Featured Posts

[Travel][feat1]

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ভাগ্যফল ২৫শে জুলাই থেকে ৩১ শে জুলাই রাশিফল

জুলাই ২৫, ২০২১

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ভাগ্যফল ২৫শে জুলাই থেকে ৩১ শে জুলাই রাশিফল এই সপ্তাহের সব রাশির রাশিফল - 


কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ভাগ্যফল ২৫শে জুলাই থেকে ৩১ শে জুলাই রাশিফল কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ভাগ্যফল ২৫শে জুলাই থেকে ৩১ শে জুলাই রাশিফল Reviewed by WisdomApps on জুলাই ২৫, ২০২১ Rating: 5

শ্রী "ম" - মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের বাণী - Quotes by Sri Mahendranath Gupta

জুলাই ২৪, ২০২১

 শ্রী "ম" ,  শ্রীম কার ছদ্মনাম ? - শ্রী মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের । পড়ুন তাঁর কিছু অসাধারন বাণী - 


শ্রী মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত


• সব যেন মহাসমুদ্রে এক একটি ভুড়ভুড়ি। ...মানুষ, গুরু, গাছপালা, নদী, পাহাড়, এই পৃথিবী তার থেকে হচ্ছে, তাতে মিশে যাচ্ছে।...সসীম বস্তু মাত্রই মরণের অধীন।

• শিক্ষকতা একটি শিল্প। ভালাে করে অপরকে পড়াতে গেলে এই শিল্পটি বিকশিত করা চাই আন্তরিক চেষ্টা করে।

• বৈজ্ঞানিকরা তাে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জ্ঞানের অনুসন্ধানে নিরত। (কিন্তু) শুধু বুদ্ধি দিয়েই আধ্যাত্মিক তত্ত্ব ধারণা করা সম্ভব নয়। “তিনি” বাক্য-মনের অতীত অচিন্ত্যনীয় অনির্বচনীয়।

• দীক্ষার আগে (ভাবী) গুরুকে দশ-পনেরাে দিন ভালােভাবে লক্ষ্য করবে। তারপরও যদি তিনি মনে আকর্ষণ জাগান তবে দীক্ষা নিও। দীক্ষা নেবার পর ভােগবিলাসের আবর্তে ডুবে থাকলে, দীক্ষা কী উদ্দেশ্য সাধন করবে?

• ঈশ্বর দর্শন হলে বােঝা যায় ঈশ্বরই কর্তা মানুষ অকর্তা। যতদিন না তা হয় মনে হয় (মানুষ) যেন স্বতন্ত্র। সাক্ষাৎ হলে দেখতে পায় সব পরতন্ত্র ঈশ্বরের অধীন।...সবই তার ইচ্ছা। ভক্ত বলে যে কোনাে ছাড় থাকে তা নয়। তবে ভক্ত সম্পূর্ণ তার ওপর নির্ভর করে, কারণ সে জানে যে তিনিই একমাত্র কর্তা।

• (ভােগাসক্তদের) মৃত্যুচিন্তা নেই। লােকে কত মরছে। তাতেও চৈতন্য নেই।...এই ক্ষণেই যে মৃত্যু এসে সব ভাসিয়ে নিতে পারে।....লােক  বাহবা দিচ্ছে “আহা কি পরশ্রমী ইনি।” কিন্তু এসব খাটুনী কী জন্য? টাকা-পয়সা, মান-সম্ভ্রম হবে বলে।....এ দেহ ক্ষয়কারী এবং আত্মঘাতী। পরিশ্রম করে শুধু ভােগের জন্য, ভগবান লাভের জন্য নয়।... “চাহিদা” কমালে সরল জীবন হয় না। আর সরল জীবন না হলে ধর্মজীবন হয় না।

• বুদ্ধি অধ্যাত্মজগতে বেশি দূর এগােতে পারে না, অনুভূতিবান পুরুষের কথায় বিশ্বাস করতেই হবে। উপলব্ধ সত্য আর অর্জিত বিদ্যার অনেক প্রভেদ। 

• সমাধিবান পুরুষ প্রত্যক্ষ করে “কথা” বলে থাকেন।.. তারা অনুভূতির সঙ্গে শোস্ত্ের) যেটি না মেলে সেটি বাদ দেন, তারা বোঝেন, . ” এইগুলি পরে কেউ হয়তো ঢুকিয়েছে। তাই তারা সেগুলি গ্রহণ করেন 'না।

• দশজন লোক খুব মানলো, দশটা বক্তৃতা দিলুম, তবেই আর কি! _.সব হয়ে গেল। মানুষের যতক্ষণ স্বার্থসিদ্ধি ততক্ষণ মান দেবে। তাদের দলের সঙ্গে মিললে তোমার কদর করবে, মানবে। ওদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে অনেক সামঞ্জস্য করে, ওদের মনের মত করে বলতে হয়, তা যদি না বলো তো ওরা, কাছে ঘেঁসতে দেবে না। ওদের সম্মান হচ্ছে “পরস্পর সম্মানকারী সমিতির” সম্মান।, ওর-মূল্য কী? | -

• ঠাকুরকে চিত্ত করলেই ভেতরে শুভ সংস্কার হয়। তর ইচ্ছে ই বিবেক, বৈরাগ্য, ভজন, ভক্তি, প্রেম |

• একলা ঘরে থাকলে সর্বাগ্রে উ্রমূর্তি হয়ে ওঠে “কাম” অন্য কামনা-_বাসনা যা দশজনের সামনে মাথা তুলতে সাহস পায় না, তা তখন প্রবলভাবে আক্রমণ করে। নির্জনে গেলে নিজের স্বরূপ চেনা যায়, অহংকার দূর হয় ও ভবিষ্যতের জন্য সাধক সাবধান হতে পারে। (কিন্ত) চঞ্চলচিত্ত সাধকের পক্ষে নির্জনবাস বিপজ্জনক। |

• মানুষের সুখ দুঃখের শরীর। এর অতীত হচ্ছে ভগবানের আননদ। এই আনন্দ অনেক রকমের যেমন, ভজনানন্দ, ধ্যানানন্দ, প্রেমানন্দ, . ব্রহ্মানন্দ। .

• প্রকৃতিতে যেটুকু কর্ম আছে, নিজেকে “অকর্তা” জেনে, কর্মফল ত্যাগ করে সেটুকু করো । এই নিষ্কাম কর্মেই চিত্তশুদ্ধি হয়। তবে সাধন-ডজন না থাকলে ঠিক ঠিক নিষ্কাম কর্ম করা প্রায় অসম্ভব ... কর্ম করা কেন? ভক্তি আসবে বলে।

• তপস্যার অর্থই হলো স্বরূপকে চেনবার চেস্টা। যত ওদিকে মন যাবে তত শক্তি বাড়বে ।....আমরা ঈশ্বরের সন্তান....এই অভিমান বাড়লেই শক্তি অদম্য হয়ে গেলাে।...তপস্যা করলে ঈশ্বরের অনন্তশক্তি সাহায্য করে। সেই শক্তির সাথে মিল হয়ে যায়।

• সাধুদের সান্নিধ্যে...বার বার তাদের সংস্পর্শ অন্তরস্থিত, অবিকশিত আধ্যাত্মিকতা উন্মােচনের সহায়ক হয়। উচ্চকোটির মানুষই মন ও ইচ্ছাকে দৈবীশক্তির দিকে পরিবর্তিত করতে পারেন। সর্বোপরি তারা আধ্যাত্মিক জীবনের বাসনাকে জাগিয়ে তুলতে পারেন। তাই তাদের সান্নিধ্য প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে অত্যন্ত মূল্যবান। 

• পড়াশুনায় কত ‘গুণ’ বাড়ে। ধৈর্য, অধ্যবসায়, সঠিকতা, মনােযােগ, একাগ্রতা, দায়িত্ববােধ, দৃষ্টির প্রসারতা, অনুভূতি, কর্মকৌশল, জ্ঞানসমৃদ্ধ না হলে গোঁড়ামি এসে ঢােকে।

• পূজার দ্বারা অতি শীঘ্রই ভগবানের কৃপালাভ হয়। পবিত্রভাব একাগ্রমনে পূজা করে শেষে প্রার্থনাদির দ্বারা তার চরণে আত্মনিবেদন করবে। আর আরতি, ভজন শুনলে মন আপনিই একাগ্র হয়, চেষ্টা করে ধ্যান করতে হয় না। 

• নাম-জপের স্বাদ একবার যদি কেউ পায়, আর কিছু ভালাে লাগে না। বাধা পড়লে বিরক্ত হয়। তিনি আর তার নাম তাে আলাদা  নয়, এক এই নামের চাকায় সংসারের সব বন্ধন, জন্মান্তরের খারাপ সংস্কার পাপ-তাপ সব কেটে যায়, দেহ মন পবিত্র হয়। তাঁর নামেতে মৃত্যুভয় (আর) থাকে না। শুধু আনন্দ। মৃত্যুটা আর কী? একটা অবস্থা বৈ তাে নয়। কৈশাের, যৌবন, জরা যেমন মৃত্যুও তাই।....(তবে) প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়। ওটি যে কখন আসবে তার স্থিরতা নেই।

• ব্রহ্মময়ী মা ছাড়া আর কিছুই নেই। মা-ই সত্য মা-ই ব্রহ্ম। তাকে দর্শন করে নিজের (বােধ) করাই জীবনের উদ্দেশ্য। ভক্তি, জ্ঞানবিচার, নিষ্কাম কর্ম এসব উপায় মাত্র।

• সবই তাঁর ইচ্ছায় হচ্ছে। কেউ সন্ন্যাসী, কেউ সংসারী। সাধারণের পক্ষে ভগবানের কার্য বােঝা শক্ত। এত দুঃখ কষ্ট দিয়েই তিনি কী মহৎ উদ্দেশ্য সাধন করেন তা কি সবাই বুঝতে পারে ? 

• বিভিন্ন মতাদর্শ নিয়ে মানুষ ঝগড়া করে, কিন্তু তাকে” জানলে সব জানা হয়। কারণ সমস্ত বৈপরীত্যই তার মধ্যে মিশে গেছে।

• কেবল তার শরণাগতি, অন্য উপায় নেই। (ভয় আদি) সংস্কার কি আর বাইরের কিছু?...ও সংস্কার-টংস্কার নয়, তার মায়াই সব করছেন, আবার মুক্ত করছেন। তিনিই আবার গুরুরূপে মুক্তির উপায় বলে দিতে আসেন। 

• অনেক (দুশ্চিন্তায়) মনে করে “আমার কাম-ক্রোধ আসছে। তাহলে আমার কী হবে।”_ওতে দোষ নেই। সময় হলে ও সব আসে। যৌবনে ও সব এলে যুদ্ধ করতে হবে। এই জন্যই তাে ব্রহ্মচর্য শিক্ষা। সংসারে নানা প্রতিবন্ধক, তাই প্রস্তুত থাকতে হয়। তিনি ওই সব প্রতিবন্ধক করেছেন, আবার “গুরু” রূপে উদ্ধারও করেন, “উপায়” বলে দেন।...তিনি মায়া দিচ্ছেন, আবার গুরুরূপে চৈতন্য করছেন। তার লীলা বোঝা যায় না।

• আহার তিন প্রকার। শুধু স্থূল আহারে কি মানুষের চলে! (অপরবিদ্যা) শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান, দর্শনশাস্ত্র হলাে সূক্ষ্ম আহার—বুদ্ধিমান লােকের জন্য। আর যারা প্রকৃত “মানুষ” তাদের আহার চাই “পরবিদ্যা” যার দ্বারা (সত্যস্বরূপ) অক্ষর ব্রহ্মকে জানা যায়। 

