Featured Posts

[Travel][feat1]

রাশিফল বাংলা ২৬ জানুয়ারী থেকে ২রা ফেব্রুয়ারি

January 26, 2020

মেষ রশি: নাটকের সাথে যুক্ত যারা তাদের সফল হবার সম্ভাবনা। রোববার ভালোই কাটবে। সোমবার প্রয়োজনীয় কাজের সুরাহা হবে। মঙ্গলবার একটু দূরে গিয়ে উদ্দেশ্য সফলের সম্ভাবনা। বুধে প্রিয়জনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি, দেহমনে অবসাদ। বৃহস্পতিবার প্রতিকূল প্রভাবের জন্য অখুশি। শুক্রে সন্ধ্যার পর শুভ পরিবর্তন। শনিতে শান্তি অব্যাহত।

বৃষ রাশি: উচ্চপদস্থ ব্যক্তির অনুগ্রহ লাভ করবেন, অর্থপ্রাপ্তিও সম্ভব। রবিবার সন্ধ্যার পর গুরুত্বপূর্ণ খবরে খুশি হবেন। সোমবার অনুকূল প্রভাবে কর্মে সাফল্য। মঙ্গলবার সম্মানীয় ব্যক্তির দ্বারা প্রশংসিত হতে পারেন। বুধে অধস্তন ব্যক্তির ব্যক্তির মাধ্যমে ন্যায্য প্রাপ্য আদায় হবে। বৃহস্পতিবার আশা করেননি এমন কোনও যোগাযোগ হতে পারে যা অত্যন্ত শুভ। শুক্রে সন্ধ্যার পর বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হবে না। শনিতে শারীরিক দিকে কাবু হবেন।

মিথুন রাশি: কোনও জলাশয়ের আসেপাশে গিয়ে যা খুঁজছেন তা পেয়ে যেতে পারেন, হাটু নিয়ে সতর্ক থাকবেন। রোববার দুশ্চিন্তায় কাটবে। সোমবার অপ্রতিহত বাধায় অগ্রগতি ব্যাহত। মঙ্গলে ধৈর্য ধরে দিনযাপন। বুধে প্রচেষ্টায় সাফল্য, পিতার স্বাস্থ্যন্নোতি। বৃহস্পতিবার আটকে গেছে এমন কাজে উন্নতি। শুক্রে প্রত্যাশিত শুভ সংবাদ পেয়ে যাবেন। শনিতে দরকারি কাজ শেষ করুন।

কর্কট রাশি: উইলের ব্যাপারে আলোচনা করার সময় এসেছে। রবিবার সন্ধ্যার পর পরিবেশ প্রতিকূল হওয়ার সম্ভাবনা। সোমবার ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে মুশকিলে পড়বেন। মঙ্গলে ঝামেলা রয়েছে। বুধে কাউকে সন্দেহ করা ঠিক হবে না। বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। শুক্রে বিকেলের পর সমাধানের ইঙ্গিত পাবেন। শনিতে অর্থ, কর্ম, পরিবার সব ক্ষেত্রেই সাফল্য।

সিংহ রাশি: দীর্ঘ ভ্রমণের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবার সম্ভাবনা। রবিবার পশ্চিমদিক থেকে কেউ সাহায্য করতে পারে। সোম ও মঙ্গলে যথাযথ প্রচেষ্টায় উদ্দেশ্য সফল হবে। বুধে শত্রুপক্ষ এড়িয়ে চলুন। বৃহস্পতিবার সহকর্মীদের সঙ্গে তুচ্ছ কারণে মনোমালিন্য। শুক্রে সন্ধ্যার পর সমস্যা বাড়তে পারে। শনিতে অনৈতিক ক্ষেত্র থেকে উপদ্রবের আশঙ্কা।

কন্যা রাশি: অকারণ ভীতি কাজকর্মে মনঃসংযোগে বাধা সৃষ্টি করবে। রবিবার অত্যন্ত পরিশ্রমের মধ্যে চলে রাতে স্বস্তি পাবেন। সোমবার অগ্রজসম কাউকে দরকারি কথা বলে দিন। মঙ্গলে যে কাজ করবেন ভেবেছেন তা করে ফেলুন। বুধে পারিপার্শ্বিক দিক অনুকূলে থাকবে। বৃহস্পতিবার কারোর ওপর ভরসা রাখতে পারেন। শুক্রে সন্ধ্যার পর পরিস্থিতির বদল হবার সম্ভাবনা। শনিতে বাধা রয়েছে।

তুলা রাশি: প্রতিভার স্বীকৃতি পাবেন, সন্তানের জন্য আনন্দিত হবেন। রোববার ঝকমারির ভেতরে কাটবে। সোমবার ও মঙ্গলবার বিদ্যার্থীদের পক্ষে বাধাবহুল, তাড়াহুড়োর দরকার নেই। বুধবার শুভ পরিবর্তন, ইচ্ছানুসারে পদক্ষেপ নিন। বৃহস্পতিবার প্রিয়জনের জন্য সুখবর আসতে পারে। শুক্রে অত্যন্ত শুভ পরিবর্তন, পারিবারিক জীবনে শান্তিলাভ। শনিতে কর্ম, অর্থ ও ভ্রমণ অনুকূল যোগ বর্তমান।

বৃশ্চিক রাশি: চুরি যাওয়া অর্থ ফেরতের ইঙ্গিত পেতে পারেন। রোববার বিকেলের পর কোনও বিতর্কে যাবেন না। সোমবার ও মঙ্গলবার কাজ নিয়ে আশাহত হলে ভুল করবেন। বুধে জটিলতা বাড়বে। বৃহস্পতিবার যতটা সম্ভব দায়িত্ত্ব নিন। শুক্রে সন্ধ্যার পর নিশ্চিত হবে। শনিতে সন্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারবেন।

ধনু রাশি: বন্ধুর সন্তানের ব্যাপারে আপনাকে যাওয়া লাগতে পারে। রোববার শুরুটা বাধাবহুল, বিকেলের পর স্বস্তি। সোমবার সাহসের সঙ্গে এগিয়ে কার্যে সাফল্য। মঙ্গলে পরিবেশ অনুকূলে থাকবে। বুধে প্রয়োজনে অর্থ খরচ হতে পারে। বৃহস্পতিবার প্রয়োজনীয় কারণে চিন্তায় থাকবেন। শুক্রে ভালো মন্দ মিলিয়ে দিনটি কাটবে। শনিতে গতানুগতিক ভাবে সাংসারিক ক্ষেত্র অনুকূল।

মকর রাশি: যারা খাদ্যদ্রব্যের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদের পক্ষে শুভদায়ক। রোববার কাউকে কিছু বলার আগে ভেবে দেখুন। সোমবার ও মঙ্গলবার তত শুভ নয়, ভ্রমণে বাধা। বুধে লেখাপড়ার ব্যাপারে প্রতিবেশীর কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে পারবেন। বৃহস্পতিবার শুভদায়ক। শুক্রে আশা করেননি এমন ঘটনা ঘটতে পারে। শনিতে ঘরে বাইরে সংগ্রামবহুল।

কুম্ভ রাশি: আনন্দবহুল পরিবেশ, কর সংক্রান্ত ব্যাপারে সুখবর পেতে পারেন। রোববার মনঃকষ্ট কাটিয়ে উঠবেন। সোমবার ও মঙ্গলে দরকারি কাজ এগিয়ে নিতে সমস্যা। বুধে কিছু ব্যয় করলে দরকারি জিনিস আয়ত্তের মধ্যে থাকবে। বৃহস্পতিবার সংযম রক্ষা করুন। শুক্রে সন্ধ্যার পর সুসংবাদ আসতে পারে। শনিতে দৈবানুগ্রহে কোনো ভুল হতে গিয়েও হবে না।

মীন রাশি: অংশীদারি ক্ষেত্রে কোনো খবরে আপনার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। রবিবার শুরুটা ভালোই, দুপুরের পর স্বাস্থ্যহানী। সোমবার বাধার ভেতরে দিনটি কাটবে। মঙ্গলে অশুভ প্রভাব অব্যাহত। বুধে শরীরে সুস্থবোধ। বৃহস্পতিবার প্রয়োজনীয় কাজ করে নিন। শুক্রে সন্ধ্যার পর কাউকে ঋণ দেবেন না। শনিতে অশুভ প্রভাব থাকবে।
রাশিফল বাংলা ২৬ জানুয়ারী থেকে ২রা ফেব্রুয়ারি রাশিফল বাংলা ২৬ জানুয়ারী থেকে ২রা ফেব্রুয়ারি Reviewed by WisdomApps on January 26, 2020 Rating: 5

সরস্বতী দেবী আদৌ ব্রহ্মার মেয়ে ছিলেন না আর তাঁদের নিয়ে যে মিথ্যা প্রচার চালানো হয় তার প্রকৃত সত্যটা জানুন

January 22, 2020
সরস্বতী দেবী কি ব্রহ্মার মেয়ে ছিলেন ? আর ব্রহ্মা কি সরস্বতী দেবীকে কুনজরে দেখে ছিলেন ? এবং বিয়ে করেছিলেন ? 






না , ব্রহ্মা কোনদিনও নিজ মেয়েকে বিয়ে করেননি । যারা জানেন না তারা হিন্দু ধর্মের অপপ্রচার করার জন্য বিভিন্ন ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছে । আমাদের এই লেখাটি পড়ার পর  নিজ বুদ্ধি দিয়ে বিচার করে বুঝে নিন কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যা !! 

হিন্দু ধর্মের এই মিথ্যা কালিমা মোছার জন্য এই লেখাটি আপনাকে শেয়ার আপনাকে করতেই হবে । লেখার একেবারে শেষে শেয়ার বটন পেয়ে যাবেন । 

হিন্দু ধর্মের গভিরতা নিয়ে রিসার্চ করছেন এমন দেশি ও বিদেশী গবেষকদের বই পড়েই কনফার্ম হয়ে এই লেখা । যে যে বই পড়ে এই ভিডিও বানানো হয়েছে তার মধ্যে থেকে কিছু বইয়ের লিঙ্ক আমরা নীচে দিয়ে দিয়েছি ,সন্দেহ থাকলে পড়ে নিতে পারেন ।  আপাতত লেখাটি  শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়ুন । 

অনেক ইউটিউব ভিডিওতে  দেখা যায় দেবী সরস্বতীকে ব্রহ্মার মেয়ে বলে প্রমান করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং ভগবান ব্রহ্মা দেবী সরস্বতিকে বিয়ে করেছেন এমনটা দেখানো হয়েছে ।  এই কথাটি প্রমান করার জন্য তারা সরস্বতী পুরাণ নামের এক হিন্দু পুরানের উল্লেখ করেছে । এরা হিন্দু পুরাণ সম্বন্ধে খুব কম জানে । আমার কথা বাদ দিন , এই দেখুন উইকিপিডিয়ার হিন্দু পুরাণ পেজ ,  এখানে পরিস্কার ভাবে হিন্দু ধর্মের প্রকৃত পুরাণ গুলির কথা উল্লেখ করা আছে । সরস্বতী পুরানের উল্লেখ উইকিপিডিয়ার কোথাও নেই । বোঝা যাচ্ছে এই ভিডিওগুলি হিন্দু ধর্মকে কালিমালিপ্ত করার এক বিপুল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে । 
এই ষড়যন্ত্রের শিকড় খুঁজতে আমরা বিভিন্ন বই পড়া শুরু করি । আমরা যা যা জেনেছি তা থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি - 

বিভিন্ন গল্প কথায় ব্রহ্মা বিষ্ণু , শিবের গল্প পড়তে পড়তে আমরা এনাদেরকে সাধারন মানুষ মনে করা শুরু করে দিয়েছি , তাই বাংলা সিরিয়ালের মত আমরা তিন ভগবানের বিয়ে , বাচ্চা এবস নিয়ে এত চিন্তিত হয়ে পড়েছি । মাথা থেকে এই বাংলা সিরিয়াল মার্কা কনসেপ্ট ঝেড়ে ফেলতে হবে । এনারা হলেন ট্রিনিটি - ব্রহ্মা , বিষ্ণু শিব । এনারা হলেন ভগবান । 
প্রথমে ট্রিনিটি র একজন ভগবান ব্রহ্মার সম্বন্ধে কিছু কথা শুনে নিন  । ভগবান বিষ্ণুর নাভী থেকে একটি পদ্মফুল বেরিয়ে আসে আর সেই পদ্মের ভিতরেই ছিলেন ভগবান ব্রহ্মা । ভগবান বিষ্ণু তাকে দায়িত্ব দেন সমস্ত ব্রহ্মান্ড রচনা করার । সেই হিসাবে ভগবান ব্রহ্মাকে সৃষ্টিকর্তা বলা হলেও যেহেতু ভগবান বিষ্ণুর শরীর থেকেই ব্রহ্মার সৃষ্টি তাই ব্রহ্মাদেবের গুরুত্ব বিষ্ণুদেবের থেকে বেশ কিছুটা কম । 

হিন্দু মাইথোলজি অনুযায়ী ভগবান ব্রহ্মা সারাদিন ধরে ব্রহ্মান্ড ও পৃথিবীর সৃষ্টির কাজে ব্যস্ত থাকেন । সুন্দর করে এই ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করার পর দিনের শেষে তিনি যখন ঘুমাতে যান তখন শুরু হয় প্রলয় । এই প্রলয়ে তার বানানো এই স্বর্গ , নরক ও পাতাল - এবং সমস্ত ব্রহ্মান্ড ধ্বংস হয়ে যায় । পরের দিন সকালে উঠে আবার তিনি নতুন করে ব্রহ্মান্ড বানানো শুরু করেন । এখন আপনি ভাবছেন - এমন হয় নাকি , আপনি তো প্রতিদিন সকালে উঠে পৃথিবী একই রকম দেখেন । কোনোদিনও আপনি সকালে উঠে পৃথিবী ধ্বংস হতে তো দেখেননি !! কেন দেখেননি বুঝুন , আমাদের যেমন ২৪ ঘণ্টায় ১ দিন হয় , ভগবান ব্রহ্মার সময়কাল আলাদা নিয়মে চলে , একে বলে কল্প । এবার ১ কল্প মানে কত দিন সেটা বুঝিয়ে দিই আগে । 
হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী যুগ ৪ টে । সত্য , ত্রেতা , দ্বাপর ও কলি । এখন চলছে কলি যুগ । কলি যুগের সময়কাল হচ্ছে ৪৩২০০০ বছর । দ্বাপর যুগের সময়কাল কলি যুগের দ্বিগুন অর্থাৎ ৮লক্ষ ৬৪হাজার বছর । তেমনই ত্রেতা যুগ হল কলি যুগের ৩ গুন অর্থাৎ ১২লক্ষ ৯৬ হাজার বছর এবং সবথেকে বেশী সময়কাল হল সত্য যুগের - কলি যুগের চারগুন অর্থাৎ ১৭লক্ষ ২৮হাজার বছর । এখন এই চার যুগ মিলিয়ে মোট সময়কাল হল ৪৩লক্ষ ২০হাজার বছর । এটাকে বলে এক মহাযুগ । এইরমকম ১০০০ মহাযুগ নিয়ে তৈরি হয় ১ কল্প অর্থাৎ ভগবান  ব্রহ্মার ১ দিন । 
অর্থাৎ ভগবান ব্রহ্মার  ১ দিন  পৃথিবীর ৪.৩২ বিলিয়ান বছরের সমান । আপনাদের যাদের মনে হয় এমনটা হতে পারে না তারা হলিউডের বিখ্যাত ইন্টারস্টেলার সিনেমাটি দেখে নেবেন । সেখানে পরিস্কার ভাবে ব্রহ্মার সময়ের কনসেপ্ট ব্যবহার করা হয়েছে । দেখবেন মহাকাশচারীরা ভিন গ্রহে কয়েক মিনিট কাটালেই পৃথিবীতে কীভাবে কয়েক বছর কেটে যায় । সময় যে চতুর্থ ডাইমেনশান সেটা এই সিনেমাতে যেমন বোঝানো হয়েছে তেমনই হাজার হাজার বছর আগে হিন্দু শাস্ত্রে বলা আছে ।  

যাইহোক,  আপনারা জানেন হিন্দু শাস্ত্র মতে যা জন্মাবে তা একদিন মারা যাবেই , এই তত্ব ভগবান ব্রহ্মার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য , তিনি যেহেতু জন্মেছেন তাই তিনি প্রতি ১০০ বছর পর মারা যান এবং নতুন ব্রহ্মার সৃষ্টি হয় । কিন্তু ভগবান ব্রহ্মার এই ১০০ বছর হল  ৩১১.০৪ ট্রিলিয়ন মানব বছরের সমান । ১ট্রিলিয়ন মানে কত - গুগলে সার্চ করে নেবেন । 

