানতা হ্যায় শালা ম্যায় কৌন হু? আমি অমুক, আমি অমুকের ছেলে। দুডলার নাও এবং ভাগাে এখান থেকে। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সমুদ্রতীরে আপনি খালি নারকেলের খােলা আবর্জনার বাক্স ছাড়া কোথাও ফেলতে পারবেন না। কেন আপনারা টোকিওর রাস্তায় পানের পিক ফেলতে পারেন না? কেন আপনারা বােস্টনে পরীক্ষার জকি বা নকল সার্টিফিকেট ব্যবহার করতে পারেন না? আমরা এসব কথাই সেই আপনাকে বলছি। আপনি, যে অন্যান্য দেশের ব্যবস্থা শ্রদ্ধা ও সম্মান করেন কিন্তু সেটা কখনাে নিজের দেশে করেন না। ভারতীয় ভূমিতে প্রবেশ করলেই আপনারা সিগারেট ও কাগজের টুকরাে ছুঁড়ে রাস্তায় ফেলেন। যদি আপনারা বিদেশে গিয়ে এসব নিয়ম মানতে পারেন তবে কেন ভারতে একই কাজ করবেন না ?

একবার এক সাক্ষাৎকারে বম্বের বিখ্যাত প্রাক্তন পৌরসভার কমিশনার। তিনাইকর খুব সুন্দর বলেছিলেন, ‘ধনী মানুষদের কুকুর রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে যেখানে সেখানে তাদের মলমূত্র ত্যাগ করে। এরপর সেই একই মানুষগুলাে কর্তৃপক্ষের সমালােচনা করে অক্ষমতা ও নােংরা রাস্তার জন্য।

 আধিকারিকরা কী করবেন বলে তারা আশা করেন? তাদের কুকুর যতবার মলমূত্র ত্যাগ করবে সেগুলাে পরিষ্কার করবেন ? আমেরিকায় সব কুকুর যা নােংরা করবে সেটা তার মালিককেই পরিষ্কার করতে হয়, জাপানেও একই নিয়ম। ভারতীয় নাগরিকরা কি এখানে সেটা করে?' তিনি সঠিক কথাই বলেছেন। আমরা নির্বাচনের সময় ভােট দিই সরকার গড়ার জন্য তারপর সব দায়িত্ব তার ওপর দিয়ে আমরা বসে থাকি। আমরা আশা করি আমাদের সরকার সব কাজ করে দেবে কিন্তু আমাদের অবদান একেবারে নেতিবাচক। আমরা আশা করি সরকার সব পরিষ্কার করবে কিন্তু আমরা সর্বত্র নােংরা ফেলা বন্ধ করি না কিংবা আমরা কখনাে রাস্তা থেকে কাগজের টুকরাে কুড়িয়ে আবর্জনার বাক্সে ফেলি না। আমরা আশা করি রেলওয়ে আমাদের পরিষ্কার বাথরুম দেবে কিন্তু আমরা বাথরুমের উপযুক্ত ব্যবহার শিখলাম ।


আমরা চাই ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স ও এয়ার ইন্ডিয়া সেরা খাদ্য ও আতিথেয়তা দেবে কিন্তু আমরা নামমাত্র সুযােগেই তা নষ্ট করতে দ্বিধা করি না। একই কথা প্রযােজ্য সেইসব কর্মচারীর ক্ষেত্রে যারা জনগণকে পরিষেবা দেয় না। সমাজের জ্বলন্ত সমস্যাগুলাের ক্ষেত্রে যেমন মহিলা, পণ, শিশুকন্যা ও অন্যান্য ব্যাপারে আমরা প্রতিবাদ করি এবং ঘরে এসে তার বিপরীত কাজ করি। আমাদের অজুহাত? ‘গােটা ব্যবস্থাটাই বদলাতে হবে, শুধু আমার পুত্রকে পণ নেওয়া থেকে বিরত করলে কী ইতরবিশেষ হবে? 


তাহলে ব্যবস্থাটা কে বদলাবে? ব্যবস্থা বা পদ্ধতিতে কী থাকে ? সাধারণভাবে এটা আমাদের অতিথি, অন্যান্য পরিবার, আমাদের শহর, আমাদের সম্প্রদায় ও প্রকার। কিন্তু অবশ্যই আমি বা আপনারা নন। যখন আমাদের কাছে সময় আসে এই পদ্ধতি বা ব্যবস্থায়। ইতিবাচক অবদান রাখার তখন আমরা পরিবারের সঙ্গে নিজেকে নিরাপদ খােলসে আটকে রাখি এবং তাকিয়ে থাকি দূরে যে একজন মিস্টার ক্লিন এসে তার জাদুকরি হাতের ছোঁয়ায় অলৌকিক কিছু ঘটিয়ে আমাদের মুক্ত করবে কিংবা আমরা এই দেশ ছেড়ে চলে যাব। যেমন কাপুরুষের মতাে আমরা ভয় পেয়ে আমেরিকার কাছে দৌড়ে যাই এবং তাদের সাফল্য ও পদ্ধতির প্রশংসা করি। যখন নিউ ইয়র্কে নিরাপত্তার অভাব ঘটে আমরা চলে যাই ইংল্যান্ডে। যখন ইংল্যান্ডে বেকারির সমস্যা তীব্র হয় আমরা পরের উড়ান ধরে চলে যাই মধ্যপ্রাচ্যে। যখন মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধভূমি হয়ে ওঠে আমরা তখন নিরাপত্তার জন্য চিৎকার করি এবং ভারত সরকার আমাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসে।


সবাই এই দেশকে গালি দিচ্ছে এবং ধর্ষণ করছে। কেউ সিস্টেমের কথা ভাবছে না। আমাদের চেতনা এখন অর্থভিত্তিক হয়ে গেছে। 

হে ভারতীয়রা,

এই প্রবন্ধ চিন্তা উদ্রেককারী, এটা নিজেকে নিয়ে নিজে ভাবার জন্য এবং নিজের বিবেককে জাগ্রত করার জন্য সেজন্য... আমি জে এফ কেনেডির কথাই পুনরাবৃত্তি করব - ভারতীয়দের জন্য যা তিনি তাঁর দেশ আমেরিকার মানুষদের জন্য বলেছিলেন...

‘নিজেকে প্রশ্ন করাে যে আমরা ভারতের জন্য কী করতে পারি এবং আমেরিকা ও অন্যান্য পশ্চিমী দেশ আজ যা হয়েছে ভারতকে সেরকম গড়তে হলে আমার কী করা উচিত। আমাদের থেকে ভারতের যা প্রয়ােজন আসুন আমরা সেটাই করি।


ধন্যবাদ আব্দুল কালাম


 

এ পি জে আব্দুল কালামের ভাষণ - IIT হায়দ্রাবাদে প্রদত্ত - complete speech of APJ Abdul Kalam in Bengali এ পি জে আব্দুল কালামের ভাষণ - IIT হায়দ্রাবাদে প্রদত্ত - complete speech of APJ Abdul Kalam in Bengali Reviewed by WisdomApps on এপ্রিল ০৩, ২০২২ Rating: 5

সাধক শ্রীমৎ ভােলানন্দ গিরির বাণী • অসাধারন ১৫টি বানী সংকলন । ভোলানন্দ গিরি বাণী বংলা

