Featured Posts

[Travel][feat1]

এই সপ্তাহ আপনার কেমন কাটবে ? পড়ুন ১৩ ঐ জুন থেকে ১৯ই জুনের নিখুঁত রাশিফল

জুন ১৩, ২০২১

  


এই সপ্তাহ আপনার কেমন কাটবে ? পড়ুন ১৩ ঐ জুন থেকে ১৯ই জুনের নিখুঁত রাশিফল এই সপ্তাহ আপনার কেমন কাটবে ? পড়ুন ১৩ ঐ জুন থেকে ১৯ই জুনের নিখুঁত রাশিফল Reviewed by WisdomApps on জুন ১৩, ২০২১ Rating: 5

স্বামী বিবেকানন্দের ৬৬টি বাণী ,ছবি সহ - Unique 66 quotes by swami Vivekananda

জুন ১০, ২০২১

quotes_by_swami_vivekananda


• বর্তমান কালের দার্শনিকগণ যে বলিয়া থাকেন, মানুষের জ্ঞান তাহার নিজে ভিতর হইতেই বিকশিত হয়—একথা সত্য বটে, সমুদয় জ্ঞানই মানুষের ভিতরে রহিয়াছে, কিন্তু ঐ জ্ঞানের উন্মেষের জন্য কতকগুলি অনুকূল পরিবেশের প্রয়ােজন। 

• গুরু ব্যতীত আমরা কোনাে জ্ঞান লাভ করিতে পারি না।

• যে ধর্ম বা যে ঈশ্বর বিধবার দুঃখ অমােচন করতে পারে না অথবা অনাথ শিশুর মুখে একমুঠো খাবার দিতে পারে না, আমি সে ধর্মে বা সে ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না।

• আত্মা সর্বশক্তিধর এবং সর্বব্যাপী । 

                           

• যে ব্যক্তির আত্মা হইতে অপর আত্মায় শক্তি সঞ্চারিত হয়, তাহাকে গুরু বলে এবং যে ব্যক্তির আত্মায় শক্তি সঞ্চারিত হয় তাহাকে ‘শিষ্য বলে।

• কর্মের ফলাকাঙ্ক্ষাই আমাদের আধ্যাত্মিক উন্নতির প্রতিবন্ধক। শুধু তাই নয়, পরিণামে ইহা দুঃখের কারণ।

• দুর্বল মস্তিষ্ক কিছু করিতে পারে না। আমাদিগকে উহা বদলাইয়া সবল মস্তিষ্ক হইতে হইবে। তােমরা সবল হও, গীতাপাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলিলে তােমরা স্বর্গের সমীপবর্তী হইবে।

• একাগ্রতা শিক্ষা লাভ কর। আর যে দিকে ইচ্ছা তাকে প্রয়ােগ করাে।



• আমাদের প্রথম কর্তব্য-নিজেকে ঘৃণা না করা। উন্নত হইতে হইলে প্রথমে নিজের ওপর, তারপর ঈশ্বরের ওপর বিশ্বাস আবশ্যক। যাহার নিজের ওপর বিশ্বাস নাই তাহার কখনােই ঈশ্বরে বিশ্বাস আসিতে পারে না।

• ঈর্ষা এক বীভৎস এবং ভয়ঙ্কর পাপ। ইহা মানুষের মধ্যে রহস্যজনকভাবে প্রবেশ করে।

• প্রফুল্লচিত্ত ব্যক্তিই অধ্যবসায়শীল হইতে পারে।

• মানুষ যাহা শিক্ষা করে, প্রকৃতপক্ষে সে উহা আবিষ্কার করে।

 • ধর্মের প্রথম আভাস স্বপ্নের ভিতর দিয়া আসে।

• ধর্ম অনুরাগে-বাহ্য অনুষ্ঠানে নয়।

• আমরা ভিতরে যা বাইরে তাই দেখি, কেননা জগৎটি আমাদের আয়নার মতাে।

• কর্মতৎপরতা দ্বারা ঐহিক অভাব দূর না হলে ধর্ম-কথায় কেউ কান দেবে না।

• জ্ঞানই জ্ঞানের সর্বোচ্চ পুরস্কার।

• দীক্ষা হইতেছে সাক্ষাভাবে আধ্যাত্মিকভাবে জীবনে প্রবেশ। যথার্থ দীক্ষালাভ করিলে জানিবেন—আপনি দেহ নন, আপনি আত্মা।



• দর্শন হচ্ছে ধর্মের যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা।

• আমরা যেন প্রদীপ-স্বরূপ, আর ঐ প্রদীপের ছটাকেই আমরা জীবন বলি। যখনই অম্লজান ফুরিয়ে যাবে, তখন আলােটাও নিভে যাবে। 

•  আমরা কেবল প্রদীপটি সাফ রাখতে পারি।

• জগতের সুখ-দুঃখের উপর শান্তভাবে দৃষ্টিপাত কর, ভালােমন্দ উভয়কেই সমান বলে দেখ—উভয়েই ভগবানের খেলা, সুতরাং ভালােমন্দ-সবেতেই আনন্দ করাে।

• যদি জন্মেছ ত, একটা দাগ রেখে যাও। 

• চিন্তাগুলিই বহুকাল স্থায়ী, আর তাহাদের গতিও বহুদূর ব্যাপী। আমরা যে কোনাে চিন্তা করি, তাতে আমাদের চরিত্রের ছাপ লেগে যায়, এই জন্য সাধুপুরুষদের ঠাট্টায় বা গালাগালিতে পর্যন্ত তাঁদের হৃদয়ের ভালােবাসা ও পবিত্রতার একটুখানি রয়ে যায় এবং তা আমাদের কল্যাণ সাধন করে।

• সন্ন্যাসীর গৈরিক বসন মুক্ত পুরুষের চিহ্ন।

• মানুষের যে বড় বড় গুণগুলি দেখা যায়, সেগুলি তার নিজের; কিন্তু তার দোষগুলি মনুষ্যজাতির সাধারণ দূর্বলতা মাত্র। সুতরাং তার চরিত্র বিচার করবার সময় সেগুলি কখনও গণনা করতে নেই। 

• গভীরতার সঙ্গে উদারতা অর্জন কর, কিছু গভীরতা হারিয়ে উদারতা চেও না। 

• চতুর্দিকে পবিত্র চিন্তা সর্বদা স্পন্দিত হইতে থাকিলে সেই স্থানটি পবিত্র জ্যোতিতে পূর্ণ হইয়া থাকে।



• প্রেরণা আমাদের ভেতর থেকে ওঠে, তাই নিজ নিজ উচ্চতর শক্তিদ্বারা আমাদের নিজেদের অনুপ্রাণিত করতে হবে।

• জড় সুখ কেবল জড় দুঃখের রূপান্তর মাত্র।

• পবিত্রতায় কোনাে বন্ধন নাই।

• সমাজের মধ্যে যাহা কিছু সুন্দর ও মহৎ সবই প্রেমপ্রসূত; আবার কুৎসিত এবং পৈশাচিক ব্যাপারগুলি সেই একই প্রেমশক্তির বিকাশমাত্র।

• জগতের ইতিহাস আলােচনা করিলে সর্বত্রই দেখিতে পাওয়া যায় যে, মানুষ প্রতীক বা বিভিন্ন ভাব প্রকাশ রূপের মাধ্যমে সূক্ষ্মকে ধরিবার চেষ্টা করিতেছে। ধর্মের বাহ্য অঙ্গ ঘন্টা, সঙ্গীত, শাস্ত্র, প্রতিমা, অনুষ্ঠান প্রভৃতি ঐ পর্যায়ভুক্ত। 

• যখন চিত্ত অর্থাৎ মন কোনাে নির্দিষ্ট স্থানে আবদ্ধ—সীমাবদ্ধ হয়, তখন উহাকে ‘ধারণা’ বলে।

• সুখের জন্য বাইরের বস্তুর ওপর নির্ভর না করে যত ভিতরের ওপর নির্ভর করব... ততই আমরা আধ্যাত্মিক হব। এই আত্মানন্দকেই ধর্ম বলা হয়।

• জগতের সকল দেহই আমার; সুতরাং আমার দেহ চিরকাল থাকিবে, কারণ গাছপালা, জীবজন্তু, চন্দ্রসূর্য, এমনকি সমগ্র জগৎব্রহ্মাণ্ডই আমার দেহ-ঐ দেহের আর নাশ হবে কী করে?

• আমরা প্রায় সকল ধর্মেই ঈশ্বরােপাসনার তিনটি সােপান দেখিতে পাই-প্রতীক বা মূর্তি, নাম ও দেবমানব।

• দেবতারাও মনুষ্যজন্ম না লইয়া মুক্তিলাভ করিতে পারে না।




• দিব্যপ্রেরণা সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থ হইবে।

• 'তপস’ শব্দের অৰ্থ তাপ দেওয়া বা উত্তপ্ত করা। এটা আমাদের উচ্চ প্রকৃতিকে ‘তপ্ত বা উত্তেজিত করবার সাধনা বা প্রক্রিয়া বিশেষ।

• প্রাণের অসামঞ্জস্যেই রােগের উৎপত্তি। অতিরিক্ত প্রাণটুকু সরাইয়া যেখানে প্রাণের অভাব হইয়াছে, সেখানকার অভাব পূরণ করিতে পারিলেই আরােগ্য হয়।

• আমাদের যােগ্যতা অনুযায়ী পরিবেশ গড়িয়া ওঠে। 

• তেজস্বী হও, নিজের পায়ের ওপর দাঁড়াইয়া প্রেমের ভগবানকে অন্বেষণ কর। ইহাই শ্রেষ্ঠ শক্তি।

• আমি যেমন একদণ্ড চকমকিতে নিহিত থাকে, জ্ঞান তেমনি মনের মধ্যেই রহিয়াছে, উদ্দীপক কারণটি যেন ঘর্ষণ, জ্ঞানাগ্নিকে প্রকাশ করিয়া দেয়। 

• যে আপনাকে স্বাধীনতা দিতে প্রস্তুত নয়, সে কি স্বয়ং স্বাধীনতা পাইবার যােগ্য?

• যাহাকে আমরা ভালােবাসি না, তাহার প্রতি শ্রদ্ধাসম্পন্ন হইতে পারি .