• অখণ্ড সচ্চিদানন্দ বাক্য মনের অতীত। তাকে ধরা ছোঁয়া যায় না, তিনি কিন্তু ভক্তিতে ভক্তের কাছে বাঁধা, তাই তিনি নিরাকার আবার সাকারও বটে। অবতার যখন আসেন, সােজা পথ দেখিয়ে দেন, কর্ম দেখিয়ে দেন,কর্ম কমিয়ে দেন।....বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন রূপে, বিভিন্ন অবস্থার মধ্য দিয়ে তাকে জন্মগ্রহণ করতে হয়। কালের উপযােগী করে তাকে শেখাতে হয়।...শ্রীভগবানই জগতের মঙ্গলের জন্য শক্তি সঞ্চার করতে আসেন গুরুরূপে।..অবতারের ধ্যান ব্যতীত ভগবানকে ধরবার জো নেই।

• জগতে থাকো, কিন্তু জগৎ-কেন্দ্রিক হয়াে না। আগে নির্জনে জপ ....প্রার্থনা তপ, ধ্যান-ধারণা করে ঈশ্বর দর্শন করতে হয়। তারপর পরহিতে আত্মােৎসর্গ।

• ঈশ্বরলাভের পর কামাদির আক্রমণগত যন্ত্রণা একটুও থাকে না, তখন বিরক্তিবােধও আর থাকে না।

• যাঁদের মন ব্রহ্মে লীন হয়েছে, শরীর থাকলেও তারা জীবন্মুক্ত, তারা এই শরীরে থেকেও সংসার জয় করেছেন। সংসার তাদের আর কিছু করতে পারে না, ভালাে-মন্দ সুখ-দুঃখ এই সব দ্বন্দ্ব থেকে তারা মুক্ত, নির্লিপ্ত। সব তারা সমান (বােধে) দেখেন।

• সর্বদা তার সঙ্গে যােগ দরকার। উপায় হচ্ছে ভালােবাসা। করাে, দ্বারে আঘাত করাে, সেটি খুলে যাবে। ব্যাকুল হও।

• শিক্ষার উদ্দেশ্য দুটি। প্রথম চরিত্র সংগঠন আর দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় পাস।

• ভগবান (শরীরে) এই যে ইন্দ্রিয়গুলি দিয়েছেন তা তাকে আস্বাদন করবার জন্য....সেগুলি বন্ধনের কারণ, সেগুলি আবার মােক্ষেরও কারণ হতে পারে। প্রেয় ত্যাগ করলেই শ্রেয় লাভ ঘটে।

• যার হৃদয় পবিত্র, সে-ই ভগবানকে দেখতে পায়। সাধারণে শুনতেই চায় না। অতীন্দ্রিয় তত্ত্ব নেবার শক্তি কই? কর্মক্ষয় না হলে ধারণাই হয় না।

• ভক্ত যে ভগবানকে ডাকে, সে ভগবানের গুণে। ভগবানই ভক্তকে ডাকান, সেটা ভক্তের গুণ নয়। তিনিই হচ্ছেন প্রেরণাদায়ী শক্তি।

• প্রতিষ্ঠান বা আশ্রম মানুষের জন্য। মানুষ তাে আর আশ্রমের জন্য নয়। শান্ত সমুদ্রে সকলেই ভালাে জাহাজ-চালক হতে পারে। ঝড়ঝঞ্জার মধ্যে জাহাজ চালাতে পারে যে সে-ই দক্ষ। তেমনিই সে-ই প্রকৃত সাধক যে কামাদির তাড়না সত্ত্বেও ঈশ্বরের দিকে মন রাখতে পারে।

• ভগবানের সৃষ্টি কি এতটুকু! অনন্ত জগৎ। তিনি কাকে দিয়ে কী কাজ করান বােঝা শক্ত।..তিনিই কর্তা আর করয়িতা, আমরা বুঝি আর বুঝি।


• মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের বাণী, Quotes by Sri Mahendranath Gupta ,, রামকৃষ্ণ কথামৃত , রামকৃষ্ণ শিষ্য, আধ্যাত্মিক বানী, বাংলা বানী 

শ্রী "ম" - মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের বাণী - Quotes by Sri Mahendranath Gupta শ্রী "ম" - মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের বাণী - Quotes by Sri Mahendranath Gupta Reviewed by WisdomApps on জুলাই ২৪, ২০২১ Rating: 5

সাধক বামাক্ষ্যাপার চিরন্তন বাণী - পড়ুন - শেয়ার করুন

জুলাই ২৩, ২০২১


• কুণ্ডলিনী জাগেন মানে , মানুষের মধ্যে যত ছোট ছোট হীনভাব আছে, মন সে-সব ছেড়ে বড়র দিকে লক্ষ্য করে । কারো যোগ-যাগ, কারাে বিদ্যা, কারাে ধর্ম, কারাে ভগবান, কারাে বড় বড় কর্ম-যাতে অনেক মানুষের ভালাে হয়—ওই সব দিকে প্রবৃত্তি যায়। জীবের মধ্যে কুণ্ডলিনী জাগার প্রথম লক্ষণই হলাে যে, যে অবস্থায় আছে, সে অবস্থাকে হীন, কষ্টকর...বলে মনে হয় সে কিছুতেই আর সেই অবস্থায় থাকতে চায় না, বিষম ছটফটানী আসে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য।

• শাস্ত্র কি আবার লােক হাসবার উপদেশ দেয়।...মায়ের নামে যে মদ খেয়ে ঢলাঢলি করে, তার নাম করতে নেই। যারা কিছু জানে না,তারাই কেবল শাস্ত্রটাকে নষ্ট করে। 

• এমন মানুষ আছে যে কামশক্তিকে চৈতন্যমুখী করে অনেক উচ্চগতি পেয়েছে। শ্রেষ্ঠ প্রতিভা বিকাশের মূল হলাে ওই শক্তি, যা ক্রমে তােমায় শক্তির কেন্দ্রের দিকে টেনে নিয়ে যাবে। মা জগদম্বার কোলে নিয়ে ফেলবে। তখন আর কিছু পাওয়ার বাকি থাকবে না। ভােগ-উপভােগগুলাে শেষ হয়ে গেলে,...কারাে কাছে যেতে হয় না। মা তারা আপনিই পর পর যা কিছু প্রয়ােজন, তা সব জানিয়ে দেন ঘরে বসে বসে পাবে সব।

• মায়া ত্যাগ করবে কি!...মায়া থাকলেই মহামায়ার কাজ ভালাে করে করা যায়।...কারাের অসুখে....তার আরােগ্যের খুব চেষ্টা করলে, কিন্তু সে যদি তাতে না বাঁচে, মরে যায়, তখন অভিভূত না হলেই তাহলেই মায়াকে জয় করা হলাে। তা না হলে একজন কষ্ট পাচ্ছে, তুমি দেখেও যদি মায়াত্যাগ করে চলে যাও, তাহলে তুমি কি মানুষ! আগে তুমি তাকে ভালাে করবার চেষ্টা করবে তারপর যা হওয়ার হবে।...সে কাজ তাে মায়েরই কাজ।

• (বিদ্যায় উপাধিধারীর) যদি সব সময় (আমি) এটা পাশ (ওটা) পাশই মনে হতে লাগলাে, তাহলে আমি ভগবানের দাস”—এটা মনে হবে কেমন করে? এই পাশ করা, দাস করাটায় বাধা দেয় বলেই তাে বন্ধন।...ওতে কী আছে শুধু অহংকার।...যার মনে তা নয়, তার হলাে; ভালােই হয়। 

• জন্মের হেতু প্রবৃত্তি। প্রবৃত্তির নিবৃত্তিই জন্ম নাশের হেতু। কেন না জীব প্রবৃত্তির বশে কর্ম করে। তার ফলেই তাকে জন্মাতে হয়। কিন্তু প্রবৃত্তির হেতু কী ?..আসক্তি বিদ্বেষ কিংবা প্রমাদ দোষ ছাড়া কোনাে বিষয়ে জীবের প্রবৃত্তি হয় না। এই সব মােহকর বিষয়ও আবার মিথ্যা জ্ঞান থেকে উদ্ভূত। অতএব এই মিথ্যা জ্ঞানের উচ্ছেদ সাধন করতে না পারলে দুঃখের হাত হতে নিস্তার পাওয়ার অন্য উপায় নেই। তত্ত্বজ্ঞানের দ্বারা মিথ্যাজ্ঞানের নাশ হয়। এই তত্ত্বজ্ঞান ভক্তি বিশ্বাসে পাওয়া যায়।

• কুণ্ডলিনী জাগার সঙ্গে সঙ্গে এমনই একটা শক্তি পাওয়া যায় যে, সব থেকে নিজের উদ্দেশ্যটা ঠিক আলাদা করে নেওয়া যায়, তাতেই মঙ্গল হয়। 

• জপ করলে শীঘ্র সিদ্ধিলাভ করা যায়, বেশি বিদ্যাবুদ্ধি দরকার করে না।...কেবল শুনলে কী হবে? করে দেখ না। তাহলেই জানতে পারবে।

• “গুরুলাভ” হলেই শক্তি জাগে। সেরকম গুরু হলে শিষ্যের শক্তি তিনিই জাগিয়ে দেবেন।..(আবার) যদি কঠিন বিপদ আপদ আসে, কি কঠিন রােগ হয়, সে অবস্থায় ও কুণ্ডলিনী জেগে ওঠে। কোনাে কোনাে সময় কারাে জীবনে হয়তাে এমন কিছু ঘটে যাতে তার সুখের সীমা থাকে না, এমন সুখ যাতে সংসারের আর কোনাে সুখকে সুখ বলে মনে হয় না। তখনাে ওই শক্তি জেগে ওঠে।...সুখ হােক বা দুঃখ হােক মানুষের জীবনে বা প্রাণে যাতে জোরে ঘা লাগে তাতেই কুণ্ডলিনী জেগে ওঠে। ওই শক্তিটাই সব শক্তির মূল। সেই জন্যই ওকে মূলাধার (স্থিত) শক্তি বলে।

• সাধনক্ষেত্রে একপ্রকার অবস্থা আছে তা ‘অবধূতের অবস্থা, ব্রহ্মজ্ঞানের সাধনার চরমাবস্থা—সাধারণের চোখে মৃতের অবস্থা। তখন সাধকের আর কিছুই বিচার থাকে না, তখন আর সে নিজেতে থাকে না। তখন সে “তাতে মিলিত হয়ে এক হয়ে গেছে।...“অঘােরীরা, ....আশ্রমে প্রবেশ করেন না, লােকালয়েও আসেন না।....তখন আর তাদের “আমিত্ব থাকে না, তত্ত্বমসি' (ব্রহ্মত্মবােধ) হয়ে গেছে, সে অবস্থার লােককে সহজে চেনা যায় না, তখন তাদের আর বাহ্যিক কোনাে বিষয়ে জ্ঞান থাকে না। তারা তখন দেহ থেকে পৃথক (বােধের) হয়ে গেছেন, দেহের সঙ্গে আর তাদের আত্মবােধক সম্বন্ধ নেই, সুতরাং জগতের সঙ্গেও ও আর তাদের সম্বন্ধ কী? তারা মায়ের সঙ্গে একমাত্র সম্বন্ধ রেখে অন্য সব সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন, সে অবস্থা কি সহজে হয়।