মার্চ ৩০, ২০২২

শ্রীমৎ ভােলানন্দ গিরির অমৃতবাণী - পড়ুন - শেয়ার করুন 

quotes by bholananda giri


 👉যদি মনের কথা মতাে চলাে, তবে কখনােই শান্তি পাবে না। কারণ একটি বাসনা পূর্ণ হলেই অপর একটি বাসনার উদয় হবে। বাসনার হাত থেকে কোনাে ক্রমেই নিষ্কৃতি হবে না। মনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হয় সময়ে মন আপনিই শান্ত হয়ে যাবে।ধৈৰ্য্য চাই।

✍ জলের মতাে স্বচ্ছ পবিত্র হৃদয় হবে। ভূমির মতাে ক্ষমাশীল ও সহিষ্ণু হবে।সূর্যালােকের মতাে প্রকাশশীল হবে।

🙏“গুরু” শব্দ দ্বারা কোনাে ব্যক্তিকে বােঝায় না। “গুরু” একটি শক্তি, যে শক্তির সাহায্যে অজ্ঞানী জ্ঞান লাভ করে। এই শক্তি একমাত্র তাদেরই মধ্যে জাগে যাঁরা ব্রহ্মজ্ঞান লাভ করেছেন। যিনি ব্রহ্মকে জানেন, তিনি নিজেই ব্রহ্মস্বরূপ হয়ে যান। যিনি গুরু, তিনিই ঈশ্বর। সকলের গুরুই এক।

👉যে দেহকেই আত্মা বলে মনে করে, তার মনে রিপুগণ আসবেই। আর যে নিজেকে দেহাতীত বলে জেনেছে, তার মনে রিপুগুলি আসতেই পারে না। কাউকে কখনও কর্কশ বাক্য ব্যবহার করাে না। অন্যায় দেখলে নিন্দনীয় বাক্য প্রয়ােগ না করে শাসন করাে।

✍ আত্মজ্ঞানী দেখেন, “সব ভগবানের মায়া; সব তারই ইচ্ছা।”

👉এই শরীর পঞ্চভূত হতে উৎপন্ন হয়েছে, পুনরায় তাতেই লয় পাবে।—এইরূপ বিচার করে সর্বদা শরীর থেকে নিজেকে পৃথক বলে ধারণা করতে চেষ্টা করবে। 

🙏বাহ্য দৃষ্টিতে সাধুদের বিচার করতে নেই। ... আত্মজ্ঞদের ব্যবহার বাইরে থেকে বােঝা কঠিন।

👉আয়ের এক-দশমাংশ যােগ্য পাত্রে গােপনে দান করবে। এক-চতুর্থাংশ সঞ্চয় করবে ভবিষ্যতের জন্য। বাকি অংশে সংসার নির্বাহ করবে।

যতদিন সামর্থ্য থাকে, ততদিন শরীর দ্বারা খুব কাজ করিয়ে নেওয়াই ভালাে। যখন খেতে চায় ঠিক খাবার দাও, আবার যখন কাজে লাগাবে তখন এর কোনাে কথাই শুনবে না, খুব কাজ আদায় করবে... সাধনের সময় যদি আলস্য করে... তবে একে জোর করে সাধনা করতে হবে। শরীরকে যত কম আরামে রাখবে, শরীর তত সুস্থ থাকবে ও আত্মজ্ঞানের সহায়ক হবে।

👉জপ করতে করতেই অন্তঃকরণ শুদ্ধ হয়। শুদ্ধ অন্তঃকরণে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়। সিদ্ধি লাভ হয়ে থাকে।

🙏ভগবান আছেন—এটা ঠিক জানবে। যাঁরা তাঁকে দেখেছেন, সেইসব ত্রিকালদর্শী মহাপুরুষগণ তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। শাস্ত্রে তা লিপিবদ্ধ হয়ে আছে।বিশ্বাস ও ভক্তিবলেই শ্রীভগবানের দর্শন, আত্মার উপলব্ধি ও নির্বাণ লাভ হয়ে থাকে।

“অজ্ঞান” বােধেও চৈতন্য আছে, কিন্তু তাতে অজ্ঞানের প্রকৃতির কোনাে হানি হয়।। এই চৈতন্যকে “সামান্য চৈতন্য” বলে, যা সর্বব্যাপী আকাশবৎ আছে। এর দ্বারা কারাের কোনাে লাভ বা ক্ষতি হয় না। কিন্তু বিশেষ চৈতন্যেই” জ্ঞানের উদয় হয়। (সামান্য ও বিশেষ দুই মায়া শক্তির অধীনে,—সামান্যটি অবিদ্যামায়াগত, বিশেষটি বিদ্যামায়াত)।

🙏কাম (আসক্তি) ও মােহকে বৈরাগ্য দ্বারা, লােভকে সন্তোষ দ্বারা ও ক্রোধকে ক্ষমা দ্বারা জয় করবে। ক্রোধকে সম্পূর্ণ ত্যাগ  করলে কাজ চলে না তাই লােককে শাসনের জন্য একটু ক্রোধ রাখতে হয়। সত্ত্বগুণের ক্রোধ রাখবে, রজঃ ও তমগুণের ক্রোধ বিষবৎ পরিত্যাগ করবে। সত্ত্বগুণীর ক্রোধ, যেমন জলের ওপর রেখা টানা মাত্রই জলের মধ্যে মিলিয়ে যায়।

👉“যা কিছু করি, ভগবানের সেবার্থে করি” এই প্রকার দ্বৈতভাবে চলাে। তারপর ঠিক অদ্বৈতভাব আসবে।

🙏মাতা-পিতার সেবা করবে, তাদের অবহেলা করলে কৃতঘ্নতারূপ মহাপাপে লিপ্ত হবে। অতিথি পরায়ণ হবে। সঙ্কীর্ণ মন দ্বারা ধর্মাচরণ সম্ভব হয় না।

সাধক শ্রীমৎ ভােলানন্দ গিরির বাণী • অসাধারন ১৫টি বানী সংকলন । ভোলানন্দ গিরি বাণী বংলা  সাধক শ্রীমৎ ভােলানন্দ গিরির বাণী • অসাধারন ১৫টি বানী সংকলন । ভোলানন্দ গিরি বাণী বংলা Reviewed by WisdomApps on মার্চ ৩০, ২০২২ Rating: 5

প্লেটোর দর্শনে ৩০ টি অনুপ্রেরণামূলক বানী । প্লেটোর বানী ও উক্তি

ফেব্রুয়ারী ০৫, ২০২২

 


• চরম অজ্ঞতা অতটা ভয়ানক কিংবা অশুভ নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে তা এসব থেকে বহু দূরে। কিন্তু অত্যাধিক শিক্ষা, অত্যাধিক ধূর্ততা, সেই সঙ্গে অসৎ পরিবারে বড় হয়ে ওঠা সমাজের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক।

• গণতন্ত্র থেকেই জেগে ওঠে স্বৈরতন্ত্র, যা কিনা চরম স্বাধীনতা জাত অত্যাচার ও দাসত্বের এক ভয়াবহ রূপ।

• প্রতিটি হৃদয়ই গান গায়, তবে তা অসম্পূর্ণ, যতক্ষণ না আর একটি হৃদয় সে গান ফিসফিসিয়ে ফিরিয়ে দেয়। যারা গান গাইতে চান সব সময়ই কোনাে-না-কোনাে গান গেয়ে যান। প্রেমের স্পর্শে প্রত্যেকেই এক একজন কবি হয়ে যান।

• অতিরিক্ত স্বাধীনতা, তা সে ব্যক্তির ক্ষেত্রেই হােক কিংবা রাষ্ট্রের, পরিণতিতে চরম দাসত্ব ডেকে আনে।