• জীবনে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, হৃদয়বান মানুষ জয়লাভ করে এবং ব্যক্তিত্বই সকল সাফল্যের গােপন রহস্য।





• অভিজ্ঞতাই আমাদের একমাত্র শিক্ষক। আমরা সারা জীবন তর্কবিচার করিতে পারি, কিন্তু নিজেরা প্রত্যক্ষ অনুভব না করিলে সত্যের কণামাত্র বুঝিতে পারিব না।

• জ্ঞান স্বতই বর্তমান রয়েছে, মানুষ কেবল সেটা আবিষ্কার করে মাত্র ।

• মানুষ যাহা শিক্ষা করে প্রকৃতপক্ষে সে উহা আবিষ্কার করে।

• যতদিন বাঁচি, ততদিন শিখি।



• বাংলা দেশের স্থানে স্থানে রকমারি ভাষা। কোটি গ্রহণ করব? প্রাকৃতিক নিয়মে যেটি বলবান হচ্ছে এবং ছড়িয়ে পড়ছে, সেইটিই নিতে হবে, অর্থাৎ কলকাতার ভাষা।

• পৌত্তলিকতা ভালাে, কারণ উহা মানুষের প্রকৃতিগত। কে ইহা অতিক্রম করিতে পারে? কেবল সিদ্ধ ও দেব-মানবেরাই পারেন। বাকি সকলেই পৌত্তলিক।

•  রূপ অতিক্রম করিয়া প্রেম অরূপকে দর্শন করায়।

•  একটি বিষয়ে সর্বদা চিত্তবৃত্তি প্রবাহিত করার নাম ধ্যান।

•  ঘটনাশ্রেণির পুনরাবর্তনে প্রবণতার নামই নিয়ম বা বিধি।

•  নিঃস্বার্থপরতার অর্থ ঃ “আমি এই ক্ষুদ্র শরীর'-এই ভাব হইতে মুক্ত হওয়া। যখন আমরা দেখিতে পাই, কোনো লোক ভালো কাজ করিতেছে। পরোপকার করিতেছে, তখন বুঝতে হবে-সেই ব্যক্তি “আমি ও আমার' রূপ ক্ষুদ্র বৃত্তের ভিতর আবদ্ধ থাকিতে চায় না।

• চিত্ত যেন একটি-স্থির হুদের তুল্য, চিন্তাসমূহ যেন এ চিন্ত্বদের তরঙ্গ। আর এই সকল তরঙ্গের স্বাভাবিক আবির্ভাব প্রণালীকে “নামরূপ' 'বলে। নামরূপ ব্যতীত কোনো তরঙ্গ উঠিতে পারে না।

•  শিক্ষা হচ্ছে মানুষের ভিতর যে পূর্ণতা প্রথম হতেই বিদ্যমান, তারই প্রকাশ।

•  যাহাদের ধর্মপ্রণালী পৌরাণিক ভাববহুল ও অনুষ্ঠান প্রচুর, সেই সকল সম্প্রদায়েই বড় বড় ধর্মবীর  জানিয়াছিলেন।

• অপরের স্বাভাবিক প্রবণতা উল্টে দেবার এতটুকু চেষ্টা ক'রো না, তাতে গুরু এবং শিষ্য উভয়েই পেছিয়ে যায়।





•  পুরাতন পৌরাণিক ব্যাপারগুলিকে রূপকের আকারে চিরস্থায়ী করার চেষ্টা করলে এবং তাদের নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে কুসংস্কারের উৎপত্তি হয়, আর এটা বাস্তবিক দুর্বলতা ।

•  পদ্মের মতো হও। পদ্ম এক জায়গাতেই থাকে, কিন্ত যখন ফুটে ওঠে, তখন চারদিক থেকে মৌমাছি আপনি এসে জোটে।


•  অবশ্য কর্ম করতে গেলেই কিছু না কিছু পাপ আসবেই। এলোই বা, উপোসের চেয়ে আধপেটা ভালো নয়?

•  নারীদিগের সম্বন্ধে আমাদের হস্তক্ষেপ করিবার অধিকার শুধু  তাহাদিগকে শিক্ষা দেওয়া পর্যন্ত ।নারীগণকে এমন যােগ্যতা অর্জন করাইতে হইবে, যাহাতে তাহারা নিজেদের সমস্যা নিজেদের ভাবে মীমাংসা করিয়া লইতে পারে। তাহাদের হইয়া অপর কেহ এ কার্য করিতে পারে না , করিবার চেষ্টা করাও উচিৎ নহে । আর জগতের অন্যান্য দেশের মেয়েদের মতো আমাদের মেয়েরাও এ যোগ্যতা লাভে সমর্থ । 


স্বামী বিবেকানন্দের ৬৬টি বাণী ,ছবি সহ - Unique 66 quotes by swami Vivekananda স্বামী বিবেকানন্দের ৬৬টি বাণী ,ছবি সহ  - Unique 66 quotes by swami Vivekananda Reviewed by WisdomApps on জুন ১০, ২০২১ Rating: 5

সেরা 33 টি Inspirational & Motivational Quotes ও বাস্তববাদী বানী

জুন ০৭, ২০২১

 বিখ্যাত ৩৩ টি ফরাসি অনুপ্রেরণামূলক বানী ও প্রবাদ । পড়ুন ও স্ট্যাটাস হিসাবে ছবি ডাউনলোড করুন । 

inspirational quotes 1


• মুরগি কালাে হলেও ডিম সাদা পাড়ে।

• খােলা মাঠের থেকে বাজে ঝােপ ভালাে।

• পুরােনাে ইদুর মানেই সাহসী ইদুর।

• Forty is the old age of youth ; fifty is the youth of old age. .





• প্রকৃতিগতভাবে বাবারা ব্যাঙ্কার হন।

• ভালাে স্বামীর কালা হওয়া উচিত, ভালাে স্ত্রী অন্ধ।

• স্বাস্থ্যবান পুরুষ সফল হয়।

• সাদা দেয়াল মূখদের কাগজে।



• দুই বন্ধুর মাঝে এক সারি ঝােপ থাকলে বন্ধুত্ব সবুজ থাকে।

• চালাক শেয়াল কখনােই প্রতিবেশীর মুরগির বাসস্থানে হানা দেয় না।

• A woman is no older than she looks.

• প্রত্যেক মৌমাছির মধুই মিষ্টি।



• হৃদয়ের স্মৃতিশক্তি হল কৃতজ্ঞতা।

• সৎ উপদেশ সর্বদাই বিরক্তিকর, অসৎ উপদেশ কখনােই নয়।

• যে তার বাসনাকে কেটে ছােটো করে রাখে সর্বদা যথেষ্ট ধনী হয়।

• জাগ্রত মানুষের স্বপ্ন হল আশা।


• সৌভাগ্য হল নারী, যদি তুমি আজ তাকে অবহেলা করাে আগামী দিনে তাকে আবার পাবে এমন প্রত্যাশা কোরাে না। 

• প্রেম বিবাহের ঊষা, আর বিবাহ প্রেমের সূর্যাস্ত।

• দৌড়ানই যথেষ্ট নয়, সঠিক সময়ে দৌড় শুরু করাটাই গুরুত্বপূর্ণ।

• Life is made up of tomorrows.

• Marriage is a lottery.

• কোনাে কিছু গােপন রাখার মতন দুর্বহ কিছুই নেই।

• একটা ফুলে কি আর মালা হয়?



• ডুবন্ত জাহাজকে সুব ইঁদুরই ছেড়ে যায়।

• অর্থ অর্থের পিছে দৌড়ায়, দারিদ্র্য দারিদ্র্যের পিছে।

• কুকুর চমৎকার গদ্য হতে পারে, কিন্তু বেড়ালই কবিতা।

The surest way to remain poor is to be an honest man.

• There are toys for all ages.

• পরিচ্ছন্ন বিবেকের থেকে বেশি নরম কোনাে বালিশ নেই।

• জোর করে কিছু ভুলতে চাওয়ার অর্থ সে বিষয়টিই বারবার মনে করা।



• মানুষ যখন যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করে, তার অনুভব ক্ষমতা হারায়।

• যুবকেরা ক্ষমা করে, বৃদ্ধেরা করে না।

• Whoever profits by the crime is guilty of it.

• When we cannot get what we love, we should love what we get.



Related Topic: bangla quotes for facebook,bangla quotes inspirational,quotes about life,bangla quotes motivational ,bengali quotes for whatsapp status, France quotes in bengali, bangla onuprerona mulok bani , quotes for facebook status 


সেরা 33 টি Inspirational & Motivational Quotes ও বাস্তববাদী বানী সেরা 33 টি Inspirational & Motivational Quotes ও বাস্তববাদী বানী Reviewed by WisdomApps on জুন ০৭, ২০২১ Rating: 5

এই সপ্তাহ আপনার কেমন কাটবে ? পড়ুন ০৬ ঐ জুন থেকে ১২ই জুনের নিখুঁত রাশিফল

জুন ০৬, ২০২১

কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ১২টি রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল । জেনে নিন কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে । জেনে নিন প্রতিটি রাশির সাপ্তাহিক ভাগ্যফল । আপডেট দেওয়া হয় প্রতি রবিবার সকাল বেলা ।

এই সপ্তাহ আপনার কেমন কাটবে ? পড়ুন ০৬ ঐ জুন থেকে ১২ই জুনের নিখুঁত রাশিফল এই সপ্তাহ আপনার কেমন কাটবে ? পড়ুন ০৬ ঐ জুন থেকে ১২ই জুনের নিখুঁত রাশিফল Reviewed by WisdomApps on জুন ০৬, ২০২১ Rating: 5

এই সপ্তাহে কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে ? পড়ুন ১২ রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল

মে ৩০, ২০২১

                      


কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ১২টি রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল । জেনে নিন কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে । জেনে নিন প্রতিটি রাশির সাপ্তাহিক ভাগ্যফল । আপডেট দেওয়া হয় প্রতি রবিবার সকাল বেলা ।

এই সপ্তাহে কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে ? পড়ুন ১২ রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল এই সপ্তাহে কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে ? পড়ুন ১২ রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল Reviewed by WisdomApps on মে ৩০, ২০২১ Rating: 5