আশাকরি অন্তত এটুকু বুঝেছেন  যে ভগবান ব্রহ্মা আপনার পাড়ার বুড়ো দাদু নন যিনি লাখ টাকা পন নিয়ে বিয়ে করার জন্য পাগল হয়ে গেছেন  । ইনি সৃষ্টিকর্তা । ইনি ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করেছেন এবং সাথে সাথে তিনি প্রকৃতিকেও সৃষ্টি করেছেন । প্রকৃতি হলেন শতরূপা , যে শত শহস্ত্র রূপ ধারন করতে পারে । ভাবুন আপনি আপনার চারপাশে যা যা দেখছেন সবই প্রকৃতিরই বিভিন্ন রূপ । এই প্রকৃতি হলেন নিখাদ নলেজ অর্থাৎ শুদ্ধ জ্ঞানের দেবী সরস্বতী । আর ভগবান ব্রহ্মা এই প্রকৃতি অর্থাৎ সরস্বতী অর্থাৎ শতরূপাকে নিয়ন্ত্রিত করতে চেয়েছিলেন অর্থাৎ তিনি প্রকৃতিকে নিজ ক্ষমতায় আনতে চেয়েছিলেন ।  আসলে  উনি অহঙ্কার বসে ভেবেছিলেন , আমি সৃষ্টিকর্তা , আমার নিয়ন্ত্রনেই থাকবে প্রকৃতি । এইখানে কিছু লোকে ভেবে বসে সরস্বতী বুঝি ব্রহ্মার মেয়ে আর ব্রহ্মা তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন । আসলে যারা বিয়ে মানেই ভাবে মেয়েদেরকে নিয়ন্ত্রন করে রাখা তারাই এই নিয়ন্ত্রন করাকে বিয়ে মনে করে ।
 যাইহোক আসল কথা হল এই প্রকৃতিকে সৃষ্টি করে ভগবান ব্রহ্মা অস্থির হওয়া শুরু করেন । প্রকৃতি নিজে যেহেতু শত শহস্ত্র রূপ ধারন করতে পারেন তাই তিনি স্বনিয়ন্ত্রিত , তিনি স্বাধীন , তিনি ব্রহ্মার নিয়ন্ত্রনে থাকতে চান না । প্রকৃতিকে সর্বদা চোখে চোখে রাখার জন্য ভগবান ব্রহ্মার ৫ টি মাথার সৃষ্টি হয় , আসলে এটাও রূপক অর্থে ব্যবহার কয়া হয়েছে , ব্রহ্মার ৫ মাথার সৃষ্টি হয়নি , তিনি সব কাজ ভুলে শুধু প্রকৃতিকে নিজ নিয়ন্ত্রনে আনার কথাই ভাবতে থাকেন ।  ভগবান শিব ব্রহ্মার এই মানসিক অস্থিরতাকে নিয়ন্ত্রন করার জন্যই তার পঞ্চম মাথাটি খন্ডিত করে তাকে উপলব্ধি করান যে প্রকৃতি কারোর নিয়ন্ত্রনে থাকার নয় । সে শতরূপা , সে সর্ব শক্তিময়ী , সে স্বাধীন । 
আপনারাই ভাবুন , প্রকৃতিকে কি কেউ কোনদিন নিয়ন্ত্রন করতে পেরেছে না পারবে ? 
আমাদের তিন ভগবান - ব্রহ্মা বিষ্ণু ও মহেশ্বর , তিনজন প্রকৃতিকে তিন ভাবে দেখেছেন । ভগবান শিব প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল নন তাই তিনি উদাসিন সন্ন্যাসি হয়ে চোখ বন্ধ করে ধ্যানমগ্ন হয়েছেন  , আর ভগবান বিষ্ণু প্রকৃতিকে সঠিক সন্মান করে তাকে দেবী রূপে আহ্বান করেছেন ,  তাই তিনি যোগ্য সন্মানের অধিকারী কিন্তু ভগবান ব্রহ্মা প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রন করতে গেছেন ,তাই তিনি মানুষের কাছে তার ভগবান হিসাবে পুজো পাওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন   । এখানে ভগবান শিব ও ভগবান বিষ্ণুকে সমান চোখে দেখা হচ্ছে । কিন্তু ব্রহ্মা যেহেতু প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রন করে নিজ বশে আনার চেষ্টা কিরেছিলেন তাই তিনি পুজো পাওয়ার যোগ্য নন । 

বর্তমান সমাজেও এই ব্যাপারটি সমান ভাবে প্রযোজ্য , আপনি কেমন মানুষ তা নির্ভর করে পরিবারের প্রতি ও সমাজের প্রতি আপনার ব্যাবহারে । যে মানুষ সমাজ ও পরিবার সম্বন্ধে উদাসিন তিনি সন্ন্যাসী তাকে নিয়ে ভাববার কিছু নেই ,  তিনি নমস্য ,  তিনি শিব । যিনি পরিবার ও সমাজকে সঠিক সন্মান দেন তাকে সমাজের মানুষ মাথায় তুলে রাখে আর পরিবারের লোকজনের কাছ থেকেও তিনি প্রানভরা ভালোবাসা পান , তিনি হলেন বিষ্ণু । আর যে মানুষ পরিবারের ও সমাজের মানুষদের নিয়ন্ত্রন করতে চান তিনি কারোর ভালোবাসা পান না , লোকে হয়ত তাকে ভয় পায় কিন্তু ভালোবাসে না ,তিনি হলেন ব্রহ্মা ।  তিনি ব্রহ্মার ন্যায় পুজো পাওয়ার অধিকার হারান অর্থাৎ মানুষের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হন ।
আর  এবার আপনি ভাবুন , আপনি কোন ভগবানের স্বরূপ । 
আশাকরি , এই লেখাটি থেকে আপনি নিজের বুদ্ধি লাগিয়ে হিন্দু ধর্মের এই গভীর জ্ঞানটি বুঝতে পারলেন । এবার শেয়ার করার পালা । শেয়ার করে সমস্ত হিন্দু বিরোধী মানুষ গুলোকে জানিয়ে দিন - প্রকৃত সত্য । 

সরস্বতী দেবী আদৌ ব্রহ্মার মেয়ে ছিলেন না আর তাঁদের নিয়ে যে মিথ্যা প্রচার চালানো হয় তার প্রকৃত সত্যটা জানুন সরস্বতী দেবী আদৌ ব্রহ্মার মেয়ে ছিলেন না আর তাঁদের নিয়ে যে মিথ্যা প্রচার চালানো হয় তার  প্রকৃত সত্যটা জানুন Reviewed by WisdomApps on January 22, 2020 Rating: 5

স্তন ক্যানসার , কীভাবে পরীক্ষা করবেন ? সাবধান হন আর জেনে নিন কখন কি ট্রিটমেন্ট করাবেন ।

January 21, 2020


মহিলাদের মধ্যে যে ক্যান্সারের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি তা হলো স্তন ক্যান্সার। সাবধানে থেকে বা হাজার সাবধানতা নিয়েও এই রোগ কখনও কখনও আটকানো যায় না। তবে সচেতন থাকলে আগে ভাগেই চিনে ফেলতে পারেন এই ক্যানসার। প্রাথমিক স্তরে চিকিৎসা করালে রোগ নির্মূল করা যায় সহজেই। তাই চলুন দেরি না করে জেনে নিই এই রোগ চিনবেন কি করে।

● আয়নার দুপাশে হাত রেখে দাঁড়ান। দুদিকের স্তনের মধ্যে কোনও অসামঞ্জস্য আছে কি না লক্ষ করুন। এবার মাথার ওপর দুহাত তুলুন। মাথার পাশে রাখুন। দেখুন দুদিকের স্তনের মধ্যে কোনও অসামঞ্জস্য আছে কি না। হাতের চেটো দিয়ে প্রথমে একদিকের ও পরে অন্য দিকের স্তন পরীক্ষা করুন। কোনওরকম চাকা বা ফোলা ভাব আছে কি না ভালো করে লক্ষ্য করুন। এবার দেখুন নিপল বা স্তনবৃন্তে কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না। পরিবর্তন বলতে এক দিকের নিপল ভেতরের দিকে ঢুকে গেছে কি না বা নিপল এর পাশে কোনো ঘা আছে কি না। যদি ঘা এর সন্ধান পান তাহলে অবিলম্বে ব্রেস্ট ক্যানসার সার্জেনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। হতেই পারে, আপনার স্তনে ক্যানসার হয়নি। কিন্তু যদি হয়, তাহলে সঠিক সময়ে চিকিৎসার কোনো বিকল্প নেই।

● ট্রিপল এসেসমন্ট পদ্ধতি: ডায়াগনসিসের জন্য যেতে পারেন কোলকাতার ওয়ান স্টপ বেস্ট ক্লিনিকে। চিকিৎসার জন্য এখানে রয়েছে ট্রিপল এসেসমেন্ট পদ্ধতি - ১) প্রথমে একজন স্তন ক্যান্সার সার্জেন রোগীর পরীক্ষা করেন ও তার পারিবারিক ইতিহাস জানবেন। 

২) রোগীর স্তনের আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান বা ম্যামোগ্রাম করে হবে। ৩) সার্জেন রোগীর ল্যাম্প থেকে এফ এন এ সি বা কোর বয়োন্সি করবেন।
এখন বেশিভাগ ক্ষেত্রে কোর বয়োপ্সি করা হয় কারণ এটি উন্নত পদ্ধতি। অল্পবয়সীদের ক্ষেত্রে সাধারণত আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান করা হয়। ৩৫ বয়সের বেশি মহিলাদের ক্ষেত্রে রোগ শনাক্তকরণের জন্য ম্যামোগ্রাম করা হয়।

● সবসময় সার্জারির প্রয়োজন হয় না: প্রথম ধাপেই ক্যানসার ধরা পরলে সার্জারির প্রয়োজন হয় না। রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ সার্জেন ঠিক করেন কী ধরনের অস্ত্রপচার প্রয়োজন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে এখন প্রাথমিক স্তরে স্তন ক্যানসার ধরা পরলে স্তন কেটে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন পরে না। শুধুমাত্র টিউমার বাদ দিয়ে স্তনের বাকি অংশ রেডিওথেরাপি বা রে দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। এই সার্জারির সময় বগলের নিচের অংশের গ্ল্যান্ড গুলো সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়। এই রিপোর্টের ওপরেই নির্ভর করে রোগীর কেমোথেরাপির প্রয়োজন কি না। তবে বেড়ে যাওয়ার পর ধরা পরলে নিও অ্যাডযুকেন্ট কেমোথেরাপি দিয়ে সার্জারি করাটাই ভালো।

● হরমোন থেরাপিতেও রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব: বেশ কিছু ক্ষেত্রে স্তন ক্যানসার হরমোন রিসেপ্টর সেনসিটিভ হয়। এক্ষেত্রে রোগীর অ্যান্টি ইস্ট্রোজেন জাতীয় কোনো ওষুধ দিলে কার্যকর হয়। হরমোন ছাড়াও 'হার টু নিউ' নামক একটি রিসেপ্টর রয়েছে। এক্ষেত্রে হারসেপশন নামে একটি ওষুধ দেওয়া হয়। ওষুধটি ব্যয়বহুল হলেও স্তন ক্যানসারের চিকিৎসায় সাফল্য খুব আশানুরূপ। যাদের বয়স বেশি তাদের ক্ষেত্রে হরমোনথেরাপির মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।



লেখাটি শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করে দিন 
স্তন ক্যানসার , কীভাবে পরীক্ষা করবেন ? সাবধান হন আর জেনে নিন কখন কি ট্রিটমেন্ট করাবেন । স্তন ক্যানসার , কীভাবে পরীক্ষা করবেন ? সাবধান হন আর জেনে নিন কখন কি ট্রিটমেন্ট করাবেন ।  Reviewed by WisdomApps on January 21, 2020 Rating: 5

শীতকালে ব্যাথা বাড়ে কেন ? কীভাবে ব্যাথা নিয়ন্ত্রনে রাখবেন জেনে নিন ।

January 20, 2020




শীতকালে সব বয়সের মানুষের শরীরে ব্যাথা বাড়ে। বিশেষ করে হাড়ের ব্যাথা তো বাড়েই। এমনিতেই অন্য সময় সামান্য আঘাত লাগলে শরীরে যতটা না কষ্ট হয়, শীতকালে সামান্য চোট লাগলে ব্যাথা অনেক বেশি অনুভূত হয়। শীতকালে হাড়ের জয়েন্ট গুলোর ব্যাথা বাড়ে। তার পেছনে কতগুলো কারণ রয়েছে।
● শীতকালে তাপমাত্রা অনেক কমে যাওয়ার কারণে হাড়ের জয়েন্টে থাকা ফ্লুইড বেড়ে যায়। সেজন্য হাড়ের জয়েন্ট গুলোয় ব্যাথা অনুভূত হয়।
● এছাড়া শরীরের মধ্যে যেসব শিরা, উপশিরা আছে, ঠান্ডার কারণে সংকুচিত হয়। শরীরে ব্যাথা হওয়ার এটাও একটা কারণ। 
● মানব দেহের মাংসপেশি গুলোও আবহাওয়ার কারণে কুঁচকে যায়।
● তাপমাত্রা কম থাকার কারণে হাড়ের জয়েন্ট গুলির মুভমেন্টও ঠিকমতো হয় না। এইসব কারণগুলির জন্য শীতে হাড়, মাসল সহ বিভিন্ন জায়গায় ব্যাথা অনুভব হয়।
যেমন এ সময় দেখা যায়, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরে একাধিক জায়গায় ব্যাথা করছে। বিশেষ করে হাঁটু, গোড়ালির জয়েন্টে ব্যাথা, হাতে বেশি করে অনুভূত হয়। আসলে হাড়ের মুভমেন্ট ঠিক মতো না হওয়ার কারণেই এ ধরণের সমস্যা বেশি হয়। আবার সকালের দিকে কিছুটা হাঁটাচলা করলে, সূর্য্য ওঠার পর কিছুক্ষন রোদে বসলে অধিকাংশ ব্যাথা বেদনা উধাও হয়ে যায়। বয়স্ক মানুষদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশি হয়। 
  আমাদের মত হলো, এই সময় শরীরে ব্যাথা কমাতে ঘরের মধ্যে নিজেকে আটকে রাখবেন না। ঘরে চুপচাপ এক জায়গায় বসে থাকলেই বরং ব্যাথা বাড়বে। কারণ, এতে হাড়ের মুভমেন্ট কম হয়। তাই শীতকালে বাইরে বের হন। হাঁটুন।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন। পারলে ব্যাডমিন্টন খেলুন। ফুটবলও খেলা যেতে পারে। শরীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করুন। 
  দুই, সাঁতার কাটতে পারলে খুব ভালো। কারণ জলের নীচে তাপমাত্রা এই সময় বেশি থাকে। সাঁতার কাটলে শরীরের সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এর মুভমেন্ট হবে। মনে রাখবেন, এ সময় সাঁতার কাটলে ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা বরং কম। 
  তিন, এছাড়া সবসময় গরম পোশাক পরতে হবে। রাতের দিকে সবকটি দরজা জানালা না দিয়ে অন্তত একটি জানালা খুলে রাখা যেতে পারে।
  চার, নিয়মিত ভিটামিন ডি জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে।
  পাঁচ, স্নানের আগে নিয়ম করে তেল মেখে কিছুক্ষন রোদে বসা যেতে পারে। এতে শরীর ভালোও থাকবে। 
  ছয়, স্নানের সময় গরম-ঠান্ডা জল মিশিয়ে স্নান করে যেতে পারে। একেবারে ঠান্ডা জলে স্নান করলে ঠান্ডা বাড়বে বই কমবে না। তাছাড়া শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  সাত, যারা বাইক চালান, তারা হাতের দস্তানা, পায়ে মোজা, মাথার টুপি, হেলমেট, জ্যাকেট পরবেন। কোনোভাবেই শরীরের ভেতরে হওয়া ঢুকতে দেওয়া যাবে না। আট, শীতকালে গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে সেটি হাটু সহ বিভিন্ন জয়েন্টে সেক নেওয়া যেতে পারে। এতে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।
  নয়, বয়স্করা সকালের দিকে ঘুম থেকে উঠে গরম জলের সেক নিন। অনেক বেশি আরাম পাবেন। এর পরও যদি ব্যাথা বাড়ে, সেক্ষেত্রে ডাক্তারবাবুর পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।
শীতকালে ব্যাথা বাড়ে কেন ? কীভাবে ব্যাথা নিয়ন্ত্রনে রাখবেন জেনে নিন । শীতকালে ব্যাথা বাড়ে কেন ? কীভাবে ব্যাথা নিয়ন্ত্রনে রাখবেন জেনে নিন ।  Reviewed by WisdomApps on January 20, 2020 Rating: 5

সাপ্তাহিক রাশিফল ১৯ থেকে ২৫ শে জানুয়ারি ২০২০

January 19, 2020

মেষ রাশি: কাজের পদ্ধতিকে আয়ত্তে আনতে শিখতে সময় লাগবে, অর্থকরী বাধা নেই। রোববার সংগঠন মূলক কাজে সার্থকতা। সোমবার প্রয়োজনীয় কাজ সন্ধ্যার আগে শেষ করুন। মঙ্গলে পরিবারে মায়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি। বুধে তর্কে না গিয়ে বিরত থাকুন। বৃহস্পতিবার কোনো পরিবর্তন নেই। শুক্রে দিন গুজরান মন্দ হবে না। শনিতেগুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হতে চলেছে।