• যা কিছু অতিরিক্ত তা সবেরই প্রতিক্রিয়া আছে এবং তা বিপরীতমুখী। ঋতু-ব্যক্তি- সরকার, সকলের ক্ষেত্রেই কথাটা প্রযােজ্য।

• সকল যুদ্ধ জয় অপেক্ষা মহত্তম জয় হল নিজেকে জয় করা।

• যিনি বিয়ার আবিষ্কার করেছিলেন তিনি একজন জ্ঞানী ব্যক্তি।

• সঠিক শিক্ষা ও লালনপালন সুনাগরিকত্বের বীজ বপন করে।

• যিনি অন্যায় করেন তাকে অন্যায় দ্বারা আহত ব্যক্তি অপেক্ষা বেশি যন্ত্রণা একদিন সইতে হয়।

• যিনি শান্ত ও সুখী তিনি বয়সের চাপ তেমন অনুভব করেন না এর বিপরীত মানসিকতার মানুষদের কাছে যৌবন কিংবা বয়স সমান বােঝা স্বরূপ।

• যে ভালাে সেবক নয় কখনােই ভালাে প্রভু হতে পারে না।

• সততা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অসততার থেকে কম লাভজনক। 

• যে সামান্য চুরি করে তার অভিপ্রায় যে বড় ধরনের চুরি করে তার থেকে কোনাে অংশে কম নয়। 

• তুমি কীভাবে প্রমাণ করবে যে এই মুহূর্তে আমরা ঘুমিয়ে আছি, আর আমাদের সকল ভাবনাই এক একটা স্বপ্ন ; কিংবা আমরা জেগে আছি, এবং একে অপরের সঙ্গে যে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছি তা সম্পূর্ণ জাগ্রত অবস্থায় ? 

• মানুষের ব্যবহার তিনটি উৎস থেকে নেমে আসে  ঃবাসনা,আবেগ,এবংজ্ঞান। 

•আমি তােমাদের জোর করছি যুদ্ধে নামতে,এ যুদ্ধ জীবনের সঙ্গে,পার্থিব যে-কোনাে দ্বন্দ্বের থেকে যে যুদ্ধ বড়। জীবনে আমি এমন কোনাে গণিতজ্ঞের কথা শুনিনি যিনি যুক্তিনিষ্ঠ।

•মূল্যবান কোনাে কিছু আমার জীবনে আচমকা ঘটেনি, আমার কোনাে আবিষ্কার দুর্ঘটনাবশত ঘটেনি; সবকিছুই এসেছে কাজের মধ্য দিয়ে।

•আমি তাহলে ধরে নেব,তােমার মৌনতার অর্থ সম্মতি।

•আরও অনেক কিছু শিখতে শিখতে আমি বুড়াে হব।

•অজ্ঞতা,যাবতীয় দুর্দশার মূল এবং কাণ্ড।

•যে মানুষ শিক্ষাকে অবহেলা করে,জীবনের শেষপ্রান্ত অবধি সে খুঁড়িয়ে হাঁটে।

• অন্যায় সর্বদা নিন্দনীয় কারণ যারা নিন্দা করেন তারা অন্যায়ের শিকার হতে ভয় পান। তারা নিজেরা যেসব অন্যায় করেন তার ভয়ে নয়।

• এটা প্রত্যেকেই কাছেই পরিষ্কার যে অ্যাস্ট্রোনমি সব ঘটনাতেই আমাদের আত্মাকে বাধ্য করে ওপর দিকে তাকাতে, আর পৃথিবীর যা কিছু তা থেকে সরিয়ে আনতে।

• প্রত্যেক মুখে মুখে অতি সাধারণ প্রবাদটি হল, জীবন হােটেল-বাস ছাড়া আর কিছু নয়।

• যার যা প্রাপ্য তাকে তা দেওয়া উচিত।

• রাষ্ট্রের জীবনে কিংবা আচরণে ন্যায়বিচার তখনই সম্ভব যখন প্রত্যেক নাগরিকের হৃদয়ে তা বিদ্যমান।

• ন্যায় মানে নিজের কাজে মন দেওয়া এবং অপরের কাজে ব্যাঘাত না ঘটানাে।

• জ্ঞান হল প্রকৃত অভিমত। জ্ঞান অশুভ হয়ে দাঁড়ায় যখন তার লক্ষ্য পাপের দিকে নিবদ্ধ হয়। মানুষ বাধ্য হয়ে যে জ্ঞান অর্জন করে মনের ওপর তার ছাপ পড়ে না।

• শুধুই ধন-সম্পদ নয়, গভীর শ্রদ্ধার মহিমা কী—আসুন, আমরা সকলে আমাদের সন্তান-সন্ততিদের তারও উত্তরাধিকারী ঘােষণা করে যাই।

• বিবেকহীন জ্ঞানকে বলা যেতে পারে এক ধরনের ধূর্ততা, তা মােটেই বােধি অভিমুখী নয়।

প্লেটোর দর্শনে ৩০ টি অনুপ্রেরণামূলক বানী । প্লেটোর বানী ও উক্তি প্লেটোর দর্শনে ৩০ টি অনুপ্রেরণামূলক বানী । প্লেটোর বানী ও উক্তি Reviewed by WisdomApps on ফেব্রুয়ারী ০৫, ২০২২ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জানুন নিখুঁত ভাগ্যফল ১৬ থেকে ২২শে জানুয়ারী ২০২২

জানুয়ারী ১৬, ২০২২

 সাপ্তাহিক রাশিফল বাংলা -জেনে নিন কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে ভাগ্যে ?  ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 



কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জানুন নিখুঁত ভাগ্যফল ১৬ থেকে ২২শে জানুয়ারী ২০২২ কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জানুন নিখুঁত ভাগ্যফল ১৬ থেকে ২২শে জানুয়ারী ২০২২ Reviewed by WisdomApps on জানুয়ারী ১৬, ২০২২ Rating: 5

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উক্তি - সেরা ১১ টি Quotes by Sunil Gangopadhyay

জানুয়ারী ১৬, ২০২২

 সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বানী 

sunil gangopadhyay quotes in bengali


• মেয়েরা এক এক সময় মুখে যা বলে, মনের কথাটা হয় ঠিক তার উল্টো। 

• সময় তাে দর্পণের মতাে থেমে থাকে না, সময় নদীর স্রোতের মতাে বয়ে চলে। তবু দর্পণের প্রতিবিম্বের মতন এক একটি ছবি সময়ের স্রোতের মধ্যেও নিথর হয়ে থাকে। 

• শরীরের তাে পাপ-পুণ্য নেই। সবকিছুই মনের।


• মানুষ তার সীমানা ছাড়াতে পারে, তার আগে সীমানাটা চেনা দরকার ভালাে করে,বুঝতে হয় কোথায় কোথায় তার অক্ষমতা আর কোথায় কোথায় তার ক্ষমতাকে একটুও কাজে লাগানাে হয়নি।

• শরীরের একটা জৈবিক সুখ আছে। কিন্তু ভালবাসা না পাবার উপলব্ধির বেদনা যে আরাে অনেক, অনেক বেশি তীব্র।

• পুরুষের চোখে কোনাে কোনাে নারী চিরন্তন প্রেমিকা হয়েই থাকে।


• দেশাত্মবােধের অপর নাম ঘৃণা।

• দেশের মানুষকেই দেশের ভবিষ্যৎ গড়তে হয়। এই ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য স্বপ্ন দেখতে হয়। সকলের স্বপ্ন এক হয় না, তা নিয়েই যত বিপত্তি।