• মা তারা ব্রহ্মও বটে আবার দয়াময়ী ‘মা’ও বটে দুইই। জ্ঞানীর কাছে যিনি নিরাকার, ভক্তের কাছে তিনি সাকার।..তিনি সগুণও বটে, নিগুণও বটে।...এক চৈতন্যে জগৎ চেতন। জড় পদার্থ যিনি, উদ্ভিদেও তিনি, মনুষ্যেও তিনি। সমস্ত সত্য। তবে সেই চৈতন্যকে জানার ইতিবিশেষে-সৃষ্টির ক্রমবিকাশ। মানুষই তাকে ভালােরূপে জানতে পারে।...তারা মা ব্রহ্মের ইচ্ছাশক্তি, আত্মশক্তি অর্থাৎ স্বয়ং ব্রহ্ম ; তারই ইচ্ছাক্রমে এই চরাচর জগতে ত্রিমূর্তিতে সৃষ্টি, পালন ও হরণ হচ্ছে। মহাপ্রলয়ের মহাকাল গর্ভে সকলেই লয়প্রাপ্ত হয়, আবার মহাকাল আমার মায়েতেই লয় হয় বলে আমার মায়ের নাম কালী সকলের আদি বলে তাকে ‘আত্মকালী’ বলে। এ জগৎ মায়ের মূর্তি।

• সত্যের বলে বলীয়ান হলে তােমাকে কেউ হটাতে পারবে না। সত্যের চেয়ে আর ধর্ম নেই। সত্য রক্ষার জন্য মন তৎপর হলে, সহজে মনের ময়লা দূর হয়ে যায়। মনের পবিত্রতা সাধন হলেই মায়ের (কৃপা) দয়া তার ওপর পড়ে। 

• নিবৃত্তমার্গের মানুষকে মা ঠিক বুঝিয়ে দেন। ওই ভাবের বুদ্ধি থেকেই সংযমের শক্তি আসে। এই সার কথা। 

• সৃষ্টির আদি কারণ পুরুষ-প্রকৃতি। এই পুরুষ, প্রকৃতি আবার সর্বশক্তি স্বরূপিনী মহাবীজ হতে সমুদ্ভুতা ..সেই বীজই হলেন ব্রহ্মা এবং তার শক্তিই হলেন মা আদ্যাকালী, তার ক্ষয় নেই। যার উৎপত্তি আছে। তারই ক্ষয় আছে। তার উৎপত্তি নেই, সীমা নেই, ধ্বংস নেই। তিনি সদাসর্বদা পূর্ণ। তিনিই ভগবান, সর্বকারণের কারণস্বরূপ। এখন সেখানে স্ত্রীত্বও আরােপ করতে পারাে, পুংত্বও আরােপ করতে পারাে। এই জন্য সাধন ক্ষেত্রে কেউ তাকে মা বলে ডাকে। কেউ বা ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব বলে ডাকে, আমার বিশ্বাস ‘মা’ বললে সাধনায় যত জোর হয়, এতাে আর কিছুতেই হয় না। 

• ভক্তি বড় দুর্লভ। সংসারের কামনা হৃদয়ে জাগরুক থাকলে তা আসে । তােমার প্রাণ সতত যে ভাবে ভােগ চায়, শরীরের সুস্থতা চায়...ভক্তি কি সে ভাবে চায় ?...(আগে) বেশ করে ঝেড়ে দম মেরে যৌবনটা ভােগ করে এলে ভালাে।...জীবনের রসটা ভালাে করে এলে যােগটা হয়। গুরু না হলে তাে ‘কুণ্ডলিনী’ জাগবে না। সব কিছু সাধনের গােড়ার কথাই হলাে ওই কুণ্ডলিনী ওটি না জাগলে কিছুই হবে না।...কুণ্ডলিনী সবারই আছে। সবারই জাগবে, তবে সাধন করলে, আর সময় হলে। সাধন সময় হলে, সাধন করলে সে জাগবে, না করলে ঘুমবে।

• কুণ্ডলিনী শক্তি চৈতন্যশক্তিই। সাধারণতঃ একে সুপ্ত চৈতন্যের জাগরণ বলে।....জেগে উঠে তার গতি হয় বিকাশের পথে, অর্থাৎ প্রাণকেন্দ্রের দিকে। সেই কেন্দ্র হলাে প্রজ্ঞাচক্র, সেটা প্রাণ, মন, বুদ্ধি আত্মা সবেরই কেন্দ্র, কি-না অধিষ্ঠান স্থান। মানুষের সব কিছু ধারণার স্থান হলাে ওইখানে।

• ‘ক’, খ না শিখে কি একেবারে বই পড়তে পারা যায় ? মন্ত্র গ্রহণ করা দরকার। মন-তাের মন্ত্র। তাে মন নানাদিকে ঘুরে-বেড়িয়ে বারফাটকা হয়ে পড়ে সে আর তাের নেই। তাকে তাের নিজের করবার জন্যে, কেবল রাখবার জন্যে ‘মন্ত্র’ নেওয়া দরকার। গুরু-মন্ত্র জপ করতে করতে তাের মন যেমন পর হয়ে গিয়েছিল, সে আবার তাের হয়ে যাবে, মন তোের না হলে কিছু কাজ হবে না।

• কে কোন্ পথ ধরে যে মাকে পায়, তা বলবার যাে নেই। সে দয়াময়ীর দয়া। তিনি পাষণ্ডকেও উদ্ধার করতে পারেন, আবার ভালােলােককেও পারেন। তবে তন্ত্রের সাধনা কী রকম জানাে? যােগ—ভােগ এক সঙ্গে। কুলাচারে প্রবৃত্ত হলে তাই হয়। (সাধনা) বাহ্যিক করতে করতে আন্তরিক আপনিই হয়।


Search: সাধক বামাক্ষ্যাপার চিরন্তন বাণী , বামাখ্যাপা, সাধক বামাক্ষ্যাপা বাণী, বামাক্ষ্যাপা উক্তি, বামাক্ষ্যাপার ছবি, sadhak bamakhepa, spiritual quotes
সাধক বামাক্ষ্যাপার চিরন্তন বাণী - পড়ুন - শেয়ার করুন সাধক বামাক্ষ্যাপার চিরন্তন বাণী - পড়ুন - শেয়ার করুন Reviewed by WisdomApps on জুলাই ২৩, ২০২১ Rating: 5

ভলতেয়ার উক্তি - অনুপ্রেরণাদায়ক ও শিক্ষনীয় উক্তি quotes by Voltaire

জুলাই ২২, ২০২১
ভলতেয়ার উক্তি


• শাস্তি পাওয়াতে নয়, অপরাধ করাতেই লজ্জা।

• অর্থের ব্যাপারে সবাই এক ধর্মাবলম্বী।

• ভীতি অপরাধীকে তাড়া করে ফেরে, এটাই তার অপরাধের শাস্তি।

• বিষয়, উদ্দেশ্য, লক্ষ্য এবং এ সম্পর্কিত সকল সৃষ্টির উৎস হচ্ছে আনন্দ।

• কোনাে আনন্দই মানুষকে পরিপূর্ণ সুখী করতে পারে না।

• সত্যি যদি ঈশ্বর বলে কিছু না থাকতাে, তাহলে মানুষের প্রয়ােজন হতাে তাকে আবিষ্কার করার।

• একটি কাঠি পােড়ানাের আলােও তারাকে লুকিয়ে রাখতে পারে, কিন্তু তারা আবার দেখা যাবে।

• দুঃখের একমাত্র মৌন ভাষা হলাে অশ্রু।

• আমরা কোনাে খবর শােনার পর সব সময় আমাদের তার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অপেক্ষা করা উচিত।

• ডাক্তারেরা এমনি এক ধরনের মানুষ যারা এমনি সব ঔষধ পথ্যের নির্দেশ দেন যে সম্বন্ধে তারা খুব অল্পই জানেন আর এমন সব রােগ আরােগ্যের ঔষধ দেন যে রােগ সম্বন্ধে আরও কম জানেন এবং লােকদের সেই রােগের ঔষধ দেন যাদের সম্বন্ধে তারা একেবারে কিছুই জানেন না। 

• প্রতিভা বলে কোনাে জিনিস নেই। পরিশ্রম করাে, সাধনা করাে, প্রতিভাকে অগ্রাহ্য করতে পারবে।

• মেয়েরা একটা মাত্র কথাই গােপন রাখতে পারে সে হলাে তাদের বয়স।

• বিবাহ প্রথার প্রায় শুরুর কাল থেকেই বিবাহ বিচ্ছেদের শুরু; আমার মনে হয় বিবাহ প্রথা কয়েক সপ্তাহ বেশি প্রাচীন।

• বিরক্তির গূঢ় কারণ হলাে সবকিছু করা বা বলা।

• যে নিজেকে খুব জ্ঞানী ও বিজ্ঞ মনে করে, ঈশ্বরের দোহাই সেই সবচেয়ে বড় বােকা।

• ভয় অপরাধ থেকেই জন্ম নিয়ে থাকে। আর এটাই ভয়ের শাস্তি।

• সবার কাছে যে নাম প্রসিদ্ধি লাভ করে সে নাম খুব বড় বােঝা হয়ে দাঁড়ায়।

• ঈশ্বর বিজয়ী দলের পক্ষেই থাকেন।

• যদি তুমি সচেতন না থাকো তাহলে, একজন বিশ্বস্ত এবং ভালাে রাঁধুনীও তােমাকে ধীরে ধীরে বিষ প্রয়ােগ করবে।

• সাধারণ জ্ঞান তত সাধারণ নয়।

• দু’দিনের জন্যেই তাে আমাদের জীবন, এই সামান্য সময়টুকু যেন আমরা ঘৃণ্যতার পদতলে বিসর্জন না দেই।

• কুসংস্কার সমস্ত পৃথিবীকে জ্বালিয়ে দেয় আগুনে, আর দর্শন তাকে নির্বাপিত করে।

• যে কেউ নিজের দেশের ভালােমতাে সেবা করতে পারে, তার পূর্ব-পুরুষের পরিচয়ের প্রয়ােজন হয় না।

• মানর স্বভাব শিক্ষার চেয়ে অধিক শক্তিশালী।

• স্বাধীনতা এত দুর্লভ কেন? কারণ তা হচ্ছে সর্বাধিক কল্যাণকর।

• চিন্তার স্বাধীনতাই আত্মার শক্তি।

• সুখের স্রষ্টা হচ্ছে পেট।


ভলতেয়ার উক্তি - অনুপ্রেরণাদায়ক ও শিক্ষনীয় উক্তি quotes by Voltaire ভলতেয়ার উক্তি - অনুপ্রেরণাদায়ক ও শিক্ষনীয় উক্তি  quotes by Voltaire Reviewed by WisdomApps on জুলাই ২২, ২০২১ Rating: 5

জর্জ বার্নার্ড শ এর উক্তি ও জীবনদর্শন - আপনার ভালো লাগবেই

জুলাই ২১, ২০২১

 জর্জ বার্নার্ড শ এর সেরা কিছু উক্তি - 


• আত্মীয়জনরাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম বন্ধু, সহায় ও সহায়তাকারী। 

 • যাদের একটা গভীর অন্তর্দৃষ্টি আছে, তাদের কাছে কোনাে কিছুই অদৃশ্য বা অজ্ঞেয় থাকে না।

• যা অবােধ্য, তা মানুষের কোনাে কাজে লাগে না বা উপকারে আসে না।

• সূক্ষ্ম আনন্দবােধ থেকেই অধিকাংশ বেদনার জন্ম।

• যারা আপােস করতে জানে না তারা বর্বর।

• জীবনে দুটি ট্রাজেডি আছে। একটা হলাে আকাঙ্ক্ষা করে কিছু না পাওয়া, অন্যটা হলাে তা পাওয়া।

• জঠরই জগতকে চালায়।

• কল্পনা জীবন ও জগতকে ভালােবাসতে উদ্বুদ্ধ করে। জীবন এক বিস্ময়কর প্রাপ্তি, একে শেষ পর্যন্ত উপভােগ করা প্রয়ােজন।