বৃষ রাশি: বিরোধীপক্ষের প্রশংসা কতটা সত্য বুঝে উঠতে পারবেন না। রবিবার উদ্যমের দ্বারা পরিবেশকে আয়ত্তে রাখবেন। সোমবার অত্যন্ত শুভ পরিবর্তন হতে চলেছে। মঙ্গলে বন্ধুর দ্বারা উপকৃত হতে পারেন। বুধে দরকারি কাজ শেষ করে নিন। বৃহস্পতিবার অশুভ প্রভাব কে ভয় পাবেন না। শুক্রে কোনোমতে কাটিয়ে দিতে হবে। শনিতে যথাযথ প্রচেষ্টা চালিয়ে যান।

মিথুন রাশি: নতুন কোনো চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার শুরুটা বাধাবহুল, পরে বিকেলে স্বাভাবিক হয়ে আসবে। সোমবার মাতৃস্থানীয়ের কাউকে সাহায্য করা লাগবে। মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে এগোনো যাবে। বুধে অত্যন্ত শুভ পরিবর্তন। বৃহস্পতিবার মনমতো পরিবেশ থাকায় ইচ্ছাপূরণ সম্ভব। শুক্রে কাউকে চট করে কথা দেবেন না। শনিতে অসন্তুষ্ট হলে অর্থ আদায় সম্ভব নয়।

কর্কট রাশি: ক্ষমতাবান ব্যক্তি নয়, সাধারণ প্রতিবেশীর দ্বারা বিশেষ উপকৃত হবেন। রবিবার পারিবারিক ব্যস্ততায় অন্য কোনো কাজ করতে পারবেন না। সোমবার পরিবেশ বাধাবহুল থাকবে। মঙ্গলবার প্রতিকূলতার ভেতরেই চলতে হবে। বুধে বিরোধিপক্ষকে বুদ্ধিবলে আয়ত্তে এনে ফেলবেন। বৃহস্পতিবার অনুকূল প্রভাব সহায়তা করবে। শুক্রে প্রয়োজনীয় কাজ করে ফেলা সম্ভব হবে। শনিতে ঘরে বাইরে স্থিতিশীল পরিবেশ।

সিংহ রাশি: প্রণয়ের ক্ষেত্রে এগোতে পারেন, পরে ভালো সম্পর্ক নাও থাকতে পারে। রবিবার ভালোয় মন্দয় কাটবে। সোমবার ভুলপথে অর্থ নষ্ট হতে পারে। মঙ্গলে অপ্রতিহত বাধায় অগ্রগতি ব্যাহত। বুধে সমস্যা বাড়বে, পরিশ্রম করে পরিবেশ আয়ত্তে আনতে হবে। বৃহস্পতিবার সন্তানের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হবেন। শুক্রে শুভ পরিবর্তন। শনিতে আপনার নির্দেশমতো কাজ এগোবে।

কন্যা রাশি: সন্তানের ওপর পুরোপুরি ভরসা করতে পারবেন না। রবিবার অযথা তর্কে আওময় নষ্ট, বিকেলের পর অনুকূল। সোমবার বয়সে ছোট কারোর দ্বারা উপকৃত হবেন। মঙ্গলে মোটামুটি কাটবে। বুধে আপনার উদ্যমের ওপর প্রাপ্তি নির্ভর করছে। বৃহস্পতিবার অপছন্দের ব্যক্তি লোকজনের সঙ্গে মানিয়ে চলতে হবে। শুক্রে দুঃচিন্তায় শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখা কঠিন। শনিতে টানাপোড়েন এড়ানো সম্ভব নয়।

তুলা রাশি: উচ্চ বিদ্যার ক্ষেত্রে উপযুক্ত যোগাযোগ হয়ে যাবে। রবিবার নিজে যা পারবেন তাই করুন। সোমবার পিতার সাহায্য নাও পেতে পারেন। মঙ্গলবার কোনোমতে দিন গুজরান। বুধে স্নেহভাজন কাউকে দিয়ে দরকারি কাজ করে নিন। বৃহস্পতিবার অনুকূলে পরিবেশ। শুক্রে সবদিক গুছিয়ে চলতে বেগ পেতে হবে। শনিতে অশুভ যোগ, গৃহে নানা সমস্যা।

বৃশ্চিক রাশি: অল্প সময়ের মধ্যে গৃহ সংস্কার প্রয়োজন হলে করিয়ে নিন। রোববার অলসতা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। সোমবার শুভ যোগ, অর্থপ্রাপ্তিও হতে পারে। মঙ্গলে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করার সুযোগ পাবেন। বুধে কোথাও যাওয়ার জন্য সীমিত ব্যয় করুন। বৃহস্পতিবার অন্যের ওপর নির্ভর করে চলতে অভ্যস্ত হয়ে পরবেন। শুক্রে অপ্রত্যাশিত শুভ পরিবর্তন। শনিতে শুভ পরিবেশ।

ধনু রাশি: ব্যক্তিগত করতল অনুযায়ী প্রাপ্তি কম বেশি হতে পারে। রোববার শুরুটা ভালো হলেও সন্ধ্যার পর মনের অস্বস্তি বাড়বে। সোমবার কোনো কাজে এগোনোর সুযোগ পাওয়া যাবে না। মঙ্গলে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহনে ওঠা ঠিক হবে না। বুধে শুভ পরিবর্তন। বৃহস্পতিবার শত্রুর মাধ্যমেই কাজ হাসিল করতে হবে। শুক্রে কাউকে কথা দিলে কথা রক্ষা করা দরকার। শনিতে খরচের মাত্রা বাড়তে পারে। 

মকর রাশি: শত্রুর কাছে পুরোনো কোনো কথা উত্থাপন করবেন না। রোববার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, শুভ পরিবর্তনের আশা। সোমবার অর্থকরী ব্যাপারে আশাপ্রদ। মঙ্গলবার মনে নব আশা। বুধে খুঁটিনাটি বিচার করলে সংঘাতের আশঙ্কা। বৃহস্পতিবার অশুভ প্রভাব, বাধা, অবসাদ। শুক্রে কর্মক্ষেত্রের ব্যাপারে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে বুঝে নিন। শনিতে দোটানা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

কুম্ভ রাশি: নিজে কোথাও যোগাযোগ করলে আর্থিক সুবিধা হতে পারে। রোববার দুশ্চিন্তার ভেতরে কাটালেও সন্ধ্যায় সুসংবাদ পেতে পারেন। সোমবার ঘরে বাইরে অনুকূল প্রভাব। মঙ্গলে প্রয়োজনীয় কাজগুলি নিশ্চিন্তে শেষ করুন। বুধে সন্তানের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। বৃহস্পতিবার গতানুগতিক ভাবে দিনটি ভালোই কাটবে। শুক্রে ও শনিতে প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে চলুন।

মীন রাশি: ভুল ব্যক্তির ওপর ভরসা করে সময় নষ্ট করবেন। রোববার তত শুভ নয়। সোমবার নানা ঘটনার সমন্বয়ে কাটবে। ভালো মন্দ বোঝা যাবে না। মঙ্গলে বাধার ভেতরে চলতে হবে। বুধে নতুন কোনো যোগাযোগ উদ্যম ফিরে পাবেন। বৃহস্পতিবার অনুকূল পরিবেশ অব্যাহত। শুক্রে আর্থিক প্রাপ্তি ভালোই হবে। শনিতে মোটামুটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে।
সাপ্তাহিক রাশিফল ১৯ থেকে ২৫ শে জানুয়ারি ২০২০ সাপ্তাহিক রাশিফল ১৯ থেকে ২৫ শে জানুয়ারি ২০২০ Reviewed by WisdomApps on January 19, 2020 Rating: 5

কালনা - কি কি দেখবেন ? ১০৮ শিবমন্দির ও অন্যান্য স্থানের ইতিহাস ও বৃত্তান্ত

January 15, 2020
কালনা তে অনেক প্রাচীন আর ঐতিহাসিক মন্দির থাকার কারনে একে মন্দিরের শহর ও বলা হয়। এখানে অনেক দেখার জায়গা আছে যেমন
১. কালনা ১০৮ শিব মন্দির
২. কালনা রাজবাড়ি
৩. মহিষ মর্দ্দিনী ঘাট
৪. গোপাল মন্দির
৫. সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির
৬. অনন্ত বাসুদেব মন্দির
এছাড়াও আরো কিছু ছোট বড় জায়গা আছে। আসুন জেনে নিই কোন স্থানের কি ইতিহাস ও কীভাবে সেখানে যাবেন ।



১। কালনা ১০৮ শিবমন্দির
যাই হোক কালনা স্টেশনে নেমে টোটো করে সহজেই যেতে পারবেন কালনা ১০৮ শিব মন্দিরে (ভাড়া পরে মাথা পিছু ১০ টাকা)
কালনা ১০৮ শিব মন্দিরের ইতিহাসঃ মহারাজা তেজ চন্দ্র বাহাদুর ১৮০৯ সালে এই ১০৮ শিব মন্দির তৈরি করেন।এই ১০৮ শিব মন্দির এখন আর্চিওলজিক্যাল সার্ভে অফ্ ইন্ডিয়া বা ASI এর অন্তর্ভুক্ত। আর খুব গর্বের সাথে বলতে ইচ্ছা করে এখানে ইতিহাস সুরক্ষিত। খুব ভালো তত্ত্বাবধানে রয়েছে এই ১০৮ টি মন্দির। মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে ভাবতেও অবাক লাগে ১৮০৯ সালে কত কম প্রযুক্তি নিয়ে এত সুন্দর কিছু তৈরি করা হয়।
কালনা ১০৮ শিব মন্দিরের আর্কিটেকচারঃ কালনা ১০৮ শিব মন্দিরের আর্কিটেকচার সত্যিই অবাক করে দেয়। দুটো সমকেন্দ্রিক বৃত্তের ওপর তৈরি হয়েছে এই ১০৮ টি শিব মন্দির। ভিতরের বৃত্তে আছে ৩৪ টি আর বাইরের বৃত্তে আছে ৭৪ টি মন্দির। সবকটি মন্দির ই তৈরি হয়েছে আটচালা স্টাইলে। আর প্রতিটি মন্দিরে আছে একটি করে শিব লিঙ্গ। শোনা যায় এই মন্দিরের দেওয়ালে রামায়ন আর মহাভারতের গল্প লেখা আছে।
ভিতরের ৩৪ টি শিব মন্দিরের সব কটি শিব লিঙ্গ সাদা আর বাইরের ৭৪ টি শিব মন্দিরের মধ্যে অর্ধেক মন্দিরে শিব লিঙ্গ কালো । অনেকে এও বলেন এই মন্দিরগুলি জপ মালার প্রতীক হিসাবে তৈরি করা হয়।


২।কালনা রাজবাড়ি
কালনা রাজবাড়ি কালনা ১০৮ শিব মন্দিরের উল্টো দিকেই। এখানে অসাধারণ টেরাকোটার কাজ করা কিছু মন্দির আছে। যা দেখে আপনি অবাক হতে বাধ্য। শোনা যায় অষ্টাদশ শতাব্দীতে এই মন্দির গুলি তৈরি হয়, আর ওই সময়টাই ছিল কালনার ইতিহাসের সবথেকে গৌরবের সময়।
কালনা রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে ঢুকে প্রথমেই বাম হাতে পড়বে প্রতাপেশ্বর মন্দির, তারপর বাম হতে রাস মঞ্চ, তারপর সামনে পাঁচিল ঘেরা লালজি মন্দির তারপর ডানদিকে ঘুরলেই বাম হাতে পড়বে আরো একটা ছাদ ওয়ালা স্ট্রাকচার, তারপর এগিয়েই সামনে পঞ্চরত্ন মন্দির, তারপর সামনে এগিয়েই পড়বে দুটো দরজা বাম হাতের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়বে বিজয় বৈদ্যনাথ মন্দির আর ডান হাতে দরজা দিয়ে ঢুকে পড়বে কৃষ্ণ চন্দ্রজি মন্দির। এবার এই সবকটি মন্দিরের সম্মন্ধে জেনে নিন
প্রতাপেশ্বর মন্দিরঃ ১৮৪৯ সালে এই মন্দির তৈরি হয় শিব ঠাকুরের জন্য। একটি ভিতের ওপর বানানো হয় এই মন্দির। আকারে সব থেকে ছোটো হলেও এই মন্দিরের টেরাকোটার কাজ বোধয় সবথেকে সেরা আর তার সাথেই সব থেকে সুন্দর করে সংরক্ষিত। এই মন্দিরের চার দিকের দেয়ালে চোখে পড়ে দুর্দান্ত টেরাকোটার কাজ। দেব, দেবী, মহাকাব্য কিছুই বাদ পড়েনি। এককথায় এই মন্দিরের কারুকার্যের সৌন্দর্য্য বর্ণনাতীত।
রাস মঞ্চঃ প্রতাপেশ্বর মন্দিরের ডান হাতেই পড়বে অস্টভূজাকার রাস মঞ্চ। রাস মঞ্চের ছাদ বোধয় অনেকদিন আগেই ভেঙে গেছে। এখন রাস মঞ্চের বাকি অংশ ২৪ টি পিলারের ওপর দাড়িয়ে আছে।
লালজি মন্দিরঃ রাস মঞ্চ থেকে সামনে এগোলেই একটি দরজা পরে সেটা দিয়ে ভিতরে ঢুকলেই দেখতে পাওয়া যাবে লালাজি মন্দির। এই মন্দিরটি রাধা কৃষ্ণের জন্য বানানো হয়। ১৭৩৯ সালে এই মন্দিরটি তৈরি হয় আর এটিই কালনা রাজবাড়ির প্রাচীনতম মন্দির। ইট দিয়ে তৈরি এই মন্দিরে মোট তিনটি তলা আর ২৫ টি চুড়া আছে।
এছাড়াও মন্দিরের সামনে একটি চার চালা নাট মঞ্চ আছে। এছাড়া এই মন্দিরের গায়ে ও যে টেরাকোটার কাজ আছে তা যে কাউকে মুগ্ধ করতে বাধ্য।
পঞ্চরত্ন মন্দিরঃ লালাজি মন্দির থেকে বেরিয়েই বাম দিকে গেলে চোখে পড়বে পঞ্চরত্ন মন্দির। এই পাঁচটি আট চালা মন্দির ঊনবিংশ শতাব্দী তে তৈরি হয়। এই সব কটি মন্দির ই বানানো হয় শিব ঠাকুরের জন্য।
কৃষ্ণ চন্দ্রজি মন্দিরঃ পঞ্চরত্ন মন্দির থেকে সামনে এগিয়েই ডান হাতে একটা দরজা পড়ে, সেটা দিয়ে ঢুকলেই দেখা যাবে কৃষ্ণ চন্দ্রজি মন্দির। এই মন্দিরটি তৈরি হয় ১৭৫১-৫৫ সালে। রাধা কৃষ্ণের জন্য বানানো এই কৃষ্ণ চন্দ্রজি মন্দির আরো একটি অসাধারণ ইট দিয়ে তৈরি এই মন্দির।এই মন্দিরেও মোট ২৫ টি চুড়া আছে এছাড়া এই মন্দিরের সামনে রয়েছে একটি সুদর্শন একচালা।
গোটা বাংলাতে মোট ৫ টি ২৫ চুড়া মন্দির আছে, তারমধ্যে ৩ টি কালনা তে, আবার সেই ৩ টি মন্দিরের মধ্যে ২ টি আছে কালনা রাজবাড়িতে।
বিজয় বৈদ্যনাথ মন্দিরঃ একটি উঁচু ভিতের ওপর বানানো এই ইট দিয়ে তৈরি মন্দির। মন্দিরের সামনে রয়েছে নানা পোড়া মাটির কাজ।

এই গোটা জায়গাটাই এখন আর্চিওলজিক্যাল সার্ভে অফ্ ইন্ডিয়া বা ASI এর অন্তর্ভুক্ত। আর সত্যিই খুব ভালো তত্ত্বাবধানে রাখা আছে । মাঝখানে সুন্দর বাগান বানানো আছে। আমরা এখানে অনেকক্ষণ ছিলাম। এখানে থেকে সময় যে কি করে কেটে যায় বোঝাই যায় না। মাঝে মাঝে ভাবতেও অবাক লাগে এত সুন্দর ঐশ্বর্য্য লুকিয়ে আছে আমাদের বাংলার ইতিহাসে।