• স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দ, অকারণ হাসি, এসব শুধু যৌবনেই সম্ভব।

• যৌবন অনেক কিছুই সহ্য করতে পারে। যৌবনের অনেক দুঃখ যন্ত্রণাকেও মনে হয় বিলাসিতা।

quotes by sunil gangopadhyaya


• দুঃখই কবিতার জননী।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উক্তি - সেরা ১১ টি Quotes by Sunil Gangopadhyay সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উক্তি - সেরা ১১ টি Quotes by Sunil Gangopadhyay Reviewed by WisdomApps on জানুয়ারী ১৬, ২০২২ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জেনে নিন ভাগ্যফল - ০৯ থেকে ১৫ই জানুয়ারী ২০২২

জানুয়ারী ০৯, ২০২২

 সাপ্তাহিক রাশিফল বাংলা -জেনে নিন কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে ভাগ্যে ?  ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 




কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জেনে নিন ভাগ্যফল - ০৯ থেকে ১৫ই জানুয়ারী ২০২২ কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জেনে নিন ভাগ্যফল - ০৯ থেকে ১৫ই জানুয়ারী ২০২২ Reviewed by WisdomApps on জানুয়ারী ০৯, ২০২২ Rating: 5

কেমন যেতে পারে এই সপ্তাহ ? ০২ থেকে ০৮ ঐ জানুয়ারি ২০২২

জানুয়ারী ০২, ২০২২

  সাপ্তাহিক রাশিফল বাংলা -জেনে নিন কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে ভাগ্যে ?  ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 




কেমন যেতে পারে এই সপ্তাহ ? ০২ থেকে ০৮ ঐ জানুয়ারি ২০২২ কেমন যেতে পারে এই সপ্তাহ ? ০২ থেকে ০৮ ঐ জানুয়ারি ২০২২ Reviewed by WisdomApps on জানুয়ারী ০২, ২০২২ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জেনে নিন ভাগ্যফল । ২৬ তারিখ রবিবার থেকে ২ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১

 সাপ্তাহিক রাশিফল বাংলা -জেনে নিন কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে ভাগ্যে ?  ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 




কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জেনে নিন ভাগ্যফল । ২৬ তারিখ রবিবার থেকে ২ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জেনে নিন ভাগ্যফল । ২৬ তারিখ রবিবার থেকে ২ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত Reviewed by WisdomApps on ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে ভাগ্যে ? জেনে নিন রাশিফল ১৯ থেকে ২৫শে ডিসেম্বর ২০২১

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১

সাপ্তাহিক রাশিফল বাংলা -জেনে নিন কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে ভাগ্যে ?  ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 





কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে ভাগ্যে ? জেনে নিন রাশিফল ১৯ থেকে ২৫শে ডিসেম্বর ২০২১ কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে ভাগ্যে ? জেনে নিন রাশিফল ১৯ থেকে ২৫শে ডিসেম্বর ২০২১ Reviewed by WisdomApps on ডিসেম্বর ১৯, ২০২১ Rating: 5

কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? দেখুন আগাম ভবিষ্যৎবানী - আজ ১২ থেকে শনিবার ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত

ডিসেম্বর ১২, ২০২১

    সাপ্তাহিক রাশিফল বাংলা -জেনে নিন কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে ভাগ্যে ?  ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 



কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? দেখুন আগাম ভবিষ্যৎবানী - আজ ১২ থেকে শনিবার ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? দেখুন আগাম ভবিষ্যৎবানী - আজ ১২ থেকে শনিবার ১৮  ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত Reviewed by WisdomApps on ডিসেম্বর ১২, ২০২১ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? দেখুন আগাম ভবিষ্যৎবানী - ৪ থেকে ১০ ঐ ডিসেম্বর ২০২১

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১

   সাপ্তাহিক রাশিফল বাংলা -জেনে নিন কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে ভাগ্যে ?  ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 




কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? দেখুন আগাম ভবিষ্যৎবানী - ৪ থেকে ১০ ঐ ডিসেম্বর ২০২১ কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? দেখুন আগাম ভবিষ্যৎবানী - ৪ থেকে ১০ ঐ ডিসেম্বর ২০২১ Reviewed by WisdomApps on ডিসেম্বর ০৫, ২০২১ Rating: 5

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উক্তি ও বানী - Ishwar Chandra Vidyasagar quotes in Bengali

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১

 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উক্তি ও বানী  (১৮২০-১৮৯১)


vidyasagar_bani_quotes

* যাহাদের অভিপ্রায় সৎ ও প্রশংসনীয় এরূপ লােক অতি বিরল এবং শুভ ও শ্রেয়স্কর বিষয়ে বাধা ও ব্যাঘাত জন্মাইবার লােক সহস্র সহস্র।

*  এই সংসারে দাম্পত্যনিবন্ধন সুখই সর্বাপেক্ষা প্রধান সুখ। 

*  মনের ঐক্যই প্রণয়ের মূল। 

* যে পতির প্রণয়ের উপর প্রণয়িনীর সমুদায় সুখ নির্ভর করে, এবং যাহার সচ্চরিত্রে যাবজ্জীবন সুখীও অসচ্চরিত্রে যাবজ্জীবন দুঃখী হইতে হইবেক, পরিণয় কালে তাদৃশ্য পরিণেতার আচার ব্যবহার ও চরিত্র বিষয়ে যদ্যপি কন্যার কোন সম্মতি প্রয়ােজন না হইল, তবে সেই দম্পতির সুখের আর কি সম্ভাবনা রইল। 

* বাল্যবিবাহের দোষ ও বিধবা-বিবাহের প্রথা প্রচলিত হইলে অসহ্য বৈধব্য যন্ত্রণা, ব্যভিচার দোষ ও দ্রুণহত্যা পাপের নিবারণ ও তিন কুলের কলঙ্ক নিরাকরণ হইতে পারে।

* নিকৃষ্টের কর্তব্য আপন অপেক্ষা প্রধান ব্যক্তিদের সমাদর মর্যাদা করা। কিন্তু কাহারও নিকট নিতান্ত নম্র অথবা চাটুকার হওয়া অনুচিত।

* নিকৃষ্টকে যেমন প্রধানের সমাদর ও মর্যাদা করিতে হয়, নিকৃষ্টের প্রতি সেইরূপ করা প্রধানেরও অবশ্য কর্তব্য ।  

*  সংসারের যাবতীয় উত্তম বস্তু শ্রমলভ্য; সুতরাং শ্রম ব্যাতিরেক সে সকল বস্তু লাভ করিবার উপায়ন্তর নাই।

*  যে ব্যক্তি শ্রমবিমুখ হইয়া আলস্যে কালক্ষেপ করে তাহার চিরকাল দুঃখ ও চিরকাল অভাব থাকে ।

* আমরা স্বয়ং যে কর্ম নিষ্পন্ন করিতে পারি, অন্যের উপর সে বিষয়ে ভার সমর্পণ করা কদাচ উচিত নহে।

* বিপদকালে কাতর না হওয়া অত্যন্ত আবশ্যক। সেই সময়ে স্থির ও সতর্ক থাকা উচিত। 

আমাদের নিজেদের স্বার্থ দেখার আগে, সমাজ এবং দেশ এর সর্থ দেখা উচিত সেটাই হলো প্রকৃত বিবেক ধর্ম।