• নতুন কিছু করাই তারুণ্যের ধর্ম।

• দরিদ্র্যের যন্ত্রণা দরিদ্রকে যে কোনাে দুষ্কর্মে প্ররােচিত করে।

• প্রয়ােজনীয় দুর্ভোগেরই অপর নাম নারী।

• নাস্তিকরা ভাববাদী, কোনাে ধর্মে নয়, পৃথিবীর সব চেয়ে বড় ধর্ম মানবধর্মে বিশ্বাসী।

• সৃষ্টির দায়িত্ব নারীর, পুরুষের নয়। নারী পুরুষকে ভালবাসে যেমন সৈনিক ভালােবাসে তার বন্দুককে। বন্দুক সৈনিকের উদ্দেশ্যসাধনের অস্ত্রমাত্র। পুরুষও তেমনি নারীর।

• সব অনুরক্ত পুরুষেরা মেয়েদের বেলায় এক রকম।

• প্রেম হলাে সিগারেটের মতাে, যার আরম্ভ হলাে অগ্নি দিয়ে আর শেষ পরিণতি ছাইয়েতে।

• পরশ্রমজীবী বা অনুপার্জিত চিত্তের অধিকারী যারা, যারা পরের শ্রমে জীবিত ও পরিপুষ্ট, তারাই ঘৃণাহ।

• অনেকে বসন্তকে ভালােবাসার ঋতু বলে, আমি বলি সব ঋতুই ভালােবাসার ঋতু।

• বিচক্ষণ মানুষেরা বিপদে পড়ে কম।

• বিদ্যালয় মানুষকে কেবল পড়তে শেখায়, এর বেশি একটা বিদ্যালয় মানুষকে কিছু দিতে পারে না। স্বশিক্ষিত মানুষই প্রকৃত শিক্ষিত, আমার কাছে তাই বিদ্যালয়ের শিক্ষার কোনাে গুরুত্বই নেই।

• আমি ভাগ্যবান কারণ আমি পুরুষ হয়ে জন্মেছি।

• বিদ্বান লােক বড়ই কুড়ে, সে পড়াশুনা করেই সময় নষ্ট করে।

• স্কুল কলেজে যাদের হাঁদা গােবা হাবা বলে হাল ছেড়ে দেওয়া হয়, পরবর্তীকালে তারা অকস্মাৎ সার্থক হয়ে ওঠে। তার কারণ, তারা নির্বোধ নয় এবং তারা জীবনের সত্যিকার যুদ্ধে নামবার আগে ভালাে পােড় ছেলেদের মতাে শক্তির অপচয় করে ফেলে না।

• আমি গভীর চিন্তার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, মানবজাতি মাঠে বলের পিছনে ছােটাছুটি করবার চেয়ে উন্নততর কোনাে কাজের উপযুক্ত নয়।

• সম্পদ বৃদ্ধি না করে যেমন তা ভােগ করার অধিকার আমাদের নেই, তেমনি সুখ বৃদ্ধি না করে তা ভােগ করার অধিকার আমাদের নেই।

• মেয়েমানুষ হলাে সায়াপরা মানুষ আর না হলে মানুষ হলাে সায়াছাড়া মেয়েমানুষ।

• রক্ষণশীল ব্যক্তিরা সমাজের ও জগতের অগ্রগতিকে প্রবলভাবে ব্যাহত করে।

• পৃথিবীতে মাত্র দুটি গুণের সমন্বয় দেখা যায়; যােগ্যতা আর অযােগ্যতা, আর দুটি মাত্র শ্রেণির লােকও দেখা যায়, যােগ্য ও অযােগ্য ব্যক্তি।

• ক্রুদ্ধ অবস্থাতে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা কার্যকর না করাই শ্রেয়।

•স্বাধীনতার অর্থই দায়িত্ব । আর, সেজন্য বেশির ভাগ মানুষই তাতে ভয় পায় । 

• যা রক্তকে লাল করে তা হল সাহস , সাহস এবং সাহস । 

• বেশ্যাবৃত্তিতে যেমন সৃষ্টিশক্তির করুন অপচয় , সতিত্বের মধ্যেও তেমনি সৃষ্টিচেতনার প্রতি অমার্জনীয় অপরাধ । 


জর্জ বার্নার্ড শ এর উক্তি ও জীবনদর্শন - আপনার ভালো লাগবেই জর্জ বার্নার্ড শ এর উক্তি ও জীবনদর্শন - আপনার ভালো লাগবেই Reviewed by WisdomApps on জুলাই ২১, ২০২১ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ১৮ই জুলাই থেকে ২৪শে জুলাই ২০২১

জুলাই ১৮, ২০২১

বারো রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল পড়ুন - কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে - জেনে নিন - 

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ১৮ই জুলাই থেকে ২৪শে জুলাই ২০২১ কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ১৮ই জুলাই থেকে ২৪শে জুলাই ২০২১ Reviewed by WisdomApps on জুলাই ১৮, ২০২১ Rating: 5

ঠাকুর শ্রীশ্রী অনুকুল চন্দ্রের বাণী - Quotes by Thakur Anukul Chandra

জুলাই ১৩, ২০২১

পরমপিতা শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের বাণী

quotes_by_thakur-anukul_chandra


মানুষ ঊষা-নিশায় যদি নামধ্যান করে,সকালে উঠে নাম ক'রে কষে ইষ্টভৃতি করে, এবং চলাফেরায় জপ চালায় নিয়মিতভাবে, তার বেকায়দায় পড়া অসুবিধা আছে। মানুষের আদত জিনিষ মাথা, মাথাটা যদি সুস্থ,সাবুদ,সক্রিয় থাকে, আর চলা যদি তদনুপাতিক হয়,তাহলে সে কী করতে পারে আর না পারে, তার কুল-কিনারা নাই।সব experimental fact(পরীক্ষিত সত্য)।

• যে খেয়াল বিবেকের অনুচর, তারই অনুসরণ কর, মঙ্গলের অধিকারী হবে।

• যে-কর্মে মনের প্রসারণ নিয়ে আসে তাই সুকৰ্ম্ম, আর যাতে মনে সংস্কার, গোঁড়ামি ইত্যাদি আনে, ফলকথা, যাতে মন সংকীর্ণ হয় তাই কুকর্ম।

• সংযত হও, কিন্তু নির্ভীক হও। সরল হও, কিন্তু বেকুব হয়াে না। তাই বলে দুৰ্বল হৃদয় হয়াে না।

• পৃথিবীর পূর্ধ্বতন অবতার, প্রেরিত ও মহাপুরুষদিগকে আপ্ত বলিয়া স্বীকার করা এবং সন্ত্ৰমের সহিত তাঁহাদের প্রতি সশ্রদ্ধ থাকা উচিত।

• বিনীত হও,.মানুষের নিজ প্রবৃত্তিগুলির আকাঙ্খপূরণের টানের চাইতে ইষ্টে বা ইঙ্গিতে বেশি টান না থাকিলে অদৃষ্ট বা সঞ্চিত কৰ্ম্মফলের বিরুদ্ধে কিছুতেই কৃতকার্য হওয়া যায় না। 

• অর্থ, মান, যশ ইত্যাদি পাওয়ার আশায় আমাকে ঠাকুর সাজিয়ে ভক্ত হ’য়াে না, সাবধান হওঠকবে; তােমার ঠাকুরত্ব না জাগলে কেহ তােমার কেন্দ্রও নয়, ঠাকুরও নয়—ফাঁকি দিলেই পেতে হবে তা। 

• জগতে মানুষ যত-কিছু দুঃখ পায় তাঁর অধিকাংশই কামিনী-কাঞ্চনে আসক্তি থেকে আসে, ও দুটো থেকে যত দূরে সরে থাকা যায় ততই মঙ্গল।

• যদি সাধনায় উন্নতি লাভ করতে চাও, তবে কপটতা ত্যাগ কর।

• প্রত্যেকের মা-ই জগজ্জননী। প্রত্যেক মেয়েই নিজের মায়ের বিভিন্ন রূপ, এমনতর ভাবতে হয়।

• অমৃতময় বারি কপটের নিকট তিক্ত লবণময়, তীরে যাইয়াও তাঁর তৃষ্ণা নিবারিত হয় না।

• যদি শিক্ষা দিতে চাও তবে কখনই শিক্ষক হতে চেওনা। আমি শিক্ষক, এই অহঙ্কারই কাউকে শিখতে দেয় না।

• অসৎ কথা বলার চেয়ে সৎ কথা বলা ভাল নিশ্চয়, কিন্তু বলার সঙ্গে কাজ করা ও অনুভব না থাকলে কী হ’ললা—বেহালা, বীণা যেমন বাদানুগ্রহে বাজে ভাল, কিন্তু তারা নিজে কিছু অনুভব করতে পারে না।

• পরনিন্দা করাই পরের দোষ কুড়িয়ে নিয়ে নিজে কলঙ্কিত হওয়া; আর, পরের সুখ্যাতি করা অভ্যাসে নিজের স্বভাব অজ্ঞাতসারে ভালো হয়ে পড়ে। তাই বলে কোনো স্বার্থবুদ্ধি নিয়ে অন্যের সুখ্যাতি করতে নেই। সে তো তোষামোদ। সেক্ষেত্রে মন ও মুখ প্রায়ই এক থাকে না। সেটা কিন্তু বড়ই খারাপ, আর তাতে নিজের স্বাধীন মত প্রকাশের শক্তি হারিয়ে যায়।

• যেমন ডালিম পাকলেই ফেটে যায়, তােমার অন্তরে সৎভাব পাকলেই আপনি ফেটে যাবে—তােমায় মুখে তা প্রকাশ করতে হবে না।

• ধনী—হও ক্ষতি নাই, কিন্তু দীন, এবং দাতা হও। ধনবান যদি অহঙ্কারী হয়, সে দুর্দশায় অবনত হয়।

• সৎ-চিন্তায় নিমজ্জিত থাক, সৎ-কৰ্ম্ম তােমার সহায় হবে এবং তােমার চতুর্দিক সৎ হয়ে সকল সময় তােমাকে রক্ষা করবেই করবে।

• যেরূপ আদর্শে তুমি বিশ্বাস স্থাপন করবে, তােমার স্বভাবও সেইভাবে গঠিত হবে, আর তােমার দর্শনও তদ্রুপ হবে। 


• .নিষ্ঠা রেখাে, কিন্তু গোঁড়া হয়াে না। সাধু সেজো না, সাধু হতে চেষ্টা কর।

• কোন মহাপুরুষের সঙ্গে তােমার নিজের তুলনা করাে না, কিন্তু সর্বদা তাঁর অনুসরণ কর।

• যখনই দেখবে, গুরুর আদেশে শিষ্যের আনন্দ হয়েছে, মুখ প্রফুল্ল হয়ে উঠেছে, তখনই বুঝবে যে তার হৃদয়ে শক্তি এসেছে।

• গুরুকে আমার বলে জানতে হয়—মা, বাপ, পুত্র ইত্যাদি বাড়ির লােককে ভাবতে গেলে যেন তাঁর মুখও মনে পড়ে। গুরুই ভগবানের সাকার মূর্তি, আর তিনিই অখণ্ড।

• নিজ হাতে গুরুসেবা করলে অহঙ্কার পাতলা হয়, অভিমান দূরে যায়, আর প্রেম আসে।

• নাম করলেই হয়,নামে সব আবর্জ্জনা জ্ব'লে যায়।সর্ব্বক্ষণ নাম করতে হয়, কাজকর্ম্ম বাদ না দিয়ে।নাম করতে থাকলে প্রথম একটা জিনিষ হয়,ইষ্টের সান্নিধ্য-প্রলোভন দারুণ বেড়ে যায়।কিন্ত indolent (অলস)সান্নিধ্য-প্রলোভন,যা' সেবা-প্রধান নয়,তা' helpful(সহায়ক)হয় না।সান্নিধ্য -প্রলোভন হওয়া চাই তরতরে সেবাপ্রতুল।নাম খুব চেতানো লাগে অনুরাগ আবেগ নিয়ে--কর্ম্মপ্রবণতাকে প্রবুদ্ধ ক'রে। এতে চরিত্রে জমে ওঠা মলিনতার জটপাকান নীরেট জঞ্জালগুলি পুড়ে যায়,ফেটেফুটে যায়,আবার আসে normal balance ( স্বাভাবিক সমতা)।


