Featured Posts

[Travel][feat1]

কেমন যেতে পারে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সব রাশির রাশিফল ২৪ থেকে ৩০শে অক্টোবর' ২০২১ পর্যন্ত

অক্টোবর ২৪, ২০২১

      


রাশিফল - ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল পড়ে নিন । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 

কেমন যেতে পারে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সব রাশির রাশিফল ২৪ থেকে ৩০শে অক্টোবর' ২০২১ পর্যন্ত কেমন যেতে পারে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সব রাশির রাশিফল ২৪ থেকে ৩০শে অক্টোবর' ২০২১ পর্যন্ত Reviewed by WisdomApps on অক্টোবর ২৪, ২০২১ Rating: 5

সংক্ষেপে জেনে নিন সত্যজিৎ রায়ের জীবনী

অক্টোবর ২২, ২০২১

 সত্যজিৎ রায়ের সংক্ষিপ্ত জীবনী 

বায়োগ্রাফী অফ সত্যজিৎ রয়


"পথের পাঁচালীর তুল্য ছবি বিশ্বে এ যাবৎ নির্মিত হয়নি।"

সত্যজিৎ রায় যে বিশ্বের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ চিত্রপরিচালকদের একজন, এ ব্যাপারে দ্বিমত প্রকাশের অবকাশ কম। তিনি সামগ্রিকভাবে বাঙ্গালী জাতিকে বিশ্বের দরবারে গৌরবান্বিত করেছেন। ১৯৫৯ খৃষ্টাব্দে দুনিয়ার সর্বকালের শ্রেষ্ঠতম চিত্রপরিচালক আইজেনস্টাইনের স্ত্রী ও সহকারিণী মেরী সিটন কলকাতায় এসে বলেন, “পথের পাঁচালীর তুল্য ছবি বিশ্বে এ যাবৎ নির্মিত হয়নি। " 

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট স্বয়ং কলকাতায় এসে সত্যজিৎ রায়কে তাদের দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করে যান। চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে সত্যজিৎ যতবার যতভাবে পুরস্কৃত হয়েছেন, তার দ্বিতীয় নিদর্শন এ দেশে নেই।

জন্মঃ ১৯২১ খৃষ্টাব্দে ২রা মে সত্যজিৎ রায়ের জন্ম কলকাতার এক সুপরিচিত সাংস্কৃতিক পরিবারে। তার বাবা সুকুমার রায় বাংলা সাহিত্যের এক দিকপাল কবি-লেখক। তাঁর ঠাকুরদা উপেন্দ্রকিশাের রায়চৌধুরিও একজন স্বনামধন্য শিশুসাহিত্যিক। মা সুপ্রভা রায় একজন শিক্ষিকা। সত্যজিৎ মাত্র আড়াই বছর বয়সে পিতৃহারা হন।

পড়াশুনাঃ  সত্যজিৎ রায় ১৯৩৬ খৃষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৪০ খৃষ্টাব্দে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক।কম বয়সেই ফটোগ্রাফিতে চমৎকার হাত। এর জন্য এক প্রতিযােগিতায় তিনি পুরস্কৃতও হন। শান্তিনিকেতনে তিনি যখন চিত্রশিল্পের ছাত্র, রবীন্দ্রনাথ তখন জীবিত। রবিঠাকুরের স্নেহধন্য হয়েছিলেন তিনি।

চিত্রাঙ্কনে ডিপ্লোমা পাবার পর সত্যজিৎ সে সময়ের বিখ্যাত বাংলা প্রকাশন সংস্থা সিগনেট প্রেসের সঙ্গে যুক্ত হন। সিগনেট থেকে প্রকাশিত প্রখ্যাত সাহিত্যিকদের গ্রন্থের প্রচ্ছদ আঁকাই তখন তার কাজ। সেই সময় তিনি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অমর উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’ পাঠ করেন ও গভীরভাবে প্রভাবিত হন। তাঁর মনে বাসনা জাগে উপন্যাসটির চলচ্চিত্রায়ন করবার।

১৯৫০ খৃষ্টাব্দে কলকাতায় তার সঙ্গে পরিচয় হয় এখানে আউটডাের শুটিং করতে আসা বিশ্বখ্যাত ফরাসী চিত্রপরিচালক জাঁ রেনােয়ার সঙ্গে । কথা বলে নিজেকে সমৃদ্ধ করেন। 

কাজঃ ১৯৫১ খৃষ্টাব্দে সত্যজিৎ ডি, জে, কিমার কোম্পানিতে আর্ট ডিরেক্টরের চাকরি নেন ও সেই সুবাদে ইংল্যান্ডে যান। বিলেতে গিয়ে প্রচুর বিখ্যাত সিনেমা দেখেন। তাঁর চিত্রপরিচালক হবার স্বপ্ন আরও ঘনীভূত হয়। দেশে ফিরে ‘পথের পাঁচালী’-র সচিত্র চিত্রনাট্য রচনা করেন। কিন্তু সিনেমা বানাতে গেলে যে পরিমাণ টাকার দরকার, সত্যজিতের তা ছিল না। তিনি তখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের সঙ্গে দেখা করে নিজের পরিকল্পনার কথা জানান ও সরকারি সাহায্য প্রার্থনা করেন। নব বাংলার রূপকার বিধানচন্দ্র রায় তাকে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেন।

সত্যজিৎ নিজের যতটুকু সম্বল ছিল, সবই ব্যয় করলেন সেই ছবি তৈরি করতে। তারপর এল সরকারি সাহায্য। ১৯৫৫ খৃষ্টাব্দের শেষের দিকে ‘পথের পাঁচালী’ নির্মিত হল। প্রথম প্রদর্শনের পর বাংলার শিক্ষিত জনগােষ্ঠী সত্যজিৎকে বিপুলভাবে অভিনন্দন জানান। ১৯৫৬ খৃষ্টাব্দে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘পথের পাঁচালী’ পুরস্কৃত হয় ‘শ্রেষ্ঠ মানবিক আবেদনসমৃদ্ধ চলচিত্র’ রূপে।শুরু হয়ে গেল সত্যজিৎ রায়ের জয়যাত্রা।

‘পথের পাঁচালী’-র পর একে একে তার পরিচালনায় বেরিয়ে এল ‘অপরাজিত’ ‘অপুর সংসার’ ‘জলসাঘর’ ‘পরশপাথর’ ‘তিন কন্যা’ ‘মহানগর’ ‘অশনি সংকেত’ ‘নায়ক’ ‘অভিযান’ ‘গণশত্রু’ ‘সােনার কেল্লা' , 'শতরঞ্জ কা খিলাড়ি' , 'শাখা-প্রশাখা’ ‘গুপি গায়েন বাঘা বায়েন’ ‘আগন্তুক’-এর মত ছবি। বেশির ভাগ ছবিরই তিনি একাধারে পরিচালক, চিত্র নাট্যকার ও সঙ্গীত পরিচালক। ‘অপরাজিত’ ছবি ভেনিস থেকে নিয়ে এল ‘গােল্ডেন লায়ন' । 

সত্যজিৎ একজন কুশলী সাহিত্যিকও। ফেলুদা’ ও ‘প্রফেসর শঙ্কু' তার সৃষ্টি দুটি অনবদ্য বুদ্ধিদীপ্ত চরিত্র। তাঁর রচিত প্রতিটি গ্রন্থ আজও খুব পাঠকপ্রিয়। সত্যজিৎ রায় রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকীতে রবীন্দ্রনাথের ওপর একটি অসাধারণ তথ্যচিত্রও নির্মাণ করেন—যেখানে ভাষ্যকারের ভূমিকা তিনি স্বয়ং পালন করেন।

তিনি সারা বিশ্ব থেকে এত পুরস্কার পান যে তার তালিকা করতে বসলে অবাক হতে হয়। মৃত্যুর পূর্বে তার সমগ্র কীর্তির জন্য সত্যজিৎকে ‘অস্কার’ পুরস্কারও দেওয়া হয়। ভারতবর্ষের সর্বোচ্চ সম্মান ‘ভারতরত্ন’ও তিনি লাভ করেন। 

১৯৯২ খৃষ্টাব্দের ২৩শে এপ্রিল বাংলার এই অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিভা পরলােকের পথে যাত্রা করেন।


সংক্ষেপে জেনে নিন সত্যজিৎ রায়ের জীবনী সংক্ষেপে জেনে নিন সত্যজিৎ রায়ের জীবনী Reviewed by WisdomApps on অক্টোবর ২২, ২০২১ Rating: 5

নিরক্ষর বাবার প্রি ম্যাচুওর চাইল্ড থেকে জগতসেরা বিজ্ঞানী - স্যার আইজ্যাক নিউটন - পড়ুন তাঁর অসামান্য জীবনী

অক্টোবর ২০, ২০২১

 স্যার আইজ্যাক নিউটনের জীবনী 

biography of sir isaac newton bangla


এক অনিশ্চিত টালমাটাল অবস্থার মধ্য দিয়ে যাঁর শৈশবকালের সূচনা,তিনিই উত্তরকালে নিজের অনন্য বৈজ্ঞানিক প্রতিভার দ্বারা মানুষের সভ্যতাকে বৃহত্তাবে সমৃদ্ধ করে যান। 

বিজ্ঞানের আশ্চর্য প্রতিভা আইজ্যাক নিউটন। তাঁর মায়ের নাম Hannah এবং বাবার নাম আইজ্যাক নিউটন সিনিয়র । জন্ম ১৬৪২ খৃষ্টাব্দে। তিনি অকালজাত। মাতৃগর্ভে মাত্র সাত মাস থাকবার পর ভূমিষ্ঠ হন। তার জন্মের তিন মাস আগেই বাবা মারা যান । তাঁর বাবা ছিলেন নিরক্ষর । আর নিউটনের বয়স যখন মাত্র দু’বছর, তার মা হ্যানা নিউটন একজন জমিদার পাদ্রীকে বিয়ে করে বসলেন। সেই পাদ্রী আবার রুগ্ন নিউটনের দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকার করলেন। অর্থাৎ এক অনিশ্চিত, টালমাটাল অবস্থার মধ্য দিয়ে যাঁর শৈশব কালের সূচনা, তিনিই উত্তরকালে নিজের অনন্য বৈজ্ঞানিক প্রতিভার দ্বারা মানুষের সভ্যতাকে বৃহভাবে সমৃদ্ধ করে যান।