পরিশ্রম না করিলে স্বাস্থ্যরক্ষা ও সুখলাভ হয় না। যে ব্যক্তি শ্ৰম করে সে কখনও কষ্ট পায় না।

* যদি কেহ আপনি আপনার প্রশংসা করে, কিংবা আপনার কথা অধিক করিয়া বলে, অথবা কোন রূপে ইহা ব্যক্ত করে যে, সে আপনি আপনাকে বড় জ্ঞান করে, তাহা হইলে, সে নিঃসন্দেহে উপহাস্যাস্পদ হয়।

*  অন্যে যখন আমাদের প্রশংসা করে, তৎকালে বিনীত হওয়া কর্তব্য। 

*  স্নেহ অতি বিষম বস্তু।

*  শাস্ত্রের অর্থ না বুঝিয়া অথবা ভুল অর্থ বুঝিয়া কিংবা অভিপ্রেত সিদ্ধির নিমিত্ত স্বেচ্ছানুরূপ অর্থান্তর কল্পনা করিয়া, শাস্ত্রের দোহাই দিয়া যথেচ্ছাপ্রবৃত্ত বহুবিধবাকাণ্ড বৈধ বলিয়া প্রচার করিলে নিরপরাধ শাস্ত্রকারদিগকে নরকে নিক্ষিপ্ত করা হয়। 

*  দরিদ্র ব্যক্তিদের অভুক্ত রেখে মাটির প্রতিমাকে ষােড়শােপচারে পূজা করাকে আমি যথার্থ  মনে করি না।

*  যথার্থ সাধুদিগকেও সঙ্গদোষে, বিপদে পড়িতে হয়। 

*  তােমার অবস্থা যত মন্দ হউক না কেন, অন্যের অবস্থা এত মন্দ আছে যে তাহার সহিত তুলনা করিলে, তােমার অবস্থা অনেক ভাল বােধ হইবেক। 

*  কর্তব্য সাধিতে খল তােষামােদ করে। 

*  কাহারও উপর দয়াপ্রকাশ করিলে, তাহা প্রায় নিস্ফল হয় না। 

*  পরের মন্দচেষ্টায় ফাঁদ পাতিলে, আপনাকেই সেই ফাঁদে পড়িতে হয়। 

* আমার মা আর বাবাই কাশীর বিশ্বেশ্বর ও অন্নপূর্ণা।

* আমাদের সমাজ নানা ধরনের কু সংস্কারে পরিপূর্ণ । কু-সংস্কার মুক্ত সমাজ গঠনের জন সকল বুদ্ধিজীবীর কায়িক এবং মানসিক পরিশ্রম করা উচিৎ । 

* নারী জাতি এখনও দ্বিতীয় শ্রেণীর মানুষ হিসাবে বিবেচিত , এমনটি হলে সমাজের সার্বিক উন্নতি কখনও সম্ভব নয় । 

* গৃহস্থাশ্রম সকল আশ্রমের মূল এবং সকল আশ্রম অপেক্ষা উৎকৃষ্ট । বিশেষতঃ পরমগুরু পিতা মাতার শুশ্রুষা করাই পুত্রের প্রধান ধর্ম । 

*সেই সাহিত্যকে আমরা সঠিক সাহিত্য বলবো যা মানুষের মধ্যে শুভবোধ জাগ্রত করবে । 

যাহার যে অবস্থা, সে যদি তাহাতেই সন্তুষ্ট থাকে, তাহা হইলে তাহাকে কাহারও নিকট অপদস্থ ও অপমানিত হইতে হয় না।

মানুষ ততই বড় হওয়া যাক না কেনো তাকে সর্বদা তার অতীত কে মনে রাখা দরকার, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যত্ এর দিকে এগিয়ে যাওয়া দরকার।


Most popular quotes: Ishwar Chandra Vidyasagar quotes in Bengali with images. 
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উক্তি ও বানী - Ishwar Chandra Vidyasagar quotes in Bengali ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উক্তি ও বানী - Ishwar Chandra Vidyasagar quotes in Bengali Reviewed by WisdomApps on ডিসেম্বর ০৪, ২০২১ Rating: 5

লেখক , শিক্ষাবিদ , শিক্ষাদর্পণ পত্রিকার সম্পাদক ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের বানী

ডিসেম্বর ০৩, ২০২১


* পরীক্ষাবিধান ব্যতিরেকে বিজ্ঞানের শিক্ষা বিড়ম্বনা মাত্র। শিক্ষার অবস্থা এইরূপ হওয়াতে অধীত ইউরােপীয় বিজ্ঞানের সূত্রগুলি বার্ষিক পরীক্ষার সময় কণ্ঠস্থ থাকিতে পারে, কিন্তু বৈজ্ঞানিক অন্তদৃষ্টি জন্মিতে পারে না।

*  ভারতবর্ষীয়দিগের মধ্যে যে স্বভাবসিদ্ধ জাতীয় ভাব আছে, তাহার অনুশীলন এবং সম্বর্ধন চেষ্টা ভারতবর্ষীয় মাত্রেরই অবশ্য কর্তব্যকর্ম।

* ভারতবাসীর যত প্রকার ত্রুটি দেখিতে পাওয়া যায়, সকলগুলিই সম্মিলন প্রবণতার ন্যূনতা হইতে সস্তৃত। ভারতবাসী রত্নপ্রসবা ভারতের ক্রোড়ে থাকিয়াও দরিদ্র। ভারতবাসী শ্রমশীল হইয়াও উদরান্নে বঞ্চিত। ভারতবাসী বুদ্ধিমান হইয়াও অন্যের পরিচালনা অপেক্ষী। ভারতবাসীর মৃত্যুভয় স্বল্প হইলেও তিনি ভীরু বলিয়া প্রসিদ্ধ। এই সকল এবং অপরাপর সকল দোষের একমাত্র মূল, সম্মিলনে অক্ষমতা।

* ভারতবাসীর চলিত ভাষাগুলির মধ্যে হিন্দি হিন্দুস্থানীই প্রধান এবং মুসলমানদিগের কল্যাণে উহা সমস্ত মহাদেশব্যাপক; অতএব অনুমান করা যাইতে পারে যে উহাকে অবলম্বন করিয়াই কোনাে দূরবর্তী ভবিষ্যৎকালে সমস্ত ভারতবর্ষের ভাষা সম্মিলিত থাকিবে।

* মনুষ্য শিশুর পক্ষে পিতামাতাও যাহা, মনুষ্য সমাজের পক্ষে ধর্ম এবং ভাযাও তাহা, ধর্ম সমাজের পিতা, ধর্ম হইতে সমাজের জন্ম ও রক্ষা, আর ভাষা সমাজের মাতা, ভাষা হইতে সমাজের স্থিতি এবং পুষ্টি হয়। ধন বল, দলবন্ধন বল, বাণিজ্য বল, আর রাজনৈতিক স্বাধীনতা বল, সকল দিয়াও সমাজ বাঁচিয়া থাকিতে পারে; কিন্তু যে সকল লােকের ধর্ম এবং ভাষা গিয়াছে, সে সকল লােকের স্বতন্ত্র সমাজ আছে, এমন কথা বলা যায় না।

* অনুকরণ বাহ্য, উদ্ভাবন আভ্যন্তরিক। অনুকরণে ভেদবুদ্ধির প্রাবল্য, উদ্ভাবনে একত্ব এবং তদাত্মতা। এইজন্যই যিনি অনুকরণ করিতে পারেন, তিনি প্রায়ই উদ্ভাবন করিতে অসমর্থ হয়েন। 