স্বামী অভেদানন্দের বানী - swami abhedananda quotes

মে ২৭, ২০২১

স্বামী অভেদানন্দের বানী - Swami Abhedananda quotes in bengali 


 • আত্মসংযম না হলে ধ্যানধারণা, যােগ তপস্যা কিছুই হয় না। মনের কোথায় কী দুর্বলতা ও হীনভাব আছে তা খুঁজে বের করতে হয়। আত্মবিশ্লেষণ না করলে মনের অসচ্ছলতা ধরতে পারা যায় না।মনকে সর্বদা বিচারশীল করতে হবে যাতে আমরা সত্য ও অসত্যের পার্থক্য বুঝতে পারি। তাই বিচার ও ধ্যান দুই একসঙ্গে দরকার।

• আত্মতত্ত্ব প্রত্যক্ষ করাতেই মনুষ্যজীবনের সার্থকতা। সত্যতত্ত্ব উপলব্ধি ও মুক্তি লাভে সমর্থ করে তাই ধর্ম।

• জগতের যা মূলতত্ত্ব,দেশ-কালনিমিত্তের অতীত সেই সত্যতত্ত্বকে যথাযথ সাধনার দ্বারা সাক্ষাৎ উপলব্ধির (পন্থার) নামই ধর্ম। “অবিদ্যা” মানে “অজ্ঞান” অর্থাৎ যে (ভ্রান্তিবােধক) অবস্থায় মানুষ নিজের দিবা (আত্ম) স্বরূপকে জানে না তাকেই “অবিদ্যা”বলে।

• শ্রবণ, মনন ও নিদিধ্যানাসনে অভ্যাসের ফলে ব্রহ্মের সঙ্গে নিজের স্বরূপগত ঐক্য ও অভিন্নতা উপলব্ধিই “জ্ঞানযোেগ”। জ্ঞানযােগ সিদ্ধ হলে সাধক উপলব্ধি করে, “আমি” সর্বব্যাপী অবিনাশী অব্যয় আত্মা। জন্মহীন, মৃত্যুহীন, আমার স্বরূপ সমস্ত বিকার ও প্রপঞ্চের অতীত।

• মনের ভেতর নানারকম বাসনা, কামনা লুকিয়ে থাকে, পূর্ব-পূর্ব জন্মের অসংখ্য সংস্কার মনের তলায় গভীর ভাবে জমাট হয়ে থাকবে। এই সমস্ত থেকে একেবারে মুক্ত না করতে পারলে মনকে ধ্যানে স্থির করা যায় না, যারা আবেগতাড়িত তারা যােগ-সাধনের অধিকারী নয়। মন যখন ইন্দ্রিয়ের রাজ্য ছাড়িয়ে একেবারে অতীন্দ্রিয়লােকে স্থির হয়, তখনই দিব্যানুভূতির শুরু।

• আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার (ঐক্যবােধক) অবিচ্ছিন্ন মিলন “যােগ বলে, ধর্ম লাভের জন্য যে সমস্ত সাধনপথ আছে সেগুলিকেও “যােগ” বলে। এক এক রকম “রুচির” সাধকের জন্য এক এক রকম যােগের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

• সাম্প্রদায়িকতা দ্বারা কোনােদিনই কখনাে কল্যাণ হয়নি, বরং যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। সাম্প্রদায়িকতার প্রভাবে মানুষ ধর্মের প্রকৃত আদর্শ ও লক্ষ্য ভুলে যায়। প্রকৃত ধর্ম কখনাে যুক্তিকে অস্বীকার করে না, বরং বিজ্ঞানের সত্যান্বেষী নির্দেশ ধর্ম লাভেরও সহায়ক। যে ধর্ম কোনাে ব্যক্তিতে,পুস্তকে বা সম্প্রদায়ে আবদ্ধ তা কখনাে সত্যতত্ত্বের সন্ধান দিতে পারে না।

• ছেলেমেয়েদের শৈশব থেকেই শেখাতে হবে জাতিবর্ণনির্বিশেষে সকলকে ভালােবাসতে। তবে আর সামাজিক বিভিন্নতায় কিছু আসবে যাবে না। উদ্দেশ্য সৎ রাখতে হবে।

• নাম-সাধন করা, কীর্তন করা বা ধ্যান করার কোনাে নির্দিষ্ট সময় বা স্থান নেই। যখনই সুযােগ পাবে করা উচিত। “জড়” জ্ঞেয়র বিষয় আর চৈতন্যময় “আত্মা” জ্ঞাতারূপ বিষয়ী।...জ্ঞাতা আত্মা বা বিষয় আছে বলেই জ্ঞেয় বিষয় বা অনাত্মপদার্থের বিদ্যমানতা সম্ভবপর। জড় হতে কখনাে জ্ঞাতার উৎপত্তি হতে পারে না।

• ধারণা ও একাগ্রতাই সর্ব সাফল্যের মূল রহস্য। ধারণাশক্তি ও আধ্যাত্মিকতা না থাকলে, চিত্রকর, ভাস্কর, গায়ক বা দার্শনিক কখনাে স্ব-স্ব বিদ্যায় (যথার্থ) পারদর্শী হতে পারেন না। সম্প্রদায়ের গোঁড়ামিতে বদ্ধ হলে ধর্ম লাভ কখনােই হয়। 

• মনের যে অবস্থায় ঈশ্বরকে সাক্ষাভাবে উপলব্ধি করা যায়, তাকে ‘পরচেতন' অবস্থা বলে।

• যার ভেতর কিছু সার (সু-সংস্কার) আছে, সে যদি সাধু-মহাপুরুষের সঙ্গ করে তাহলে তারই চৈতন্য লাভ হয়, অপরের হয় না। 

• ব্রহ্ম নামরূপের অতীত অধিকারী সত্তা। তিনি ছাড়া আর কোনাে দ্বিতীয় সত্তা নেই। দেশ-কাল ও নিমিত্তের মধ্য দিয়ে ব্রহ্ম জীব ও জগরূপে প্রতীয়মান হচ্ছেন। যার প্রভাবে মানুষের মনে ব্ৰহ্মকে জগৎ বলে ভ্রম (বােধ) হয় তারই নাম মায়া। 

• সরল, সত্যপরায়ণ ও সংযমী ব্যক্তিই ধর্মলাভের অধিকারী, ইন্দ্রিয়বৃত্তি ও মনকে যিনি নিজের আয়ত্তে এনেছেন, একমাত্র তিনিই ধর্মকে জানতে পারেন। কু-চিন্তা যতক্ষণ থাকে, মন কিছুতেই ধর্ম সাঞ্চনায় স্থির ও শান্ত হয় না। সু-চিন্তা ও সৎকর্মের অভ্যাসই মনঃসংযমের প্রধান উপায়। মনকে সংযত করতে পারলে কু-চিন্তা ওঠে না-কুচিন্তা উঠলে বিচার করে তাড়িয়ে দেবে। অসৎ-সঙ্গে কু-চিন্তা প্রবল হয়। সেই কারণে সৎ-সঙ্গ করবে।

• প্রত্যেকের মধ্যেই সেই আত্মা বিরাজিত। সুতরাং কেউ আমার ভালাে করলাে কিনা তা দেখবার প্রয়ােজন নেই। আমি প্রত্যেককে ভালােবাসবাে। এই উপলব্ধির বিরাট ভিত্তির ওপর আমাদের একতা প্রতিষ্ঠিত হবে। আমাদের মধ্যে হাজার শ্রেণি বিভাগ থাকুক, আমরা সকলেই ভগবানের সন্তান, সুতরাং আমরা এক। 

• যাঁরা বিশ্বমানবতার বেদীর ওপর স্বার্থ বলি দিয়েছেন, তারাই জগতে মহৎ কার্য সম্পাদন করেছেন।

• আত্মা ও পরমাত্মা একই সত্তা। জীবভাবে আত্মা স্ব-স্বরূপে পরমাত্মা। বিশ্বাত্মা অদ্বিতীয় অনন্ত সত্তারূপ সমুদ্র, যাতে অসংখ্য আবর্তের ন্যায় “ব্যাক্তিরূপে” জীবাত্মাসমূহ বিরাজ করছে।

• সাম্প্রদায়িকতা হচ্ছে গোঁড়ামি, কু-সংস্কার ও যুক্তিহীন আচার নিয়মে অভিভূত থাকা। প্রকৃত ধর্মের প্রকৃতি বিশ্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক। ধর্মকে সঠিক ভাবে জানতে হলে সংকীর্ণতা ও যুক্তিহীন বিশ্বাসকে একেবারে ত্যাগ করতে হবে। আজগুবি বিষয়ে বিশ্বাস, ভােজবাজী, ভুতুড়ে কাণ্ড, অবিচার প্রভৃতি কখনই ধর্মের বিষয় নয়। আসল ধর্মের সঙ্গে এই সব সত্যবিরােধী ব্যাপারের কোনাে সম্বন্ধ নেই।


Tags: - Swami Abhedananda quotes in bengali , quotes by Sami Abhenanda 
স্বামী অভেদানন্দের বানী , বাংলা বানী , স্বামীজির বানী , অভেদানন্দের কোটস ,  swami abhedananda quotes pdf
স্বামী অভেদানন্দের বানী - swami abhedananda quotes স্বামী অভেদানন্দের বানী  -  swami abhedananda quotes Reviewed by WisdomApps on মে ২৭, ২০২১ Rating: 5

এই সপ্তাহ আপনার কেমন কাটবে ? সাপ্তাহিক রাশিফল ২৩শে মে থেকে ২৯শে মে ২০২১

মে ২৩, ২০২১

                     


ভারতীয় ১২ রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল । কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে ? জেনে নিন প্রতিটি রাশির সাপ্তাহিক ভাগ্যফল । আপডেট দেওয়া হয় প্রতি রবিবার সকাল বেলা ।

এই সপ্তাহ আপনার কেমন কাটবে ? সাপ্তাহিক রাশিফল ২৩শে মে থেকে ২৯শে মে ২০২১ এই সপ্তাহ আপনার কেমন কাটবে ? সাপ্তাহিক রাশিফল ২৩শে মে থেকে ২৯শে মে ২০২১ Reviewed by WisdomApps on মে ২৩, ২০২১ Rating: 5