কিশাের নিউটন বেশ কয়েকবছর তার ঠাকুরমার কাছে থাকেন। বারাে বছর বয়স হলে তাকে আশ্রয় দেন ক্লার্ক নামক এক ভদ্রলােক। ক্লার্কের স্ত্রী ছিলেন নিউটনের মার বান্ধবী। তিনি নিউটনকে মাতৃস্নেহ দান করেন। ক্লার্কের বাড়িতে ছিল ওষুধ তৈরি কারখানা। আর ছিল রসায়ন ও পদার্থ বিদ্যার ওপর রচিত প্রচুর বই। কিশাের নিউটন ওই বইগুলি গভীর আগ্রহে পড়ে ফেলেন। ওষুধ তৈরির ব্যাপারটাও খেয়াল করেন। ক্লার্কের বাড়িতে থাকবার সময় নিউটন নিজের চেষ্টায় কয়েকটি জলঘড়ি ও বাতাসঘড়ি তৈরি করে পরিচিতদের তাক লাগিয়ে দেন।

ষােল বছর বয়সে নিউটন তার জন্মদাত্রী মার কাছে ফিরে গেলেন; কারণ, ইতিমধ্যে হ্যানার দ্বিতীয় স্বামীর মৃত্যু ঘটেছে। প্রথমে নিউটনের মা চেয়েছিলেন ছেলে একজন চাষি হয়ে চাষবাস করে জীবন চালাক । সেই মতো স্কুল ছাড়িয়ে তিনি নিউটনকে চাষের কাজে যুক্ত করে দেন কিন্ত নিউটন চাষের কাজে কোনো আগ্রহ না দেখানোয় শেষ পর্যন্ত মা ছেলেকে ভর্তি করে দেন ট্রিনিটি কলেজে। সেখানে অঙ্কের অধ্যাপক আইজাক ব্যারাে নিউটনের মধ্যে বিরাট সম্ভাবনার সন্ধান পান। বেশ কম সময়ের মধ্যেই নিউটন গণিতে তার বিশেষ ব্যুৎপত্তি দেখালেন।

১৬৬৪ খৃষ্টাব্দে নিউটন তার মেধার জন্য সরকারি বৃত্তি পান। এই সময় ভয়ঙ্কর প্লেগরােগ মহামারীর আকার নেওয়ায় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। নিউটন তখন তার মায়ের আশ্রয় উলসথরপে ফিরে আসেন। উলসথরপে বছর দেড়েক অবস্থানকালে নিউটন একের পর এক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার সম্পূর্ণ করেন। তিনটিই গণিত বিষয়ক। প্রথমটির নাম বাইনােমিয়াল থিয়ােরেম, দ্বিতীয়টি ডিফারেনশিয়াল ক্যালকুলেশন এবং তৃতীয়টি ইন্টিগ্রাল ক্যালকুলাস

নিউটনের সবচেয়ে চমকপ্রদ আবিষ্কার হল মাধ্যাকর্ষণ সূত্র বা Law of gravitation কে খুঁজে বার করা । যে কারণে পৃথিবীর তাবৎ বস্তুর গতি নিয়ন্ত্রিত হয় সেই একই শক্তি নিয়ন্ত্রণে রাখে সৌরজগতের গ্রহ তারকাদের। যে বলের টানে গাছের আপেল শূন্যে না উঠে মাটিতে পতিত হয়, সেই একই কারণে সূর্য, গ্ৰহসকল, নক্ষত্রাদি নিজেদের পারস্পরিক আকর্ষণের সূত্রে সংঘর্ষ এড়াতে পারছে। এটা ছিল এক যুগান্ত কারী আবিস্কার । 

১৬৬৬ খৃষ্টাব্দে নিউটন আবিষ্কার করলেন আলাের প্রতিসরণ সূত্র বা Law of Refraction of light. নিউটন দূরবীন যন্ত্রের উন্নতি ঘটান। তার দূরবীনে বর্ণ ঘটিত বিভ্রান্তি বা Chromatic Aberration নেই। এই দূরবীনের সাহায্যে গ্রহণক্ষত্রদের প্রকৃত দূরত্ব নির্ণয় সম্ভব হল।

১৬৬৭ খৃষ্টাব্দে নিউটন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্কের অধ্যাপক হলেন। আশ্চর্য ব্যাপার হলো , অধ্যাপক হিসাবে তিনি একেবারেই জনপ্রিয় ছিলেন না , তিনি পড়াতে খুব একটা ভালো বাসতেন না , ফলে ওনার ক্লাসে বেশিরভাগ সময় ছাত্র ছাত্রীরা আসতেন না । উনি নিজের রিসার্চ ওয়ার্কেই বেশী মন দিতেন ।  

১৬৮৪ খৃষ্টাব্দে সৌরবিজ্ঞানী এডমান্ড হ্যালির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। এই হ্যালির নামানুসারেই পরবর্তীকালে হ্যালির ধূমকেতু নাম রাখা হয়। নিউটন তার গবেষণাকে একটি দীর্ঘ প্রবন্ধে লিখে রাখেন। নাম Mathematical Principle of Natural Philosophy তিনটি সূত্র নিয়ে গ্রন্থিত হল ‘প্রিন্সিপিয়া। 

ছোটবেলার পারিবারিক সমস্যার কারনেই হয়ত স্যার আইজ্যাক নিউটন কোনোদিনো বিয়ে করেননি । সারাজীবন রিসার্চ ওয়ার্ককেই নিজের ধ্যান জ্ঞান করে রাখেন ।

নিউটনের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বব্যাপী। ১৭০১ খৃষ্টাব্দে তাঁকে করা হল ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য। ১৭০২ খৃষ্টাব্দে তাকে করা হল দেশের নােট ছাপবার ব্যবস্থাপনার অধ্যক্ষ। এই সময় তিনি নতুন নতুন পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে এমন নোট ও কয়েন তৈরি করান জেগুলো জাল করা প্রায় অসম্ভব ছিলো। তিনি অ্যাল্কেমী তে ইন্টারেস্টেড ছিলেন এবং অন্য ধাতু থেকে সোনা তৈরির জন্য বিভিন্ন গবেষণা করেছিলেন ।   ১৭০৩ খৃষ্টাব্দে তাকে বরণ করে নেওয়া হয় রয়্যাল সােসাইটির সভাপতির পদে। ১৭০৫ খৃষ্টাব্দে ইংল্যান্ডের মহারানী অ্যান আইজ্যাক নিউটনকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

১৭২৭ খৃষ্টাব্দে পঁচাশি বছর বয়সে এই মহা বিজ্ঞানী ধরাধাম ত্যাগ করেন।

নিরক্ষর বাবার প্রি ম্যাচুওর চাইল্ড থেকে জগতসেরা বিজ্ঞানী - স্যার আইজ্যাক নিউটন - পড়ুন তাঁর অসামান্য জীবনী নিরক্ষর বাবার প্রি ম্যাচুওর চাইল্ড থেকে জগতসেরা বিজ্ঞানী - স্যার আইজ্যাক নিউটন - পড়ুন তাঁর অসামান্য জীবনী Reviewed by WisdomApps on অক্টোবর ২০, ২০২১ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ১৭ থেকে ২৪শে অক্টোবর ২০২১

অক্টোবর ১৭, ২০২১

     


রাশিফল - ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল পড়ে নিন । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ১৭ থেকে ২৪শে অক্টোবর ২০২১ কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ১৭ থেকে ২৪শে অক্টোবর ২০২১ Reviewed by WisdomApps on অক্টোবর ১৭, ২০২১ Rating: 5

অল্প কথায় জেনে নিন - জৈন ধর্ম কি ? জৈন ধর্মের নীতি গুলি কি ? জৈন ধর্ম ও বুদ্ধ ধর্ম কি এক ?

অক্টোবর ১৬, ২০২১

 জৈন ধর্ম কি ?  জৈন ধর্মের নীতি গুলি কি ? 



জৈনধর্ম মূলত অহিংসা, অপরিগ্রহ এবং অনেকান্তবাদকে কেন্দ্র করে আবর্তিত এবং এই ধর্ম আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পরমত সহিষ্ণুতা বৃদ্ধির সহায়ক। জৈনধর্ম অতি প্রাচীন। এই ধর্মের প্রাচীনত্ব-প্রতিপাদক কিছু বৈশিষ্ট্য হল

১। সর্বপ্রাণবাদ—জৈনধর্মে গাছপালা, উদ্ভিদ, জল, বায়ু, অগ্নি সমস্তকেই জীবন্ত বলে গণ্য করা হয়। এটা হল প্রাচীন সংস্কৃতির বিশুদ্ধতাজ্ঞাপক এবং এটাই জৈনধর্মের সর্বোচ্চ বিশ্বাস। ফলে সমগ্র জীবজগৎকে সম্মান করবার জন্য এই ধর্ম হল আদর্শস্বরূপ।

২। প্রতিমাপূজা—এটিও জৈনধর্মের প্রাচীনত্বের পরিচায়ক। জৈনরা মহান আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বদের সম্মান করেন এবং তাঁদের জীবন থেকে নিজেদের আধ্যাত্মিক পরিশুদ্ধিলাভের প্রেরণা পান।

৩। কর্মবাদ—জৈনধর্মে রয়েছে— জীবাত্মা কর্মের বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারে এবং সাময়িক জীবনের আবরণের ভিতর পরমাত্মা অধিষ্ঠান করেন। এই তত্ত্ব প্রাক-আর্যদর্শনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

৪। দিগম্বরত্ব - নগ্নতা এই ধর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এবং এটি জৈনধর্মে কঠোর তপশ্চর্যার সর্বোচ্চ আদর্শ হিসেবে স্বীকৃত।

৫। অনন্তের ধারণা—জৈনমতে জগৎ প্রাচীন, শাশ্বত ও স্থায়ী। জৈনধর্ম স্বীকার করে জগৎ অকার্য বা বন্ধ্যা এবং তপস্যায় নিহিত।

 মহাবীর কততম তীর্থঙ্কর ? 