* স্থূল কথা এবং সূক্ষ্ম কথাও এই যে শাসনের প্রয়ােজন কখনােই যাইতে পারে না, তবে শাসন কঠোর না হইয়া অর্থাৎ দণ্ডমূলক না হইয়া অধিক পরিমাণেই শিক্ষা এবং উপদেশমূলক হইতে পারে। আর সমাজ হইতে বৈষম্য যাইতে পারে না, কিন্তু উহার অনেকটা ন্যূনতা হইতে পারে। সূতরাং ইউরােপীয় সমাজ-বিপ্লাবকবর্গের ধ্বনিত স্বাধীনতার পরিবর্তে শাস্ত্রাধীনতার’ এবং সাম্যের পরিবর্তে ন্যায়ানুগামিতার’ এবং ভ্রাতৃত্বের পরিবর্তে ভক্তি, প্রেম এবং দয়া’র ধ্বনি উথিত হইলেই ভালাে হয়।

* যে শক্তির প্রভাবে সমাজান্তৰ্গত পরিবারসমূহ পরস্পর সহানুভূতিসম্পন্ন এবং কিয়ৎপরিমাণে এক প্রাকৃতিক এবং একাকার হইয়া যায় তাহার নাম সামাজিকতা।

* সর্বেশ্বর মতবাদে ঈশ্বর প্রত্যক্ষাদি সকল প্রমাণের দ্বারাই সুসিদ্ধ, যখন দেখা যাইতেছে, যে কারণের অনুসন্ধানে মনুষ্যমন চির জাগরূক, যখন দেখা যাইতেছে যে মনুষ্য সমাজের প্রতি সহানুভূতিমূলক যে ধর্ম তাহারও অতিব্যাপক পদার্থ, যাহা বিশ্বজ্ঞান এবং বিশ্বপ্রীতি এবং বিশ্বসৌন্দর্য প্রভৃতি অত্যুদার ভাবসকল মনুষ্যহৃদয়ে অধিষ্ঠিত, এবং যখন দেখা যাইতেছে যে সর্বজ্ঞত্ব, সর্বব্যাপকত্ব, সর্বশক্তিমত্তা, অপাপবিদ্ধত্ব প্রভৃতি গুণক্ষণে লক্ষিত মনুষ্যের উপাস্য বস্তু সর্বময় রূপেই বিদ্যমান, তখন পরস্পর হিংসাবিদ্বেষ-বিদূষিতাঙ্গ, আংশিক এবং কাল্পনিক একটি নারদের পূজায় মানববুদ্ধি এবং মানবহৃদয়ের তৃপ্ত হইবার সম্ভাবনা কোথা? আমার বােধ হয় যে, সর্বেশ্বরবাদই পৃথিবীতে ক্রমশ বিস্তৃত হইবে।

* জগতের কোথাও সাম্য নাই। গাছের একই ডালের দুইটি পাতাও পরস্পর সমান হয় না। একটি বালুকারেণুও অপর কোনাে বালুকারেণুর সমান নয়। একটি বৃষ্টিবিন্দুও অপর বৃষ্টিবিন্দুর সমান নহে। জগতে সাদৃশ্য আছে, সাম্য নাই। 

* শাস্ত্রের অভিপ্রায়, মানুষ আপন উদ্দেশ্যের স্থিরতা, মনােযােগের ঐকান্তিকতা, চিত্তের প্রশস্ততা, এবং শরীরেই পটুতা সম্বর্ধন সহকারে সকল কাজ করেনা।

* সাম্যবাদ হইতে সমাজের মধ্যে এক প্রকারের অসন্তোষ এবং অসুখের কারণ উপস্থিত হয়। মুখে যিনি যাহা বলুন, সামান্যতম মানুষ মানুষের অপেক্ষা বড় হইতে চায়। অতএব একপক্ষে সাম্যধর্ম পালন, পক্ষান্তরে অন্য মানুষ অপেক্ষা বড় হইবার প্রয়াস, এই দুয়ের সামঞ্জস্য ঘটিয়া উঠে না।

* মনােবৃত্তি মাত্রেরই কারণ শক্তির নাম স্মৃতি—অর্থাৎ স্মৃতিকে অবলম্বন করিয়াই সকল মনােবৃত্তি কার্যকারিণী হয়। 

* মনিব ধনশালী বলিয়া মানুষ, আর চাকর ধনহীন বলিয়া পশু হইতে পারে না। এমন স্থলে চাকর পশু হইলে মনিবও পশু হইবেন। 

* কুটুম্বকে অর্থলােভী জ্ঞান করিও না। তিনি তােমার গৌরবে আপনি গৌরবান্বিত হইতে চাহেন। 

* কন্যা অতি অল্প বয়সেই অন্যের যত্ন করিতে পারে। ফলকথা কন্যাসন্তানের অপেক্ষা পুত্রসন্তানের একটু বেশি যত্ন লইলেই যে উহাদের মধ্যে সাম্যভাব উদ্রেকের বিশেষ ব্যাঘাত হয় তাহা নহে। এ যাহারা ধর্ম শিক্ষা দিবেন, তাহারই সকল শিখাইবেন ইহাই স্বভাবসিদ্ধ পদ্ধতি। পূর্বকালে ভারতবর্ষে ঐ পদ্ধতি প্রচলিত ছিল, ব্রাহ্মণেরাই ধর্ম, বিজ্ঞান, শিল্প প্রভৃতি যাবতীয় বিষয়ের শিক্ষা প্রদান করিতেন। মুসলমানদিগের মধ্যে মুল্লা বা যাজকের দলই প্রধানত শিক্ষকতা কার্য করিয়া থাকেন। বৌদ্ধ জাতীয়দিগেরও ঐ রীতি। অতএব যাহা পূর্বে ছিল এখনও আছে, তাহা পরেও থাকিবার সম্ভাবনা।


লেখক , শিক্ষাবিদ , শিক্ষাদর্পণ পত্রিকার সম্পাদক ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের বানী লেখক , শিক্ষাবিদ , শিক্ষাদর্পণ পত্রিকার সম্পাদক  ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের বানী Reviewed by WisdomApps on ডিসেম্বর ০৩, ২০২১ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জানুন ভাগ্যফল - ১২ রাশির রাশিফল - ২৮ নভেঃ থেকে ০৪ই ডিসেম্বর ২০২১

নভেম্বর ২৮, ২০২১

  সাপ্তাহিক রাশিফল বাংলা -জেনে নিন কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে ভাগ্যে ?  ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 





কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জানুন ভাগ্যফল - ১২ রাশির রাশিফল - ২৮ নভেঃ থেকে ০৪ই ডিসেম্বর ২০২১ কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? জানুন ভাগ্যফল - ১২ রাশির রাশিফল - ২৮ নভেঃ থেকে ০৪ই ডিসেম্বর ২০২১ Reviewed by WisdomApps on নভেম্বর ২৮, ২০২১ Rating: 5

মোমবাতি তৈরির ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন ? কিভাবে বড় করবেন ? জেনে নিন খুঁটিনাটি

নভেম্বর ২৪, ২০২১

অল্প পুঁজিতে ব্যবসা - সাধারন মোমবাতি বা রঙিন  মোমবাতি তৈরি 


মোমবাতি কি কাজে লাগে ? 