• আমরা বদভ‍্যাসের কাছে এমনভাবে আত্মসমর্পণ করি যে, মনে হয়, যত ক্ষতি হয় হোক কিন্তু এটা ছাড়ব না। প্রবৃত্তির দাসত্ব হ'লে এমনতরই হয়, আর ইষ্টের প্রতি অনুরাগে আসে একটা wise conscious adjustment and manipulation of all complexes and obstacles (প্রবৃত্তি এবং বাধাগুলির প্রাজ্ঞ সচেতন বিন‍্যাস ও পরিচালনা)। এখানেও উপভোগ, ওখানেও উপভোগ। কিন্তু একটা যেন চিটে গুড় আর একটা যেন মিশ্রীর পানা। অদম‍্য অনুরাগে নিজেকে ইষ্টের সঙ্গে বেঁধে ফেলে সেইভাবে ঝাঁপ দিতে হয়, তবেই অসাধ‍্য সাধন করা যায়। শ্রীকৃষ্ণের বা বুদ্ধদেবের কি ভোগের বস্ত কম ছিল? কিন্তু কিছুই আকর্ষণ বিস্তার করতে পারল না তাঁদের মনের উপর। অত কঠোরতার মধ্যে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানই তাঁদের কাছে প্রীতিপদ মনে হ'ল। এটা একটা প্রেরণাপ্রদীপ্ত উপভোগ। এতে সত্তার যে উল্লাস হয়, উদ্দীপনা হয়, তাতে কষ্টটাও সুখের মনে হয়। আমরা ঐ রস পাইনি ব'লে ওটাকে কষ্ট ব'লে মনে করি। কিন্তু যার মন মাতে, প্রাণ মাতে সে আদর্শের পূরণার্থে চরম দুঃখদুর্দশা হাসি মুখে বরণ ক'রে নেয়। তা যেন তার আনন্দের অপরিহার্য উপাদান।


• বন্ধুকে একটু কম ভালবাসিস্ ক্ষতি নাই, কিন্তু শত্রুকে খুব বেশী । সমুদ্রের জল থেকে লবণ বার করলে জলও খাদ্য, লবণও খাদ্য । 


• তিনি এক এবং অদ্বিতীয়। তাঁর বিভিন্ন প্রকৃতি আছে। বহুবিদ রকম আছে। সেই বহুদার মধ্য দিয়ে তিনি একধাকে জানতে চাই আমরা। তাই সঙ্গতীশীল কৃতিদীপ্ত অনুচলন ও ইষ্টনিষ্ঠা চাই। তা না হলে ঠিক ঠিক উপভোগই করা যায় না। 


• মানুষের আত্মা যেমন অমর, নিষ্ঠাও তেমনি অমর। আমরা যে অমৃত-অমৃত করি, তার চাবিকাঠি হ’ল ইষ্টনিষ্ঠা। ইষ্টনিষ্ঠা যেই একজনকে পেয়ে বসে, তখন এক-একটা প্রবৃত্তির সিন্দুকের ডালা খুলে যেতে থাকে এবং বিভিন্ন প্রবৃত্তি ইষ্টমুখী অর্থাৎ একমুখী হ'তে থাকে। তখন বােঝা যায় কামের স্বরূপ কী, ক্রোধের স্বরূপ কী লােভ, মােহ,মাৎসর্য্যের স্বরূপ কী! এবং এগুলির প্রত্যেকটির সপরিবেশ নিজের সত্তাপােষণী বিনিয়ােগ করা যায় কিভাবে। তখন মানুষ প্রবৃত্তির হাতে গিয়ে পড়ে না, বরং প্রবৃত্তিগুলি তার হাতে খেলার পুতুলের মত হ'য়ে দাঁড়ায়। বেফাঁস চলন বন্ধ হ'য়ে যায়। এইভাবে মানুষের ভিতরে অখণ্ড ব্যক্তিত্বের প্রতিষ্ঠা হয়। সে প্রাজ্ঞ হ'য়ে ওঠে। বােধিসত্ত্ব হ'য়ে ওঠে।


• একটা মেয়ে যদি ভ্রষ্টচরিত্রাও হয়, আর সে যদি পরে শ্রেষ্ঠপরায়ণা হ'য়ে ওঠে, তাহ'লে তার বরং নিস্তার আছে। কিন্তু কোন মেয়ে যদি দৈহিক পবিত্রতা বজায় রেখেও মানসিক অপবিত্রতা নিয়ে চলে, অথচ উদ্ধত দাম্ভিকতায় নিজের চাইতে শ্রেষ্ঠ ব'লে কাউকে ভাবতে না পারে, নিজের হামবড়াই প্রতিষ্ঠার খেয়ালই তা'র যথাসর্বস্ব হয়, তা'র ইহকাল- পরকালে গতি নেই। কতজনের বেলায় দেখা গেছে, শ্রেয়নিষ্ঠার ফলে তারা অমর হ'য়ে আছে। মেরী ম্যাগডালিন, আম্রপালী, পিঙ্গলা বেশ্যা। এদের জীবনের দিকে চেয়ে দেখ না?" 


• ভাগ্য মানে ভজনফল বা কর্ম্মফল।ভাগ্য এসেছে ভজ-ধাতু থেকে।ভজ-ধাতু মানে ভক্তি, অনুরাগ, সেবা,আশ্রয়, প্রাপ্তি, বিভাগ, দান ইত্যাদি।অনেকের পূর্ব্বজন্মে অনেকখানি করা থাকে, যার ফল এ-জন্মে পায়।তাই মনে হয় কিছু না ক'রেও পেল।কিন্তু পেতে গেলেই করতে হয়।অবশ্য দাগাবাজি ক'রে পাওয়ার কথা,বলছি না।পূর্ব্বজন্মের সুকৃতির কথা যা' বললাম, ওর উপর নির্ভরশীল না হ'য়ে যা' পেতে গেলে যা করতে হয়, বর্ত্তমানকালে তা' বিধিমতো করার তালে থাকাই ভাল।ঐ করাই পাইয়ে দেয়।অদৃষ্টবাদী ও আলস্যপরায়ণ হ'লে মানুষ পদে-পদেই ঠ'কে যায়।যে যা' পায় তা' করেই পায়।আগের করা এগোন থাকলে কর্ম্মদক্ষতা, বুদ্ধি ও চরিত্র তদনুযায়ী বিকশিত হয়।তার বিহিত প্রয়োগে মানুষ এ-জন্মে অপেক্ষাকৃত কম চেষ্টায় কৃতকার্য্যতা লাভ করে।


আমার বাবা বলতেন, "মানুষকে দিও, কিন্তু খুব বেশী দিও না, বেশী দিলে তার ক্ষতি হবে। আমি বলি, ততটুকু দিও যাতে সে বেঁচে থাকে। কিন্তু অভাব পুরোপুরি না ঘোচে, সেই অভাব পূরণের জন্য কিছু-কিছু খাটে, একেবারে আলসে যেন না হয়ে যায়। আর এমনভাবে দেওয়া ভাল যাতে ঐ দেওয়াটাই তোমার ক্ষতির কারণ না হয়।" কিন্তু মা বলতেন-"তা কেন? দেব তো যত পারব দেব, উজাড় ক'রে দেব, এমনভাবে দেব যে ডান হাতে দেব বাঁ হাত জানবে না-দেওয়ার মধ্যে আবার বিবেচনা কী?" -আমি এখন দেখছি-বাবার কথাই ঠিক। কিন্তু আমার প্রকৃতি এমন যে মা'র ধরণে না চ'লে পারি না।

ঠাকুর শ্রীশ্রী অনুকুল চন্দ্রের বাণী - Quotes by Thakur Anukul Chandra ঠাকুর শ্রীশ্রী অনুকুল চন্দ্রের বাণী -  Quotes by Thakur Anukul Chandra Reviewed by WisdomApps on জুলাই ১৩, ২০২১ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ১১ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই ২০২১

জুলাই ১১, ২০২১

                    


কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ১১ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই ২০২১ কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ১১ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই ২০২১ Reviewed by WisdomApps on জুলাই ১১, ২০২১ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ০৪ জুলাই থেকে ১০ জুলাই

জুলাই ০৪, ২০২১

    


পড়ুন ১২ রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল । জেনে নিন কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে ? 

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ০৪ জুলাই থেকে ১০ জুলাই কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ০৪ জুলাই থেকে ১০ জুলাই Reviewed by WisdomApps on জুলাই ০৪, ২০২১ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ২৭শে জুন থেকে ৩রা জুলাই ২০২১

জুন ২৭, ২০২১

   


কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ২৭শে জুন থেকে ৩রা জুলাই ২০২১ কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ২৭শে জুন থেকে ৩রা জুলাই ২০২১ Reviewed by WisdomApps on জুন ২৭, ২০২১ Rating: 5

ত্রৈলঙ্গ স্বামীর অসাধারন কিছু বাণী - quotes by Trailanga swami

জুন ২৬, ২০২১



quotes by trailanga swami



 • চঞ্চল স্বভাব মন যে যে বিষয়ে বিচরণ করবে সেই সেই বিষয় থেকে প্রত্যাহার করে আত্মায় নিবিষ্ট করবে।..মনকে আত্মায় নিহিত করে স্থির বুদ্ধির দ্বারা অল্পে অল্পে বিরতি অভ্যাস করবে, অন্য কিছু চিন্তা করবে না।

• সামান্য, বিষয়-সম্পত্তি “আমার” বলতে মানুষের এতাে আহ্লাদ হয়, যদি একবার সরলচিত্তে ভত্তিভাবে অনন্ত ব্রহ্মাণ্ড, যার তাকে “আমার” বলতে পারা যায়, সেটিতে তাহলে কী অপূর্ব আনন্দ হয়!