মহাবীরের আবির্ভাবের আগে জৈনধর্মে তেইশ জন তীর্থংকর আচার্যের উল্লেখ পাওয়া যায়। মহাবীর সেই পরম্পরার চব্বিশতম তীর্থংকর। মানবজাতির কল্যাণের জন্য তিল তিল দুঃখ বরণ করে মহাবীর নিজের সাধনলব্ধ ঐশ্বর্যের দ্বারা হাজার হাজার আর্ত ও মুমুক্ষু প্রাণে নতুন আশা ও উদ্দীপনার সঞ্চার করেছিলেন। মহাবীরের জ্বলন্ত বৈরাগ্য ও অমৃতময় বাণী সেযুগে সত্যই আলােড়ন সৃষ্টি করেছিল। কঠোর তপশ্চর্যার দ্বারা তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, কৈবল্য বা মােক্ষলাভে প্রত্যেক মানুষেরই জন্মগত অধিকার আছে। 

মহাবীরের প্রধান বানী কি ? 

মহাবীর বললেন, আত্মদর্শনই জগতের দুঃখ-দৈন্য থেকে মুক্তিলাভের উপায়। মােক্ষলাভই জৈনধর্মের প্রধান লক্ষ্য। নিজেকে নতুনভাবে গড়তে হবে। আর তার জন্য চাই কঠোরতা ও সংযম। তার ফলে অতীত কর্মের জন্য আসবে অনুশােচনা। এইভাবে মানুষ ধীরে ধীরে কর্মবন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে পরিশেষে মােক্ষ লাভ করবে এবং সফল হবেতাদের মানবজীবন ধারণের উদ্দেশ্য।

জৈন ধর্ম ও বুদ্ধ ধর্ম কি এক ? 

এই সময়ে ভারতবর্ষে বৌদ্ধধর্মেরও অত্যন্ত প্রভাব ছিল। জৈনধর্ম ও বৌদ্ধধর্মে বিশেষ বৈসাদৃশ্য নেই। বস্তুত উভয় ধর্মই অনেকাংশে হিন্দুধর্মের মতবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত। উভয় ধর্মের ‘কর্মবাদ’ এবং বৌদ্ধধর্মের ‘আত্মার দেহান্তরবাদ’ হিন্দুধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। তাই জৈন ও বৌদ্ধধর্ম একই সময়ে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও উভয়েই জনগণের সমর্থন লাভ করে।

শ্বেতাম্বর ও দিগম্বর কি ? 

 খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে জৈনগণের মধ্যে মতবিরােধ হয়। এর ফলে এই ধর্ম দুটি সম্প্রদায়ে বিভক্ত হয়ে পড়ে—শ্বেতাম্বর ও দিগম্বর। শ্বেতাম্বরগণ শ্বেতবস্ত্র পরিধানের পক্ষপাতী এবং তারা এই মত পােষণ করতেন যে,সাধনার দ্বারা স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই মােক্ষলাভের অধিকারী হতে পারে। কিন্তু দিগম্বরগণ নগ্ন থাকার পক্ষপাতী ছিলেন এবং একমাত্র পুরুষকেই মােক্ষলাভের আধার বলে মনে করতেন। এই মতভেদের ফলেই এই দুটি সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয়। ভদ্রবাহু দিগম্বরদের এবং স্থলভদ্র শ্বেতাম্বরদের নেতা ছিলেন। এই সময়ে পাটলিপুত্রে জৈনগণের একটি সম্মেলন হয়। এরপর থেকে মহাবীরের উপদেশাবলি ‘দ্বাদশ-অঙ্গ’ বা‘সিদ্ধান্ত’ নামে পরিচিত হয়। কিন্তু দিগম্বরগণ একে প্রামাণ্য গ্রন্থ বলে স্বীকার করেন না।

অল্প কথায় জেনে নিন - জৈন ধর্ম কি ? জৈন ধর্মের নীতি গুলি কি ? জৈন ধর্ম ও বুদ্ধ ধর্ম কি এক ? অল্প কথায় জেনে নিন - জৈন ধর্ম কি ?  জৈন ধর্মের নীতি গুলি কি ? জৈন ধর্ম ও বুদ্ধ ধর্ম কি এক ? Reviewed by WisdomApps on অক্টোবর ১৬, ২০২১ Rating: 5

কেমন যেতে পারে এই সপ্তাহ ? ১০ থেকে ১৬ই অক্টোবর ২০২১ - সাপ্তাহিক রাশিফল

অক্টোবর ১০, ২০২১

    

রাশিফল - ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল পড়ে নিন । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 

কেমন যেতে পারে এই সপ্তাহ ? ১০ থেকে ১৬ই অক্টোবর ২০২১ - সাপ্তাহিক রাশিফল কেমন যেতে পারে এই সপ্তাহ ? ১০ থেকে ১৬ই অক্টোবর ২০২১ - সাপ্তাহিক রাশিফল Reviewed by WisdomApps on অক্টোবর ১০, ২০২১ Rating: 5

এক সপ্তাহে ৩ কেজি ওজন কমাতে চান ? জেনে নিন কিটো ডায়েট কি ? এই ডায়েটে কি খাবেন , কি খাবেন না ? কি উপকার ? কি ক্ষতি ? - Keto Diet in Bengali

অক্টোবর ০৬, ২০২১
what is keto diet bangla

কিটো ডায়েট কী?

দ্রুত ওজন কমাতে সেলিব্রেটিদের প্রথম পছন্দ কিটো ডায়েট। গত দুবছর ধরে এই ডায়েটের চাহিদা বেশ তুঙ্গে। আমাদের শরীরে শক্তির মূল উপাদান হল গ্লুকোজ। শর্করা জাতীয় খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে দেহে প্রয়ােজনীয় পরিমাণ গ্লুকোজ সরবরাহ করা হয়। দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে এই গ্লুকোজ শক্তি সরবরাহ করে। এভাবে যেটুকু গ্লুকোজ দরকার তা ব্যবহৃত হওয়ার পর অতিরিক্ত অংশটুকু শরীরে জমা হতে শুরু করে। আর এভাবেই দেহে ওজন বাড়তে থাকে।

কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার বেশি খেলে শরীরে বেশি পরিমাণে ফ্যাট জমা হয়। আবার কম খেলে শরীরে প্রয়ােজনীয় ফ্যাটটুকুও থাকে না। খেয়াল করলে দেখা যায় যে, দেহের ওজন বাড়ানাের জন্য চর্বি জাতীয় খাদ্য যতটুকু দায়ী, তার থেকে বেশি দায়ী শর্করা জাতীয় খাদ্য। 

কিটো ডায়েটে আসলে এই শর্করা জাতীয় খাদ্য সেবনের মাত্রা একেবারে কমিয়ে দেওয়া হয়। আর বেশি জোর দেওয়া হয় চর্বি ও প্রােটিন রয়েছে, এমন খাদ্যের উপর।  কিটো ডায়েটের ক্ষেত্রে ওজন কমানাের জন্য ঘি এক কার্যকরী হাতিয়ার হতে পারে। যেহেতু ঘি ঘরের তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। তাই একে আমরা বলছি সম্পৃক্ত ফ্যাট। ঘি তৈরি হয় গােরু, মহিষের দুধ থেকে। ১০০ গ্রাম ঘিতে থাকে ১০০ গ্রাম ফ্যাট। তাই যিনি কিটো ডায়েট মেনে চলছেন তাঁকে ৭০ গ্রাম ঘি প্রতিদিন খেতেই হবে।

কিটো ডায়েট কম কার্বোহাইড্রেট যুক্ত ডায়েট হিসেবে পরিচিত। ফলে এই ডায়েট প্ল্যানে কার্বোহাইড্রেটের পরিবর্তে বেশি করে প্রােটিন এবং ফ্যাট জাতীয় খাবার খেতে বলা হয়। একটানা অতিরিক্ত প্রােটিন খেলে লিভারে কিটোন উৎপন্ন হয়। রােজ আমরা ভাত বা রুটি থেকে যে কার্বোহাইড্রেট খাই তা থেকে তৈরি হয় গ্লুকোজ। আর প্রত্যেক দিন যে কাজ করি তার জন্য প্রয়ােজনীয় শক্তি আসে শরীরে থাকা গ্লুকোজ থেকে। যখন দেহে শর্করার পরিমাণ কমে যায় তখন শক্তি পাওয়ার জন্য শরীরে ভাঙতে শুরু করবে আমাদের ফ্যাট সেলগুলাে। এই ফ্যাট সেলগুলাে যত ভাঙবে শরীরে ততই তৈরি হতে থাকবে ফ্যাটি অ্যাসিড। আর এই ফ্যাটি অ্যাসিডই লিভারে এসে তৈরি করবে কিটোন বডি। এই পুরাে প্রক্রিয়াটাকেই কিটোসিস বলা হয়। কিটোজেনিক ডায়েটের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট, ২৫ শতাংশ প্রােটিন এবং ৭০ শতাংশ ফ্যাট জাতীয় খাবার রাখা হয় ডায়েটে। ট্রাইগ্লিসারাইড এবং কোলেস্টেরলের সমস্যা না থাকলে এই ডায়েটের পরামর্শ দেওয়া হয়। 

লাে-ফ্যাট ডায়েটের তুলনায় এই ডায়েটে বেশি ওজন কমানাে যায়। এই ডায়েট শুরু করার কিছুদিনের মধ্যে খিদে কমে যায়। এভাবে শর্করা না পেয়ে দেহ অতিরিক্ত চর্বি পােড়াতে শুরু করে এবং আমাদের ওজনও দ্রুত হ্রাস পায়। এমন ডায়েট সূক্ষ্মভাবে অনুসরণ করলে মাত্র দুই সপ্তাহেই ওজন কমানাে সম্ভব। তবে এর জন্য যেমন  খাদ্যের ব্যাপারে বেশ কড়া নিয়ম পালন করতে হয়, সেটাই এর বেশ কিছু ক্ষতিকর প্রভাবও রয়েছে। তাই যাঁরা বিভিন্ন রােগে আক্রান্ত, তাঁদের ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত নিজে নিজে এমন ডায়েট অনুসরণ করা উচিত নয়।


কিটো ডায়েটে যা যা খাওয়া যায়  ?