যে কোনাে মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান থেকে শােকদিবস – সর্বত্র মােমবাতির ব্যবহার হয়। বর্তমানে বিদ্যুতের অভাবে ইলেক্ট্রিসিটির পরিপূরক হিসাবেও ব্যবহার হয় মােমবাতি। সারা বছর চাহিদা থাকলেও সেরা মরসুম: শারদোৎসব ও দীপাবলী। 

মোমবাতি তৈরির ইতিহাস - 

এ রাজ্যে প্রথম মােমবাতি তৈরি হয় নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে ১৮৯২-৯৩ সালে। যেহেতু এইসব অসংগঠিত শিল্পের ইতিহাস রাখার কোনাে পদ্ধতি ছিল না, তাই বিভিন্ন লােকের আত্মজীবনী থেকে খুঁজে পাওয়া যায় এই ছােট শিল্পের ইতিহাস। প্রথমদিকে অবাঙালীরাই এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল। কলকাতার বড়বাজার, তালতলা, হাটখােলা, শিয়ালদহের ডিমপট্টী – এইসব অঞ্চলে কারখানা গড়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় সরকারের চতুর্থ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় মােমবাতির কাঁচামালের নিয়ন্ত্রিত বাজার প্রথা চালু হওয়ায় উদ্বাস্তু ও বহু বেকার স্ব-উদ্যোগী হতে পারবে এই চিন্তায় জেলা শিল্প কেন্দ্রের মাধ্যমে মােমবাতির ব্যবসায় উৎসাহ দেওয়া হয়। পরে ব্যাপক আকারে মােমবাতি শিল্প ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে মােমবাতি শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুদ্রশিল্প। এই শিল্প ঘিরে প্রচুর তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযােগ আছে। একসময়ে পশ্চিমবঙ্গে ২৩৩৫টি মােমবাতি তৈরির কারখানা ছিল। এর মধ্যে শুধুমাত্র উত্তর ২৪ পরগনায় ছিল ৯২৭টি। আজ গােটা রাজ্য জুড়ে এই শিল্প ছড়িয়ে পড়েছে। তা সত্ত্বেও চাহিদার তুলনায় এখনাে যােগান সীমিত। মহারাজা ক্যান্ডেলের কর্ণধার চিরঞ্জয় চক্রবর্তী ও সংহিতা চক্রবর্তি জানান, মােমবাতি তৈরির কারখানায় কারিগরি ও বিপণন ক্ষেত্রে চাকরির সুযােগ আছে। তেমনি উদ্যোগীরা নিজেরা ব্যবসা করতে পারেন। 

মোমবাতির ব্যবসা দু'ভাবে করা যায় - ট্রেডিং ও উৎপাদন। 

মোমবাতির ট্রেডিং কি ?  

ট্রেডিং মানে পণ্য কেনা বেচার ব্যবসা। মােমবাতি তৈরির কারখানা থেকে কিংবা বড়বাজার থেকে পাইকারি দরে মােমবাতি কিনে স্থানীয় দোকানে বিক্রি করতে পারেন। শুরুতে ৩৫-৪০ হাজার টাকার পুঁজি নিয়ে ব্যবসা আরম্ভ করতে পারেন। ভালাে বরাত পেলে বিনিয়ােগ বাড়াবেন। ট্রেডিং ব্যবসায় ১৫%-২০% লাভ রাখা যায়। 

মোমবাতির উৎপাদনমূলক ব্যবসা কি ?  

মােমবাতি তৈরির কারখানা করতে চাইলে প্রথমে পঞ্চায়েত , মিউনিসিপ্যালিটি বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট জেলাশিল্প কেন্দ্রে গিয়ে ক্ষুদ্রশিল্পের জন্য নাম নথিভুক্ত করতে হবে। রাজ্য দূষণ পর্ষদ মােমবাতি তৈরিকে দূষণের বাইরে রেখেছেন। এরপর বৃত্তিকরের জন্য দরখাস্ত করতে হবে। বৃত্তিকর দপ্তর এই শংসাপত্র দেয়। বিক্রয়কর দপ্তর থেকে মূল্যযুক্ত কর নং (VAT No.) নিতে হবে। জাতীয় ক্ষুদ্র শিল্প নিগম থেকে রেজিস্ট্রেশন নিলে কোনাে সরকারি অফিসে বা, আধা সরকারি অফিসে সিকিউরিটি জমা দিতে হবে না। 

বিভিন্ন ধরনের মােমবাতি : 





বিভিন্ন ধরনের মােমবাতি হয়। যেমন জল মােমবাতি, লম্বা চতুষ্কোণ মােমবাতি, নারকোল মালার মােমবাতি,পাস্টিকের পাত্রে মােমবাতি, বালি মােমবাতি, বনজ মােমবাতি, ধাপ মােমবাতি, ফুল মােমবাতি (ভাসমান), ঝাউগাছ মােমবাতি, লম্বা ত্রিকোণ মােমবাতি, ছক্কা মােমবাতি, হৃদয় মােমবাতি ও সাধারণ মােমবাতি। এছাড়াও আছে বাহারি মােমবাতি। ঘরের অন্ধকার দূর করা ছাড়াও ফ্যান্সি বা, ডেকরেটেড বা, বাহারি মােমবাতি আনন্দউৎসবে উপহার কিংবা ঘরের অন্দরমহল সাজাতে শো পিস হিসাবে ব্যবহার হয়। এই ধরনের মােমবাতির আলাে স্নিগ্ধ, নরম ও দূষণমুক্ত। সুগন্ধী জেল মােমবাতি ফ্রিজে রাখলে দুর্গন্ধ চলে যায়। বাহারি মােমবাতি বিভিন্ন আকৃতি ও রং এর হয়। যেমন, বিয়ার রিং, সিলিন্ডার, পেগ গ্লাস, বাটি, প্রদীপ, ভেজিটেবল, হ্যান্ডকেপ, হার্ড জেল ইত্যাদি ১০০-২০০ ধরনের শিল্প নৈপুণ্য মােমবাতিতে ফুটিয়ে তােলা যায়। বাজারে বেশি চাহিদা বিয়ার পেগ, রিং, ল্যান্ডস্ক্যাপ, আইসক্রিম ও ‘হার্ট’ মােমবাতি।

সাধারণ মােমবাতিঃ

 দৈনন্দিন জীবনে যে মােমবাতি ব্যবহার করি সেটাই সাধারণ মােমবাতি। অন্ধকার দূর করতে কালীপুজো বা,দীপাবলীতে বাড়ি সাজাতে বিভিন্ন মাপের লম্বা মােমবাতি ব্যবহৃত হয় । 

সাধারণ মােমবাতি বানানোর প্রয়ােজনীয় সরঞ্জাম কি কি ? 

 ছাঁচ বা, মেশিন, পলতে, বড় কড়াই, ছান্তা,উনােন, ১০ নং বালতি, কঁচি, মগ, মােবিল, তেলের জন্য প্লেট,  ​একটি জুতাের ব্রাশ (৪'' x ৬''), ১টি শক্ত লােহার পাত, প্যাকিং পেপার, লেবেল ও আঠা,দাঁড়িপাল্লা বা, ওজনের যন্ত্র, প্যারাফিন ওয়াক্স, স্টিয়ারিক টাকা অ্যাসিড, মৌমােম, রং ও সুগন্ধী (দরকার হলে)। 

মােমবাতি বানানোর প্রয়ােজনীয় সরঞ্জাম কোথায় কি পাবেন ? 