• পরমব্রহ্মই এই জগৎ উৎপত্তির নিমিত্ত ও উপাদান কারণ। সেই ব্রহ্ম ব্যতীত অন্য কিছুই নেই।...ব্রহ্ম থেকে উৎপন্ন এই জগৎ ব্রহ্মাই। বস্তুতঃ সমস্তই কেবল ব্রহ্ম।

• ভালােবাসা দ্বারা ক্রোধ জয় করাে, মঙ্গল দ্বারা অমঙ্গল জয় করাে। পরার্থপরতা দ্বারা স্বার্থপরতা জয় করাে। সত্য দ্বারা মিথ্যা জয় করাে।

• মুমুক্ষু ব্যক্তি প্রথমে স্থূলরূপের আশ্রয় নেবে ; ক্রমে ঈশ্বরের অবিনাশী পরম সূক্ষ্মরূপের লক্ষ্যে প্রবৃত্ত হলে বিশ্বরূপ যে কী প্রকার তা অনুভব করতে পারবে।

• যেমন আকাশে কুসুম (ফুল) হয় না। সেই  রূপে আত্মারও কর্তৃত্ব নেই।

• যার যে মতে বিশ্বাস, সে সেই মতেই ধৰ্মলাভে সমর্থ, কখনাে কারাে ধর্মবিশ্বাস ভঙ্গ করা কোনাে মতেই উচিত নয়।...যার যে, ধর্মে বিশ্বাস তার তাতেই মুক্তি। কারাে ধর্মে বিদ্বেষ করাে না।

• এই যে বিশ্বব্যাপী জগৎ, যা একশক্তির দ্বারা চালিত হচ্ছে, তা-ই ঈশ্বরের অনন্তশক্তি। কি স্থূল, কি সূক্ষ্ম, জগতে যতপ্রকার শক্তির ক্রিয়া দেখা যায়, তা সবই ঈশ্বরের শক্তি এবং এই শক্তিই চৈতন্যশক্তি। 

• তিনিই সকল দেহে আছেন, কেবল উপাধিগুণের সংসর্গে তাঁরই “জীব” সংজ্ঞা হয়েছে।

• বিশিষ্ট যােগী স্বীয় আত্মাতে সমগ্র জগৎ কে, এবং সেই এক আত্মাকেই সমগ্র জগৎরূপে দেখেন। এই বিশ্বসংসারে সকল প্রাণীই (স্বরূপতঃ) সমান। কারও হিংসা করা উচিত নয়।...তুমি নিজে যদি হিংসা প্রবৃত্তি ত্যাগ করাে, তবে কোনাে প্রাণীই তােমার প্রতি হিংসা করবে না।

• জগতে অনেক প্রকার সাধক আছেন। তার মধ্যে দুটি শ্রেণির সাধক প্রধান। প্রথমটির সাধক সংসারের বন্ধন ছেদ করে নিজের মুক্তির জন্য যােগ ও তপস্যা করেন। আর দ্বিতীয়টির সাধক মানব-মণ্ডলীকে আপন জ্ঞান করে তাদের মুক্তি নিজের মুক্তির সঙ্গে সংযুক্ত করেন এবং প্রেম সহযােগে তাদের ধর্মপথে আনয়ন করেন।

• ভগবানকে পাওয়ার জন্য যদি প্রাণ কেঁদে ব্যাকুল হয়, তবে নিশ্চয় জানবে, ভগবান স্বয়ং তােমার সহায় হয়ে সদ্গুরু মিলিয়ে দেবেন।

• সমাধি অর্থে ব্ৰহ্মে মন স্থির করা, জীবাত্মা ও পরমাত্মার একীকরণ (বােধ) সমাধি যােগের ফলস্বরূপ। চিত্ত বশীভূত হয়ে সকল কার্যে নিস্পৃহ হয়ে আত্মাতেই যখন অবস্থান করে তাকেই “সমাধি” বলে।

• যে রকম এক আকাশকে ঘটাদি উপাধিভেদে ঘটকাশরূপে ভিন্ন ভিন্ন বােধ হয় এবং ঘট ভগ্ন হলে যে এক আকাশ আছে তা-ই থাকে, (কারণ) আকাশ ভিন্ন ভিন্ন হয় না, তেমনই এক পরমাত্মাকে নানা উপাধিভেদে ভিন্ন ভিন্ন আত্মারূপে বােধ হয়। উপাধি বিনাশ হলে যে এক, পরমাত্মা তাই থাকেন। বদ্ধ কে?—যে বিষয়াসক্ত। মুক্তি হয় কিসে?—আত্মজ্ঞানে। কিসের বিনাশে মােক্ষ হয়?—চিত্তচাঞ্চল্য (বিনাশে)। জাগ্রত কে?—যার সদসৎ বিবেক আছে। জীবন্ত কে?—যে উৎসাহশূন্য। মােহান্ধ কে?—যে কামাতুর। পাশবদ্ধ হয় কিসে?–মমত্ব ও অভিমানে। দুঃখী কে?—যে বিষয়ানুরাগী। মূখ কে?—যে বিবেকহীন। দুস্যা কী?-কু বাসনা। চঞ্চল কী?—মন, ধন, যৌবন ও আয়ু। দিব্যব্রত কী? সকলের কাছে বিনয়ী থাকা। প্রকৃত বন্ধু কে?—যে বিপদকালে সহায়। পরমতীর্থ কে?—শুদ্ধচিত্ত। ধন্য কে?—যে পরােপকারী। পূজ্য কে? যিনি ব্রহ্মজ্ঞ।

• বিষয়-কার্য অনুরােধে যে কথা না বললে কার্যসিদ্ধি হয় না, কেবল। সেই কথা মাত্র বলবে...বৃথা বাক্য উচ্চারণ করলে তেজ ক্ষয় হয়। আমি কর্তা নই। সুতরাং আমার বন্ধন ও মুক্তি নেই। আমি দেহ নই। সুতরাং আমার জন্ম-মৃত্যুও নেই। আমি প্রাণ নই। সুতরাং আমার ক্ষুধা-তৃষ্ণা নেই। আমি চিত্ত নই। সুতরাং আমার শােক-তাপ মােহাদিও নেই।

• আমি সৎ চিৎ আনন্দ পরমাত্মা। জীবভাব পরিত্যক্ত হলেই আত্মস্ব ভাবরূপ ব্যাপ্তী বােধে এই জাগৃতি হয়।

• (অখণ্ড) ঈশ্বর নির্বিশেষে। তাই তিনি নিগুণ। এই খণ্ডঘােধের জগতে যত প্রকার গুণ আছে, সকলই ঈশ্বরের গুণ থেকে উদ্ভূত হয়েছে, সুতরাং এই গুণটি সেখানে আছে, আর বিপরীত ভাবাপন্ন গুণটি, সেখানে নেই, এই কথা কেউ বলতে পারবে না। যতগুণ আছে সমস্তই তার এই অনির্বচনীয় “গুণের অন্তর্গত”।

• “ইন্দ্রিয়সংযম” শব্দের দ্বারা এমন বুঝতে হবে না যে ইন্দ্রিয় সকলের একেবারে উচ্ছেদ বা ধ্বংস করতে হবে। ইন্দ্রিয়গণকে সংযত অর্থাৎ আপন বশে আনতে হবে; তাদের বশে যাবে না—এরই নাম ইন্দ্রিয় সংযম।

• কোনাে প্রকার একটা পথ অবলম্বন না করলে ধর্ম যে কী তা জানা যায় না।

• যিনি নিজেকে জেনেছেন তিনি ভগবানকেও জেনেছেন এবং সংসার যে কী তাও বেশ বুঝেছেন। বস্তুতঃ (আলাদাভাবে) সংসার বা জগৎ নেই, সমস্তই কেবল ব্ৰহ্ম। 

• ভেকধারী ভণ্ড ধর্মের কলঙ্ক।

• স্বয়ংব্রহ্ম সমস্ত বস্তুর অন্তরে ও বাইরে ব্যাপ্ত থেকে সমস্ত জগৎকে প্রকাশ করেন।

• তার লৌকিক কার্যকলাপ দেখে, তিনি অপ্রত্যক্ষ হলেও তাকে প্রত্যক্ষ বলে বােধ হয়। সব মানুষকেই “আমার” এই কথাটিতে মুগ্ধ করে রেখেছে।...আমি যাকে “আমার” বেশ যত্ন করি কালের বশে তা কার হবে তা কারও বলার সাধ্য নেই।

• সর্বব্যাপী আত্মার স্বীয় মায়াতে সৃষ্টিরূপ দ্বৈতবিস্তার প্রকাশ পায়।

• চিত্তবুদ্ধির প্রথম লক্ষণ অন্তরে শান্তি, দ্বিতীয় লক্ষণ পরকে ভালােবাসা, তৃতীয় লক্ষণ ঈশ্বরে ভক্তি।  যা কিছু দেখছাে সবই আনন্দস্বরূপ চিন্ময় ব্রহ্ম।....এই বিশ্ব (মায়ারচিত অনাদি) দীর্ঘস্বপ্ন বলে জানবে। দ্রষ্টার চৈতন্য—স্বরূপ স্বপ্নকাশের অন্তরে অবস্থিত।

• এই জগৎ বাস্তবিক রচিত নয়। তরঙ্গবৎ এটি স্বতঃসস্তৃত। এর কেউই (আলাদা) কর্তা নেই। আত্মা কেবলমাত্র সাক্ষীরূপে অবস্থিত।

• কেবল সত্যস্বরূপ চৈতন্যই মাত্র আত্মা (ব্রহ্ম)।

• আহার দিতে ধর্মের হানি হয় না, কেবল মুক্তি পেতে বিলম্ব হয়।

• যিনি আকাশের মতাে সর্বব্যাপী, যিনি নিত্য চৈতন্যস্বরূপ তিনিই ব্রহ্ম | 


Tags: quotes by trailanga swami , tailanga swami quotes ,ত্রৈলঙ্গ স্বামীর বানী ,সাধুদের বাণী,তৈলঙ্গ স্বামীর উক্তি ,ত্রৈলঙ্গ স্বামী ,trailanga swami teaching

ত্রৈলঙ্গ স্বামীর অসাধারন কিছু বাণী - quotes by Trailanga swami ত্রৈলঙ্গ স্বামীর অসাধারন কিছু বাণী - quotes by Trailanga swami Reviewed by WisdomApps on জুন ২৬, ২০২১ Rating: 5

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বানী - Quotes By abanindranath tagore

জুন ২০, ২০২১

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বানী 

শুকুন্তলা , ক্ষিরের পুতুল , ক্ষীরের পুতুল ,রাজকাহিনী ,ভারত শিল্প ,ভূত পত্রীর দেশ ,নালক, বাংলার ব্রত, খাজাঞ্জির খাতা ,প্রিয় দর্শিকা -র লেখক সুবিখ্যাত চিত্রকর শ্রী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু উক্তি এখানে দেওয়া হলো - পড়ে ভালো লাগলে শেয়ার করবেন । 

quotes_by_abanindra_nath_tagore


• অতুল ঐশ্বর্য দিযে ভর্তি করা স্মৃতির এই যে গোপন গৃহ এর দ্বারে সেপাই সান্ত্রীর পাহারা নেই। কিন্তু মন্ত্র দিয়ে বন্ধ করা এর প্রবেশ পথ, ভিতর থেকে খোলে দুয়ার এ ঘরের নিজের মনের হুকুমে; বাইরে থেকে খোলে মনের মানুষ যদি যায় তবে।'

• জগত শুধু মায়া কি শুধু কায়া নিয়ে চলছে না, এই দুইয়ের সমন্বয়ে চলছে।

• শিল্প হচ্ছে শখ। যার সেই শখ ভিতর থেকে এল সেই পারে শিল্প সৃষ্ট করতে, ছবি আঁকতে, বাজনা বাজাতে, নাচতে, গাইতে, নাটক লিখতে-যাই বলো।

• খেলার সময় যেমন তাসগুলো হাত বদল করে তেমনি এই রূপ সৃষ্টির লীলা খেলাতে নিয়তির নিয়মগুলি আসা-যাওয়া করে আরিস্টের হাতে বার-বার। এই নিয়ম সমস্ত জানার জন্যই Nature Study করতে হয় আটিস্টকে, না হলে শুধু নিজের নিয়মে চললে খেলা চলে ঘুরে ফিরে অনেক্ষণ।, র

• ফটোগ্রাফের সঙ্গে ফটোকর্তার যোগ পুরো নয়_পাহাড় দেখলেম ক্যামেরা খুললেম, ছবি উঠল, ফটোকর্তার অন্তরের সঙ্গে পাহাড়ের যোগাযোগই হল না। এই জন্য আর্টিস্টের লেখা পাহাড় যেমন মনে গিয়ে পৌঁছায়, ফটোতে লেখা পাহাড় ঠিক তেমনভাবে মানুষকে স্পর্শ করতে পারে না-_শুধু চোখের ওপর দিয়েই ভেসে যায় বায়োস্কোপের ছবি, মনের মধ্যে তলিয়ে যায় না।

• মন যৌবনের শেষ চাইল না, নতুন থেকে নতুনতর আনন্দে আপনাকে ' হারিয়ে ফেলেই চলল, এই হল রূপদক্ষের কথা, রূপ সাধনার চরম্‌ সিদ্ধি ।