সব ধরনের মাংস পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যাবে। সকল প্রকার মাছ, বিশেষ করে প্রচুর চর্বি বা তেল রয়েছে, এমন মাছ খাওয়া ভালাে। খাদ্য তালিকায় মাখন ও ঘি যােগ করা যায়। রান্নায় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার না করে ঘি ব্যবহার করা যেতে পারে। কিটো ডায়েটের খাদ্য তালিকার এক প্রধান খাবার হল ডিম। মাখন ও ঘি ছাড়াও পনির খাওয়া যাবে। সকল প্রকার বাদাম ও বাদাম থেকে তৈরি অন্যান্য খাদ্য, যেমন পিনাট বাটার খাওয়া যাবে। খাদ্যে সয়াবিন তেলের পরিমাণ একেবারে কমিয়ে দিতে হবে। আর সয়াবিনের পরিবর্তে রান্নার জন্য ভার্জিন অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্রিম, পনির, আখরােট, স্যালাড, চিজ, নারকেল তেল, ঘি, মাখন ইত্যাদি বেশি খেতে হবে।


কিটো ডায়েটে কী কী খাওয়া যাবে না ? 

ভাত বাদ দিলে সবার আগে রুটি খাওয়ার চিন্তা আমাদের মাথায় আসবে। তবে চাল, আটা, ময়দা দিয়ে তৈরি সকল খাবারে প্রচুর পরিমাণে গ্লুকোজ থাকে। তাই আটা ও ময়দা দিয়ে তৈরি খাদ্য, যেমন-রুটি, পাস্তা, সিরিয়াল ইত্যাদি খাবার বাদ দিতে হবে। গম, ভুট্টা, চা, ডালিয়া, চিনি একদম খাওয়া যাবে না। ডাল, মটর এবং অন্যান্য দানা জাতীয় শস্য খাওয়া যাবে না। সব রকম ফলমূল খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। এটা সত্যি যে, অনেক ডায়েটে ফল খাওয়ার পেছনে জোর দেওয়া হয়। ফলে প্রচুর পরিমাণে চিনি বা গ্লুকোজ থাকে। তাই ফল খাওয়াও কমিয়ে দিতে হবে। ফলের মধ্যে বাদ দিতে হবে কলা, আপেল, কমলালেবু। এছাড়াও সজির মধ্যে বাদ থাকবে আলু। 


কিটো ডায়েটের উপকারিতা কি ? 

ওজন কমাতে এই ডায়েটের জুড়ি নেই। এছাড়াও ওজন কমতে শুরু করলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়। পিসিওএস, সুগার, স্থূলতা এসব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 


কিটো ডায়েটের অপকারিতা কি ? 

এই ডায়েট সবার জন্য নয়। এতে ধমনীর গায়ে ফ্যাট জমে। হার্ট ব্লক হয়ে যায়। তার থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। কিটোজেনিক ডায়েট স্বল্প সময়ে ওজন কমানাের জন্য বেশ কার্যকরী হলেও এটি দীর্ঘ সময় ধরে অনুসরণ করা উচিত নয়। অনেকদিন ধরে এই খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে কিডনিতে পাথর, রক্তে প্রােটিনের আধিক্য, শরীরে খনিজ উপাদান ও ভিটামিনের অভাব এবং যকৃতে চর্বি জমতে পারে। এছাড়াও দীর্ঘমেয়াদি কিটো ডায়েটের কারণে ‘কিটো ফু’ নামক এক বিশেষ রােগ হয়। ক্লান্তি, অনিদ্রা, বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য হবে, মাথা ঘােরার মতাে সমস্যা দেখা দেবে। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে ও ইনসুলিনের উপর নির্ভর করতে হয়, কিডনির রােগ, ইটিং ডিজঅর্ডার রয়েছে তাদের জন্যও কিটো ডায়েট উপযুক্ত নয়। তাই নিজ উদ্যোগে এ ডায়েট শুরু না করাই ভালাে। এটি শুরুর আগে নিজের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অথবা একজন ডায়েটিশিয়ানের সঙ্গে আলােচনা করা উচিত। 

কিটো ডায়েট ডেকে আনতে পারে ফ্যাটি লিভার। হাইপো পােপ্রােটেনিয়া হতে পারে। ডেনসিটি লাইপােপ্রােটিন কোলেস্টেরল বাড়ায়। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়, টাইপ টু ডায়াবেটিস হয় কিটো ডায়েটের ফলে কিটোসিস হতে পারে। আমাদের মস্তিষ্ক গ্লুকোজকে অনুসরণ করে। গ্লুকোজ না পেলে ব্রেন স্টোক পর্যন্ত হতে পারে। একে বলে কিটোসিস। সম্প্রতি কিটো ডায়েটের বলি হয়েছেন এক বাঙালি অভিনেত্রী। বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে। কিডনির অসুখ নিয়ে ভর্তি হন তিনি। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই ডায়েটে মাসলের শক্তিক্ষয় হয়। যার প্রভাব সরাসরি পড়ে হার্টে। প্রচুর ফ্যাট হার্টে ট্রাইগ্লিসারিন জমায়, ফলে হৃদযন্ত্র ব্লক,ইসকেমিয়ার মতাে রােগে মৃত্যু হতে পারে। কিটো ডায়েট এক সপ্তাহ থেকে এক মাস পর্যন্ত মেনে চলা যায়। কিন্তু দীর্ঘকালীন ভিত্তিতে কিটো ডায়েট কখনওই কাম্য নয়। শরীরের শক্তি আসে ক্যালােরি থেকে। হঠাৎ কম ক্যালােরি খেলে শরীরের পেশির উপর প্রভাব পড়ে। পেশির শক্তি ক্ষয় হয়। শুধু তাই নয়, দেহে সঠিক মাত্রায় ভিটামিন আর মিনারেলের অভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। চুল পড়ে যায়।

কিটো ডায়েটে ঘি খাওয়া যাবে ? 

ঘি অল্প খাওয়া যেতে পারে কারণ ঘি-তে থাকা কোলেস্টেরল পুরুষদের টেস্টোটেরন হরমােন নিয়ন্ত্রণ করে, পিত্ত থলির কার্যকরিতা বাড়ায়। কিন্তু অতিরিক্ত কোলেস্টেরল হিমােগ্লোবিন বাড়ায়, শরীরে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বাড়ায়। এগুলি সবকটিই অতিরিক্ত ভালাে নয়। যাঁরা খেলােয়াড় তাঁরা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারেন। তবে কোনও পুষ্টি বিশেষজ্ঞই অনেকদিন কিটো ডায়েট চালাতে বলবেন না। তিনি রােগীর রক্ত পরীক্ষা করে শরীরের প্রয়ােজন অনুযায়ী ফ্যাট গ্রহণের মাত্রা ঠিক করে দেবেন। তবে সাবধান! অতিরিক্ত যে কোনও কিছুই কিন্তু ক্ষতিকর। তাই ওজন কমানাের চক্করে বেশি বেশি ঘি খেলেই কিন্তু বিপদে পড়তে হতে পারে। রােজ ঘি খেতেই পারেন। কিন্তু সামান্য পরিমাণে। ঘি দিয়ে যদি দেহের ওজন কমাতে হয়, তাহলে। ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিন। সঠিক ডায়েট আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।


পরিশেষে বলা যায় যে, বাঙালির খাদ্যাভ্যাস আর কিটো ডায়েটের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। চাল-ডাল ও আটাময়দা মিলিয়ে আমরা দৈনিক প্রচুর কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করি। কাজেই কিটো ডায়েট শতভাগ অনুসরণ করা অনেক কষ্টকর একটা ব্যাপার। তাই এই খাবারগুলাে একেবারে পরিত্যাগ না করে বরং তার পরিমাণ কমিয়ে আনা উচিত। তাছাড়া আমরা যেভাবে অতিরিক্ত তেল দিয়ে মাছ-মাংস রান্না করি, তাও খুব স্বাস্থ্যকর নয়। কাজেই সবকিছুর মাঝে ভারসাম্য রেখে পুষ্টিবিদদের সহায়তায় একটি ডায়েট চার্ট তৈরি করে তবেই ওজন কমানাের মতাে প্রক্রিয়ায় নামুন।


এক সপ্তাহে ৩ কেজি ওজন কমাতে চান ? জেনে নিন কিটো ডায়েট কি ? এই ডায়েটে কি খাবেন , কি খাবেন না ? কি উপকার ? কি ক্ষতি ? - Keto Diet in Bengali এক সপ্তাহে ৩ কেজি ওজন কমাতে চান ? জেনে নিন কিটো ডায়েট কি ? এই ডায়েটে কি খাবেন , কি খাবেন না ? কি উপকার ? কি ক্ষতি ?  - Keto Diet in Bengali Reviewed by WisdomApps on অক্টোবর ০৬, ২০২১ Rating: 5

গুড মর্নিং কোটস ও Status - সকাল বেলার বানী 🧡🌼💐🌿 - সুপ্রভাতের বানী 🌷🌻 - Good Morning Quotes in Bengali. 💐