৩।মহিষ মর্দ্দিনী ঘাটঃ

কালনা রাজবাড়ি থেকে বেরিয়ে আমরা একটি টোটো পাই। চালকের নাম লিটন চক্রবর্ত্তী। তিনি আমাদের বাকি আরো কিছু জায়গা ঘুড়িয়ে দেখান। প্রথমেই আমরা যাই মহিষ মর্দ্দিনী ঘাটে। এখানে হুগলী নদী খুব একটা চওড়া না। শুনলাম শ্রাবন মাসে এখানে খুব ভালো মেলা বসে আর তখন পুতুল খেলাও দেখানো হয়।
৪।গোপালবাড়ি মন্দিরঃ মহিষ মর্দ্দিনী ঘাট থেকে লিটন আমাদের নিয়ে গেলেন গোপালবাড়ি মন্দিরে। এই মন্দিরেও মোট ২৫ টি চুড়া আছে এছাড়া এই মন্দিরের সামনে রয়েছে একটি সুদর্শন একচালা। আমরা যখন আসি তখন এই মন্দিরে দুর্গা পূজা হচ্ছে। তাই মন্দিরটি খুব ভালো করে ঘোরা হয়নি। শুনলাম এই মন্দিরের গায়েও খুব সুন্দর কারুকার্য করা আছে।



৫।সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরঃ

গোপালবাড়ি মন্দির থেকে বেরোনোর পর লিটন আমাদের নিয়ে যায় সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরে। ৬৮৮ সালে এই মন্দির তৈরি করেন ঋষি আম্বুরিষ। এই মন্দিরকে অম্বিকা কালনা মন্দিরও বলা হয়। এটিই কালনার প্রাচীনতম মন্দির। মন্দিরের মধ্যে সবেকিআনার ছাপ স্পষ্ট। যদিও মন্দিরটি সংস্কার করার কাজ করা হয়েছে।
৬।অনন্ত বাসুদেব মন্দিরঃ
আমাদের হাতের সময় শেষ হয়ে আসছিল। তার মধ্যে শেষ সময় টুকু নিয়ে আমরা গেলাম অনন্ত বাসুদেব মন্দির। প্রায় ২৫০ সাল আগে বর্ধমানের রাজা এই মন্দির তৈরি করেন। প্রায় ৬০ বছর আগে এই মন্দির সংস্কার করা হয়।




লেখাটি সৌমেন্দু ঘোষের লেখা থেকে সাহায্য নিয়ে বানানো হয়েছে ।


কালনা - কি কি দেখবেন ? ১০৮ শিবমন্দির ও অন্যান্য স্থানের ইতিহাস ও বৃত্তান্ত কালনা - কি কি দেখবেন ? ১০৮ শিবমন্দির ও অন্যান্য স্থানের ইতিহাস ও বৃত্তান্ত Reviewed by WisdomApps on January 15, 2020 Rating: 5

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু - এক অনন্য বীরপুরুষের মহাজীবন

January 13, 2020
                             
'ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তিনিই ভারতবাসীকে সবচেয়ে বেশী গৌরবান্বিত করেছেন'



নেতাজি বলতে আমার একজনকেই বুঝি। তিনি সুভাষচন্দ্র বসু। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তিনিই ভারতবাসীকে সবচেয়ে বেশী গৌরবান্বিত করেছেন।
উড়িষ্যার কটক শহরে ১৮৯৭ খৃষ্টাব্দের ২৩শে জানুয়ারি সুভাষচন্দ্রের জন্ম। পিতা লব্ধপ্রতিষ্ঠিত আইনজীবী রায়বাহাদুর জানকী নাথ বসু, মাতা প্রভাবতী দেবী।
জানকীনাথ ছিলেন স্বদেশপ্রেমী। আইন অমান্য আন্দোলনের সময় তিনি রায়বাহাদুর খেতাব ত্যাগ করেন।
সুভাষচন্দ্র ছিলেন কটকের র‍্যাভেনস কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র। তিনি ছাত্র ও শিক্ষক মহলে বিশেষ জনপ্রিয়। তাঁর সংস্পর্শে যারা আসতেন, তাঁরাই মুগ্ধ হতেন। বিবেকানন্দ আদর্শে গঠিত ছিল তাঁর মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি।
চারিদিকের দমননীতি দেখে দেখে সুভাষচন্দ্রের মন প্রথম থেকেই ইংরেজ বিদ্বেষে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
১৯১৩ খৃষ্টাব্দে সুভাষচন্দ্র প্রবেশিকা পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। কলকাতায় এসে ভর্তি হন প্রেসিডেন্সি কলেজে।
১৯১৫ খৃষ্টাব্দে আই.এ. পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন এবং দর্শনে অনার্স নিয়ে ব.এ. পড়তে থাকেন। সেই সময় প্রেসিডেন্সি কলেজের উন্নাসিক ও ভারতবিদ্বেষী ইংরেজ অধ্যাপক ই.এফ. ওটেনের সঙ্গে সুভাষচন্দ্রের প্রত্যক্ষ সংঘর্ষ বাধে ও পরিণামে সুভাষচন্দ্র প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিতাড়িত হন। 
স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের সহায়তায় সুভাষচন্দ্র ভর্তি হলেন স্কটিশচার্চ কলেজে এবং সেখান থেকে দর্শনশাস্ত্রে প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে বি.এ. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
এরপর আই.সি.এস পরীক্ষা দেবার জন্য সুভাষচন্দ্র গেলেন বিলেতে। আই.সি.এস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে চতুর্থ স্থান অধিকার করেন। ইংরেজ সরকার তাঁকে একাধিক উচ্চপদের চাকুরি গ্রহণে আহ্বান জানালেও দেশপ্রেমিক সুভাষচন্দ্র তা প্রত্যাখান করেন। পরিবর্তে তিনি প্রথমে গান্ধীজি পরে দেশবন্ধু দ্বারা তিনি বিশেষভাবে প্রভাবিত হন।
দেশবন্ধুর দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল কলেজের অধ্যক্ষ হলেন সুভাষচন্দ্র। বঙ্গীয় প্রদেশিক কংগ্রেস কমিটির প্রচার সচিবের দায়িত্বও পালন করেন। ১৯২১ খৃষ্টাব্দে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে দেশব্যাপী শুরু হল আসহযোগ আন্দোলন। কারারুদ্ধ হলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, বীরেন্দ্র নাথ প্রমুখ বিখ্যাত জাতীয় নেতাগণ। গ্রেপ্তার হলেন সুভাষচন্দ্র বসুও। তিন মাসের কারাদন্ড হয় সুভাষের। 
১৯২২ খৃষ্টাব্দে দেশবন্ধুর সঙ্গে গান্ধীজির মতবিরোধ দেখা দিলে দেশবন্ধু স্বরাজদল গঠন করেন। সুভাষচন্দ্র দেশবন্ধুর সঙ্গে ছিলেন। 
১৯২৪ খৃষ্টাব্দের ১৪ই এপ্রিল সুভাষচন্দ্র কলকাতা কর্পোরেশনের কর্মাধ্যক্ষ পদে আভিষিক্ত হন। কিন্তু সেখানে তাঁর পক্ষে বেশীদিন কাজ করা সম্ভব হয় নি। তিনি আবার কারারুদ্ধ হন। তিনি যখন হাজতে, দেশবন্ধু তখন প্রয়াত হন--যে বেদনা সুভাষচন্দ্রকে খুবই বিচলিত করেছিল।
কারাগারে থাকাকালীন সময়ে সুভাষচন্দ্র খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। ১৪ই মে, ১৯২৭ খৃষ্টাব্দে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।
১৯২৮ খৃষ্টাব্দে কংগ্রেসের ৪৭তম অধিবেশনে সুভাষচন্দ্র গান্ধীজির আপোষমূলক প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেন, যদিও তাঁর প্রস্তাব ১৩৫০---৯৭৩ ভোটে আগ্রাহ্য হয়ে যায়। পরের অধিবেশনে কিন্তু সুভাষপ্রস্তাবিত পুর্ণ স্বাধীনতাকেই কংগ্রেস সায় দেয়।
১৯২৯ খৃষ্টাব্দে সুভাষচন্দ্র বসু হলেন নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক। ওই বছরই নিখিল ভারত ট্রেড ইউনিয়ান কংগ্রেসের সভাপতিও নির্বাচিত হন। 
১৯৩০ খৃষ্টাব্দে রাজদ্রোহের অভিযোগে সুভাষচন্দ্র আবার গ্রেপ্তার হলেন। কারাগারে থাকা কালেই তিনি কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়ররুপে নির্বাচিত হন। মুক্তির পর মেয়রের কার্যভার গ্রহণ করেন।
১৯৩১ খৃষ্টাব্দে কংগ্রেসের করাচি অধিবেশনে সুভাষচন্দ্র গান্ধী আরউইন চুক্তিতে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। ওই সময় হিজলী জেলে বন্দীদের ওপর পুলিশের গুলি চলায় দু'জন বন্দী নিহত হন, অনেকে আহত হন। প্রতিবাদে সুভাষচন্দ্র তাঁর কর্পোরেশনের পদ থেকে ইস্তফা দেন।
১৯৩৮ খৃষ্টাব্দে সুভাষচন্দ্র হরিপুরা কংগ্রেসে পার্টির সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৩৯ খৃষ্টাব্দে গান্ধীজি সমর্থিত প্রার্থী পট্টভি সীতারামাইয়াকে পরাজিত করে তিনি আবার ওই পদে নির্বাচিত হন।
কিন্তু কংগ্রেসে বিরুদ্ধবাদীদের ঘৃণ্য আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে সুভাষচন্দ্র কংগ্রেস দলই ছেড়ে দিলেন। গঠন করলেন একটি নতুন রাজনৈতিক দল 'ফরোয়ার্ড ব্লক'।
১৯৪১ খৃষ্টাব্দের ২৬শে জানুয়ারি অন্তরীণ অবস্থা থেকে বেরিয়ে সকলের চোখে ধুলো দিয়ে ছদ্মবেশে সুভাষচন্দ্র দেশত্যাগ করলেন।
কাবুল হয়ে প্রবেশ করলেন রাশিয়ায়। রাশিয়া থেকে গেলেন জার্মানিতে। পরে জার্মানি থেকে সাবমেরিনে চেপে সুদীর্ঘ জলপথ পেরিয়ে উপস্থিত হলেন জাপানে।
তামাম বিশ্ব তখন আলোড়িত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধাক্কায়।
জাপানে তখন প্রবাসী বিপ্লবী রাসবিহারী বসু ও ক্যাপ্টেন মোহন সিংয়ের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে 'আজাদ হিন্দ ফৌজ'।
১৯৪২ খৃষ্টাব্দের ১৫ই ফেব্রুয়ারি জাপানি সেনাদের আক্রমণ সিঙ্গাপুরের পতন ঘটে। ৪০ হাজার ভারতীয় সেনা আত্মসমর্পন করেন জাপানী সেনাপতি ফুজিয়ার কাছে। এই সেনাদের তুলে দেওয়া হয় ক্যাপ্টেন মোহন সিংয়ের হাতে।
সুভাষচন্দ্র বসুকে করা হল আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক। জাপানের প্রধানমন্ত্রী তোজো সুভাষচন্দ্রকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেন।
১৯শে মার্চ, ১৯৪৫, সুভাষচন্দ্রের নেতৃত্বে আজাদ হিন্দ ফৌজ ব্রহ্মদেশের মধ্যে দিয়ে ভারতবর্ষে প্রবেশ করে। এরপর সুভাষচন্দ্র মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল দখল করেন। ভারতের জাতীয় পতাকা তুলে সুভাষচন্দ্র ডাক দিলেন, 'দিল্লী চলো।'
আজাদ হিন্দ ফৌজ ব্রহ্মপুত্র নদ অতিক্রম করতে প্রস্তুতি নেয়। কিন্তু প্রতিকুল পরিস্থিতিতে সুভাষচন্দ্রের সেই সাহসিক সামরিক আভিযান সফল হল না।
প্রথমত, জাপান আমেরিকার দ্বারা আক্রান্ত হয়ে সুভাষচন্দ্রকে সর্বপ্রকার সাহয্য বন্ধ করে দেয়।
দ্বিতীয়ত, ভয়ঙ্কর বর্ষা এসে জাওয়ায় আজাদ হিন্দ বাহিনীর পক্ষে আর অগ্রসর হওয়া সম্ভব ছিল না।
তৃতীয়ত, ভারতের অভ্যন্তরে সুভাষচন্দ্রের এই আভিযানের কথা গোপন রাখা হয়েছিল সাফল্যের সঙ্গে। ফলে গণবিক্ষোভের অবকাশও ছিল না।
ইম্ফলে ইংরেজ বাহিনীর সঙ্গে তুমুল যুদ্ধ হয় আজাদ হিন্দ ফৌজের। যুদ্ধে ৪ হাজার আজাদ হিন্দ সেনা নিহত হন। তাঁদের পরাজয় আনিবার্য হয়ে ওঠে।
১৯৪৫ খৃষ্টাব্দে দ্বিতীয় মহাসমরের আবসান ঘটে। চারিদিকে রটে যায় যে, তাইহোকু বিমানবন্দরে এক বিমান দুরঘটনায় নেতাজি সুভাষচন্দ্রের মৃত্যু হয়েছে। 
কিন্তু এটা নিছক রটনা না ঘটনা, তা নিয়ে ধন্ধ থেকেই গেছে।  
   
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু - এক অনন্য বীরপুরুষের মহাজীবন  নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু - এক অনন্য বীরপুরুষের মহাজীবন Reviewed by WisdomApps on January 13, 2020 Rating: 5

সাপ্তাহিক রাশিফল বাংলা ১২-১৮ জানুয়ারী

January 13, 2020


মেষ রাশি: আপনার করার কথা নয় এমন কিছু কাজ এসে পড়বে, করতেও হবে। রবিবার জটিলতা পূর্ন, গৃহগত ব্যাপারে শুভ। সোমবার দেহকষ্ট, অশান্তি ও ভুল বোঝাবুঝি। মঙ্গলে কর্মস্থলে ব্যাপক পরিবর্তনের সম্ভাবনা। বুধে দিনটি উৎসাহব্যঞ্জক, দুপুরের পর শুভ। বৃহস্পতিবার সব ক্ষেত্রেই আশানুরূপ পরিবেশ, শুক্রে বেলায় সহকর্মীদের কাছ থেকে অনেক কিছু জানবেন। শনিতে শান্তিতে কাটাবেন। 

বৃষ রাশি: অনিশ্চয়তাপূর্ন ক্ষেত্রে আপনার করার কিছু নেই, পরিণতিতে সার্থক হবেন। রোববার স্থিতিশীল পরিবেশ। সোমবার দিনের শুরুতে কাজ করে নিন। মঙ্গলে সমস্যা যায় হোক সামলে ওঠার মতো। বুধে কেউ বুঝিয়ে আপনাকে দিয়ে স্বার্থসিদ্ধি করবে। বৃহস্পতিবার সন্তানের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। শুক্রে দুপুরের পর সুসংবাদ। শনিতে সহসা শুভযোগের সম্ভাবনা।

মিথুন রাশি: অনিশ্চয়তার ভেতরেও অগ্রগতি বুঝবেন, কাউকে ব্যাথা দিয়ে যাবেন না। রোববার আর্থিক অনিশ্চয়তার দেখা দিতে পারে। সোমবার তুলনামূলক শুভ প্রভাব অনুভব করবেন। মঙ্গলবার দরকারি কাজ করে নিন। বুধে দুপুরের পর জটিলতা বৃদ্ধি। বৃহস্পতিবার উদ্বেগ কর্মে বাধা সৃষ্টি করবে। শুক্রে অপ্রীতিকর পরিবেশের মধ্যে দিয়ে চলতে হবে। শনিতে পারিবারিক ক্ষেত্রে মতান্তর।

কর্কট রাশি: নিকট আত্মীয়ের জন্য দূরে যেতে চাইবেন কিন্তু সম্ভব নয় হতে পারে। রোববার প্রয়োজনীয় কাজ করে নিতে পারবেন। সোমবার কেউ কথার খেলাপি করবে, স্বজন বিয়োগ। মঙ্গলে অর্থ সমস্যা, কোনো কাজ ভুল হতে পারে। বুধে কাউকে অভিযোগ জানিয়ে লাভ হবে না। বৃহস্পতিবার কিছু লাভের আশা। শুক্রে পুরোনো সমস্যা আবার দেখা দেবে। শনিতে প্রিয়জনের স্বাস্থ্যহানি।

সিংহ রাশি: যে অবস্থায় আছেন তার দ্রুত পরিবর্তন ঘটবে। রোববার দিনটি অশুভ শরীর ও মনে নৈরাশ্য। সোমবার পরিচিত নয় এমন কেউ সাহায্য করবে। মঙ্গলে অর্থ ও কর্মক্ষেত্রে শুভ যোগ। বুধে কর্ম নিয়ে কারোর সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে। বৃহস্পতিবার দূরে যাওয়ার হলে একটু সময় নিয়ে বের হবেন। শুক্রে প্রয়োজনীয় কাজগুলি শেষ করা সম্ভব। শনিতে শুভ প্রভাব অব্যাহত।