প্রতিদিন এই ১ টি ব্যায়াম করলেই আপনি থাকবেন চির নিরোগ

মে ২২, ২০২১

শরীরকে পূর্ণ সুস্থ রাখতে হলে মানসিক স্বাস্থ্যও ভালাে রাখা দরকার। তাই এমন কিছু যােগাসনের কথা আলোচনা করা হলো যাতে শরীর ও মন দুই ভালাে থাকে । শরীরকে সুস্থ রাখতে কার্ডিও ভাসকুলার, নারভাস ও মাসকুলার ব্যায়াম যেমন জরুরি তেমন মনকে সুস্থ রাখতে চাই ধ্যান ও প্রাণায়াম। অল্প বয়স থেকে রােজ সকালে যদি সূর্যনমস্কার আসনটি অভ্যাস করা যায়, তাহলে ওই একটা ব্যায়ামের মাধ্যমেই শরীরের সার্বিক দেখভাল করা সম্ভব। এই আসনটি প্রথমে পাঁচবার অভ্যাস করতে হবে এবং ক্রমশ বাড়িয়ে দশবার পর্যন্ত অভ্যাস করলে শরীর নীরােগ ও সুস্থ থাকবে। শরীরকে সতেজ রাখার জন্য এছাড়াও ব্যাক বেন্ডিং, স্ট্রেচিং, টো টাচিংয়ের মতাে কিছু আসন অভ্যাস করা যেতেই পারে। ব্যাক বেন্ডিংয়ের জন্য ধনুরাসন, নৌকাসন অভ্যাস করা ভালাে। ফরওয়ার্ড বেন্ডিংয়ের ক্ষেত্রে পদহস্তাসন, জানুশিরাসন গােছের আসন অনবদ্য। কিন্তু বয়স অনুযায়ী যেমন আসন শরীর ও মনকে চাঙ্গা রাখে তার কয়েকটি প্রকার পদ্ধতি জেনে নেওয়া জরুরি।

৫ থেকে ১২ বছরের বাচ্চাদের জন্য: 


এই বয়সে বাচ্চারা একটু চঞ্চল থাকে। কোনও কিছুতেই সহজে মন দিতে পারে না। তাই এই বয়সে শরীর ও মন সচল রাখতে চাই বৃক্ষাসন। পাশাপাশি ধনুরাসন ও শশঙ্গাসনও উপকারী। 

বৃক্ষাসন: একপায়ে দাঁড়িয়ে মেরুদণ্ড সােজা রেখে শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। হাত দুটো জোর করে সামনে চিবুকের সঙ্গে লগিয়ে রাখতে হবে নমস্কার করার ভঙ্গিতে। এইভাবে মনে মনে দশ গুনতে হবে। পরে তা বাড়িয়ে তিরিশ পর্যন্ত গুনতে হবে। এই ব্যায়ামে মনঃসংযােগ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।


১৩ থেকে ২৫ বছর বয়সের জন্য: 



এই বয়সে শরীরে হঠাৎ অনিয়ম শুরু হয়। তাই এই সময় ডাইজেস্টিভ এফিশিয়েন্সি বা হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে তােলা দরকার। এই বয়সের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযােগী আসন ধনুরাসন। পাশাপাশি জানুশিরাসনও অভ্যাস করা ভালাে। 

ধনুরাসন: উপুড় হয়ে শুয়ে পা দুটি হাঁটুর কাছ থেকে ভাঁজ করে গােড়ালি দুটো জোড়াভাবে নিতম্বের কাছে নিয়ে আসতে হবে। এরপর দু’হাত দিয়ে পায়ের গােছদুটো ধরে ঊরু থেকে মাটির ওপরে তুলে ফেলতে হবে। একইভাবে মাথা থেকে বুকও মাটি থেকে তুলে ফেলতে হবে। এমনভাবে তা করতে হবে যাতে শুধু পেট মাটিতে ঠেকে থাকে। এইভাবে মনে মনে দশ গুনতে হবে। পরে তা বাড়িয়ে তিরিশ পর্যন্ত গুনতে হবে। এই ব্যায়াম নিয়ম করে অভ্যাস করলে হজম ক্ষমতা ভালাে হয়।


২৫ থেকে ৫০ বছর বয়সের জন্য: 

এই বয়সে শরীর ক্রমশ ভাঙতে থাকে। ৪০ বছরের পর বিশেষভাবে শরীরের যত্ন নেওয়া দরকার। অনেক সময় শরীরের সঠিক চালনার অভাবে শরীর স্টিফ হয়ে যায়। তাই এই বয়সে এমন আসন অভ্যাস করা উচিত যাতে শরীর সচল থাকে। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য শলভাসন। এছাড়া অর্ধকূর্মাসন, কপালভাতি ও উৎকটাসনও এই বয়সের জন্য উপযুক্ত। 

শলভাসন: উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। হাত দুটো শরীরে দু’পাশে সােজা করে রেখে হাতের তালু উড়র নীচে রাখুন। থুতনিটা যেন মাটির সঙ্গে ঠেকে থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। এরপর প্রথমে ডান পা উড় থেকে ওপর দিকে সােজা করে তুলে দশ গুনুন। তারপর একই উপায়ে বাঁ পা তুলুন। এইভাবে দুটি পা তিনবার করে তুলন। এবং প্রতিবারই দশ পর্যন্ত গুনুন। তারপর একত্সঙ্গে দুটি পা তুলে প্রথমে দশ ও পরে তা বাড়িয়ে তিরিশ পর্যন্ত গুনুন। শলভাসন নিয়ম করে অভ্যাস করলে বাত জাতীয় ব্যথা কমে আর স্নায়বিক দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়। 


৫০ থেকে ৮০ বছরের জন্য: 



এই সময় হঠাৎ করেই শরীরটা বুড়িয়ে যায়। তাই এই বয়সে নিয়মমাফিক যােগাসনের অভ্যাস খুবই জরুরি। নানা রকম রােগ এই বয়সে দেহে বাসা বাঁধে তাই শরীরের সার্বিক উন্নতির জন্য ব্যয়াম করা দরকার। ভুজঙ্গাসন এই বয়সের জন্য খুবই উপযােগী আসন। এছাড়াও অর্ধশলভাসন ও অর্ধকুর্মাসনও অভ্যাস করতে পারেন। 

ভুজঙ্গাসন: উপুড় হয়ে শুয়ে হাতের তালু বুকের দু’পাশে মাটিতে সােজা করে পেতে রাখুন। হাতের কনুই যেন গায়ের সঙ্গে লেগে থাকে। পা দুটো সােজা করে পায়ের পাতা মাটির সঙ্গে ঠেকিয়ে রাখুন। এই অবস্থায় শরীরে উপরের ভাগ ক্রমশ মাটি থেকে তুলতে থাকুন।এমনভাবে যাতে পেট পর্যন্ত মাটিতে ঠেকে থাকে কিন্তু বুক ও মাথা উপরে থাকে। এইভাবে প্রথমে দশ ও পরে বাড়িয়ে তিরিশ পর্যন্ত গুনুন। এই আসনটি মহিলাদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। এতে মানসিক শান্তি আসে। তাছাড়া গ্যাস ও অম্বলের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।




প্রতিদিন এই ১ টি ব্যায়াম করলেই আপনি থাকবেন চির নিরোগ প্রতিদিন এই ১ টি ব্যায়াম করলেই আপনি থাকবেন চির নিরোগ Reviewed by WisdomApps on মে ২২, ২০২১ Rating: 5

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত জীবনী - biography of Manik Bandopadhyay in bengali

মে ২১, ২০২১

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত জীবনী 

" ভাবপ্রবণতার বিরুদ্ধে প্রচণ্ড বিক্ষোভ সাহিত্যে আমাকে বাস্তবকে অবলম্বন করতে বাধ্য করেছিল।"

বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্রাত্য জনের সুখদুঃখ-স্বপ্ন-নিরাশা-শপথ-তামাসা তার রচনায় যে ভাবে যে গভীরতায় ফুটে উঠেছে, অন্য কোনও বাঙালী ঔপন্যাসিকের সৃষ্টিতে তেমনটি যেন আমরা খুঁজে পাই না।

নিজের সাহিত্যসৃষ্টি সম্পর্কে বলতে গিয়ে মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন,

" ভাবপ্রবণতার বিরুদ্ধে প্রচণ্ড বিক্ষোভ সাহিত্যে আমাকে বাস্তবকে অবলম্বন করতে বাধ্য করেছিল।" 

 প্রকৃতপক্ষেই  মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিটি রচনায় যে নির্যাস নিহিত, সেখানে ভাবালুতার স্থান নেই।

মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ২৯শে মে, ১৯০৮। স্থান দুমকা, সাঁওতাল পরগনা। বাবার নাম হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায়। মা নিরদাসুন্দরী। পবিরবারটি এসেছিল ঢাকার বিক্রমপুর থেকে। 

মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম প্রবােধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। সাহিত্য রচনায় তিনি মাণিক নামটি ব্যবহার করেন। হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সরকারী চাকুরে। সে কারণে তাকে প্রায়শই বদলি হতে হত। মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাবা-মার সঙ্গে অনেক জায়গা ঘুরেছেন। বিবিধ পরিবেশে নানান শ্রেণীর নরনারী দেখেছেন—যারা তাঁর গল্প ও উপন্যাসে স্থান পেয়েছে। শােষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধচারণ করেছে তার বলিষ্ঠ লেখনী। 

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন কৃষ্ণবর্ণ আর অসম্ভব দুঃসাহসী । কোনোকিছুতেই ভয় ছিল না তাঁর ।  ছোটবেলাতে একবার খেলতে খেলতে আঁশবটিতে পেট কেটে ফেলেন , একবার জ্বলন্ত কয়লা দিয়ে পা পুড়িয়ে ফেলেন আর একবার বারুদ দিয়ে বাজি বানাতে গিয়ে ভীষণ ভাবে আহত হয়ে পড়েন , তবু তিনি তাঁর দস্যিপানা ছাড়েননি । কৈশােরে ছিলেন মেদিনীপুরে। মেদিনীপুর জিলাস্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তারপর বাঁকুড়ার ওয়েসলিয়ান মিশন কলেজ থেকে আই.এস. সি পাশ করেন। অঙ্কে অনার্সসহ বি.এস.সি পড়তে ভর্তি হন কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজে। 

প্রেসিডেন্সীতে পড়বার সময় তিনি 'অতসী মাসী’ নামে একটি গল্প লিখে সে বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা বিচিত্রা’-তে পাঠান। 

গল্পটি ছাপা হয় এবং প্রথম গল্পেই মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায় এমন সাড়া তােলেন যা অতি অল্পক্ষেত্রে লেখকদের কপালে জুটে থাকে।