অক্টোবর ০৫, ২০২১

 সুপ্রভাত বা শুভ সকাল - সোশ্যাল মিডিয়া , ফেসবুকে নিজের প্রিয় মানুষদের সকাল সকাল ভালো ভালো মেসেজ পাঠাতে কে না চায় ? আমাদের এই পেজটি সেভ করে রাখতে পারেন এখানে প্রতি শনি/রবি বার নতুন গুড মর্নিং স্ট্যাটাস দেওয়া হয় । যে কোনো ছবি ডাউনলোড করার জন্য আপনি ছবিতে ক্লিক করে সেভ করতে পারবেন - 






























গুড মর্নিং কোটস ও Status - সকাল বেলার বানী 🧡🌼💐🌿 - সুপ্রভাতের বানী 🌷🌻 - Good Morning Quotes in Bengali. 💐 গুড মর্নিং কোটস ও Status - সকাল বেলার বানী 🧡🌼💐🌿 - সুপ্রভাতের বানী 🌷🌻 - Good Morning Quotes in Bengali. 💐 Reviewed by WisdomApps on অক্টোবর ০৫, ২০২১ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ০৩/১০ থেকে ০৯/১০/২০২১

অক্টোবর ০৩, ২০২১

   

রাশিফল - ১২ রাশির এই সপ্তাহের রাশিফল পড়ে নিন । অভিজ্ঞ জ্যোতিষীদের সাহায্যে তৈরি নিখুঁত রাশিফল । 

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ০৩/১০ থেকে ০৯/১০/২০২১ কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন সাপ্তাহিক রাশিফল ০৩/১০ থেকে ০৯/১০/২০২১ Reviewed by WisdomApps on অক্টোবর ০৩, ২০২১ Rating: 5

নাক দেখে মানুষ চেনা যায় - নাকের গঠন দেখে বুঝবেন কিভাবে কে কেমন ? জেনে নিন

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১


একটি মানুষের ব্যাক্তিত্ব গঠন করতে তার শিক্ষা-দীক্ষা , পরিবেশ , বাবা মায়ের ভুমিকা যেমন আছে তেমনই তার দেহের গঠন ব্যাক্তিত্বের কিছু অংশকে প্রভাবিত করে । বৈজ্ঞানিকদের মতে মস্তিস্কের কার্যকলাপের সাথে দেহের প্রতিটা অঙ্গ যুক্ত থাকায় এদের গঠন দেখে ব্যাক্তিত্বের বেশ কিছুটা ধারনা করা সম্ভব । মানুষের নাক দেখে কিভাবে তাদের ব্যাক্তিত্ব বোঝা যায় তা দেখে নেওয়া যাক - 



ঝোলা নাক: এই ধরনের নাক বিশিষ্ট মানুষেরা সৃজনশীল এবং কৌতূহলী হয় । যে মানুষের নাক ঝোলা তারা আশাবাদী এবং জীবন সম্পর্কে একটি উন্মুক্ত দৃষ্টিভঙ্গি রাখে । তারা খুব সামাজিক এবং প্রায়ই তাদের চারপাশে বন্ধুদের একটি আকর্ষণীয় গ্রুপ থাকে।


সুচাগ্র নাক: এই ধরনের নাক বিশিষ্ট মানুষেরা একটু বেশি সংরক্ষিত। তারা তাদের আবেগ দেখানো কঠিন মনে করে এবং মনোযোগ কেন্দ্রে থাকা পছন্দ করে না। তারা অনুগত, জীবনের প্রতি তাদের একটি বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি আছে । আপনি সবসময় এদের উপর নির্ভর করতে পারেন। এরা মানুষ ঠকায় না । 


বঁড়শি নাক: নাকের সামনেটা বেঁকে অনেকটা বঁড়শির মতো আঁকার নিলে সেই নাককে বঁড়শি নাক বলা হয়  । এই ধরনের নাকের মানুষ অনেক বাঁধা অতিক্রম করে লক্ষ্য পুরোন করে । এনারা খুব উচ্চাভিলাষী এবং লক্ষ্যভিত্তিক হন । তাদের প্রায়শই দৃঢ় প্রত্যয় এবং নীতি থাকে এবং সেগুলি কঠোরভাবে রক্ষা করে।


ঈগল চঞ্চু নাক: নাকটা অনেকটা ঈগল পাখীর ঠোঁটের উপরের অংশের মতো দেখতে হয় ।  এই ধরনের নাকের লোকেরা নির্ধারিত এবং সুসংগঠিত। তারা তাদের ক্যারিয়ার সম্পর্কে চিন্তা করে এবং পেশাদার সাফল্য প্রায়শই তাদের অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে থাকে। এই ব্যক্তিরা বুদ্ধিমান এবং পেশাগতভাবে এবং তাদের ব্যক্তিগত জীবনে উভয়ই তারা যা চান তা পাওয়ার আগে ছাড়েন না।

বন্দুক নাক: কোল্ট রিভলবার এর মতো এদের নাকের অগ্রভাগ সামনের দিকে ভোঁতা ও এগানো । এই রকমের নাকের ব্যাক্তিরা  প্রফুল্ল, উৎসাহী, আবেগপ্রবণ এবং স্বতস্ফূর্ত মানুষ। তারা প্রায়শই জনপ্রিয়, যেহেতু তাদের হাসিখুশি ব্যক্তিত্ব প্রচুর প্রশংসককে আকর্ষণ করে। তারা অন্যান্য মানুষের তুলনায় বেশী বিচক্ষনতা রাখে কিন্ত সময়ে সময়ে আচমকা রেগে যাওয়ার প্রবনতা দেখা যায়।


খাঁড়া নাক: টেনিদা নাক অর্থাৎ খাঁড়া নাকের  মানুষেরা অত্যন্ত শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী এবং অনেক আত্মবিশ্বাসী হন । তারা সর্বদা নিজেরাই সমস্যা সমাধানে প্রস্তুত থাকেন । পরিস্থিতি যাই হোক না কেন তারা তাদের নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে নিশ্চিত থাকেন। এই কারণে, তারা সহজে হাল ছাড়েন না।


সাধারন নাক: নাকে কোনো উগ্র বৈশিষ্ট্য থাকেনা । বহু মানুষের নাক এরকম হয় ।  এই রকম নাকের লোকেরা খুব সংবেদনশীল হন এবং এদের একটি শক্তিশালীভাবে উন্নত মানসিক জীবন আছে। তারা খুব সহানুভূতিশীল এবং সর্বদা অন্যান্য লোকদের উপকার করে থাকে। কখনও কখনও তারা অন্যের কাজ করতে গিয়ে নিজেদের সম্পর্কে ভুলে যায়। 


বাঁকা নাক: নাকের মাঝখান থেকে বেঁকে যাওয়া নাক , দেখে মনে হয় ভেঙ্গে গেছে , এই ধরনের নাকের লোকেরা প্রকৃতপক্ষে স্থিতিশীল, নির্ভরযোগ্য মানুষ হন । এনারা ভালো শ্রোতা ও উত্তম বক্তা হওয়ার ক্ষমতা রাখেন । এনারা খুব বাস্তববাদী হন এবং আপনি সর্বদা এনাদের উপর নির্ভর করতে পারেন।


নাক দেখে মানুষ চেনা যায় - নাকের গঠন দেখে বুঝবেন কিভাবে কে কেমন ? জেনে নিন নাক দেখে মানুষ চেনা যায় - নাকের গঠন দেখে বুঝবেন কিভাবে কে কেমন ? জেনে নিন Reviewed by WisdomApps on সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে ? পড়ুন রাশিফল ২৬/০৯ থেকে ০৩/১০/২০২১

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১

        


কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ১২টি রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল । জেনে নিন কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে । জেনে নিন প্রতিটি রাশির সাপ্তাহিক ভাগ্যফল । আপডেট দেওয়া হয় প্রতি রবিবার সকাল বেলা । 

এই সপ্তাহের সব রাশির রাশিফল 

মেষঃ কর্মোন্নতি বজায় থাকবে। ব্যবসায় বিনিয়ােগ বৃদ্ধি ও প্রসার। নতুন সংস্থায় কর্মপ্রাপ্তি হতে পারে। ভাস্কর, চিত্র ও মৃৎশিল্পীদের সপ্তাহটি শুভ। উচ্চশিক্ষা, গবেষণায় বৃহস্পতিবার থেকে বাধাকমবে।ঠান্ডা মাথায় শত্রুর মােকাবিলা করুন। অর্থকড়ি উপার্জন বাড়বে। আঘাত যােগ ও শারীরিক সমস্যা বৃদ্ধির আশঙ্কা। দাম্পত্যে চাপ থাকবে। ধর্মাচরণ হবে।


বৃষঃ কর্মক্ষেত্র শুভ। কর্মের প্রসার, সাফল্য ও উন্নতি। অব্যাহত থাকবে। ধনাগম যােগটি শুভ। কাজের চাপ বাড়বে। প্রশাসনিক দায়িত্ব ও সুনাম বাড়বে। বহুজাতিক সংস্থায় কর্মলাভও হতে পারে। অপ্রয়ােজনীয় খরচ বাড়বে। চোখ, দাঁত ও হাঁটুর সমস্যায় ভােগান্তির আশঙ্কা। সংসারে শ্রী ও দাম্পত্যে সুখ বাড়বে। গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষায় সাফল্য আসবে বেশি। সদসঙ্গ ও সদগ্রন্থ পাঠে শান্তিলাভ। রাজনীতিকদের সাফল্য থাকলেও শত্রু সম্মানহানির চেষ্টা করবে। 