• আয়নাতে যেমন নিজের নিজের চেহারা তেমনি মনের দর্পণেও আমরা প্রত্যেকে নিজের নিজের মনমতকে সুন্দরই দেখি । কারু কাছ থেকে ধার-করা আয়না এনে যে আমরা সুন্দরকে দেখতে পাবো তার উপায় নেই।

• এতিহাসিকের কারবার নিছক ঘটনাটি নিয়ে, ডাক্তারের কারবার নিখুঁত হাড়মাসের অ্যানাটমি নিয়ে , আর আর্টিস্টের কারবার অনির্বচনীয় অখন্ড রসটি নিয়ে । 

• নেপোলিয়ান বির রসের আর্টিস্ট । তাঁর হাতে হাতে ইউরোপের ইতিহাস সৃষ্টি হলো , সীজাপ আর্টিস্ট গড়ল রোমের ইতিহাস । 

• হৃদয়কে কেবল আপনার করে রাখলে নিজেই ঠকি , হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয় মেলানোতেই রস পাই । সুতরাং বলতে পারি যে , রস হলো দুইটিকে মিলিয়ে সেতু , রুচী হলো দুইটিকে পৃথক করে প্রাচীর । 

• লাবণ্য তাে অনুভব করি এবং চোখেও দেখি একসঙ্গে, অথচ জিনিসটা এমনই যে পাকাপাকি একটা ব্যাখ্যার মধ্যে ধরাছোঁয়া  দিতেই চায় না।

• শিল্পের একটা মূলমন্ত্রই হচ্ছে ‘নালমিতিবিস্তরণে’। অতি বিস্তারে যে  অপর্যাপ্ত রস থাকে, তা নয়। অমৃত হয় ফোঁটা, তৃপ্তি দেয় অফুরন্ত। 

• উৎসবের রঙ শােকের রঙ এ সবই ধার করে নিয়েছে মানুষ প্রকৃতির  কাছ থেকে কোনাে আদিকাল তার ঠিকানা নেই। 

• মানুষ বিশ্বের আকৃতির প্রতিকৃতি নিজের রচনায় বর্জন করল বটে,  কিন্তু প্রকৃতিটি ধরলে অপূর্ব কৌশলে যার দ্বারা রচনা দ্বিতীয় একটা সৃষ্টির সমান হয়ে উঠল। একটা কিছুতেই লাভ করতে পারে না সেই মানুষ যে এই বিশ্বজোড়া রূপের মূর্ত দিকটার খবরই নিয়ে চলেছে, রসের অমূর্ততা মূর্তকে যেখানে মুক্ত করেছে সেখানের কোনাে সন্ধান নিচ্ছে না, শুধু ফটোযন্ত্রের মতাে আকার ধরেই রয়েছে, ছবি ওঠাচ্ছে  মাত্র, ছবি ফোটাচ্ছে না। 

• শিল্পশাস্ত্র খুবই গভীর, তার একটা লাইনের অর্থ হাজার রকম, কিন্তু তার চেয়ে গভীর জিনিস হল শিল্প, যার একটা লাইনের মর্ম ঝুড়ি ঝুড়ি শিল্পশাস্ত্রেও কুলােয় না, আবার শিল্পের চেয়ে গভীর হল শিল্পীর মন—যার মধ্যে বহির্জগৎ তলিয়ে রইল—স্মৃতির শক্তিতে ধরা মুক্তি, নতুন জগৎ সৃষ্টি হল জলের মাঝে বাড়বানল। এই যে শিল্পীর মন এর কাজই হল বাইরে গিয়ে আবিষ্কার, এবং ভিতরে থেকেও আবিষ্কার... 

• সুন্দরের রূপ ও তার লক্ষণাদি সম্বন্ধে জনে-জনে মতভেদ কিন্তু  সুন্দরের আকর্ষণ যে প্রকাণ্ড আকর্ষণ এবং তা আমাদের প্রত্যেকের জীবনের সঙ্গে নিগুঢ়ভাবে জড়ানাে সে বিষয়ে দুই মত নেই। 

• গানের সুর সম্পূর্ণ কাল্পনিক জিনিস কিন্তু এই বাস্তব জগতের বায়ুতরঙ্গের ওপর তার প্রতিষ্ঠা হল, কথার ছবির সঙ্গে সে আপনাকে মেলালে তবে সে সঙ্গীত হয়ে উঠল।

• মৌচাক আর বােলতার চাক—সমান কৌশলে আশ্চর্যভাবে দুটোই  গড়া। গড়নের জন্য বােলতার আর মৌমাছিতে পার্থক্য করা হয় না; কিংবা মৌমাছিকে মধুকর নাম দেওয়া হয় না—অতি চমৎকার চাকটার জন্যে। মৌচাকের আদর, তাতে মধু ধরা থাকে বলেই তাে ! তেমনি শিল্পী আর কারিগর দুয়েরই গড়া সামগ্রী, নিপুণতার হিসেবে কারিগরেরটা হয়তাে বা বেশি চমৎকার হল, কিন্তু রসিক দেখেন শুধু গড়নটা নয়, গড়নের মধ্যে রস ধরা পড়ল কি না। এই বিচারেই তাঁরা জয়মাল্য দেন শিল্পীকে, বাহবা দেন কারিগরকে। শিল্পীর কাজকে এই জন্যে বলা হয় নির্মিতি অর্থাৎ রসের দিক দিয়ে সেটি মিত হলেও অপরিমিত। আর কারিগরের কাজকে বলা হয় নির্মাণ অর্থাৎ নিঃশেষভাবে পরিমাণের মধ্যে সেটি ধরা। 

• ভাবুক যাঁরা, সচরাচর যান্ত্রিক দৃষ্টি যাঁদের নয়, তাদের পক্ষে সহজ হয় শিশুদের মতাে হৃদয় দিয়ে আত্মীয়ভাবে বিশ্বচরাচরের সঙ্গে পরিচয় করে নিয়ে বিশ্বের গােপন কথা বলা। মানুষ জানে সে নিজে অপূর্ণ, তাই পরিপূর্ণতার দিকে যাওয়ার ইচ্ছা তার এতখানি। গ্রিস, ভারত, চিন, ঈজিপ্ট সবাই দেখি পরম সুন্দরের দিকে চলেছে, কিন্তু সৌন্দর্যের পরিপূর্ণতা কেউ পায়নি, কেবল পেতে চাওয়ার দিকেই চলেছে। 

• অসাধারণ ভাবপ্রবণতা হল মাটির মতাে, রসের ভােজে বীজে ফল ধরায়, শক্তি গজায়, ফুল ফোটায়, ফল দেয় নানা রকম। আয়নাতে যেমন নিজের নিজের চেহারা তেমনি মনের দর্পণেও আমরা প্রত্যেকে নিজের নিজের মনমতকে সুন্দরই দেখি। কারু কাছ থেকে ধার করা আয়না এনে যে আমরা সুন্দরকে দেখতে পাব তার উপায় নেই।  

• ছবিতে মূর্তিতে কবিতায় গানে শুধু ফুটন্ত রূপ নিয়ে কারবার নয়,  আর্টিস্টের দেখা, —দেখা দুই রূপ মিললে তবে ছন্দোময় হয় কাজ। 

• সৃষ্টির নিয়মে সমস্ত সুন্দর জিনিস আপনার নির্মাণের কৌশল লুকিয়ে চলল দর্শকের কাছ থেকে এবং এই নিয়মেই মেনে চলল সমস্ত সুন্দর জিনিস যা মানুষ রচনা করলে - যেখানে নির্মাণের নানা প্রকরণ ও কৌশল ধরা পড়ে গেল সেখানেই রচনার সৌন্দর্যহানী হলো , কালের দিক ফুটলো , কিন্ত রসের দিক , সৌন্দর্যের দিক চাপা পড়ে গেলো । 

• রচনা যেখানে রচয়িতার স্মৃতি ও কল্পনার কাছে ঋণী সেইখানেই সে আর্ট । 

• যে ভাষাই ব্যাবহার করি না কেন , মনের হাতে তাঁর লাগাম তুলে না দিয়ে তাকে চালিয়ে যাওয়া শক্ত ।  


Tags: quotes by abanindranath tagore, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর , abanindranath tagore in bengali , অবনীনন্দ্রনাথ ঠাকুরের বানী , আর্ট নিয়ে বানী , অবনীন্দ্রননাথ কে

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বানী - Quotes By abanindranath tagore অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বানী  - Quotes By abanindranath tagore Reviewed by WisdomApps on জুন ২০, ২০২১ Rating: 5

এই সপ্তাহে কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ২০ থেকে ২৬শে জুন

জুন ২০, ২০২১

   


এই সপ্তাহে কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ২০ থেকে ২৬শে জুন এই সপ্তাহে কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ২০ থেকে ২৬শে জুন Reviewed by WisdomApps on জুন ২০, ২০২১ Rating: 5

ধর্মে বিজ্ঞান- জানেন কি, উত্তরের কেদারনাথ মন্দির থেকে দক্ষিনের কালেশ্বরম মন্দির - একই দ্রাঘিমাংশ বরাবর তৈরি ?

জুন ২০, ২০২১

ভারতের সুপ্রাচীন ও সমৃদ্ধ ইতিহাস থেকে নেওয়া বিস্ময়কর কিছু তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করা হলো । লেখাটি লিখেছেন শ্রী সৌর প্রতীম শর্মা