কন্যা রাশি: বন্ধুর দ্বারা অনেক তথ্য জানতে পারবেন। রোববার মনে সাফল্য, অর্থ লাভ। সোমবার আয় ব্যয়ের সামঞ্জস্য রক্ষা করার চেষ্টা করুন। মঙ্গলে অগ্রজসম কারোর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। বুধে বিকেলে পরিবেশ স্বাভাবিক হয়ে আসবে। বৃহস্পতিবার অনুকূল প্রভাব অব্যাহত। শুক্রে দুশ্চিন্তা। শনিতে ভুল বোঝাবুঝিতে মনোকষ্ট।

তুলা রাশি: অর্থনৈতিক ব্যাপার মেনে না নিয়ে নিরপেক্ষ থাকুন। রোববার অর্থনৈতিক ও পারিবারিক দিক থেকে শুভ। সোমবার পরিবেশ আশাপ্রদ। মঙ্গলে মনে নব আশা। বুধে কোনো ব্যাপারে হতাশাগ্রস্ত হবেন। বৃহস্পতিবার দেহমনে অবসাদ। শুক্রে শুরুটা বাধাবহুল। শনিতে ভালোই থাকবেন।

বৃশ্চিক রাশি: অভিভাবক, স্থানীয় ব্যক্তির দ্বারা প্রতিকূলতা কমবে। রবিবার পরিশ্রমবহুল দিন। সোমবার কর্মযোগ অনুকূল, ভাতৃস্থানিয়ের কাউকে নিয়ে দুশ্চিন্তা। মঙ্গলে স্বাচ্ছন্দপূর্ন পরিবেশ। বুধে ঘরে বাইরে শুভ প্রভাব অব্যাহত। বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক সাফল্য মনকে আনন্দ দেবে। শুক্রে কারোর জন্য দুপুরের পর অশুভ পরিবর্তন। শনিতে বাধা, অবসাদ ও দুশ্চিন্তা।

ধনু রাশি: নানা কারণে অপ্রীতিকর পরিবেশের মধ্যে দিয়ে সপ্তাহ কাটাতে হবে। রোববার বিরুদ্ধে পরিবেশ, অগ্রগতি ব্যাহত। সোমবার গুপ্তশত্রুর তৎপরতা বৃদ্ধি। মঙ্গলে লেনদেন সংক্রান্ত ব্যাপাতে সতর্ক থাকুন। বুধে শুভ ও অশুভ প্রভাব প্রকট থাকবে। বৃহস্পতিবার নতুন যোগাযোগ, গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সাফল্য। শুক্রে আপনার পাওনা আপনি পেয়ে যাবেন। শনিতে গতানুগতিক ভাবে কাটবে।

মকর রাশি: আপনার ভুল সিদ্ধান্তে লাভ কম হতে পারে। রোববার কিছু লাভের আশা। সোমবার বিরক্ত না হলে পরিবেশ আয়ত্তে থাকবে। মঙ্গলে ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে বিপদের সম্ভাবনা। বুধে সব ব্যাপারেই অকারণে গোলমালে জড়িয়ে যাবেন। বৃহস্পতিবার বৃহস্পতিবার প্রতিকূল প্রভাব অব্যাহত। শুক্রে দুপুরের পর শুভ পরিবর্তন। শনিতে অপ্রত্যাশিত খবরে আনন্দ পাবেন।

কুম্ভ রাশি: পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র জাত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সপ্তাহটি আনন্দবহুল। রোববার কিছু লাভের আশা, সোমবার আশাপ্রদ পরিবেশ। মঙ্গলে প্রয়োজনীয় কাজ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। বুধে দিনের শুরুতে কেনাবেচার ক্ষেত্রে সাফল্য। বৃহস্পতিবার প্রতিপক্ষের আচরণে নিজেকে সামলে চলতে হবে। শুক্রে অনিশ্চয়তা দেখা দেবে। শনিতে কোনোমতে দিন গুজরান হবে।

মীন রাশি: বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঝুঁকি নেওয়াটা করতল বিচারের ওপর নির্ভর করছে। রবিবার দিনটি আশাপ্রদ নয়। সোমবার বেলায় শুভ যোগাযোগ। মঙ্গলে শত্রুপক্ষ অবদমিত থাকবে। বুধে কোনও শুভ কিছু ঘটতে যাওয়ার ইঙ্গিত পাবেন। বৃহস্পতিবার দক্ষতার সঙ্গে কর্মকে পরিচালনা করবেন। শুক্রে অপ্রতিহত বাধায় সময় নষ্ট। শনিতে বিতর্ক এড়িয়ে চলুন।
সাপ্তাহিক রাশিফল বাংলা ১২-১৮ জানুয়ারী সাপ্তাহিক রাশিফল বাংলা ১২-১৮ জানুয়ারী Reviewed by WisdomApps on January 13, 2020 Rating: 5

বিস্ময়কর বিটোভেন -এর আশ্চর্য জীবনী

January 12, 2020
 'আনন্দ ও বেদনা--- উভয় ক্ষেত্রেই তাঁর সুর তরঙ্গায়িত '


পুরো নাম লুডউইগ ভন বিটোভেন। অত বড় সুরস্রস্টা মানব ইতিহাসে আর কেউ জন্মেছেন কিনা সন্দেহ। আনন্দ ও বেদনা-- উভয় ক্ষেত্রেই তাঁর সুর তরঙ্গায়িত।
বিটোভেনর জন্ম জার্মানির রাসল্যান্ডে ১৭৭০ খৃষ্টাব্দের ১৬ ই ডিসেম্বর। সঙ্গীতচর্চার পরিবার। বাবা জোহান বিটোভেন ভালো বেহালা বাজাতেন। তাঁর কাছেই বিটোভেনর বেহালার হাতেখড়ি। একটা ছোট ঘরে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেহালা ও পিয়ানো বাজাতেন। বাবার চারিত্রিক দোষ ছিল। খুব মদ খেতেন। তবে ছেলের ব্যাপারে যত্নবান ছিলেন। কিছু দিনের মধ্যেই বোঝা গেল, বিটোভেন একজন বড় সঙ্গীতজ্ঞ হবেন। নয় বছর বয়সে অর্গানে তালিম নিতে শুরু করলেন রাজসভার অর্গানবাদক ক্রিশ্চিয়ান গোৎলভ নেফির কাছে।
মাত্র এগারো বছর বয়সে বিটোভেন রচনা করলেন পিয়ানোর সোনাটো---যা বিস্ময়কর। 
১৭৮২ খৃষ্টাব্দে মাত্র বারো বছর বয়সে তিন মেয়রের সভায় সহকারী অর্গানবাদকের পদ পেলেন।
সব সময় সুরের সন্ধান করতেন। অসাধারণ ধৈর্য ও অধ্যবসায়। সঙ্গীতের বিশুদ্ধতা রক্ষা করা তাঁর ধর্ম।
১৭৮৪ খৃষ্টাব্দে মেয়র বিটোভেনকে ভিয়েনায় পাঠালেন মোৎজার্টের কাছে সঙ্গীতের উন্নততর পাঠ নেবার জন্য। কিন্তু মায়ের আকস্মিক মৃত্যুহেতু ফিরে আসতে হয় বিটোভেনকে। 
বয়সে প্রায় কিশোর। কিন্তু সৃষ্টিতে যেন মধ্যবয়স্ক। বিভিন্ন আসরে পিয়ানো, ভায়োলিন বাজিয়ে শ্রোতাদের হৃদয় জয় করেছেন। এই সময়ই তাঁর সঙ্গে পরিচয় সুখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ হেডেনের সঙ্গে।
বিটোভেনের তৈরি সুর শুনে হেডেন আকৃষ্ট হলেন। স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তাঁকে শেখালেন কয়েকটি সুর। 
পরে কিন্তু দুই প্রতিভার মধ্যে টক্কর লাগে, যেহেতু বিটোভেনের প্রতিভা হেডেনের তুলনায় বেশী গভীর ছিল।
ভিয়েনার অভিজাত মহলে বিটোভেনের কদর দিন কে দিন বাড়তে থাকে। কিন্তু ব্যাক্তি বিটোভেনের মেজাজ প্রায়ই তিরিক্ষ হয়ে উঠত। কোনও কারণে মেজাজ হারালে তিনি কুৎসিৎ ভাষা প্রয়োগ করতেন।
সেই লোকই পিয়ানোর সামনে বসলে একেবারে অন্য মানুষ। যেন এক ঋষির সুরতপস্যা চলেছে। এক এক সময় সারা রাত ধরে বেহালা অথবা পিয়ানো বাজান। বহু নারী তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন। তাঁরা সকলেই আভিজাত পরিবারের। কিন্তু কোনও সম্পর্কই টেকসই হয়নি। এইভাবে কিছুদিন অতিবাহিত হবার পর বিটোভেন লক্ষ্য করলেন, তিনি ধীরে ধীরে বধির হয়ে যাচ্ছেন। ই অসুখ বংশানুক্রমিক। চিকিৎসায় ভালো হবার নয়। মর্মান্তিক হতাশায় বিটোভেনের আচরণ আরও রুক্ষ হয়ে ওঠে। এই দুঃখের সময়ে তাঁর কিশোরী ছাত্রী গিউলিয়েত্তা গুইসিয়ারদির মধুর সঙ্গ ছিল বিটোভেনের কাছে প্রেরণার একমাত্র উৎস। কিন্তু বিশেষ অভিজাত পরিবারের এই কুমারীর সঙ্গে বিটোভেনের স্থায়ী সম্পর্ক স্থাপন করাটা ছিল অবাস্তব ও অসম্ভব। 
ভিয়েনা ছেড়ে বিটোভেন চলে যান হেলিজেনস্তেতে। ওই গ্রামাঞ্চলে তিনি চার বছর ধরে নিভৃতে সঙ্গীত চর্চা করেছেন। সৃষ্টি করেছেন একটার পর একটা সম্ফনি। ভায়োলিন সোনাটা, দ্য স্ট্রং কোয়ার্টেট, পিয়ানো ফোর্ট সোনাটা, পিয়ানো কনসার্টো--- তাঁর প্রতিটি সৃষ্টি নতুন ও অনন্য। প্রতিটির সৌন্দর্য ও গভীরতা শ্রোতাকে বিমুগ্ধ করে রাখতে সমর্থ। 
বিটোভেনের অভিজাত ধনী বন্ধুরা তাঁকে আবার ভিয়েনায় নিয়ে এলেন। তাঁকে বাৎসরিক ৪০০০ ফ্লোরিন বৃত্তি দেবার ব্যবস্থা করা হয়। 
এই সময় জার্মানির শ্রেষ্ঠ কবি গ্যেটের প্রেমিকা বেটিনার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন বিটোভেন। কিন্তু এখানেও সপরিণতি সম্ভব ছিল না, যেহেতু গ্যেটে স্বয়ং ছিলেন বিটোভেনের গুণগ্রাহী বন্ধু।
১৮১৫ খৃষ্টাব্দে বিটোভেনের ছোট ভাই কার্ল মারা যান। কার্লের মৃত্যু বিটোভেনকে খুব আঘাত দেয়। তিনি কার্লের ন'বছরের ছেলেকে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। কিন্তু ওই ছেলেটাই পরবর্তীকালে দুর্বিনীত, মদ্যপ ও চরিত্রহীনে পরিণত হয়। এটা বিটোভেনের জীবনে আর একটা বড়ো ব্যার্থতা।
১৮৭২ খৃষ্টাব্দে ২৬শে মার্চ, এক বর্ষণমুখর দিনে বিষণ্ণ চিত্ত বিটোভেন শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 
  

শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন 

বিস্ময়কর বিটোভেন -এর আশ্চর্য জীবনী বিস্ময়কর বিটোভেন -এর আশ্চর্য জীবনী Reviewed by WisdomApps on January 12, 2020 Rating: 5

হকির যাদুকর - ধ্যানচাঁদ ও ভারতীয় ক্রিকেটের জনক - রণজিৎ সিংজী - সমন্ধে কিছু কথা

January 11, 2020
ধ্যানচাঁদ 




পরপর পাঁচটি অলিম্পিক ক্রীড়ায় হকি খেলাতে স্বর্ণপদক পেয়ে ভারত যে নজির সৃষ্টি করে গেছে, আজও তা অম্লান।
মুখ্যত যে হকি খেলোয়াড়ের প্রতিভা ও নৈপুণ্যে ভারতের এই গৌরব, তিনি হলেন ধ্যানচাঁদ। স্বদেশপ্রেমী ধ্যানচাঁদ আগামী দিনের খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে বলে গেছেন, 'Keep the flag of India flying.'
১০৯৫ খৃষ্টাব্দের ২৯শে আগস্ট এলাহাবাদে জন্ম ধ্যানচাঁদের। ধ্যানচাঁদের বাবা ও বড়ো ভাই ছিলেন মিলিটারিতে। ১৯২১ খৃষ্টাব্দে ধ্যানচাঁদও সেনাদলে যোগ দেন। তাঁর হকিগুরু বলে তেওয়ারী ছিলেন ওই একি রেজিমেন্টে। তেওয়ারী ধ্যানচাঁদকে গভীরভাবে অনুশীলন করাতেন হকি খেলার ময়দানে। অল্পদিনেই ধ্যানচাঁদের প্রতিভাকে বিচ্ছুরিত হতে দেখা গেল। স্টিকের মাথায় যেন বল আঠা দিয়ে আটকানো ও ধ্যানচাঁদ একের পর এক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে সর্পিল গতিতে বার বার হানা দিচ্ছেন বিপক্ষের গোলমুখে। প্রতিপক্ষের গোলের মালা পরিয়ে ছাড়েন। 
হকি খেলোয়াড় ধ্যানচাঁদের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে ভারতময়। ১৯২২ থেকে ১৯২৬ অবধি ভারতীয় সেনাদলের হয়ে খেলেছেন ধ্যানচাঁদ। ইচ্ছে মতন গোল করেছেন। 
ফৌজি দলের হয়ে নিউজিল্যান্ডের সফর করেন ধ্যানচাঁদ। তাঁর খেলার চমৎকারিত্ব দেখে সকলে বিস্মিত। সেই সময়ে রটে যায়, ভারতের ফৌজি দলের এমন একজন খেলোয়াড় আছেন, যাকে প্রতিরোধ করতে বিপক্ষ দলের এগারোজন খেলোয়াড়ও যথেষ্ট নয়।
১৯২৮ খৃষ্টাব্দের বিশ্ব অলিম্পিকে অংশ নিতে গেল ভারতীয় হকি দল। ধ্যানচাঁদ এর অন্যতম সদস্য। অলিম্পিকে এই দল পরপর পরাজিত করে অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক ও সুইজারল্যান্ড। প্রতিটি খেলায় গোল করেছেন ধ্যানচাঁদ। ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ হল্যান্ড। প্রবল জ্বর নিয়েও ফাইনালে খেলেন ধ্যানচাঁদ ও হল্যান্ডকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেন। সেটাই ভারতের প্রথম অলিম্পিকে স্বর্ণপদকপ্রাপ্তি।
১৯৩২ খৃষ্টাব্দের লস এঞ্জেলস অলিম্পিকে হকি দলের সঙ্গে এলেন ধ্যানচাঁদ। ফাইনালে অমেরিকাকে হারালেন ২৪-০ গোলে। আজ অবধি এটা একটা রেকর্ড। সেবার ধ্যানচাঁদ মোট ১৩৩টি গোল করেছিলেন অতিমানবীয় দক্ষতায়। 
ধ্যানচাঁদকে দেওয়া হল নবাবী খিলাত উপাধি।
১৯৩৪ খৃষ্টাব্দে এশিয়াটিক গেমসে ভারতীয় হকি দলের অধিনায়কত্ব করেন ধ্যানচাঁদ। প্রতিটি খেলায় এই দল জিতেছিল।
ধ্যানচাঁদ অধিনায়ক হয়ে ১৯৩৫-এ নিউজিল্যান্ড যান সফরে। সেবারও ভারতীয় হকি দল সর্বত্র বিজয়ী। সেই সফরে ধ্যানচাঁদ একাই করেন ২০১টি গোল।
১৯৩৬ খৃষ্টাব্দে অলিম্পিকে ধ্যানচাঁদের নেতৃত্বে ভারতীয় হকিদল আবার স্বর্ণপদক পায়। সেবার তিনি একাই গোল করেন ৫৯টি।
১৯৩৮ খৃষ্টাব্দে তিনি কমিশনড অফিসার হন সেনাদলের।
বার্লিন অলিম্পিকে তাঁর খেলা দেখে মুগ্ধ হিটলার তাঁকে জার্মানির নাগরিকত্ব দিতে চেয়েছিলেন। 
প্রথম শ্রেণীর খেলা থেকে ধ্যানচাঁদ অবসর নেন ১৯৪৫ খৃষ্টাব্দে। 
১৯৪৯ খৃষ্টাব্দে তাঁকে শেষবারের মত দেখা গিয়েছিল কলকাতায় একটি প্রদর্শনী ম্যচে।
১৯৫৬ খৃষ্টাব্দে ভারত সরকার ধ্যানচাঁদকে 'পদ্মভূষণ' উপাধিতে ভূষিত করে। 
শেষ বয়সে ধ্যানচাঁদ চরম অর্থকষ্টে ভুগেছিলেন । চেহারার অবস্থা এমন হয়েছিল যে একবার এক স্টেডিয়ামে খেলার আয়োজকরা ওনাকে চিনতে না পেরে প্রবেশ করতে পর্যন্ত দেননি । লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ১৯৭৯ খৃষ্টাব্দের ৩রা ডিসেম্বর হকির যাদুকর পরলোক যাত্রা করেন।
ধ্যানচাঁদের জন্মদিন, ২৯শে আগস্ট ভারতে পালিত হয় জাতীয় ক্রীড়াদিবস হিসাবে। 