 মিথুনঃ কাজে বাধা থাকলেও অগ্রগতি হবে। বিকল্পকর্মে সাফল্য আসবে। পৈতৃক সম্পত্তিভাগে প্রকৃত প্রাপ্তিতে বাধা। অর্থকড়ি প্রাপ্তি যােগ আছে। শারীরিক সমস্যা ও সময়মতাে চিকিৎসায় আরােগ্য। ব্যয় যােগ প্রবল। মন ও বুদ্ধির অস্থিরতা সবদিকে প্রভাব ফেলবে। শিল্পী ও আইটি কর্মীদের শুভ সময়। দাম্পত্য জীবনে মাঝেমধ্যে চাপ বাড়বে। বিদ্যার্থীদের শুভ। 


কর্কটঃ হস্ত ও মৃৎশিল্পী, নির্মাণকর্মী ও ব্যবসায়ীদের কর্ম। সাফল্য ও উপার্জন সবথেকে বেশি হবে। সম্মান ও পুরস্কার প্রাপ্তিও হতে পারে। অংশীদারি কারবারে বিবাদের আশঙ্কা। দাঁত, গলা, শ্লেষ্মদি সমস্যায় দেহকষ্ট্রের যােগ। সামাজিক কর্মে নাম-যশ বাড়বে। যত্র আয় তত্র ব্যয়। দাম্পত্যে মিল ও আনন্দ থাকবে। ধর্মচারণে মন আকৃষ্ট হবে।


সিংহঃ ২৮ তারিখ থেকে কর্মে বাধা কাটবে। কর্মোন্নতি ও দায়িত্ব বাড়বে। অপরের ব্যক্তিগত কর্মে মত প্রকাশে বিরত থাকুন। নতুন কর্মের সুযােগ আসতে পারে। ধনাগম যােগ উত্তম। গৃহের সদস্যদের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকবে। উচ্চ ও উচ্চতর শিক্ষায় শুভ সময়। আগুন ও বিদ্যুৎ থেকে সতর্ক থাকুন। গলব্লাডার থাইরয়েড ও পেটের সমস্যার আশঙ্কা। মনে চঞ্চলতা ও রাগ বাড়বে।


কন্যাঃ জটিল কাজ সম্পন্ন করে নিজ ক্ষমতা ও প্রভাব বৃদ্ধি এবং সহকর্মীসহ ওপরওয়ালার প্রশংসা ও সমীহ লাভ অসম্ভব নয়। নতুন কাজের যােগ আছে। অর্থকড়ি উপার্জন হবে প্রচুর। শারীরিক সমস্যায় বিব্রত হতে পারেন। দেহে আঘাত যােগ আছে।  স্থাপত্য বিদ্যায় বেশি অগ্রগতি হবে। নরমে গরমে কাটবে দাম্পত্য। শিল্পীদের উপার্জন ও জনপ্রিয়তা বাড়বে। 



তুলাঃ  সৃষ্টিশীল কর্মে সাফল্য। সাহিত্যিক, শিল্পী, ডাক্তারদের জনপ্রিয়তা বাড়বে প্রচুর। কর্মোন্নতি ও ধনাগম যোেগ উত্তম। সম্পত্তি নিয়ে জ্ঞাতি দ্বন্দ্ব হতে পারে। শত্রু বাড়বে। বাঁ চোখ, গ্যাস, অ্যাসিড ও সংক্রমণের ভােগান্তির আশঙ্কা। প্রেম-প্রণয় ও দাম্পত্যে সুখের অভাব হবে না। কলা ও বাণিজ্য শাস্ত্রের অধ্যয়নে শুভ সময়। মনে দ্বিধা ও অস্থিরতা থাকবে। 


বৃশ্চিকঃ চালাকি করে কাজ করতে গিয়ে কর্মক্ষেত্রে অপদস্থ হতে পারেন। অতি অহংকারে বিপদ বাড়বে। কর্মে অগ্রগতি বজায় থাকবে। উপার্জন বাড়বে। কারও কথায় কাজ করে প্রচুর অক্ষতি হতে পারে। স্ত্রী/স্বামীর শারীরিক সমস্যা বাড়তে পারে। কোমর, পায়ের এবং চর্মরােগে বিব্রত হতে পারেন। সন্তানের জন্য মনঃকষ্ট। দাম্পত্যে মনােমালিন্য হতে পারে। থাকলেও শত্রু সম্মানহানির চেষ্টা করবে। দাম্পত্যে মনােমালিন্য হতে পারে।


ধনুঃ   যে কোনও স্থানে বিতর্ক-বিবাদ এড়িয়ে চলুন। কর্মে সাফল্য আসবে অনেক চেষ্টার পর। বৃহস্পতিবার থেকে আটকে থাকা কাজ পুনারাম্ভ হতে পারে। অর্থাগম মন্দ হবে না। ব্যয় যােগও আছে। দর্শন ও চিকিৎসাশাস্ত্রে সর্বাধিক সাফল্য আসতে পারে। পেট ও বুকে সংক্রমণের আশঙ্কা। দাম্পত্য সুখ থাকবে। দেবারাধনা, দান ও সদগ্রন্থ পাঠে আনন্দলাভ।

মকরঃ মন ও বুদ্ধির অস্থিরতা  বাড়বে। কাজের চাপ বৃদ্ধি পাবে। দেহে দুর্বলতা থাকবে বেশি। কর্মে অগ্রগতি হবে। ধনাগমের যােগ শুভ। গৌর বর্ণের খর্বাকৃতির কেউ ভুল বুদ্ধি দিয়ে আপনাকে বিপদে ফেলতে পারেন। শারীরিক সতর্কতা প্রয়ােজন। উচ্চস্থান থেকে পড়ে গিয়ে আঘাত লাগতে পারে। বিদ্যায় বাধা ব্যবসায়ীদের শুভ সময়। 

কুম্ভঃ  কর্মে বাধা ঠেলে এগতে হবে। অলসতা অমনােযােগিতায়। ভালাে। কোনও সুযােগ হাতছাড়া হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে শক্ত বাড়বে। মানসিক উত্তেজনা বাড়ায় শারীরিক অসুস্থতার আশঙ্কা। অর্থাগম যােগ শুভ; একাধিক সূত্রে আয় বৃদ্ধি। গৃহে অতিথি সমাগম। দাম্পত্যে সুখ বজায় থাকবে। লেখাপড়া ও ধর্মকর্মে বাধা থাকবে। থাকবে। রাজনৈতিক, মুদ্রণ ব্যাবসায়ীদের শুভ সময় । লেখাপড়া ও ধর্মকর্মে বাধা থাকবে। 

মীনঃ দেহে অস্বস্তি ও মনে অস্থিরতা-উদাসিনতা। সিদ্ধান্ত গ্রহণে সতর্ক হন। কর্মে অগ্রগতি বজায় থাকবে। কর্মোন্নতি ও দূরে বদলির সম্ভাবনা। অর্থকড়ি উপার্জনে ভাটা পড়বে না। অহংপূর্ণ আচরণ ও রাগ প্রকাশে সম্মানহানি ও শত্ৰু বৃদ্ধি। পেট, নার্ভের সমস্যা ও আঘাত যােগ আছে। দাম্পত্যে চাপ থাকবে। প্রিয়জনের শত্রুতায় অর্থক্ষতির আশঙ্কা। 

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে ? পড়ুন রাশিফল ২৬/০৯ থেকে ০৩/১০/২০২১ কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে ? পড়ুন রাশিফল ২৬/০৯ থেকে ০৩/১০/২০২১ Reviewed by WisdomApps on সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১ Rating: 5

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? ১৯ থেকে ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২১ - পড়ুন সব রাশির রাশিফল

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১

       


কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ১২টি রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল । জেনে নিন কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে । জেনে নিন প্রতিটি রাশির সাপ্তাহিক ভাগ্যফল । আপডেট দেওয়া হয় প্রতি রবিবার সকাল বেলা । 

এই সপ্তাহের সব রাশির রাশিফল 

মেষঃ কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি উচ্চপদস্থ ব্যাক্তির সুনজরে আসবেন, ব্যবসায় অগ্রগতি হবে। নতুন কাজের পরিকল্পনা ও অর্থ বিনিয়ােগ। অর্থ ভাগ্যের শুভ সূচনা। সুকর্মের দ্বারা বহুলােকের মন জয় করবেন। যানবাহনাদি দামি সম্পত্তি ক্রয়ের যােগ। সপরিবারে আনন্দময় জীবন। প্রিয়জনের আচরণে মনঃকষ্টের যােগ । কথা কম বলার চেষ্টা করুন এতে সম্পর্ক ভালো থাকবে । গলা, বুক ও গুহ্যদারে সমস্যায় আশঙ্কা। বুধবার থেকে ধর্মকর্মে বাধা কাটবে।


বৃষঃ রাজনৈতিক ব্যক্তি, সমাজসেবীদের জনহিতকর কাজের দ্বারা সামাজিক সম্মান, প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক ব্যাক্তির সংসর্গ পেতে পারেন ।  কাজে অগ্রগতি ও প্রশংসাপ্রাপ্তির যােগ। একাধিক সূত্র থেকে অর্থকড়ি প্রাপ্তির যােগ । অর্থ খরচ করার আগে সঞ্চয় করার চেষ্টা করুন । শত্রু ব্যক্তিগত অসম্মানের চেষ্টা করতে পারে। উচ্চ মহলের ব্যক্তির দ্বারা উপকৃত হবেন। দাম্পত্য সুসম্পর্ক ও প্রফুল্লতা বৃদ্ধি। হার্ট, সুগার ও নার্ভের সমস্যায় দেহকষ্ট। দেবারাধনায় মনে শান্তি ও শুভফল প্রাপ্তি।


 মিথুনঃ সপ্তাহটি অপেক্ষাকৃত শুভ। জনসংযােগ ও সৃষ্টিশীল কর্মে সুনাম ও সাফল্য পেতে পারেন। ভিডিও , ছবি বা কোনো লেখা হঠাত জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারে ।  বুদ্ধি বলে কর্মক্ষেত্রে জটিল কর্ম সম্পাদনে সক্ষম হবেন। নতুন সম্পত্তি ক্রয়ের পরিকল্পনা। ধনাগম যােগ উত্তম। সন্তানের খবরদারি সংসারে অহেতুক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। প্রসাধনী ও প্রয়ােজনীয় দ্রব্য ক্রয়ে আনন্দলাভ। বায়ু-পিত্ত-কফ বৃদ্ধিতে শারীরিক সমস্যার আশঙ্কা। 