ছাঁচ তৈরি হয় লােহা বা, অ্যালুমিনিয়ামের। তৈরি ছাঁচ বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। তাছাড়া নিজেও ছাঁচ তৈরি করতে পারেন। উঁচ বা, ডাইস ৩ ধরনের : সরু, মাঝারি ও বড় সাইজের। ডাইস কিনতে পাওয়া যায় কলকাতার আর. এন. মুখার্জী রোড, হাওড়ার বেলেলিয়াস রােড রঙ ও বেলেঘাটার সরকার বাজার, মধ্য কলকাতার মেছুয়া পট্টিতে। কর্মকাররা মােমবাতির জন্য মার্বেল বিশেষ এক ধরনের কঁচি ও ছুরি, ইত্যাদি তৈরি করে। এছাড়া ওপরের অন্যান্য উপাদানগুলি পাবেন বড়বাজার ও চিনা মার্কেটে।। 



মােমবাতি তৈরির পদ্ধতি : 

উনােনে কড়াই বসিয়ে দিয়ে প্যারাফিনের টুকরােগুলি দিয়ে দিতে হবে। প্যারাফিন গরম কড়াইতে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গলতে শুরু করবে। প্যারাফিন গলতে শুরু, করার পর প্যারাফিনের ১০% স্টিয়ারিক অ্যাসিড আর ৫% মৌমােম দিতে হবে। সবগুলি একসঙ্গে গলতে থাকবে। ছাঁচের পর জুতাের ব্রাশ দিয়ে তেল দু’পাশে ঠান্ডা জল ভরে নেওয়ার লাগিয়ে নিতে হবে। তারপর ওপর নিচ করে পলতে লাগাতে হবে ও দুটো পাল্লা এক করে চাবি  বন্ধ করে দিতে হবে। কড়াইতে প্যারাফিন ও সহযােগীরা সম্পূর্ণ গলে গেলে ছাস্তা দিয়ে অবাঞ্ছিত পদার্থগুলি হেঁকে নিতে হবে। অনেক সময় প্যারাফিনের সঙ্গে চটের বস্তার আশ বা, কাগজের টুকরাে কড়াইয়ের মধ্যে চলে যায়। তাই এই সতর্কতা। এবার তরল প্যারাফিনের দ্রবণ ধীরে ধীরে ছাঁচে ঢালতে হবে। ছাঁচ ভর্তি করে দিতে হবে। ৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর আবার ঢালতে হবে। কারণ, শক্ত হয়ে জমে যাওয়ার পর মােমবাতির ওপরের লাভ অংশ ফাপা থেকে যায়। তাই দ্বিতীয়বার ঢালতে হয়। ১০ মিনিট অপেক্ষা করলে পুরাে শক্ত হয়ে যাবে। তখন ওপরের পলতে কাচি দিয়ে কেটে মােমবাতির তলা ছুরি দিয়ে হেঁটে সমান করে দিতে হবে। এবার পাল্লা দুটো আলাদা করে দিলে মােমবাতিগুলি বের করতে অসুবিধা হবে না। এরপর মোমবাতির পলতে আধ ইঞ্চি রেখে কেটে দিয়ে গায়ের লেগে থাকা থাকা টুকরাে মােমগুলি পরিষ্কার করে দিতে হবে। এবার মােমবাতিগুলি কাগজে মুড়ে লেবেল লাগিয়ে দিন। বাক্সে ভরে দিলে মােমবাতি বাজারে বিক্রির উপযােগী হবে। 

মােমবাতি তৈরির ব্যবসায় বিনিয়ােগ কেমন  ও লাভ কেমন ? 

একটি মােমবাতি তৈরির কারখানা  বিনিয়ােগ করতে হবে অন্তত ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। পণ্য বিপণনে লাভ থাকে ১৫% = ২০% |



ফ্যান্সি মােমবাতি কি ? 

সাধারণ ফ্যান্সি বা, বাহারি মােমবাতি তৈরি ও সরল পদ্ধতিতে ঘরে বসে মােমবাতি করা যায়। এগুলিকে জেল মােমবাতি বলে । এই মোমবাতি তৈরি করতে লাগে জেল ওয়াক্স, পলতে স্টান্ড (পলতে ধরার জন্য), প্যারাফিন, রঙ (ওয়েল সলিউবল), সুগন্ধী। (গােলাপ, জুই, চন্দন), সাজানাের জিনিস (পুঁতি, রাংতা, কাচের মার্বেল, কাপড়, সুতাে, গহনা গিয়ে ইত্যাদি) দু'ধরনের হয়। বিদেশি ও চায়না। বিদেশি প্যারাফিন দিয়ে উন্নত মাপের মােমবাতি হয়। যাবতীয় উপাদান কিনতে পাওয়া যায় বড়বাজারে। 


ফ্যান্সি মােমবাতি বানানোর সরঞ্জাম : 

সরঞ্জামের মধ্যে লাগে মােম গলানাের জন্য পাত্র, গ্যাস থাকলে ওভেন ও বিভিন্ন আকৃতির সুদৃশ্য কাচের পাত্র। 

ফ্যান্সি মােমবাতি বানানোর পদ্ধতি : 

রােজিন ও মিনারেল অয়েলের সংমিশ্রণে তৈরি হয় মােমবাতি তৈরি করতে চান সেই জেল, মােমবাতি। যে ধরনের অনুযায়ী কাচের পাত্রে পছ সই ওভনে জেল ওয়াক্স গলাতে পেইন্টিং করে নিতে হবে। এবার ওভনে জেল ওয়াক্স গলাতে হবে। গলানাের সময় নির্দিষ্ট | অনুপাতে রং মিশিয়ে তারপর | নির্দিষ্ট কাচের পাত্রে ঢালুন। এরপর পলতে পরিয়ে ২০-২৫ মিনিট রেখে দিন। ব্যাস জেল মােমবাতি তৈরি। এবার আকর্ষণীয় প্যাকেজিং করে নিন। সাধারণ মােমবাতির সঙ্গে বাহারি মােমবাতির তফাৎ একটাই, এই ধরনের মােমবাতি তৈরির জন্য ছাঁচের দরকার হয় না। নির্দিষ্ট জায়গা বা, ঘর লাগে না। 

ফ্যান্সি মােমবাতি ব্যাবসায় বিনিয়ােগ কত ? লাভ কেমন ? 

২৫-৩০ হাজার টাকার পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বিক্রি করে আইটেম পিছু ৫%-১০% পর্যন্ত লাভ রাখা যায়।


মােমবাতি ব্যাবসায় কীভাবে বিপণন শুরু করবেন ? 

শুরুতে সেনা পরিচিত বন্ধু, আত্মীয়দের মধ্যে বিক্রি করুন। তারপর দোকানে ১২ দোকানে যােগাযােগ করুন। ব্যাঙ্ক বিপণনের জন্য জেলাভিত্তিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে। পাড়ায় পাড়ায় গিফট শপ, পিরাণি মলগুলিতে ফ্যান্সি মােমবাতি বিক্রি করতে পারেন।

মোমবাতি তৈরির ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন ? কিভাবে বড় করবেন ? জেনে নিন খুঁটিনাটি মোমবাতি তৈরির ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন ? কিভাবে বড় করবেন ? জেনে নিন খুঁটিনাটি Reviewed by WisdomApps on নভেম্বর ২৪, ২০২১ Rating: 5
Blogger দ্বারা পরিচালিত.