রণজিৎ সিংজী


ক্রিকেট খেলায় ভারত আজ অন্যতম শক্তিশালী দেশ। কিন্তু এমন এক সময় ছিল, যখন নাক উঁচু ইংরেজরা মনে করত, ভারতবাসী ক্রিকেট খেলার যোগ্য নয়। তাদের এই ধারণা ও অহংকার প্রথম যিনি চুর্ন করেন তিনি হলেন ক্রিকেটের রাজপুত্র রণজিৎ সিংজী। ব্যাট হাতে ক্রিজে দাঁড়িয়ে তিনি এমন সমস্ত মার মেরেছেন, যা ক্রিকেট খেলার অভিধানে নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। বিশেষত তাঁর 'লেগ গ্লান্স' মার ছিল অপূর্ব সৌন্দর্যমন্ডিত, অনবদ্য। তাঁর জীবনীকার রোনাল্ডো ওয়াইল্ড এইভাবে লিখেছেন, '............Thus was born the greatest scoring stroke ever known.
For Ranjit Singhi, with his right foot perforce immovable, still refused to play on the defensive. To the amazement of the bowlers he twisted his body, flick his wrists, and smashed the ball round the leg. They sent him good length balls and he treated them in the same manner. They declared that it was risky, unconventional and in fact 'not cricket'. His reply was to score 'fours' of them.'
এই রণজিৎ সিংজী প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলায় ৭২ বার শতরান করেন তাঁর অবিস্মরণীয় প্রতিভা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন।
রণজিৎ সিংজীর জন্ম ভারতের জামনগরে ১০ই সেপ্টেম্বর, ১৮৭৭ খৃষ্টাব্দে । তিনি ছিলেন জামনগরের রাজা বিভাজীর দত্তক পুত্র।
রণজিৎ সিংজী যাতে সিংহাসনে বসতে না পারেন তারজন্য পারিবারিক চক্রান্ত চলছিল। পড়াশুনার অজুহাতে তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইংল্যান্ডে। 
১৮৮৯ খৃষ্টাব্দে সিংজী কেমব্রিজে এসে ভর্তি হন ট্রিনিটি কলেজে।
তাঁর দুই শিক্ষক চেষ্টার ম্যাকনাটেল এবং আর.এস.গুডচাইল্ডের হাতে ক্রিকেটের পাঠ গ্রহণ। পরে রিচার্ডসন, লকউড, ওয়াট, হাওয়ার্ড প্রমুখ বিখ্যাত বোলারদের বিরুদ্ধে তিনি বুক চিতিয়ে ব্যাট করতে থাকেন। সিংজীর খেলার ভঙ্গী ছিল একেবারে নিজস্ব। এ সম্পর্কে তাঁর নিজেরই উক্তি 'I found a great difference between the English style and my own.'
১৮৯৩ খৃষ্টাব্দে তিনি 'ইউনিভার্সিটি ব্লু' হন।
১৮৯৬ খৃষ্টাব্দে প্রথম ভারতীয় হিসেবে তিনি ইংল্যান্ডের টেস্ট দলে স্থান পেলেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টেই দুই ইনিংসে করলেন ৬২ এবং ১৫৪ (নট আউট) রান। তাঁর একার দক্ষতায় নিশ্চিত পরাজয়ের হাত থেকে ইংল্যান্ড রক্ষা পায়।
সেই বছরই মোট ২,৭৮০ রান করে রণজিৎ সিংজী ব্যাটিং এভারেজ প্রথম স্থান অধিকার করেন। ডবলিউ জি গ্রেসকে তিনি ছাড়িয়ে যান। গ্রেস তখন বলেছিলেন, 'আপনি একশ' বছর জীবিত থাকলেও এ রকম দ্বিতীয় কোনও খেলোয়াড় পাবেন না, যিনি আমাকে এ ভাবে টপকে যেতে পেরেছেন।'
১৮৯৭ খৃষ্টাব্দে ব্রিটিশ টেস্ট দলের সদস্য হয়ে সিংজী অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। 
সিডনিতে প্রথম টেস্টে তিনি খেলে দেন ১৭০ রানের একটি চমকপ্রদ ইনিংস। 
আর একটি টেস্টে অসুস্থ শরীর নিয়েও করেন ১৮৯ রান। অস্ট্রেলিয়া সফরে সেবার তাঁর সংগ্রহ ছিল ১০৭২ রান। বিপুল সাড়া তোলে তাঁর ব্যাটিং। তিনি মোট ১৪ টি টেস্ট খেলেছেন। সবগুলিই ইংল্যান্ডের হয়ে। 
জীবনে তাঁর সংগৃহীত রান পঁচিশ হাজারের অধিক। ইনিংস প্রতি রানের গড় ৫৬।
১৯৩৩ খৃষ্টাব্দের ২ জুন ক্রিকেটের এই বিস্ময়পুরুষ ইহলোক ত্যাগ করেন।

  
হকির যাদুকর - ধ্যানচাঁদ ও ভারতীয় ক্রিকেটের জনক - রণজিৎ সিংজী - সমন্ধে কিছু কথা হকির যাদুকর - ধ্যানচাঁদ ও ভারতীয় ক্রিকেটের জনক - রণজিৎ সিংজী - সমন্ধে কিছু কথা Reviewed by WisdomApps on January 11, 2020 Rating: 5

কেমন যাবে ২০২০ ? সমস্ত রাশির ফলাফল ( বিশেষ জ্যোতিষ মত অনুযায়ী )

January 08, 2020

মেষরাশিঃ নতুন বছরটি অপেক্ষাকৃত শুভ। অর্থকড়ি উপার্জনের ক্ষেত্র খুবই ভালো। সেনাবাহিনী, পুলিস ও আইটি সেক্টর কর্মরতদের কর্মে সাফল্য, পদোন্নতির সম্ভাবনা। কাজের সুত্রে বিদেশ যাত্রা হতে পারে। ঔষধ ব্যাবসা, যারা জমি কেনাবেচা করেন, চিকিৎসক বিশেষ করে যাদের জন্ম নক্ষত্র অশ্বিনী তাঁদের আয় ও উন্নতি বেশি হবে। মে মাসের পর কর্মের বাধা কাটবে। বছরটা ভালো যাবে বিদ্যার্থীদেরও। প্রতিযোগিতামূলক যে কোনও পরীক্ষার ফলও ভালো হবে। মার্চ থেকে জুন মাস পর্যন্ত পড়াশোনায় কিছু বাধা আসতে পারে। বাবা-মা-সন্তানের সম্পর্ক ভালো থাকবে। ১৪ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ভাইবোনের মধ্যে অসুবিধা থাকলেও, বছরের বাকি সময়টা ভালোই কাটবে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের বোঝাপড়া সুন্দর হবে। শরীর-স্বাস্থ্য একপ্রকার ভালোই যাবে। ২০ আগস্ট থেকে ৩০ ডিসেম্বর, শরীর মাঝে মাঝে একটু খারাপ হতে পারে। ৫৮ বছরের বেশি বয়সিদের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এ নিয়ে আশঙ্কার কিছু নেই। ভ্রমণ যোগ বেশ ভালো। বিবাহ যোগ প্রবল। কোনওভাবেই রাগপ্রকাশ করবেন না। যেভাবেই হোক ঝামেলা এড়িয়ে চলুন। গুপ্তশত্রু বৃদ্ধির সম্ভাবনা আছে। লোভের বশে বিনিয়োগ করলে আর্থ ক্ষতির যোগ আছে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে কোনও প্রিয়জনের কাছ থেকে অর্থকড়ি বা অস্থাবর সম্পদ লাভের সম্ভাবনা প্রবল।
শুভ রত্নঃ লাল পলা। শুভ ধাতুঃ তামা। শুভ মুলঃ অনন্ত, অশ্বগন্ধা। 

বৃষরাশিঃ বছরটি শুভাশুভ মিশ্রভাবে যাবে। লেখক, কবি, প্রাবন্ধিক-লেখ্য সৃজনশীলদের যশ বাড়বে। কারও ভাগ্যে রাজ্য বা জাতীয় পুরস্কার লাভও অসম্ভব নয়। সাংবাদিকতায় (প্রিন্ট বা অডিও ভিজুয়্যাল) যারা কাজ করেন তাঁরা কর্মকৃতিত্বের স্বীকৃতি পাবেন। রাজনিতিক ও চিকিৎসকদের বাধার মধ্যে কর্মে অগ্রগতি হবে। রোহিণী ও মৃগশিরা নক্ষত্রে যাঁদের জন্ম তাঁদের আর্থিক সমৃদ্ধি লাভ হবে। রোহিণী ও মৃগশিরা নক্ষত্রের বেকার জাতক-জাতিকার কর্মলাভ হতে পারে। চাকরিজীবীদের কর্মে দেরিতে সাফল্য আসবে। স্থাবর সম্পত্তি বা লটারি প্রাপ্তি হতে পারে। সন্তানের কর্মসাফল্যে সুখ বাড়বে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো-মন্দে মিশিয়ে যাবে। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাবধানতা দরকার। পত্নীর স্বাস্থ্যহানিতে উদ্বেগ বাড়বে। ৫৪ বছরের বেশি বয়স যাঁদের তাঁদের পেট ও হার্টের রোগ হতে পারে। বেশি লাভের আশায় অর্থ বিনিয়োগ থেকে লোকসানের সম্ভাবনা। এপ্রিল মাসের পর আবিবাহিতদের-বিবাহের সম্ভাবনা আছে। গৃহে একাধিকবার আত্মীয় সমাগম ও অর্থব্যয় হবে।
শুভ রত্নঃ শ্বেত পলা। শুভ ধাতুঃ সোনা, সীসা, লোহা। শুভ মূলঃ অনন্ত, অশ্বগন্ধা।

মিথুন রাশিঃ বছরটি শুভাশুভ মিশ্রভাবে যাবে। অর্থোপার্জনের ক্ষেত্রে বেশ ভালো কয়েকটি সুবর্ণ সুযোগ পাবেন। যা কাজে লাগিয়ে প্রচুর অর্থকড়ি রোজগার হবে। হঠাৎ বহু অর্থ ব্যয় হয়ে যাবে বিভিন্ন কারণে। অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে পারে। বিশেষ করে আদ্রা ও মৃগশিরা নক্ষত্রের জতকের। উকিল, চিকিৎসক পেশাদারি সাহিত্যিক বা অভিনয় শিল্পী, হোটেল ব্যাবসায়ী, ইমারত দ্রব্যের কারবারিদের অর্থ উপার্জন ও সুনাম বাড়বে। সাংবাদিকতায় যারা কাজ করেন তাঁরা কর্মে সাফল্য পাবেন বেশি। সরকারি কর্মীদের কর্মে সমলতা ও অর্থ উপার্জন বাড়বে। স্থাবর সম্পত্তি লাভ হতে পারে। লটারি বা ফটকা থেকে অর্থ প্রপ্তির সম্ভাবনা আছে। বিদ্যার্থীদের বছরটা অপেক্ষাকৃত শুভ। উচ্চশিক্ষায় সফলতা আসবে। মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। পিতার সঙ্গে মিঠে কড়া দ্বন্দ্বমূলক হবে। সন্তানের সাফল্য ও কৃতিত্ব আনন্দ পাবেন। ভাই-বোনের সম্পর্ক একপ্রকার গতানুগতিক। প্রায় সারাটা বছরই স্বাস্থ্য নিয়ে কম বেশি রোগভোগ হতে পারে। ১৭ মার্চ থেকে ৬ মে পর্যন্ত এবং ডিসেম্বর মাসে রোগ-ভোগের সম্ভাবনা বেশি। যাঁদের বয়স ৫৬ বছরের বেশি তাঁদের বিশেষ সতর্কতা দরকার। দূর ভ্রমণে বাধা আসতে পারে। অর্থকড়ি বিনিয়োগে ক্ষতি হতে পারে। বিবাহ যোগে আছে। ঘোটক বিচার করে বিয়ে দিতে হলে বৃশ্চিক ও মকর রাশি বাদ দিয়ে অন্য রাশির সঙ্গে দিন। 
শুভ রত্নঃ গোমেদ ৮-১০ রতি, মুক্ত ১০-১২ রতি। শুভ ধাতুঃ রুপো, সোনা। শুভ মূলঃ শ্বেতচন্দন, অনন্ত, অশ্বগন্ধা।

কর্কট রাশিঃ কিছু বাধা-বিঘ্ন থাকলেও বছরটি শুভই যাবে। অর্থকড়ি উপার্জন ভালো হবে। ব্যায়ের পাশাপাশি সঞ্চয়ও হবে। ঋণগ্রস্থ হতে হবে না। যিনি যে কর্মই করুন, অর্থকড়ি উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। ওষুধ, তুলো বা সুতো, মাছের ব্যাবসা, চা, কফি, দুধ বা শরবতের ব্যাবসায়ীদের অর্থ উপার্জন হবে অনেক বেশি। চাকুরীজীবীদের যশ, খ্যাতি, পদোন্নতি, অর্থপ্রাপ্তি ও প্রতিষ্ঠা লাভ হবে। সেনা বা নৌবাহিনী, ব্যাঙ্ক বা বিমার কর্মী তাঁদের অর্থকড়ি আয় উন্নতি হবে। লেখক, প্রাবন্ধিক-লেখ্য সৃজনশীলদের এবং অধ্যাপক, স্কুল শিক্ষকদের মান, যশ, অর্থকড়ি প্রাপ্তি বেশি হবে। সকলেরই আর্থিক দিক থেকে শুভ সময় ২৪ মে থেকে ২০ নভেম্বর। প্রাপ্ত সুজগের সদ্বব্যাবহারে উন্নতি হবে। বিদেশে কর্মপ্রাপ্তি বা কর্ম নিয়ে বিদেশ যাত্রা হতে পারে। কর্মহীনের কর্মলাভ হবে। বিদ্যার্থীদের পক্ষে সময়টা অপেক্ষাকৃত শুভ। পরীক্ষায় মনোমত ফল হবে। বিদ্যাক্ষেত্রে কয়েকজন বন্ধু সাহায্য করবে। বিদ্যাচর্চা ভালো হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। তবে ২২ মার্চ থেকে ১১ জুলাই বিদ্যাতে একটু বাধা থাকবে। সন্তানের কৃতিত্ব ও সাফল্যে আপনার গর্ব বাড়বে ও বংশের মুখ উজ্জ্বল হবে। সন্তানের আচার-আচরণে মনে শান্তি ও আনন্দ পাবেন। মার্চ ও ১২ নভেম্বর থে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাঝে মাঝে সন্তানের স্বাস্থ্য একটু খারাপ যেতে পারে। পিতা-মাতার সম্পর্ক ভালো যাবে। যদিও বাবার সঙ্গে অল্প মতপার্থক্য হবে। ২ অক্টোবর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁদের স্বাস্থ্য ভালো যাবে না এবং জাতকের চিন্তা বাড়বে। ভাই-বোনেদের সঙ্গে সম্পর্কে কিছুটা মনোমালিন্য হতে পারে। উপকার করার পরেও তাঁদের ব্যাবহারে আপবাদ ও মনঃকষ্ট হতে পারে। দাম্পত্য সুখ বাড়লেও স্ত্রীর স্বাস্থ্য মাঝে মাঝে ভালো যাবে না। ৫ জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে অবিবাহিতের বিবাহ যোগ আছে। ঘোটক বিচার করে বিয়ে দেবার সুযোগ থাকলে তুলা, বৃশ্চিক, মীন ও মেষরাশিকে অগ্রাধিকার দেবেন। অন্য সব রাশির সঙ্গে বিবাহ দিলেও ধনু এবং কুম্ভরাশিকে একেবারে বাদ দেবেন। ২০ মার্চ থেকে ৩০ মে এবং ৭ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বাস্থ্য ভালো নাও থাকতে পারে। পড়ে গিয়ে আঘাত লাগা বা হাড় ভেঙে যেতে পারে সর্দি, কাশি, হাঁপানি, গ্রন্থির রোগ, বায়ু, পিত্ত, অম্ল জাতীয় রোগ, চোখ বা পুরানো রোগের প্রকোপ বৃদ্ধিতে কষ্ট পেতে পারেন। ৪৯ বছরের বেশি বয়সিদের রোগের ভোগান্তি বেশি হতে পারে। ২০ এপ্রিলের পর থেকে ধর্মকর্ম ভালো হবে। সদগুরু লাভ হতে পারে। ভাই ও ভাগ্নে স্থানীয় কারও কাছে প্রতারিত হতে পারেন। প্রেমিক-প্রেমিকাদের কাছে বছরটি অম্লমধুর। ভ্রমনযোগ আছে।
শুভ রত্নঃ পীত পোখরাজ ৫-৬ রতি, মুক্ত ১০-১২ রতি। শুভ ধাতুঃ রুপো। শুভ মুলঃ বামনহাটি, ক্ষিরিকা ও অনন্ত।