মাত্র একুশ বছর বয়সে লিখলেন তার প্রথম উপন্যাস ‘দিবারাত্রির কাব্য' । যথেষ্ঠ বলিষ্ঠ রচনা। লেখালেখিতে এতটাই মগ্ন হয়ে পড়লেন মাণিক

বন্দ্যোপাধ্যায় যে তার পক্ষে আর বি.এস.সি পরীক্ষা দেওয়া সম্ভবপর হল না। তিনি সাহিত্যকে তার জীবিকা হিসেবে গ্রহণ করলেন—যা সেই সময়ে ছিল অত্যন্ত সাহসী সিদ্ধান্ত। মাণিক বন্দ্যেপাধ্যায় নিজেকে কল্লোল’ সাহিত্যগােষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত করেন। কল্লোল পত্রিকাকে ঘিরে তখন একদল শক্তিমান কথাসাহিত্যিক নিজেদের মেলে ধরছেন। এঁদের মধ্যে প্রেমেন্দ্র মিত্র, অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, প্রবােধ সান্যাল প্রমুখ উল্লেখযােগ্য। তাদের সঙ্গে গিয়ে যুক্ত হলেন মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৯৩৫ খৃষ্টাব্দে সে সময়ের সুখ্যাত পত্রিকা ভারতবর্ষ’-এ প্রকাশিত হয় তার উপন্যাস ‘জননী'। সেই পত্রিকাতেই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী আরও দুটি উপন্যাস—‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ এবং ‘পদ্মা নদীর মাঝি' । 

দুঃখ দারিদ্রে জর্জরিত নরনারীর অমন জীবন্ত আলেখ্য এর আগে অন্য কোনও বাঙালী ঔপন্যাসিকের কলমে ফুটে ওঠেনি। অথচ ওই স্তরের অবহেলিত মানুষদের মধ্যেই রয়েছে অযত্নরক্ষিত অমসৃণ কত হীরকখণ্ড। এরকম সমস্ত আপখোেরাকী লােকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিশতেন মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাদের জীবনযাত্রায় শামিল হতে গিয়ে তিনি নিজে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার বহুবিধ অভিজ্ঞতার মহিমা রয়েছে তাঁর রচিত প্রতিটি রচনায়। কিন্তু লিখে যথেষ্ট আয় হত না লেখকের। অথচ লেখার স্বার্থেই তিনি কোথাও চাকরিও নেবেন না। ভালাে বেতনের চাকুরি গ্রহণে অস্বীকার করেছেন। অর্থাভাবে যখন ধুকছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাকে কিছু বৃত্তি দেবার ব্যবস্থা করেন । 

লেখক জীবনের দ্বিতীয়ার্থে মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায় মার্কসবাদে বিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। ফলে ভাববাদের আরও বিরােধী হয়ে উঠলেন। কিছু ক্ষেত্রে তাঁর রচনা খানিক শ্লোগানধর্মীও হয়ে ওঠে। তবে মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকাংশ রচনাই বাংলা সাহিত্যের মহামূল্য মণিরত্ন। তার ছােটোগল্পগুলিও অনন্য। আর উপন্যাসগুলির মধ্যে পদ্মা নদীর মাঝি ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ ‘হলুদ নদী সবুজ মন’ ‘অমৃতস্য পুত্রা’ ‘শহরতলী’ ‘প্রাণেশ্বরের উপাখ্যান' ইত্যাদির যেন কোনও তুলনাই হয় না ।

৩রা ডিসেম্বর, ১৯৫৬, মাত্র আটচল্লিশ বছর বয়সে মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণ ঘটে।


Tags: 
biography of manik bandopadhyay in bengali , মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম গল্পের নাম কি , manik bandopadhyay , manik bandopadhyay books, manik bandopadhyay quotes

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত জীবনী - biography of Manik Bandopadhyay in bengali  মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত জীবনী - biography of Manik Bandopadhyay in bengali Reviewed by WisdomApps on মে ২১, ২০২১ Rating: 5

মােহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর জীবনী - সংক্ষিপ্ত রচনা Biography of Mahatma Gandhi

মে ২১, ২০২১

Biography of Mohandas Karamchand Gandhi 

Read Bigoraphy of Mohandas Karamchand Gandhi in Hindi - Click here 

জাতির জনক 

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে মােহনদাস করমচঁাদের ভূমিকা অতি গুরুত্বপূর্ণ। তিনিই প্রকৃত অর্থে এ দেশের প্রথম জননেতা’। তাকে ‘জাতির জনকও বলা হয়। কাথিবাড় প্রদেশের পােরবন্দরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে গান্ধীজির জন্ম ২ অক্টোবর ১৮৬৯ খৃষ্টাব্দে। বাবার নাম কাবা গান্ধী, মা পুতলীবাঈ। স্কুল-কলেজের শিক্ষা স্বদেশে সমাপ্ত করে গান্ধীজি বিলেত যান আইন পড়তে। আইনে ডিগ্রী পাবার পর দেশে ফিরে এসে মুম্বাই হাইকোর্টে ব্যারিস্টারি শুরু করেন। 

১৮৯৩ খৃষ্টাব্দে তিনি ভারতীয়দের হয়ে একটি মামলা লড়বার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার নাটালে যান। নাটাল থেকে পৌছান ট্রান্সভালে। দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসকারী ভারতীয়দের অধিকার আদায়ে গান্ধীজি এক ধারাবাহিক আন্দোলন গড়ে তােলেন।

কিছু সংখ্যক ভারতীয়দের নিয়ে ১৮৯৪ খৃষ্টাব্দে গান্ধীজি প্রতিষ্ঠা করলেন নাটাল ইন্ডিয়ান কংগ্রেস। এই সংগঠন এশিয়াবাসীদের বিতাড়ন করবার আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় ও জনমত সংগঠিত করতে থাকে। গান্ধীজি সেখানে দ্রুত খ্যাতি অর্জন করেন। 

১৯০২ খৃষ্টাব্দে চেম্বারেল নাটাল পরিদর্শনে এলে গান্ধীজি তাঁর সঙ্গে দেখা করে নিজেদের দাবি পেশ করেন। তিনি তখন ট্রান্সলের সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি। 

১৯০৩ খৃষ্টাব্দে গান্ধীজির নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হল ‘ট্রান্সভাল ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যাসােসিয়েশন। ১৯০৪ খৃষ্টাব্দে জোহানসবার্গে ভারতীয়দের মধ্যে প্লেগরােগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। গান্ধীজি সেখানে ওই রােগের চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতাল গড়ে তােলেন। এর আগে তিনি ট্রান্সভালে জারি করা এশিয়াটিক ল অ্যামেন্ডমেন্ট অর্ডিন্যান্সের বিরুদ্ধে তীব্র অহিংস আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।

একদিকে সেবামূলক কাজকর্ম, অন্যদিকে গণ আন্দোলন—গান্ধীজির ভাবমূর্তি খুবই উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।ব্রিটিশ সরকার তখন গান্ধীজিকে ‘কাইজার-ই-হিন্দ’ পদক দিয়ে সম্মানিত করে। গান্ধীজি যখন স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন, তখন তিনি বিখ্যাত ব্যক্তি। এ দেশ তার নেতৃত্বের প্রত্যাশী। 

১৯৬৬ খৃষ্টাব্দে বিহারের চম্পারণ জেলায় নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে কৃষকরা চষ্কন্ধ হয়ে উঠলে গান্ধীজি তাদের নেতৃত্ব দেন এবং আলেচনার মাধ্যমে একটি সম্মানজনক মীমাংসায় উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয়।

ভারতের জাতীয় কংগ্রেস এই সময় গান্ধীজির নেতৃত্বকে বরণ করে নেয়। ১৯১৮ খৃষ্টাব্দে কুখ্যাত রাউলাট বিল’-এর বিরুদ্ধে দেশব্যাপী যে তীব্র আন্দোলন প্রসারিত হয়, গান্ধীজি তার নেতৃত্ব দেন। অন্যদিকে ভারতীয়, মুসলমানরা তখন সংঘবদ্ধ খিলাফৎ আন্দোলনের মাধ্যমে। গান্ধীজি ওই আন্দোলনের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন। 

ব্রিটিশরাজ নির্মম হাতে আন্দোলন দমন করবার চেষ্টা করে। পাঞ্জাব ও দিল্লীতে গুলি চলে। সংঘটিত হয় নিষ্ঠুরতম ‘জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড। ক্ষুব্ধ গান্ধীজি সরকার প্রদত্ত কাইজার-ই-হিন্দ’ পদক ফিরিয়ে দেন। 

১৯২০ খৃষ্টাব্দে নাগপুর কংগ্রেসে গান্ধীজি দাবি জানালেন ‘পূর্ণ স্বরাজ’-এর জন্য। দেশজুড়ে চলতে থাকে অহিংসা দ্বারা চালিত অসহযােগ আন্দোলন। ১৯২২ খৃষ্টাব্দের মধ্যে গান্ধীজির নেতৃত্বে তামাম  রতজুড়ে জাতীয় জাগরণ ঘটে। 

১৯২২ খৃষ্টাব্দে শুরু হল ভারতব্যাপী গান্দীজির নেতৃত্বে আইন অমান্য আন্দোলন। সেইসঙ্গে চলতে থাকে ব্রিটিশ সরকারের চণ্ড দমননীতি। গান্ধীজি আবার কারারুদ্ধ হলেন। গণপ্রতিরােধ উত্তাল হয়ে ওঠে।

গান্ধীজি দু’বার গােলটেবিলের বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেন।  তাঁকে একবার দর্শন করবার জন্য লন্ডনে ইংরেজদের মধ্যেও হুড়ােহুড়ি পড়ে যায়। ১৯৪২ খৃষ্টাব্দে গান্ধীজি ডাক দিলেন ‘ভারত ছাড়' আন্দোলন। সেদিন সমগ্র ভারতবর্ষ যে ভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছিল, ইতিহাসে তার নজির কম। 

১৯৪৫ খৃষ্টাব্দে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান ঘটলে জাতীয় কংগ্রেস পূর্ণ। স্বাধীনতার দাবি জানায়। ১৯৪৭ খৃষ্টাব্দে ১৫ই আগস্ট দেশভাগের কুৎসিত মূল্য চুকিয়ে ভারতীয়রা স্বাধীনতা পেল—যে স্বাধীনতা অন্তত গান্ধীজির কাছে অভিপ্রেত ছিল না। শুরু হয়ে যায় মর্মান্তিক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, যা প্রশমিত করতে গান্ধীজি ননায়াখালি সমেত একাধিক স্থানে বিচলিত হৃদয়ে ছুটে বেড়ান। 