কর্কটঃ থাইরয়েড, ফুসফুস ও পাকস্থলীতে জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা। কর্মোন্নতি ও কর্মক্ষেত্রে প্রভাব বৃদ্ধি। অংশীদারি ব্যবসায় অংশীদারের কলকাঠিতে বাধা। মানসিক অস্থিরতা হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। রাগ নিয়ন্ত্রনে রাখার চেষ্টা করুন । সামাজিক কর্ম ও জনসংযােগে সাফল্য । মানুষের উপকার করে মানসিক শান্তি পাবেন । গৃহে সম্পত্তিগত বিবাদ, মনঃকষ্ট। ভাইয়ের দ্বারা প্রতারিত হতে পারেন। দাম্পত্য সুখ বজায় থাকবে। বিদ্যায় মনযােগের অভাব। 

সিংহঃ কর্মে শুভ অগ্রগতি । কাজে নতুন উদ্যম ফিরে পাবেন । কাজের দায়-দায়িত্ব বৃদ্ধি। উচ্চপদস্থকর্মী, সমাজসেবী রাজনৈতিকদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি ও কর্মসাফল্য। একাধিক সূত্রে মােটা অর্থাগম যােগ। জ্ঞাতি বিরােধের সম্ভাবনা । সর্দি-কাশি ও পেটে জীবাণু সংক্রমণের দেহসুখের অভাব। গৃহে পারস্পরিক সুসম্পর্ক থাকবে। প্রতিযােগিতামূলক পরীক্ষায় শুভ ফললাভ হতে পারে। মন চঞ্চল। ধর্মকর্মে বাধা। দামি উপহার প্রাপ্তিযােগ।


কন্যাঃ প্রচুর কাজ থাকবে। নিজ গুণ ও দক্ষতায় তা সম্পন্ন করবেন অনায়াসে। শিল্পী, সাহিত্যিক, রাজনীতির লােকেদের শুভ সময়। ধনাগমের উত্তম যােগ। তা হবে একাধিক সূত্রে। পরিধান ও প্রয়ােজনীয় দ্রব্য ক্রয়ে ব্যয় বাড়বে। স্বাস্থ্য এবং চলাফেরায় সাধারণ সতর্কতা দরকার। বিদ্যায় অগ্রগতি হবে। দাম্পত্য জীবন একপ্রকার শুভ। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বৃদ্ধি। গ্রন্থ পাঠ ও আলােচনায় শান্তি।


তুলাঃ  কর্মে অগ্রগতি ও সফলতা আসবে । কথাবার্তায় সংযম আনুন , উন্নতি হবে । নতুন করে ব্যবসায় বিনিয়োেগ বৃদ্ধি শুভ না । পুরানো জমানো অর্থ বা আটকে থাকা অর্থ ফেরত পাবেন । বহুকাঙ্ক্ষিত শুভ সংবাদ পেতে পারেন। তৃতীয় জনকে ঘিরে সংসারের পরিবেশ গরম হতে পারে। বিপরীত লিঙ্গ থেকে সতর্ক থাকুন। লেখাপড়ায় মনােমতাে। ফলের অভাব। ধনাগম অভাবনীয়। শারীরিক সমস্যা বৃদ্ধি ও আঘাতপ্রাপ্তির আশঙ্কা। 



বৃশ্চিকঃ অংশীদারি কারবারে বাধা । মৌখিক প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস না করে পাকা কাগজে কাজ করুন । বিনিয়ােগ বৃদ্ধি থেকে বিরত হন। কর্মন্নতি বজায় থাকবে। অর্থাগম যােগ উত্তম । সঞ্চয় করার চেষ্টা করুন । মানসিক অস্থিরতা বাড়বে। স্বামী-সন্তানের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে পারে। স্ত্রী বা স্বামীর হঠাৎ স্বাস্থ্যহানির আশঙ্কা। প্রিয়জনের সঙ্গে মতপার্থক্য ও সম্পর্কে শীতলতা। নতুন বন্ধুর দ্বারা অর্থক্ষতি হতে পারে । ভেবে চিন্তে বন্ধু নির্বাচন করুন । অর্শ ও বাতের বেদনায় বিব্রত হতে পারেন। শান্তি ও শুভফল প্রাপ্তি।



ধনুঃ   মনের মতো কাজে অগ্রগতি। বিকল্প ও সৃষ্টিশীল কাজে সাফল্য । অনালাইনে ভাইরাল হওয়ার যোগ রয়েছে । তবে গুপ্ত শত্রু বাড়বে প্রচুর। অর্থকড়ি প্রাপ্তিযােগ শুভ। নতুন কর্মের পরিকল্পনা। স্নায়বিক ও পেটের সমস্যায় দেহসুখ ব্যাহত হবে। নিষ্কাম কর্মে সাফল্য আনন্দলাভ। অন্যের কথায় মানসিক অস্থিরতা বাড়বে। দাম্পত্য সুখের অভাব হবে না। উচ্চশিক্ষায় সাফল্য। বিবাদ এড়িয়ে চলুন। 

মকরঃ কর্মোন্নতি হবে বাধার মধ্যে। নতুন পরিকল্পনা ও যােগাযােগে উপকৃত হবেন। কৃষ্ণবর্ণের খর্বকায় ব্যক্তির দ্বারা ক্ষতির আশঙ্কা। কারও উস্কানিতে কাজ করে অনুতাপ করবেন। ধনাগম বৃদ্ধির যােগ উত্তম , আপনার বিপুল কর্মের দ্বারাই এই ধনাগম সম্ভব । দাম্পত্য সম্পর্কে হালকা চাপ থাকবে। প্রেম-প্রণয়ে মন আকৃষ্ট হতে পারে। বিপরীত লিঙ্গের থেকে সতর্ক হন । গোপন কথা হট করে কাউকে বলবেন না । শারীরিক সতর্কতা দরকার। মানসিক উত্তেজনা ও চঞ্চলতা বৃদ্ধি।

কুম্ভঃ  প্রিয়জনের ব্যবহারে মানসিক কষ্ট পেতে পারেন । কর্ম সাফল্য ও অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। ধনাগম শুভ। দাম্পত্য সুখ থাকবে । কাছাকাছি ভ্রমন যোগ দেখা যায় । সন্তান নিয়ে চিন্তা বাড়বে। সুগার, প্রেশার বৃদ্ধি ও দেহ দুর্বলতায় দেহকষ্টের আশঙ্কা। লেখাপড়ায় মনােযােগের অভাব। মানসিক উত্তেজনা বাড়বে। সদগ্রন্থ পাঠ ও সমমনস্ক ব্যক্তির সঙ্গ মানসিক শান্তির উদ্রেক করবে।


মীনঃ নতুন কাজের সুযােগ গ্রহণে আখেরে ভালাে হবে। কর্মোন্নতি হবে। অর্থলগ্নির পরিকল্পনা। ধনাগম উত্তম। উচ্চশিক্ষায় অগ্রগতি বেশি হবে। প্রচুর শত্ৰু বৃদ্ধি। মানসিক উত্তেজনা অস্থিরতা বৃদ্ধি। হঠাৎ কাজে ভুল হওয়াও অসম্ভব নয়। শারীরিক সমস্যা। ও অস্থি ভঙ্গের আশঙ্কা। দাম্পত্য সুখ থাকবে। সঙ্গীত ও অভিনয় শিল্পী এবং চিকিৎসকদের বিশেষ কোনও সম্মান। প্রাপ্তি হতে পারে।

কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? ১৯ থেকে ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২১ - পড়ুন সব রাশির রাশিফল কেমন কাটবে এই সপ্তাহ ? ১৯ থেকে ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২১  - পড়ুন সব রাশির রাশিফল Reviewed by WisdomApps on সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১ Rating: 5

কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ১২টি রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল - ১২/০৯/২১ থেকে ১৮/০৯/২১ পর্যন্ত

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১

      


কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ১২টি রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল । জেনে নিন কি লেখা আছে আপনার ভাগ্যে । জেনে নিন প্রতিটি রাশির সাপ্তাহিক ভাগ্যফল । আপডেট দেওয়া হয় প্রতি রবিবার সকাল বেলা । 

এই সপ্তাহের সব রাশির রাশিফল 

মেষঃ নতুন কর্মে গগনচুম্বী সাফল্য আসতে পারে। বৃত্তি পরিবর্তনও হতে পারে। কর্মে পদোন্নতি ও হতে পারে। পরিবহণ ব্যবসায়ীদের সময়টা ধীরে ধীরে শুভত্বের দিকে যাবে। নতুন বিনিয়োগ করার আগে বিচার বিশ্লেষণ করে অভিজ্ঞ লোকের অনুমতি নিয়ে তবেই এগানো উচিৎ ।  অর্থাগম শুভ। থাইরয়েড, টনসিল, স্পন্ডিলাইটিসের সমস্যা বাড়বে। দাম্পত্য জীবন কাটবে গতানুগতিকতায়। বিজ্ঞান শাস্ত্রচর্চায় শুভ ফল। ধর্মকর্মে বাধা। ক্রোধ সৃষ্টি হতে পারে।  আত্মনিয়ন্ত্রন করতে ধ্যানের ও প্রানায়ামের সাহায্য নিন । 


বৃষঃ শিল্পী, চিকিৎসকদের শুভ সপ্তাহ। সব কর্মেই উন্নতি, সাফল্য আসবে। বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের অগ্রগতি হবে বেশি। বিজ্ঞানীদের পক্ষে যুগান্তকারী আবিষ্কারের সম্ভাবনা দেখা যায় ।অর্থনৈতিক দিকটি অনুকূল। বাতের বেদনা ও পেটের সমস্যায় দেহকষ্ট। দাম্পত্য সুখ বজায় থাকবে। শুভ কোনও খবর আসতে পারে। সৎসঙ্গ ও ধর্মকর্মে আনন্দলাভ। অপ্রয়ােজনীয় ব্যয় বাড়বে। যানবাহনাদি সম্পত্তি কেনার যােগ আছে।