সিংহ রাশিঃ শরীর-স্বাস্থ্য ছাড়া অন্য সব দিকেই বছরটি শুভ। বিশেষ করে বিদ্যা ও অর্থ কর্ম ক্ষেত্রে বেশি শুভ। অর্থকর্ম যোগ শুভ। অর্থকড়ি উপার্জন বেশ ভালো হবে। যে কোনও কর্মেই সাফল্য ও উপার্জন বৃদ্ধি হবে। অর্থ সঞ্চয়ও হবে। ব্যাবসায়ে অগ্রগতি ও প্রচুর অর্থকড়ি উপার্জন হবে। তৈরি খ্যাদ্যদ্রব্য, ইমারতি দ্রব্য, কেবল টিভি, পশুপালন, ওষুধের ব্যাবসায়ীদের অর্থ উপার্জন হবে প্রচুর। আইনজ্ঞ, গবেষক, ডাক্তার, অধ্যাপক, শিক্ষক ও সাহিত্যিকদের কর্মের পরিধি, পরিচিতি, মান, যশ, অর্থ উপার্জন বাড়বে। চাকুরীজীবীদের কর্মে সাফল্য, দায়দ্বায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে। অর্থ উপার্জন বাড়বে। বিশেষ করে যারা সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামরিক বিভাগ, জীবনবীমায় চাকরি করেন। অভিনয় ও সঙ্গীত শিল্পীদের মান, যশ, জনপ্রিয়তা ও অর্থকড়ি প্রাপ্তি হবে প্রচুর। প্রায় সারাটা বছরই সিংহ রাশির জাতক-জাতিকাকে কর্মব্যস্ত থাকতে হবে। তবে সব কর্মক্ষেত্রেই একটা সার্বিক চাপ, বাধা এবং মাঝে মাঝে একটু অস্থিরতা থাকবে। কর্মহীনের কর্মপ্রাপ্তি, নতুন জমি, বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনারও সম্ভাবনা এবং লটারি বা ফটকায় অর্থপ্রাপ্তির যোগও আছে। বিদ্যার্থীদের পক্ষে বছরটা শুভ। একটু-আধটু বাধা থাকলেও বিদ্যায় অগ্রগতি ও ভালো ফল হবে। উচ্চ শিক্ষার পক্ষে সময়টা আরও শুভ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য ও প্রতিষ্ঠা লাভ হবে। সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক একপ্রকার ভালো। পিতা-মাতার স্নেহ ভালোবাসা পাবেন। পিতার স্বাস্থ্য গতানুগতিকভাবে কাটলেও মায়ের শরীর নিয়ে চিন্তা বাড়বে, ১৪ জুন থেকে ২০ নভেম্বরের মধ্যে। ভাই-বোনেদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হবে। সম্পত্তির ভাগ নিয়ে অশান্তি হবে। অপযশ হতে পারে। পতি-পত্নীর সম্পর্কে মাঝে মাঝেই মনোমালিন্য আসতে পারে। একে অপরের ব্যাবহারে মনকষ্ট পাবেন। বছরটাতে শরীর খুব একটা ভালো থাকবে না। বছরভর কোনও না কোনও শারীরিক সমস্য থাকবে। ১৫ মার্চ থেকে ২০ জুন এবং ১৮ আগস্ট থেকে ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে রোগভোগের সম্ভাবনা বেশি। পেটের রোগ, দাঁত, চোখ, হার্ট, কিডনির রোগে প্রথম থেকেই সতর্ক হন। হাঁটু, কোমর, গোড়ালির ব্যাথা-বেদনায় কষ্ট ও অস্থিভঙ্গও হতে পারে। সবদিক থেকেই শরীরের জন্য সতর্ক হতে হবে। প্রমোদ ভ্রমণ ও কোনও শুভ কাজে অর্থ ব্যয় ও অনন্দ লাভ হবে, বিবাহযোগ প্রবল। মকর, কুম্ভ, মীন ও সিংহ রাশি ছাড়া অন্য রাশির সঙ্গে বিবাহ অপেক্ষাকৃত শুভকর হবে। ধর্মকর্মে মন যাবে এবং মনে শান্তি পাবেন। দীক্ষা লাভ হতে পারে। 
শুভ রত্নঃ গোমেদ ৮-১০ রতি, রক্তপ্রবাল ১২-১৪ রতি। শুভ ধাতুঃ তামা, সোনা। শুভ মূলঃ অনন্ত মূল, আশ্বগন্ধা মূল।

কন্যা রাশিঃ দীর্ঘদিনের কোনও ইচ্ছা পূরণ হবে। যে কোনও কাজই করুন না কেন, তাতে সাফল্য পাবেন ও প্রচুর অর্থকড়ি রোজগার হবে। সোনা রুপার কারবারি, ওষুধ ব্যাবসায়ীর ব্যাবসা ও উপার্জন খুব বেশি হবে। ডাক্তার, আইনবিদ, লেখক, কবি, সাহিত্যিকদের যশ ও অর্থকড়ি উপার্জন হবে। কারও ভাগ্যে রাজ্য বা জাতীয় স্তরের পুরস্কার লাভও অসম্ভব নয়। অভিনেতা বা সঙ্গীত শিল্পীদের ক্ষেত্রেও শুভ সময়। অধ্যাপক, সরকারি কর্মচারীদের পক্ষে অত্যন্ত শুভ সময়। কর্মে সাফল্য সুনাম ও দায়-দায়িত্ব বাড়বে। বিদ্যার্থীদের পক্ষে বছরটা শুভ হলেও সামান্য কিছু বাধা মাঝে মাঝে থাকবে। উচ্চ শিক্ষা ও বিদেশ যাত্রা হবে। খেলোয়াড়, অ্যাথলিটদের অত্যন্ত শুভ বছর। পিতা-মাতার শরীর-স্বাস্থ্য মিশ্রভাবে যাবে। সন্তান বিষয়ে শুভ। পত্নীসুখের অভাব থাকবে। পত্নীর স্বাস্থ্য মাঝে মধ্যেই ভালো যাবে না। নিজ স্বাস্থ্য গতানুগতিক যাবে। মাঝেমধ্যে দাঁত, শিরদাঁড়া, হাঁটু, গোড়ালির সমস্যা কষ্ট দেবে। পুরানো অসুখ এবং ত্বকের কোনও সমস্যা হলে অবহেলা করবেন না। ৬৫ বছরের বেশি বয়সিদের ভোগার সম্ভাবনা বেশি। প্রেমিক-প্রামিকাদের কাছে বছরটি শুভ। বিবাহের শুভ যোগ আছে। ধর্মকর্মে বাধা থাকলেও তা হবে এবং মনে শান্তি পাবেন। এরই মধ্যে একটু ভালো থাকতে হলে;
শুভ রত্নঃ মুক্ত ৮-১০ রতি, গোমেদ ৮-১০ রতি, পান্না ৪-৫ রতি। শুভ ধাতুঃ রুপো বা ব্রোঞ্জ। শুভ মূলঃ শ্বেতচন্দন, ক্ষিরিকা, অনন্ত।

তুলা রাশিঃ চর ও বায়ুকারক রাশি। অধিপতি গ্রহ শুক্র। শনির উচ্চ এবং রবির নিচ স্থান। জাগতিক সব ধরণের কামনা-বাসনা, আশা-আকাঙ্খা, ভগ-বিলাসের লীলাভূমি তুলারাশি রজোগুণী ও সমধাতুযুক্ত। বছরটি শুভাশুভ মিশ্রভাবে যাবে। বাহ্যিক জীবনের প্রতিতি ক্ষেত্রে কিছু বাধা-বিঘ্ন অতিক্রম করতে হবে। সারটা বছরই অর্থকর্ম ক্ষেত্রে একটা চাপ থাকবে। তবে অচিরেই সেই চাপ কমবে এবং বেশির ভাগ দিনগুলি কাটবে অনন্দ করে। অর্থকর্মের দিক থেকে কিছু ভালো সুযোগ আসবে এবং তা কাজে লাগিয়ে আর্থিক উন্নতি হবে। খুব ভালো না হলেও উপার্জন ভালোই হবে। ব্যয়ের চাপ বেশি থাকবে। তাই মনের মতো সঞ্চয় হবে না। ব্যাবসায়ীদের কারবার মোটামুটিভাবে কাটলেও মাদক দ্রব্যের ব্যাবসায়ী, লোহা, ওষুধ, রত্ন, সোনার ব্যাবসায়ীর অর্থকড়ি উপার্জন ভালো হবে। শিক্ষক, অধ্যাপক ও গবেসকদের কর্মে কিছু চাপ থাকলেও শুভ ফল পাবেন। আভিনয় শিল্পী, সঙ্গীত শিল্পী, চিকিৎসক, আইন ব্যাবসায়ীর আয় ভালোই হবে। রেল, জাহাজ, কলকারখানা ও ব্যাঙ্ক কর্মীদের কর্মে সফলতা আসবে বাধার মধ্যে। বিদ্যার্থীদের পক্ষে শুভ। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ লাভ ও পরীক্ষায় ভালো ফল আশা করা যায়। যদিও মানসিক চঞ্চলতা থাকবে। পিতা-মাতার সঙ্গে কিছু মতের আমিল হলেও তাঁদের স্নেহ, আশীর্বাদ পাবেন। ৮ জুলাই থেকে ২৬ নভেম্বর মধ্যে তাঁদের শরীর-স্বাস্থ্য জাতক-জাতিকাদের চিন্তা বাড়াবে। ভাই-বোনের সম্পর্কে সাময়িক ভুল বঝাবুঝির সম্ভাবনাম সন্তানের স্বাস্থ্য ও তাঁর ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা বাড়বে। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক এক প্রকার থাকলেও স্ত্রীর শরীর খারাপ ও পেটে সংক্রামনজনিত রোগের সম্ভাবনা আছে। স্বার্থপরটা ও চালাকি করতে গিয়ে অপদস্ত ও অপযশ হবে। সাধারণ ভ্রমণযোগ আছে। দীক্ষা লাভ হতে পারে। অবৈধ প্রেম প্রণয় থেকে অর্থ ক্ষতি হতে পারে। অবিবাহিতের বিয়ের সম্ভাবনা আছে। স্বাস্থ্য এক প্রকার যাবে। হাঁটু, কোমরের যন্ত্রণায় ভুগতে পারেন। ৫০ বছরের বেশি বয়সিদের হার্ট, কিডনি, প্রস্টেটের অসুখের যোগ আছে। 
শুভ রত্নঃ পীতম্বর নীলা ৪/৫ রতি, শ্বেত প্রবাল ১২/১৪ রতি। শুভ ধাতুঃ লোহা, সিসে, রুপো। শুভ মূলঃ শ্বেত চন্দন, অনন্ত, শ্বেত বেড়েলা।

বৃশ্চিক রাশিঃ এই রাশির প্রকৃতি দ্বন্দ্বমূলক ও পরস্পর বিরোধী, কখনও শান্ত, পরক্ষনেই অশান্ত, রাগী পরশ্রীকাতর। কোনও কিছুরই তোয়াক্কা করে না। বছরটিতে অর্থ, কর্ম, বিদ্যায় বিশেষ শুভ। আপনি যে ধরনের কাজই করুন না কেন ক্ষেত্র বিশেষে আশাতিরিক্ত অর্থকড়ি উপার্জন হবে, জন্মকুণ্ডলীতে গ্রহরাজ শনিদেবের অবস্থান শুভ হলে সারাটা বছরই আপনার ধুলো মুঠো কড়ি হবে। ধাতু, রাসায়নিক দ্রব্য, প্রোমোটার, ডেভেলপারদের অর্থকড়ি উপার্জন সব থেকে ভালো হবে। সরকারি দপ্তর, পুলিস বা সামরিক বিভাগে প্রভৃতি ক্ষেত্রে চাকরিজীবীদের কর্মে সাফল্য, পদোন্নতি ও আয় বৃদ্ধি পাবে। সাহসিকতা ও করমদক্ষতার পুরস্কার প্রাপ্তিও অসম্ভব নয়। জন্মকুণ্ডলীতে বৃহস্পতি ও শনির শুভ অবস্থানে এই সম্ভাবনা আরও বাড়বে। কর্ম নিয়ে একাধিকবার বিদেশ যাত্রা এবং তা থেকে সফলতা আসবে। ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত কর্মস্থানে বাধা ও শত্রু দ্বারা পীড়া হবে। বিদ্যার্থীদের শুভ সময়। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও সময়টা ভালো। সংসারে স্ত্রী/স্বামী সন্তান নিয়ে সুখে থাকবেন। তবে কোনও তৃতীয় পক্ষ আপনার সুখের সংসারে আগুন ধরাতে চেষ্টা করলেও স্বামী/স্ত্রী-র মধুর সম্পর্ক আটুট থাকবে। তবে ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে স্ত্রীর স্বাস্থ্যহানির যোগ থাকায় বিশেষ সতর্কতা দরকার। সন্তানভাব শুভ। পিতৃ-মাতৃ ভাগ্য শুভ। তাঁদের মাধ্যমে অর্থ বা সম্পত্তি প্রাপ্তি হবে। স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয় বা নতুন কারবার আরম্ভের সম্ভাবনা। নিজ শরীর স্বাস্থ্য খুব একটা ভালো যাবে না। বিশেষ করে যাঁদের রাহু-বৃহস্পতি বা বৃহস্পতি- রাহু বিংশোত্তরীয় দশান্তর দশা চলছে। চোখ, দাঁত, মাথার যন্ত্রণা, হাঁটু, কোমর, শিরদাঁড়া বা গোড়ালির ব্যাথা বেদনা, অর্শ, ফিসচুলা, রক্তপাত হতে পারে। কোন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে হাত দেবেন না। আধ্যাত্মিক শিক্ষা লাভে মন টানবে। প্রেম প্রণয় হবে। বিবাহ যোগ আছে। 
শুভ রত্নঃ রক্ত প্রবাল ১২/১৪ রতি, গোমেদ ৬/৮ রতি। শুভ ধাতুঃ তামা। শুভ মূলঃ অনন্ত ও শ্বেত চন্দন। 

ধনু রাশিঃ মহাজ্ঞানী দেবগুরু বৃহস্পতির স্বক্ষেত্র। আগ্নিময়, দ্বিস্বভাব, পিত্তধাতুযুক্ত পুরুষকারক হল এই রাশি। একদিকে আত্মকেন্দ্রিক হলেও অন্যদিকে বহির্মুখীও। এঁদের প্রচুর শত্রু থাকে। রাশিটির বছর শুরু হছে রাহু দৃষ্ট পঞ্চগ্রহের সমাবেশে। বছরের বেশির ভাগ সময়টা কাটবে ভালোই। আপনার প্রকৃতি দুঃসাহসী এবং কর্ম কৌশল অভিনব। যে কর্মে অগ্রসর হবেন, তা সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করবেন। চাকরিজীবীর কর্মে সাফল্য, দায়িত্ব, সম্মান ও অর্থকড়ির উপার্জন বাড়বে। পেশাদার ও ব্যাবসায়ীদেরও আয়, উন্নতি বাড়বে। প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে কাজের সময় শত্রুতার সামনে পরলেও তা থেকে বেরিয়ে যাবেন। শত্রু পক্ষ দৈববলে ধূলিসাৎ হবে। বিদ্যার্থীদের পক্ষে ফল ভালো হবে। উচ্চতর শিক্ষায় নামী প্রতিষ্ঠানে সুযোগ লাভ। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বছরের শুরুতে কিছু অশান্তি হতে পারে। বাকি সময়টা একপ্রকার ভালো যাবে। স্ত্রীর অস্ত্রপচারের যোগ আছে। সন্তানের কর্মে গর্বলাভ করবেন। এবছর সদগুরু লাভ ও আধ্যাত্মিক শান্তি লাভ হবে। শত্রুনাশও হবে। নতুন ভূসম্পত্তি ক্রয় বা গৃহ নিরমান বা পুরানো গৃহের আমূল সংস্কার হওয়াও সম্ভব। লটারি বা ফটকায় আর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা আছে। প্রেমে কিছু কথা কিছু ব্যাথা থাকলেও বেশির ভাগ সময়ই আনন্দময় হবে। আবিবাহিতের বিবাহের যোগ প্রবল। 
শুভ রত্নঃ ইন্দ্রনীলা ৪/৫ রতি। মুক্ত ১০/১২ রতি।  শুভ ধাতুঃ ব্রোঞ্জ। শুভ মুলঃ হালকা উজ্জ্বল হলুদ, আকাশি এবং গোলাপি।