১৯৪৮ খৃষ্টাব্দের ৩০শে জানুয়ারি দিল্লীর এক প্রার্থনা সভায় নাথুরাম গডসে নামক এক আততায়ীর গুলিতে গান্ধীজি প্রাণ হারান।  

মােহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর জীবনী - সংক্ষিপ্ত রচনা Biography of Mahatma Gandhi  মােহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর জীবনী - সংক্ষিপ্ত রচনা Biography of Mahatma Gandhi Reviewed by WisdomApps on মে ২১, ২০২১ Rating: 5

উইলিয়াম শেকসপীয়ারের সংক্ষিপ্ত জীবনী - william shakespeare biography

মে ১৯, ২০২১

Biography of William Shakespeare 

শেকসপীয়রের লেখা পড়েননি বা তার নাম শোনেননি এমন শিক্ষিত মানুষ পৃথিবীতে খুব কমই আছেন । কিন্ত ভাবলে আশ্চর্য লাগে যে সমস্ত কালজয়ী নাটকের জন্য শেকসপীয়র এত বিখ্যাত , সেই নাটকগুলি বই আকারে প্রকাশ করতে কোনো প্রকাশকই রাজী হয়েছিলেন না । বিভিন্ন কষ্টের মধ্যে কেটেছিল শেকসপীয়র এর জীবন । আসুন জেনে নিই উইলিয়াম শেকসপীয়র এর জীবনী - 



 ‘শেকসপীয়র নিয়ে সর্বাধিক সংখ্যক গবেষণামূলক গ্রন্থ রচিত হয়েছে। ইংরেজি তথা বিশ্বসাহিত্যে উইলিয়ম শেকসপীয়র এমন এক সাহিত্যপ্রতিভা,কয়েকশত বৎসরের ব্যবধানেও যাঁর সম্পর্কে আগ্রহ বিন্দুমাত্র হ্রাস পায়নি। শেকসপীয়রকে কাছ ছাড়া করতে চান না এরকম মানুষের সংখ্যা বিশ্বের সর্বত্র বিস্তর। আদরণীয় শেকসপীয়রকে নিয়ে সর্বাধিক সংখ্যক গবেষণামূলক গ্রন্থ রচিত হয়েছে।

১৫৬৪ খৃষ্টাব্দের ২৬শে এপ্রিল অ্যাভন নদীর তীরবর্তী স্ট্রাটফোর্ডে শেকসপীয়র জন্ম গ্রহণ করেন। বাবার নাম জন শেকসপীয়র, মায়ের নাম মেরী আর্ডেন। তাঁদের সাতটি সন্তানের মধ্যে একমাত্র উইলিয়মই বেঁচে রইলেন সম্ভবত সাহিত্যে অমরতা লাভের উদ্দেশ্যে। 

শেকসপীয়রের প্রথম জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানি না, যা নিয়ে গবেষণা করতে অনেকের জীবন আজও সমর্পিত। যেটুকু জানা যায়, তাতে এটা স্পষ্ট যে শেকসপীয়র এক সম্পন্ন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এক সময় কর্পোরেশনের শেরিফ নির্বাচিত হন। তিনি নাট্যামােদি মানুষ ছিলেন। নাটকের রচনাশৈলী কেমন হওয়া উচিত, এ সম্পর্কে তাঁর কিছু নিজস্ব পথনির্দেশও ছিল। সুতরাং ধরে নেওয়া যায়, উইলিয়ম শেকসপীয়রের হৃৎপদ্মে নাটককে প্রস্ফুটিত করাবার পিছনে তার বাবা জন শেকসপীয়রের কিছু অবদান ছিল। 

উইলিয়ম যে অনেক নাটক দেখবার সুযােগ পেতেন, সে ব্যাপারে সন্দেহের অবকাশ কম। কাব্য ও অভিনয়ের প্রতি তার টানটান আবেগ ও আগ্রহ গড়ে ওঠে। বাবার দস্তানার ব্যবসা দেখাশুনা করতেন উইলিয়াম। এ রকম একটা গল্প প্রচলিত আছে যে, প্রথম যৌবনে তিনি একবার হরিণ চুরি করেছিলেন। তারপর ধরা পড়ে যাবার ভয়ে লন্ডনে পালিয়ে আসেন। সেখানে এক ঘােড়ার আস্তাবলে চাকরি নেন। অবশ্য এ সমস্ত কাহিনীর পিছনে প্রকৃত ঘটনা কতটা, তা নির্ণয় করা কঠিন। 

আঠারাে বছর বয়সে শেকসপীয়রের বিয়ে। স্ত্রীর নাম অ্যানা হ্যাথাও, যিনি আবার বয়সে ছিলেন আট বছরের বড়াে। বিয়ের ছ'মাসের মধ্যেই তার প্রথমা কন্যা সুশানার জন্ম। এরপর তাদের যমজ পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। নাম, হ্যানেট ও জুডিথ। লন্ডনে জীবিকার খাতিরে শেকসপীয়র এক নাটকের দলে যােগ দেন। তাঁর কাজ ছিল, দলের খুঁটিনাটির দিকে নজর রাখা ও প্রয়ােজনে নাটক লেখা। সেই যুগে নাট্যকারদের তেমন একটা সম্মান ছিল না। যে সমস্ত নাট্যদলের সঙ্গে তিনি কাজ করেন , তাদের মধ্যে লর্ড চেম্বারলেনের নাটকের দলের নাম উল্লেখযোগ্য । 

লন্ডনে অবস্থান কালের প্রথম দিকে শেকসপীয়রের দুটো কথিকার বই প্রকাশিত হয়। দুটোই তিনি নিজের খরচে ছেপেছিলেন।

১৫৯৪ খৃষ্টাব্দে প্রকাশিত হয় ‘দ্য রেপ অফ লুক্রোসি’-যা তাকে কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়। কিন্তু বিচিত্র ব্যাপার হল, শেকসপীয়রের অসাধারণ সমস্ত নাটকগুলি প্রকাশ করতে কোনও প্রকাশকই ইচ্ছুক ছিলেন না। তারা ওই নাটকগুলির অসাধারণত্ব ও গুরুত্ব অনুধাবনে ব্যর্থ হন। ফলে জীবিতকালে শেকসপীয়র তার একটি নাটক প্রকাশিত অবস্থায় দেখে যেতে পারেননি। একজন কবি হিসেবেই তাঁর মােটামুটি একটা পরিচিতি। তবে নাট্যদলের জন্য মঞ্চসফল নাটক লিখে শেকসপীয়র কিছু আর্থিক স্বচ্ছলতা অর্জন করেন এবং লন্ডনের গ্লোব থিয়েটারের আংশিক মালিকানা কিনে নেন।

ব্যক্তিগত জীবনে নিরবচ্ছিন্ন সুখ উইলিয়াম শেকসপীয়র পাননি। তাঁর পুত্র হ্যানেট মাত্র এগারাে বছর বয়সে মারা যায়। পুত্রের মৃত্যুর পর স্ট্রটফোর্ডে ফিরে আসেন শেকসপীয়র। সেখানে তিনি একটি প্রকাণ্ড বাড়ি ক্রয় করেন। কন্যাদের বিয়ে দেন। 

২৩শে এপ্রিল, ১৬১৬ খৃষ্টাব্দ, উইলিয়ম শেকসপীয়র ইহলােক ত্যাগ করেন। তার লেখা নাটকগুলি প্রকাশিত হতে থাকে তার মৃত্যুর পর ১৬২৩ খৃষ্টাব্দ থেকে। তাঁর নাটকের সংখ্যা চৌত্রিশটি। তার এই নাটকগুলিকে তিন টি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়—(১) বিয়ােগান্ত নাটক (২) ঐতিহাসিক নাটক এবং (৩) হাস্যরসাত্মক নাটক।

বিয়ােগান্ত নাটকের মধ্যে রয়েছে রােমিও জুলিয়েট, ম্যাকবেথ, টাইটাস এড্রোনিকাস, হ্যামলেট, ওথেলাে, কোরিও লানাস, টাইমস অফ এথেন্স ;

ঐতিহাসিক নাটকের পর্যায়ে পড়ে জুলিয়াস সিজার, কিং লিয়ার, অ্যান্টনী ও ক্লিওপেট্রা, হেনরি দ্য সিকস্থ, কিং জন, তৃতীয় রিচার্ড, দ্বিতীয় রিচার্ড;

হাস্যরসাত্মক নাটকরূপে বিবেচিত মাচ এডাে এবাউট নাথিং, দ্য কমেডি অফ এররর্স, অ্যাজ ইউ লাইক ইট, দ্য টেম্পেস্ট, দ্য নােবল কিংসমেন, অল ওয়েল দ্যাট এন্ডস ওয়েল, সিম্মােলিন, দ্য মেরী ওয়াডস অফ উইন্ডসর, টুয়েলভথ নাইট, দ্য উইন্টার্স টেল, মিড সামার নাইটস ড্রিম, দ্যা টেমিং অফ দ্য শু, দ্য জেন্টলমেন অফ ভেরােনা, ট্রয়লাস অ্যান্ড গ্রোমিডা ইত্যাদি। শেকসপীয়র একশ’ চুয়ান্নটি সনেট রচনা করে যান।

এত বড় প্রতিভাবান পুরুষ। অথচ তার সম্পর্কে অনেক তথ্যই আজও। আমাদের অজানা।

তার জীবিতকালে প্রকাশকরা যে তার রচনা প্রকাশে অনাগ্রহী ছিলেন, এটাও লজ্জার।

উইলিয়াম শেকসপীয়ারের সংক্ষিপ্ত জীবনী - william shakespeare biography উইলিয়াম শেকসপীয়ারের সংক্ষিপ্ত জীবনী -  william shakespeare biography Reviewed by WisdomApps on মে ১৯, ২০২১ Rating: 5