 মিথুনঃ সপ্তাহটি শুভাশুভ মিশ্র। কর্ম জটিলতা কমবে। সহকর্মীদের সহায়তা পাবেন। বিলম্বিত কর্মোন্নতি। অর্থাগম যােগটি শুভ। বেশ কিছু অর্থ সঞ্চয় হবে । প্রিয়জনের অনৈতিক কাজকর্মে গৃহে অশান্তি, অসন্তোষ বাড়বে। সুহৃদের পরামর্শে দাম্পত্য শান্তি। হঠাৎ বড়সড় ব্যয় যােগ আছে। জমি-বাড়ি সম্পত্তি ক্রয় বিক্রয়ে অতিরিক্ত লাভ হতে পারে। বাণিজ্য ও কলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের শুভ । 


কর্কটঃ বিকল্প কর্ম ও বা সৃষ্টিশীল কর্মে উৎকর্ষতা বৃদ্ধি। কর্মে গতি থাকবে ও বাধা কমবে। অংশীদারি কারবারে মতপার্থক্য ও বাধা। অর্থকড়ি উপার্জন হবে । সঞ্চয় ও হবে ব্যয় যােগও আছে। দৈব কৃপায় সামাজিক জনপ্রিয়তা বাড়বে। দান কর্মে আনন্দলাভ ও সুনাম বৃদ্ধি হবে। শেয়ার বা ফাটকায় বিনিয়ােগে আশাহত হতে পারেন। একটু সময় নিয়ে ভেবে চিন্তে বিনিয়োগ করবেন ।  দাম্পত্য সম্পর্ক অনুকূল । শ্বশুর বাড়ির আত্মীয়ের আগমনের সম্ভাবনা । সংসার হবে শ্রীময়। বিদ্যায় বাধা থাকবে । 


সিংহঃ অধ্যাপক শিল্পীদের জনপ্রিয়তা, সুনাম ও অর্থকড়ি উপার্জন বাড়বে বেশি। কর্মে অগ্রগতি বজায় থাকবে। প্রচুর ধনাগম হওয়ার যােগটি শুভ। শত্রুবৃদ্ধি পাবে , তবে তাৎক্ষনিক ভাবে আপনার ক্ষতি করতে পারবে না। মানসিক অস্থিরতা ও ভবিষ্যৎ চিন্তা বাড়বে। গৃহে শুভ কাজের সম্ভাবনা। দাম্পত্য সুখের হানি হবে না। উচ্চস্থান থেকে পতন ও অস্থিভঙ্গের আশঙ্কা। ভ্রমণের পরিকল্পনা করবেন ও সফল হবেন। ধর্মাচরণে মন বসবে না। 

কন্যাঃ কর্মে দায়-দায়িত্ব, সুনাম ও উপার্জন বাড়বে। হিসাবরক্ষক, অভিনেতা, সাহিত্যিক, খেলােয়াড়দের শুভ সময় । সাহিত্যিকদের আটকে থাকা পেমেন্ট পাওয়ার যোগ প্রবল । স্বার্থান্বেষী সহকর্মীর বিরূপ আচরণে বিব্রত হতে পারেন। স্থপতি ও প্রযুক্তি বিদ্যায় শিক্ষার্থীদের শুভ সময়। সৃষ্টিধর্মী কর্মে ব্যুৎপত্তি বাড়বে। দাম্পত্য জীবন ভালাে কাটবে । নিজের আবেগ চেপে রাখবেন না , ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যমে সম্পর্কের উন্নতি হবে ।  প্রেম- প্রণয়ে কোনও উপহার পেতে পারেন। গ্রন্থপাঠে আনন্দলাভ।


তুলাঃ  বাধার মধ্যে কর্মে অগ্রগতি হবে। সাহিত্যিক, অভিনয়-নৃত্যগীতাদি চারুকলার শিল্পীদের শুভ সময় । নৃত্যশিল্পীদের হঠাত করেই জনপ্রিয়তা লাভের যোগ দেখা যায় । ব্যবসায় উন্নতি হবে। অর্থপ্রাপ্তি যােগ শুভ। শেয়ার বা ফাটকায় অর্থপ্রাপ্তি হতে পারে। গলা, বুকের সংক্রমণ ও বাতের বেদনায় বিব্রত বােধ। কলা ও চিকিৎসা শাস্ত্রের শিক্ষার্থীদের শুভ সপ্তাহ । মানসিক অস্থিরতা ও রাগ বাড়বে। আত্মনিয়ন্ত্রন করতে জপ বা ধ্যানের সাহায্য নিন । 



বৃশ্চিকঃ স্বামী-সন্তানের স্বাস্থ্যহানিতে চিন্তাবৃদ্ধি । প্রথম দিন থেকেই যত্ন নিন ৷ মাথা যন্ত্রণা গলার সমস্যা ও সন্ধিতে বাতের বেদনায় পীড়িত হতে পারেন। কর্মে অগ্রগতি বজায় থাকবে। নতুন যােগাযােগ থেকে উপকৃত হতে পারেন। ভুল সিদ্ধান্তে নতুন সুহৃদস্থানে অর্থক্ষতির আশঙ্কা ।পারিবারিক পারস্পরিক সম্পর্কে গুমােটভাব থাকবে । স্পষ্ট ভাবে কথা বলে মানসিক জটিলতা কাটানোর চেষ্টা করুন । অতি উচ্চাশা অপূর্ণ থাকবে। অহংকারী ব্যবহারে অপযশের আশঙ্কা। মাথা ঠান্ডা রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে । 



ধনুঃ কর্মক্ষেত্রে শত্রুতা থাকলেও কর্মে সাফল্য ও উন্নতি হবে। উচ্চপদের কর্মচারী, ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, শিল্পীদের শুভ সময় । ব্যাবসায়ীরা নতুন ব্যাবসার দিক ও ভালো লগ্নীকারী পেতে পারেন । অনলাইন ব্যবসায় সাফল্যের যোগ প্রবল । অংশীদারি কারবারে মনােমালিন্য হতে পারে। অর্থাগম হবে। ভাবাবেগে কাজ করে বিপদে পড়তে পারেন। বুদ্ধি করে, ঠান্ডা মাথায় ঘরে বাইরে শান্তি বজায় রাখতে চেষ্টা করুন। লেখাপড়ায় বাধা। মনােযােগের অভাব। ভালো গ্রন্থ পাঠে মনে শান্তি।

মকরঃ কর্মে শত্রু বাড়বে; অপদস্থ করতে সচেষ্ট থাকবে। বেশি ক্রোধ ও অতিরিক্ত ভবিষ্যৎ চিন্তার ফলে মানসিক অস্থিরতা বৃদ্ধি । ধ্যান ও প্রাণায়ামের মাধ্যমে আত্মনিয়ন্ত্রন করতে চেষ্টা করুন ৷ উপার্জন বাড়বে , ফলে মনে শান্তি আসবে ৷ বিকল্প কাজও আসতে পারে। অপচয় বন্ধে সচেষ্ট হােন। পারিবারিক সম্পর্কে চাপ আসতে পারে। রাজনৈতিক ব্যক্তি, মুদ্রণ, নির্মাণ কারবারিদের শুভ। অতি পরিশ্রম ও স্নায়ুচাপে শারীরিক ক্লেশ ভােগের আশঙ্কা। কাজের মাঝে বিশ্রাম নেওয়া অতি আবশ্যক । 


কুম্ভঃ সাংবাদিক, শিল্পী, সাহিত্যিক, হিসাবনিরিক্ষকদের সপ্তাহ খুব ভালো কাটবে । কর্মে অগ্রগতি, স্বীকৃতি ও উপার্জন বাড়বে। সুসংবাদ পেতে পারেন। কোনও দীর্ঘদিনের আশা পূরণও হতে পারে। রক্তচাপের অসমতা, সুগার বৃদ্ধি ও বাতের বেদনায় বিব্রত বােধ । অবহেলা না করে ভালো ডাক্তারের পরামর্শ নিন । দাম্পত্য জীবন শুভ , স্বামী / স্ত্রীর সাথে খুব ভালো সময়  কাটাবনে।  গুরুজনের সেবায় অর্থব্যয় যােগ আছে। মনে চঞ্চলতা থাকবে। বিদ্যায় মনােমতাে ফলের অভাব। 


মীনঃ কর্মে শুভ ফল লাভের যোগ দেখা যাচ্ছে ৷ তবে আপনার ভুলে বিশেষত কোনো কথার ভুলে হঠাৎ বাধা আসতে পারে। সবার মনােরঞ্জন করে, সবার প্রিয় হতে গিয়ে ফ্যাসাদে পড়তে পারেন ৷ সবার মন রাখার জন্য কাজ না করে যেটা ঠিক সেই কাজ করতে । অর্থাগম ভালােই হবে। অতি সাধারণভাবে কাটবে দাম্পত্য। শত্রুর দ্বারা আপনার সামাজিক ভাবমূর্তির ক্ষতি হতে পারে। লেখাপড়ায় অগ্রগতি হবে। দূরে কোথাও ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিল করুন ৷ উচ্চস্থান থেকে পতনে আঘাত ও বাতের ব্যথায় কষ্টের আশঙ্কা।


কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ১২টি রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল - ১২/০৯/২১ থেকে ১৮/০৯/২১ পর্যন্ত কেমন যাবে এই সপ্তাহ ? পড়ুন ১২টি রাশির সাপ্তাহিক রাশিফল - ১২/০৯/২১ থেকে ১৮/০৯/২১ পর্যন্ত Reviewed by WisdomApps on সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ Rating: 5
Blogger দ্বারা পরিচালিত.