বিস্ময়কর কিছু তথ্য, যেখানে ধর্ম আর বিজ্ঞান পরস্পরের মেলবন্ধনে মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে।
নিচের মন্দিরগুলির দিকে খেয়াল করুন-
১। কেদারনাথ, উত্তরাখন্ড
২। কালহস্তী, অন্ধ্রপ্রদেশ
৩। একাম্বরনাথ, কাঞ্চি
৪। থিরুবনমালী
৫। থিরুবনইকবাল
৬। চিদাম্বরম নটরাজ
৭। রামেশ্বরম
৮। কালেশ্বরম, তেলেঙ্গানা, উত্তর ভারত
কোন সম্পর্ক খুঁজে পেলেন কি? এগুলোর মধ্যে কোন সম্পর্ক আদৌ আছে কি? ধারনা করতে পারেন? একটা সম্পর্ক হল এগুলো সবই শিব মন্দির। আর কোন সম্পর্ক এদের মধ্যে নেই?
তাহলে আসুন দেখা যাক এসব মন্দিরের মধ্যে আর কোনও সম্পর্ক আছে নাকি অমন কিছুই নেই।
আশ্চর্যজনক ভাবে সত্যি এটাই যে, এই মন্দিরগুলি সবই একই ৭৯° দ্রাঘিমা রেখায় অবস্থিত। বিস্ময়কর হল, কোন প্রকার স্যাটেলাইট প্রযুক্তি বা জিপিএস বা অনুরূপ কৌশল ছাড়াই তখনকার স্থপতিরা শত শত কিলোমিটার দূরবর্তী এতগুলো মন্দিরকে একই দ্রাঘিমারেখায় কিভাবে স্থাপন করেছিলেন! প্রত্যেকটি মন্দিরের পৃথক দ্রাঘিমাংশের দিকে খেয়াল করুন -
১। কেদারনাথ: ৭৯.০৬৬৯°
২। কলহস্তী: ৭৯.৭০৩৭°
৩। একাম্বরনাথ: ৭৯.৭০৩৬°
৪। তিরুবনমালী: ৭৯.০৭৪৭°
৫। থিরুবনইকবাল: ৭৮.৭১০৮
৬। চিদাম্বরম নটরাজ: ৭৯.৬৯৫৪°
৭। রামেশ্বরম: ৭৯.৩১২৯°
৮। কালেশ্বরম: ৭৯.৯০৬৭°
নিচের ছবিটি দেখুন। সবগুলো মন্দিরই একটি সরলরেখায় অবস্থিত। আশ্চর্যজনক হল, তখনকার স্থপতিরা কত উন্নত মানের প্রযুক্তির অনুশীলন করতেন, যা এই যুগেও আমাদের কাছে সহজবোধ্য নয়।
আরো আশ্চর্যজনক হল, এই সবগুলো মন্দিরই প্রকৃতির ৫টি চিরন্তনী বিষয়কে উপস্থাপন করে, যাদের একত্রে "পঞ্চতত্ব" বা "পঞ্চভূত" বলা হয়। এগুলো হল ভূ বা পৃথিবী, বারি বা জল, পাবক বা আগুন, পবন বা বায়ূ এবং ব্যুম বা মহাশূন্য। এই পাঁচটি বিষয় দ্বারা উপরের আটটির মধ্যে পাঁচটি শিব মন্দিরকে এইভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
১। তিরুবনমালী মন্দিরকে জল দ্বারা,
২। থিরুবনইকবাল মন্দিরকে অগ্নি দ্বারা,
৩। কলহস্তী মন্দিরকে বায়ূ দ্বারা,
৪। একাম্বরনাথ মন্দিরকে পৃথিবী দ্বারা এবং
৫। চিদাম্বরম মন্দিরকে মহাশূন্য দ্বারা উপস্থাপন করা হয়েছে। এই পাঁচটি মন্দির একত্রে বাস্তু বিজ্ঞান এবং বেদের মহামিলনকে উপস্থাপন করে।
এই মন্দিরগুলোর মধ্যে আরো কিছু ভূতাত্ত্বিক বিশেষত্ব আছে। এই পাঁচটি মন্দির আসলে যোগ বিজ্ঞানের সাহায্যে পরস্পরের প্রতি এক বিশেষ ভৌগলিক অবস্থানে নির্মিত, যার সাথে বিজ্ঞান এবং মানবশরীরবৃত্তীয় বিষয়াদির সাথে সম্পর্ক রয়েছে।
সব মন্দিরগুলো আজ থেকে অন্তত চার হাজার বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। সে সময় এসব স্থানের অক্ষাংশ বা দ্রাঘিমাংশ মাপার মত কোন স্যাটেলাইট প্রযুক্তি বা জিপিএস ছিলনা। সেই সময়ে এতগুলি মন্দির এত নির্ভুলভাবে একটি সরলরেখায় কিভাবে স্থাপন করা হয়েছিল তা ঈশ্বরই জানেন আর এই সরলরেখাটিকে বলা হচ্ছে "শিবশক্তি অক্ষরেখা"। এই রেখাটির ৮১.৩১১৯° পূর্ব অক্ষাংশে রেখে কৈলাশের সবগুলো শিব মন্দির নির্মিত হয়েছে। কেন তা ঈশ্বর জানেন।
মহাকালের সাথে শিবজ্যোতির্লিঙ্গমের আরো বিশেষ কিছু সম্পর্ক রয়েছে! সনাতন ধর্মে জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চার জন্য উজ্জয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। এই উজ্জয়ন থেকে বিভিন্ন জ্যোতির্লিঙ্গম সমূহের মধ্যবর্তী দূরত্বওগুলি দেখুন কতটা চমকপ্রদ -
উজ্জয়ন থেকে সোমনাথ ৭৭৭ কিলোমিটার।
উজ্জয়ন থেকে ওঙ্কারেশ্বর ১১১ কিলোমিটার।
উজ্জয়ন থেকে ভীমাশঙ্কর ৬৬৬ কিলোমিটার।
উজ্জয়ন থেকে কাশী বিশ্বনাথ ৯৯৯ কিলোমিটার।
উজ্জয়ন থেকে মল্লিকার্জুন ৯৯৯ কিলোমিটার।
উজ্জয়ন থেকে কেদারনাথ ৮৮৮ কিলোমিটার।
উজ্জয়ন থেকে ত্র্যম্বকেশ্বর ৫৫৫ কিলোমিটার।
উজ্জয়ন থেকে বৈজুনাথ ৯৯৯ কিলোমিটার।
উজ্জয়ন থেকে রামেশ্বরম ১৯৯৯ কিলোমিটার।
উজ্জয়ন থেকে নৌশেশ্বর ৫৫৫ কিলোমিটার।
সনাতন ধর্মতত্বে কোন কিছুই অপ্রয়োজনীয় ছিল না এবং বিনা কারনে কোন কিছুই করা হয়নি। অতীতে সনাতন ধর্মে উজ্জয়নকে বিবেচনা করা হত বিশ্বের (ভূ-গোলকের) কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে। সেই হিসেবে এখানে প্রায় ২০৫০ বছর পূর্বে ভূ-তত্ব, সূর্য এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের সনাতন ধর্মীয় বিভিন্ন পরিমাপের জন্য হস্তচালিত কিছু যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে, আনুমানিক ১০০ বছর আগে ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা যখন ভূ-গোলকের মাঝামাঝি একটি কাল্পনিক রেখা টানেন, তখনও এর কেন্দ্রীয় এলাকা ছিল ঐ উজ্জয়ন। বর্তমান সময়েও বিশ্বের অধিকাংশ বিজ্ঞানী সূর্য ও মহাকাশ নিয়ে গবেষণার কাজ করতে উজ্জয়নেই আসেন।
হর হর মহাদেব।
ধর্মে বিজ্ঞান- জানেন কি, উত্তরের কেদারনাথ মন্দির থেকে দক্ষিনের কালেশ্বরম মন্দির - একই দ্রাঘিমাংশ বরাবর তৈরি ? ধর্মে বিজ্ঞান- জানেন কি, উত্তরের কেদারনাথ মন্দির থেকে দক্ষিনের কালেশ্বরম মন্দির - একই দ্রাঘিমাংশ বরাবর তৈরি ? Reviewed by WisdomApps on জুন ২০, ২০২১ Rating: 5

কাস্টমার কেয়ার নাম্বার - জিও ,এয়ারটেল , ভোডাফোন ও বিএসএনএল কোম্পানীর

জুন ১৮, ২০২১

 কাস্টমার কেয়ার নাম্বার 



এয়ারটেল AIRTEL - ভারতের সবথেকে বড় মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানীগুলির একটি হলো ভারতী এয়ারটেল লিমিটেড, এটি এয়ারটেল নামেও পরিচিত, এটি ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত একটি ভারতীয় বহুজাতিক টেলিযোগাযোগ পরিষেবা সংস্থা। এটি বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়া এবং আফ্রিকা জুড়ে 18 টি দেশে কাজ করে । 

AIRTEL এর কাস্টমার কেয়ার নাম্বার - 121 

পশ্চিমবঙ্গের গ্রাহকরা কল করতে পারেনঃ 03344444121 নাম্বারে 


ভোডাফোন VODAFONE - ভারতে কার্যকারী সংস্থা ভোডাফোন গ্রুপ plc একটি ব্রিটিশ বহুজাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা। এর রেজিস্টার্ড অফিস এবং বৈশ্বিক সদর দফতর ইংল্যান্ডের বার্কশায়ারের নিউবারিতে অবস্থিত রয়েছে। এটি মূলত এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং ওশেনিয়ায় পরিষেবা পরিচালনা করে। ভারতের হাচ কোম্পানীকে কিনে নিয়ে ভোডাফোন ভারতে তাদের টেলিযোগাযোগ পরিষেবা বিস্তার করে । 

VODAFONE এর কাস্টমার কেয়ার নাম্বার - 9093012345





জিও JIO - ভারতের বিখ্যাত রিলায়েন্স কোম্পানীর থেকেই তৈরি হয়েছে রিলায়েন্স জিও ইনফোোকম লিমিটেড। এই কোম্পানীই টেলিকম মার্কেটে জিও নামে ব্যবসা করছে । এটি একটি ভারতীয় টেলিযোগাযোগ সংস্থা এবং ভারতের মুম্বাই এ এর সদর দফতর । জিও প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে অনেক রকমের কাজ হয় , বিভিন্ন অ্যাপ , ব্রডব্যান্ড পরিষেবা - এবং জিও এই প্ল্যাটফর্ম গুলির একটি সহায়ক সংস্থা। এটি 22 টি টেলিকম সার্কেলে একটি জাতীয় এলটিই নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে।

JIO এর কাস্টমার কেয়ার নাম্বার -1800 889 9999

এছাড়াও টোল ফ্রী নাম্বার  198  এও কল করতে পারেন । 


আইডিয়া  VODAFONE- IDEA ভোডাফোন আইডিয়া লিমিটেড হ'ল একটি আদিত্য বিড়লা গ্রুপ এবং ভোডাফোন গ্রুপের অংশীদারিত্ব যা বিশ্বমানের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা তৈরি করে। ভোডাফোন আইডিয়া লিমিটেড, যা Vi হিসাবে ব্যবসা করছে, একটি ভারতীয় টেলিকম অপারেটর যার সদর দপ্তর মুম্বাই এবং গান্ধিনগরে অবস্থিত। এটি প্যান-ইন্ডিয়া ইন্টিগ্রেটেড জিএসএম অপারেটর যা 2G, 4G, 4G +, VoLTE, এবং VoWiFi  সার্ভিস সরবরাহ করে । 

VODAFONE- IDEA এর কাস্টমার কেয়ার নাম্বার - 199

এছাড়া আপনি এই কোম্পানীর হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করতে পারেন -  9654297000





বিএসএনএল  BSNL ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড অর্থাৎ BSNL একটি কেন্দ্র সরাকারী সংস্থা । এই সংস্থার অধিনে আছে BSNL MobileMahanagar Telephone Nigam LimitedBSNL Tower Corporation Limited ইত্যাদি । বিএসএনএল  একটি সরকারী মালিকানাধীন টেলিযোগাযোগ পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা হওয়া সত্বেও মার্কেটে তুমুল প্রতিযোগিতায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল । বর্তমানে বিভিন্ন অফার ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহার করে মার্কেটে নিজেদের জায়গা করে নিচ্ছে । ভারতের নয়াদিল্লিতে বি-এস-এন-এল -এর সদর দফতর। এটি ভারত সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রক, টেলিযোগাযোগ বিভাগের মালিকানাধীন। এটি ভারত সরকার কর্তৃক 15 ই সেপ্টেম্বর 2000 সালে সংযুক্ত করা হয়েছিল । 

BSNL এর কাস্টমার কেয়ার নাম্বার - 18001801503 

LandLine ল্যান্ড লাইনের জন্য 
1500 from BSNL mobile or Landline
1800-345-1500 from other operator mobile or Landline

GSM Postpaid / Prepaid: মোবাইলের জন্য 
1503 from BSNL mobile or Landline
1800-180-1503 from other operator mobile or Landline

Broadband ব্রডব্যান্ডের জন্য 
1504 from BSNL mobile or Landline
1800-345-1504 from other operator mobile or Landline

WLL / CDMA - এর জন্য 
1502 from BSNL mobile or Landline
1800-180-1502 from other operator mobile or Landline

Enterprise Services( MPLS VPN / ILL / MNS / Bulk SMS / Dark Fibre etc) অন্যান্য 
18004257007
SMS Short Code for BSNL-57007
SMS Other Operators-9482157007
Email Id-ebenquiry@bsnl.co.in
Leased Line Call Centre: 1800-425-1957
কাস্টমার কেয়ার নাম্বার - জিও ,এয়ারটেল , ভোডাফোন ও বিএসএনএল কোম্পানীর কাস্টমার কেয়ার নাম্বার - জিও ,এয়ারটেল , ভোডাফোন ও বিএসএনএল কোম্পানীর Reviewed by WisdomApps on জুন ১৮, ২০২১ Rating: 5
Blogger দ্বারা পরিচালিত.