সাতটি ইমিউনিটি বুস্টার ফুড - 7 Best immunity booster food

মে ১৬, ২০২১


ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার জন্য দরকার খাদ্যে সঠিক পরিমান প্রোটিন , ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ । বেশিরভাগ শাকসবজী ও ফলমূলে অল্প বিভিন্ন খাদ্যগুন থাকেই । এমন কোনো ফল বা শাক সবজী নেই যা মানুষের শরীরে বিপজ্জনক কোনো রোগ সৃষ্টি করে । কিন্ত এমন কিছু ফল , শাক ও সব্জি আছে যাদের মধ্যে কিছু অসাধারন গুন থাকায়  ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করে - এদের এক কথায় সুপার ফুড বলা চলে । এরা শুধু ইমিউনিটিই বারায় না , শরীরের পুস্টি বজায় রাখতে এবং বিভিন্ন জটিল রোগ নিরাময় করতে সাহায্য করে । এমনই ১০টি সুপার ফুডের তালিকা দেওয়া হলো । এগুলো ভারতের বাজারে সহজ লভ্য । 


১। কাঁচা ও পাকা পেপে : 

পেঁপেতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফোলেট থাকে, এগুলি সমস্তই আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। একজন পরিনত বয়স্ক মানুষের একদিনে যে পরিমান ভিটামিন C  প্রয়োজন তার দ্বিগুন পরিমান ভিটামিন C একটা মিডিয়াম সাইজের পেঁপেতে থাকে । আর পেঁপের বিখ্যাত এনজাইম প্যাপাইনকে কে না চেনে , এই এঞ্জাইমের কারনেই বদহজমের সহ পেটের বহু সমস্যার মোক্ষম জবাব কাঁচা পেঁপে ।


২। ক্যাপসিকাম বা মিস্টি লঙ্কা 

সাধারনত আমরা মনে করি টক জাতীয় ফলেই ভিটামিন  C বেশী থাকে । কিন্ত টক জাতীয় ফলের থেকে অনেক বেশী ভিটামিন  C পাওয়া যায় ক্যাপসিকামে । তবে লাল রঙের ক্যাপসিকামে ভিটামিন  C এর পরিমান সবথেকে বেশি । যেখানে একটি ভালো মানের কমলালেবুতে ৪৫মিলিগ্রাম পর্যন্ত ভিটামিন  C থাকতে পারে সেখানে একই ওজনের ক্যাপসিকামে ১২৭ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ভিটামিন  C-এর উপস্থিতি দেখা গেছে । এছাড়াও এগুলি বিটা ক্যারোটিনের একটি সমৃদ্ধ উত্স। কাজেই আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্যাপসিকাম একটি সুপার ফুড তা নিঃসন্দেহে বলা চলে । 


৩। রসুন 

রসুন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি রান্নাঘরে পাওয়া যায়। এটি খাবারে খানিকটা জিঙ্ক যুক্ত করে যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য আবশ্যক। সভ্যতার গোড়ার দিকে সংক্রমন যোগ্য ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বিরুদ্ধে রসুনের ব্যাবহার পাওয়া যায় । রসুন ধমনীর মধ্যে দিয়ে রক্ত প্রবাহ সতেজ রাখে এবং রক্তচাপকে হ্রাস করতে সহায়তা করে। রসুনে থাকে অ্যালিসিন , এই অ্যালিসিন হল একধরনের সালফার যুক্ত যৌগ । এই অ্যালিসিনের জন্যেই রসুন রোধ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিষণ ভাবে কার্যকারী । 


৪। আদা 

বলা হয় " রসুন আর আদা , যেন ভাই আর দাদা " একে ছাড়া অন্যের চলে না । মানব শরীরে রসুনের মতোই আদার গুন অপরিসীম । আদা প্রদাহ হ্রাস করতে সাহায্য করতে পারে । গলার ব্যাথা এবং প্রদাহজনিত অসুস্থতা কমাতে সহায়তা করে।  আদা বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে। আদা ক্রনিক পেইন হ্রাস করতে পারে এবং এমনকি কোলেস্টেরল-হ্রাস করার বৈশিষ্ট্য এতে আছে । কাজেই রসুন ও আদাকে সুপার ডুপার ফুড বলা চলে । 


৫। দই 

দই মানে কিন্ত নবদ্বীপের সুস্বাদু মিস্টি দইয়ের কথা বলা হচ্ছে না । কোনো প্রিসারভেটিভ , কালার ও চিনি ছাড়া বেসিক টক দইকেই সুপার ইমিউনিটি ফুডের খেতাব দেওয়া চলে । খাটি দুধের টক দই -এ থাকে ক্যালসিয়াম , পটাশিয়াম , ফসফরাস ও যথেষ্ট পরিমানে ভিটামিন D । দই-এ প্রোটিন থাকে অনেকটা । কাজেই দৈনিক ১০০ গ্রাম দই বিভিন্ন ভাবে শরীরের উপকার করে । কিছু গবেষণায় পাওয়া গেছে নিয়মিত দই খেলে কোরোনা রোগের সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক কমে যায় । 


৬। হলুদ 

বাঙালীদের কাছে হলুদের পরিচয় রকমারি রান্নায় আর বিয়ের আগে গায়ে হলুদে । বাঙালীর সংস্কৃতির সাথে জড়িত এই  হলুদের গুনও প্রচুর । কাঁচা হলুদের উজ্জ্বল হলুদ রঙের কারন এতে থাকা কারকিউমিন । এই কারকিউমিন ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে । দুধের সাথে বা কাঁচা হলুদ খেলে  মানব শরীরে অনেক ধরনের ব্যাথা বেদনা নাশ হয় । কোরোনা মোকাবিলায় ইমিউনিটি বাড়াতে হলুদের জুড়ি মেলা ভার । তাই হলুদকে অন্যতম ইমিউনিটি বুস্টার বলা চলে । 


৭। ব্রকলি ও পালং শাক 

ব্রকলি বা গ্রাম্য ভাষায় সবুজ-ফুলকপি -তে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন A, C এবং E । আছে প্রচুর ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট । কাজেই ব্রকলিকে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য সেরা সবজী বলা চলে । অবশ্য ব্রকলি সবজীর দিকে সেরা হলেও শাকের রাজা পালং শাক । পালং শাকে আছে প্রচুর ভিটামিন C , বিটা ক্যারোটিন , অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট । কাজেই কোরোনা সহ আরো অনেক মারন রোগ থেকে বাঁচতে , ইমিউনিটি মজবুত করতে সাপ্তাহিক মেনুতে অন্তত ২ দিন পালং শাক ও দু'দিন ব্রকলি রাখা দরকার । তবে বাঙালীরা তাদের রেসিপিতে সব শাক সবজীকেই ঘ্যাটে পরিনত করে ফেলে , এতে খাদ্যগুন নস্ট হয় । এটা না করে ভালো হয় সবজী ভাপিয়ে বা কম সেদ্ধ করে খেতে  । 


মোটামুটি এই ৭ সহজলভ্য খাবারের মাধ্যমে বাড়িয়ে ফেলুন ইমিউনিটি । আর লেখাটা ফেসবুকের মাধ্যমে শেয়ার করে অন্যদের জানবার সুযোগ করে দিন । 




সাতটি ইমিউনিটি বুস্টার ফুড - 7 Best immunity booster food সাতটি ইমিউনিটি বুস্টার ফুড - 7 Best immunity booster food Reviewed by WisdomApps on মে ১৬, ২০২১ Rating: 5

অতিরিক্ত গ্যাস অম্বলের ওষুধ খান ? এর সাইড এফেক্ট কী ভয়ানক হতে পারে জানেন ?

মে ১৬, ২০২১

 


রোজ অনেকে মুঠো মুঠো গ্যাস অম্বলের ওষুধ খান। অনেকে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ না করে নিজের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে ইচ্ছামতো ওষুধ খান । আজকাল আবার অনেকে অনলাইন থেকে ওষুধের কার্যকারিতা দেখে নিয়ে নিজেই নিজের ডাক্তারি করা শুরু করে দেন । এর ফলাফল কী ভয়ানক হতে পারে আপনি ভাবতেও পারবেন না । অন্য রোগের কথা বাদ দিন , বাঙালীর আদরের "গ্যাস-অম্বল" রোগের ওষুধ সম্বন্ধেই কিছু আলোচনা করা যাক - 

এক্ষেত্রে দু'টি জিনিস মনে রাখতে হবে

  • বহু গ্যাস-অম্বলের রোগী রোজ সকালে একটা করে প্যান্টোপ্রোজল বা  ওমিপ্রোজল অথবা ল্যানসোপ্রোজল জাতীয় গুযুধ খান। এই ধরনের ওধুধ 'অ্যান্টাসিড' হিসাবেই খান। অথচ এগুলো একটাও অ্যান্টাসিড নয়। অ্যান্টাসিড তো শরীরে উৎপন্ন অতিরিক্ত অ্যাসিড নস্ট করে , কিন্ত এই ওষুধ গুলো শরীরে অ্যাসিড তৈরির সম্ভাবনাকেই নষ্ট করে দেয়। এটাই একটা বড় সমস্যা । কারন সব প্রানীর শরীরেই খাবার হজম ও অন্যান্য প্রয়োজনে নির্দিষ্ট পরিমান অ্যাসিডের প্রয়োজন । 


  • অ্যান্টাসিড সেগুলোই, যেগুলো শরীরে তৈরি হয়ে যাওয়া অ্যাসিড কমাতে পারে। কোনও রোগীর যদি কোনও ওষুধের প্রভাবে বা শারীরিক নানা সমস্যায় ঘন ঘন অ্যাসিডিটি হয়, তার সেই প্রবণতা কমাতে অনেক সময় এই প্যান্টোপ্রোজল, ওমিপ্রোজল, ল্যানসোপ্রোজল জাতীয় ওষুধ দিতেই হয়। অনেক সময় রোগী অনুযায়ী ডাক্তারবাবুরা নির্দিষ্ট কিছু গ্যাসের ওষুধকে কনটিনিউ করতে বলেন । সেটা সম্পূর্ণই নির্ভর করে রোগীর পরিস্থিতির উপর। দেখুন ভিন্ন রকমের খাবার খেলে অল্প বিস্তর গ্যাস অম্বল হতেই পারে কিন্ত বাঙালিরা যেহেতু সারাক্ষণ গ্যাস-অম্বল নিয়ে মাথা ঘামায়, তাই কিছু হতে না হতেই মুঠো মুঠো গ্যাসের ওষুধ খেয়ে ফেলে। অবশ্যই এর সুদূরপ্রসারী প্রভাবও পড়ে শরীরে। 


কেমন সে প্রভাব? 


প্রথমত, গ্যাস-অম্বলের কোনও ওষুধই এভাবে ওভার দ্য কাউন্টার প্রেসক্রিপশন ছাড়া কেনাবেচার আইন নেই। কিন্ত এদেশে আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সেই কাজ সমানে চলছে।  শরীরের পক্ষে কোনটা প্রয়োজনীয়, কোনটা নয়, সেটা রোগী বুঝতে পারেন না। শরীরে সবসময় সবরকমের ওষুধ চলে না। একবার কোনও একটা ওষুধে গ্যাস-অম্বল কমেছিল বলে সবসময় সেটাই হবে, এমন ভাবলে কিন্তু আখেরে ক্ষতি রোগীরই। তাই আমরা সাজেস্ট করি গ্যাস-অম্বলের সমস্যা যদি নাছোরবন্দা হয় তবে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে তবেই উপযুক্ত ওষুধ খান । 


ভুল বা অতিরিক্ত গ্যাস-অম্বলের ওষুধ খেলে ঠিক কী ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়? 


একটি নির্দিষ্ট ওষুধে সকলের যে সমান  অ্যাডভার্স ড্রাগ রিয়্যাকশন হবে, এমন কিন্তু নয়। এক-একজনের শরীরে এক এক রকমের পার্শ্প্রতিক্রিয়া হয়। 

প্যান্টোপ্রাজল জাতীয় ওষুধ নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খেলে হাড় ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। বি-১২ ভিটামিনের অভাব দেখা দেয়। এই ধরনের ওষুধ দীর্ঘদিন ধরে খেলে অম্লের ভাগ অনেক বেড়ে যায়। এর ফলে রি-বাউন্ড অ্যাসিড তৈরি হয়। মানে, আসিড কমতে কমতে শরীরে ক্ষারের মাত্রা বেড়ে গেলে শরীর নিজেই আবার পাল্টা আাসিড তৈরি করতে পারে। তখন প্রকৃত ভাবেই ঐ নির্দিষ্ট ওষুধ শরীরে কোনো কাজ করবে না বরং বিপরীত ক্রিয়া সৃষ্টি করবে  ।

আ্যালুমিনিয়াম যুক্ত অ্যান্টাসিড খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়ে। ম্যাগনেশিয়াম যুক্ত অ্যান্টাসিড খেলে ডায়ারিয়া হয়। কিছু অ্যান্টাসিড আছে, যেগুলি রুটিনে থাকা অন্য ওষুধের কাজ করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। 

  • মনে রাখবেন ওযুধ আছে যেগুলি চটজলদি কাজ করে। মাঝেমধ্যে খেলে অত অসুবিধা হয় না। কিন্ত বাতিকে পড়ে নিয়মিত খেলে শরীরে ক্ষার বেড়ে অ্যাসিড ক্ষারের ভারসাম্য নস্ট হয় যা আখেরে আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতিই করে । 
অতিরিক্ত গ্যাস অম্বলের ওষুধ খান ? এর সাইড এফেক্ট কী ভয়ানক হতে পারে জানেন ? অতিরিক্ত গ্যাস অম্বলের ওষুধ খান ? এর সাইড এফেক্ট কী ভয়ানক হতে পারে জানেন ? Reviewed by WisdomApps on মে ১৬, ২০২১ Rating: 5

এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে ? পড়ে নিন ১২ রাশির নিখুঁত রাশিফল ১৬ মে থেকে ২৩শে মে ২০২১

মে ১৬, ২০২১

                    


এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে ? পড়ে নিন ১২ রাশির নিখুঁত রাশিফল ১৬ মে থেকে ২৩শে মে ২০২১ এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে ? পড়ে নিন ১২ রাশির নিখুঁত রাশিফল ১৬ মে থেকে ২৩শে মে ২০২১ Reviewed by WisdomApps on মে ১৬, ২০২১ Rating: 5

ডেল কার্নেগীর ৩১ টি অসাধারণ বানী - জীবন বদলে দেওয়ার মতো

মে ১১, ২০২১
dale-carnagie_quotes

• আমরা যদি দুশ্চিন্তা বন্ধ করে জীবনকে উপভােগ করতে চাই, তাহলে তার সহজ পথ হল আমাদের দুঃখের হিসাব না করে কত সুখ তার হিসাব করা।

• জনপ্রিয়তাকে ধরে রাখা কষ্টকর।

• জনপ্রিয়তা বাড়াবার চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে এই সত্যের মধ্যে যে নিমেষে নিজেকে অন্যের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে।

• জুয়া খেলে কখনাে কেউ বড়লােক হতে পারে না বরং সর্বশান্ত হয়েছে পরিণামে।

• টাকা মানে সুখ, টাকা মানে আনন্দ, টাকা মানে ভােগ-উপভােগ, টাকা মানে সম্ভোগ, টাকা মানে সুন্দরী রমণী।

• দাম্পত্য জীবনে অসুখী মানুষকে সুখী বলা যায় না।

• আমরা আমাদের তুলনা করি যারা আমাদের চেয়ে ভালাে অবস্থায় আছে তাদের সঙ্গে। আমরা যদি আমাদের চেয়ে যারা খারাপ অবস্থায়। আছে, তাদের সঙ্গে তুলনা করতাম, তাহলে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারতাম।

• যখন আমরা সবচেয়ে খারাপ ব্যাপারটা গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকি তখন আর কিছু আমাদের হারাবার থাকে না।

• আমরা জীবনযুদ্ধের ঝড় এবং হিমবাহের ধাক্কা অনেক সহ্য করতে পারি, কিন্তু ছােট ছােট দুশ্চিন্তা যা আমরা দুটি আঙুলের সাহায্য মেরে ফেলতে পারি, তার কাছে পরাস্ত হই।

• দুঃখ-দুর্দশা এড়াবার জন্যে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন সবচেয়ে খারাপ কী ঘটতে পারে। সেটা যখন ঘটবেই তখন সেটাকে গ্রহণীয় করে তুলুন। তারপর শান্তভাবে চিন্তা করুন সবচেয়ে খারাপ অবস্থা থেকে কিভাবে উন্নতি করা সম্ভব।

• দুশ্চিন্তার হাত থেকে মুক্তি পেতে হলে নিজেকে সব সময় কাজের মধ্যে দায়িত্বের মধ্যে ব্যস্ত রাখুন।

• মানুষ নানাবিধ সমস্যার ভারে প্রপীড়িত এবং জর্জরিত, তবু আপনি সমস্যাটা বা সমস্যাগুলো সমাধানের চিন্তা করুন কিন্ত দুশ্চিন্তা করবেন না । 

• আলস্য ঝেড়ে ফ্যালাে। উঠে দাঁড়াও। মন স্থির করে দৌড় দাও। তুমি অবশ্যই তােমার গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে।

• সমস্যায় পড়লে মানুষের সাথে পরামর্শ করাে। কারাে সদুপদেশ তােমার সমস্যা থেকে উত্তীর্ণের পথ দেখত পারে।

• তােমার ইচ্ছানুযায়ী জগতে সবকিছু হবে এটা তুমি আশা করাে কী করে?

• উন্নতি করতে হলে আত্মীয়স্বজন বন্ধু-বান্ধবদের সহযােগিতা লাগেই।

• আমাদের ক্লান্তির অন্যতম কারণ একঘেঁয়েমি।

• মিথ্যা ওজর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ধরা পড়ে যায় এবং অবশেষে তা লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

• কর্মহীন জীবন হতাশার কফিন জড়ানাে একটি জীবন্ত লাশ।

• কাজের দক্ষতা কমে যাবার একমাত্র বাস্তব কারণ হল বিরক্তি।

• নিষ্ঠা ও একাগ্রতা দ্বারা কাজ করলে সাফল্য আসবেই-এ কথা সকল ক্ষেত্রের জন্যেই প্রযােজ্য।

• অনেকে অভিযােগ করেন একটু কাজ করলেই তারা হাঁপিয়ে ওঠেন। এটা আর কিছু নয় এ হল কাজের প্রতি অনীহা।

• একজন লােককে খাইয়ে যতটা সন্তুষ্ট করা যায় আর কিছুতে নয়। 

• আমরা কী চিন্তা করি সেটাই সবচেয়ে বড় কথা।।

• যদি আমরা খুব চিন্তা করি, তাহলে দুঃখী হই। যদি খুব দুঃখের চিন্তা করি, তাহলে দুঃখী হব। যদি কেবল ভয়ের চিন্তা করি, তাহলে ভীত হব। যদি রােগ সম্বন্ধে চিন্তা করি তাহলে হয়তাে অসুস্থ হয়ে পড়ব। 

• খ্যাতির সাথে সাথে অর্থও আসে।

• চিন্তা ও দুশ্চিন্তার মধ্যে পার্থক্য হল যখনি আমি প্রচুর গাড়ি চলা নিউইয়র্কের রাস্তার পার হই, তখন চিন্তা করি দুশ্চিন্তা করি না। চিন্তা মানে সমস্যার সমাধান করা, দুশ্চিন্তা মানে পাগল করে দেওয়া। অর্থহীন ঘুরপাক খাওয়া।

• দুঃসংবাদ শুনে আপনি কখনোই ঘাবড়াবেন না বা দুর্ভাবনায় ভেঙে পড়বেন না। কারগ সুসংবাদ যেমন দুঃসংবাদও তেমনি জীবনের স্বাভাবিক ঘটনা। : 

• বিপদে অবিচল থাকুন, ধৈর্য ধারণ করুন, সন্ত্রস্ত হবেন না, বিপদ মুক্তির পথ পেয়ে যাবেন। 

•  পীড়িত ব্যক্তি ভাবে তার পীড়া আর কোনোদিন বোধ হয় নিরাময় হবেনা! কিন্ত অচিরেই সে তার ভুল বুঝতে পারে। কোনো পীড়া দীর্ঘস্থায়ী নয়! . 

•  বেকাদের জীবনে কোনো পরিবর্তন আসে না।

ডেল কার্নেগীর ৩১ টি অসাধারণ বানী - জীবন বদলে দেওয়ার মতো ডেল কার্নেগীর ৩১ টি অসাধারণ বানী - জীবন বদলে দেওয়ার মতো Reviewed by WisdomApps on মে ১১, ২০২১ Rating: 5
Blogger দ্বারা পরিচালিত.