মকর রশিঃ গ্রহরাজ শনিদেব এই রাশির অধিপতি। অর্থকর্ম দিকটা বছরের বেশিরভাগ সময়েই ভালো যাবে। বছরের শুরু থেকে ১৫ এপ্রিল অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে একটা চাপ থাকবে। এর পরবর্তী সময় থেকে এক বা একাধিক ক্ষেত্র থেকে প্রচুর উপার্জন হবে। শত্রুতা থাকবে, তবে জতক সুক্ষ্মবিচার বুদ্ধি দ্বারা তা অতিক্রম করবেন। প্রতিটি পেশায় যুক্ত ব্যাক্তিরই আয় উপার্জন বাড়বে। শিল্পবিদ্যা, চিকিৎসাশাস্ত্র, চিকিৎসা বিজ্ঞানে যুক্ত বিজ্ঞানী, ওষুধ ব্যাবসায়ীর উপার্জন বাড়বে। আইনজীবী, শিক্ষাবিদদের কাছে বছরটা সাফল্যজনক। অর্থকড়ি উপার্জন ও সুনাম প্রচুর বৃদ্ধি পাবে। বিদ্যার্থীদের পক্ষে এক প্রকার শুভ। উচ্চ শিক্ষায় কিছু বাধা থাকলেও তা ভালো ফলের অন্তরায় হবে না। সন্তানের কৃতিত্বে গৌরবান্বিত হবেন। ভাইবোনের সম্পর্কে মনোমালিন্য, মতের অমিল ও অশান্তি হতে পারে। পিতা-মাতার শরীর খুব একটা ভালো যাবে না। ১০ মে পর্যন্ত স্ত্রীর সঙ্গে একটু আধটু মন কষাকষি হবে। স্ত্রীর অর্থকড়ি বা সম্পত্তি প্রাপ্তি হতে পারে। নিজ স্বাস্থ্য থাকবে মধ্যম। খুব বড় কোনও রোগ ভোগ হবে না। তবে বাত ও ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা হতে পারে। ধর্মভাব শুভ। সাধুসন্তের আধ্যাত্মিক দিকে খুবই উন্নতি হবে। তাঁদের দ্বারা প্রতিষ্ঠান বা সম্প্রদায়েরও অনেক বৈষয়িক উন্নতি এবং গরিমা বৃদ্ধি পাবে। বিলাস বৈভবের থেকে সাধারণ জীবনযাপনের প্রতি মন আকৃষ্ট হবে। বিবাহের যোগ আছে। প্রেম প্রনয়ের ক্ষেত্র অম্লমধুর।
শুভ রত্নঃ ইন্দ্রানীলা ৪/৫ রতি, ভালো মুক্ত ১২/১৪ রতি।  শুভ ধাতুঃ সীসা, লোহা। শুভ মূলঃ শ্বেতবেড়েলা, ক্ষিরিকা, বামনহাটি।  

কুম্ভ রাশিঃ বছরটা কাটবে মিশ্রভাবে। রাশির একাদশে রাহু দৃষ্ট পঞ্চগ্রহের অবস্থান। অর্থ কর্মের উন্নতি হবে বাধার মধ্যে দিয়ে। উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি প্রাপ্তি, পরের দখলে থাকা সম্পত্তি নিজ দখলে আসাও আসম্ভব নয়। যে কোনও কর্মে বা পেশায় নিজুক্তের ২০ এপ্রিল থেকে ২৪ ডিসেম্বর কর্মে কিছু বাধা থাকবে। জমি কেনাবেচা, গৃহ নির্মাণ, কৃষি দ্রব্যের ব্যাবসায়ীদের অর্থকড়ি উপার্জন প্রচুর হবে। বিভিন্ন পেশায় যুক্তদের কর্মে সাফল্য, সুনাম উপার্জন বৃদ্ধি, কর্মসাফল্যের পুরস্কার প্রাপ্তি হবে। মাংস, পাথর ও বিদেশী পন্যদ্রব্যের ব্যাবসায়ীদের অর্থ উপার্জন হবে প্রচুর। বিদ্যার্থীদের পক্ষে সময়টা শুভাশুভ মিশ্র। সন্তানের সঙ্গে পিতামাতার সম্পর্কের উন্নতি ও ভুল বঝাবুঝির অবসান হবে। বন্ধু দ্বারা ক্ষতি হতে পারে। আধ্যাত্মিক পথে বাধা থাকবে। প্রেমে বিষণ্ণতা আসতে পারে। ঘোটক বিচার করে বিয়ের ক্ষেত্রে কর্কট, সিংহ ও কন্যারাশি শুভ না হওয়ায় বাদ দিয়ে অন্য যে কোনও রাশির সঙ্গেই ভালো হবে। নিজ স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। সর্দি, কাশি, জ্বর, হাঁপানি, পায়ে আঘাত বা রক্তপাতের সম্ভাবনা আছে, যারা আগে থাকতেই পুরানো রোগে ভুগছেন তাঁদেরও ভোগান্তি থাকবে। ভ্রমণ যোগ আছে। শত্রু দ্বারা হঠাৎ পীড়িত হতে পারেন। 
শুভ রত্নঃ পীতাম্বর নীলা ৫/৭ রতি, গোমেদ ৮/১০ রতি। শুভ ধাতুঃ লোহা। শুভ মূলঃ বামনহাটী, শ্বেতবেড়েলা ও শ্বেতচন্দন। 

মীন রাশিঃ রাশির অধিপতি দেবগুরু বৃহস্পতি। দৈত্যগুরু শুক্রাচার্যের উচ্চস্থান ও বুধের নিচস্থান। বছরটি প্রায় সব দিক থেকে শুভ, বিশেষ করে আর্থিক ক্ষেত্রে। অর্থকড়ি উপার্জন হবে ভালোই। আয় ও ব্যায়ের সমতা থাকবে। ধনাগম, জীবনে আর্থিক প্রতিষ্ঠা ও শুভত্ব প্রাপ্তি হলে আশ্চর্য হবেন না। জ্যোতির্বিদ, অধ্যাপক, আইনজীবী, ওষুধ ব্যাবসায়ী, সোনার কারবারি প্রভৃতির প্রচুর উপার্জন ও সম্মানলাভ হবে। চিকিৎসকদের আগের তুলনায় বেশি পসার বৃদ্ধি পাবে। মনঃশক্তি ও একাগ্রতার সম্মিলিত যোগে তাঁরা রোগীর আশ্রয় হবেন এবং তাঁদের মান, সম্মান, জনপ্রিয়তা ও অর্থকড়ি উপার্জন প্রচুর বাড়বে। চিকিৎসা সহায়ক কাজে নিজুক্ত কর্মীদের বছরটি শুভফল দেবে। আইন ব্যাবসায়ীদের অর্থ উপার্জন বাড়বে জুলাইয়ের পর থেকে। বিদ্যার্থীদের মানসিক চঞ্চলতা, হতাশা, পরিনাম চিন্তা, বন্ধুদের শত্রুতা, শরীর খারাপের জন্য বিদ্যাচর্চায় বাধা এবং মনোমতো ফলের অভাব হতে পারে। নিজ শরীর-স্বাস্থ্য খুব একটা ভালো যাবে না। অর্শ বেগ দিতে পারে। খাদ্যনালী, বুক, পেটে সংক্রমন, সর্দি, কাশি, বাতের ব্যাথা, নিম্নাঙ্গে আঘাত লেকে কষ্ট পেটে পারেন। এপ্রিল থেকে বাকি বছরটা আগুন ও জল থেকে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। ধর্মভাব শুভ। ২৫ মার্চ থেকে বছরের শেষ পর্যন্ত ধর্মকর্মে বেশি মন যাবে এবং দীক্ষালাভ হবে পারে। বিবাহযোগ থাকলেও তা খুব প্রবল নয়।
শুভ রত্নঃ মুক্তো ১০/১২ রতি, পীত পোখরাজ, শুভ ধাতুঃ ব্রোঞ্জ, সোনা।  শুভ মুলঃ ক্ষিরিকা  


  

           
কেমন যাবে ২০২০ ? সমস্ত রাশির ফলাফল ( বিশেষ জ্যোতিষ মত অনুযায়ী ) কেমন যাবে ২০২০ ?  সমস্ত রাশির ফলাফল ( বিশেষ জ্যোতিষ মত অনুযায়ী ) Reviewed by WisdomApps on January 08, 2020 Rating: 5

আপনার জন্মমাস অনুযায়ী ২০২০ কেমন যাবে ?

January 07, 2020

জানুয়ারিঃ এই মাসের জাতক-জাতিকাদের বছরটি মিশ্র ফলপ্রদ। অর্থভাগ্য শুভ। বিভিন্ন সুত্র থেকে অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা। চাকুরি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এবং পদোন্নতির সম্ভাবনা। শরীর মোটামুটি চলবে। ভ্রমনযোগ আছে। পিতা-মাতার শরীর খুব একটা ভালো যাবে না। দুর্ঘটনা থেকে সাবধান। সংসারিক ক্ষেত্রে শুভ। গৃহ সংস্কারের যোগ আছে। সন্তান ক্ষেত্র শুভ। বেকারদের সুচাকরির যোগ আছে।

ফেব্রুয়ারিঃ এই মাসের জাতক-জাতিকাদের সময় খুব একটা ভালো যাবে না। সাংসারিক ক্ষেত্রে গোলযোগের আশঙ্কা। এছাড়া মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা। ব্যয় অত্যাধিক থাকবে। আয়-ব্যায়ের সমতা থাকবে না। ভ্রমনযোগ আছে। নতুন সম্পত্তি লাভের সম্ভাবনা। সন্তান ক্ষেত্র শুভ শরীর মোটামুটি চলবে।

মার্চঃ বর্তমান বছরটি খুব শুভ যাবে। অর্থনৈতিক উন্নতি, নতুন গৃহের যোগ সামাজিক প্রতিপত্তি বৃদ্ধি ইত্যাদি। তবে শরীর মাঝে মাঝে ভোগাবে। ব্যাবসায়ীদের নতুন যোগাযোগ বৃদ্ধি। চাকরি ক্ষেত্র শুভ। সাংসারিক শান্তি বজায় থাকবে। বিদেশ ভ্রমণের যোগ আছে। সন্তান ক্ষেত্র শুভ।

এপ্রিলঃ এই বছরটি জাতক-জাতিকার পক্ষে মিশ্র ফলপ্রদ। কর্মক্ষেত্রে গোলযোগ হতে পারে। নিজের ভুল পদক্ষেপে ক্ষতির আশঙ্কা। ব্যাবসায়ীদের পক্ষে মধ্যম। তবে বিনিয়োগে সব দিকে বিবেচনা করে করা উচিত। শরীর চলনসই, তবে পত্নীর শরীর খুব একটা ভাল যাবে না। অবিবাহিতের বিবাহের যোগ আছে।

মেঃ এই বছরটি মোটামুটি শুভ। তথ্যপ্রজুক্তি শিল্পে যারা কাজ করেন তাঁদের পক্ষে শুভ। অন্যান্য কর্মক্ষেত্রে চলনসই। শরীর ভালো যাবে। সন্তানদের জন্য অধিক ব্যায়ের সম্ভাবনা। ভ্রমণযোগ আছে। সাংসারিক ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে আশান্তির সম্ভাবনা। বিবাহের যোগ আছে। 

জুনঃ এই মাসের জাতক-জাতিকাদের মিশ্র ফলের সম্ভাবনা। অর্থক্ষেত্রে মাঝে মাঝে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমদানি-রফতানি কারবারের পক্ষে শুভ। অন্যান্য ব্যাবসা চলনসই। চাকরি ক্ষেত্রে পরিবরতনের সম্ভাবনা। শরীর ভালোই চলবে। বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে। গৃহ সংস্কারের যোগ আছে। সন্তান ক্ষেত্র শুভ।

জুলাইঃ এই বছরটি শুভপ্রদ। আর্থিক ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতির সম্ভাবনা। বিভিন্ন সুত্র থেকে অর্থলাভ। ব্যাবসা ভালো চলবে। চাকরি ক্ষেত্র শুভ। সাংসারিক শান্তি বজায় থাকবে। বিবাহের সম্ভাবনা। নতুন গৃহ লাভ হতে পারে। বিদেশ ভ্রমণের যোগ আছে। শরীর ভালো থকবে। সন্তান ক্ষেত্র শুভ।

আগস্তঃ এই বছরটি মিশ্র ফলপ্রদ। চাকুরিজীবীদের পদোন্নতির সম্ভাবনা আছে। ব্যাবসা ক্ষেত্র চলনসই, তবে ঋণযোগ আছে। শরীর মোটামুটি চলবে। তবে পিতামাতার স্বাস্থ্য খুব একটা ভালো যাবে না। বিবাহের সম্ভাবনা আছে। গৃহে  শুভ অনুষ্ঠানের যোগ। নতুন চাকরির সম্ভাবনা, সন্তান ক্ষত্র মধ্যম।

সেপ্টেম্বরঃ এই বছরটি মোটামুটি শুভ। চাকরি ক্ষেত্রে উন্নতির যোগ আছে। আবার বদলির সম্ভাবনাও আছে। ব্যাবসা ভালো চললেও ঋণযোগ আছে। স্বাস্থ্য ভালো যাবে, তবে দুর্ঘটনা থেকে সাবধান। গৃহ- পরিবর্তন হতে পারে। পত্নীর শরীর মাঝে মাঝে ভোগাতে পারে। সাংসারিক শান্তি বজায় থকবে।

অক্টোবরঃ বর্তমান বছরটি শুভপ্রদ। অর্থনৈতিক ক্ষেত্র শুভ। চাকুরিজীবীদের কর্ম পরিবর্তনের যোগ আছে। ব্যাবসায়ীদের পক্ষে শুভ। নতুন যোগাযোগ হতে পারে। শরীরের যত্ন নেওয়া দরকার পিতা- মাতার শরীর ভালো যাবে না। ভ্রমনযোগ আছে। গৃহ সংস্কারের যোগ আছে। নতুন চাকরি হতে পারে।

নভেম্বরঃ বর্তমান বছরটি মিশ্র ফল। কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তনের সম্ভাবনা। বেকারদের চাকরির সুযোগ আসতে পারে। ব্যাবসায়ীদের পক্ষে শুভ। ব্যাবসা সম্প্রসারণ অথবা নতুন ব্যাবসার সুযোগ আসতে পারে। শরীর খুব একটা ভালো যাবে না। সাংসারিক অশান্তির সম্ভাবনা। বিবাহের যোগ আছে। সন্তান ক্ষেত্র শুভ। গৃহে শুভ অনুষ্ঠানের যোগ আছে।

ডিসেম্বরঃ বছরটি মোটামুটি শুভ চলবে। নতুন চাকরির সুযোগ আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির যোগ আছে। ব্যাবসায়ীদের পক্ষে শুভ। বিবাহের যোগ আছে। শরীর মোটামুটি চলবে। গৃহ-সংস্কারের যোগ আছে। সন্তান ক্ষেত্র শুভ। সংসারিক শান্তি বজায় থাকবে। 
   
আপনার জন্মমাস অনুযায়ী ২০২০ কেমন যাবে ? আপনার জন্মমাস অনুযায়ী ২০২০ কেমন যাবে ? Reviewed by WisdomApps on January 07, 2020 Rating: 5

রাশি অনুযায়ী ২০২০ সাল ছাত্রছাত্রীদের জন্য কেমন যাবে ?

January 06, 2020


মেষ রাশি: মেষ রাশির ছাত্র ছাত্রীদের জন্য 2020 সালে বিদ্যভার ভালো বলা যায়। যদিও কলেজ পড়ুয়ারা কিছু বাধার সম্মুখীন হতে পারে। কাউকে কাউকে নিয়ে দুশ্চিন্তা হতে পারে। যারা ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত তাদের সাবধানে পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে নানা ঝামেলার মধ্যে পড়ে জীবন বিপন্ন হয়ে উঠতে পারে। আর যারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দেবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা এগিয়ে চলুন সাফল্য ধরা দেবে। এই বছর একাধিক সুযোগ দরজায় কড়া নাড়বে। বসে না থেকে উঠে গিয়ে দরজাটি খুলতে হবে। অনেকের আবার স্কলারশিপ পাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃষ রাশি: ছাত্র ছাত্রীদের সফল হবার জন্য মনোযোগী হতে হবে। অনেকের কাছে অবশ্য বছরটা সাফল্যের বছর। কেউ কেউ ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়তে পারে। যদিও বেশিরভাগই পরীক্ষায় সফল হবে। পড়ুয়াদের কারোর মনে প্রেম, বিনোদন, ফেসবুক, ইন্টারনেটে আটকা পড়তে পারে। এই কারণ ছাড়াও বিভিন্ন কারণে অনেকের উচ্চশিক্ষা পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যারা প্রতিযোগিতা মূলক কোনো পরীক্ষা দিয়ে বসে আছেন তাদের জন্য থাকবে ভালো খবর।

মিথুন রাশি: ছাত্র ছাত্রীদের কাছে বছরটি ভালো মন্দ মিশিয়ে থাকবে। যারা শিক্ষা বা পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো জটিলতার মধ্যে ছিলেন তারা সেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন। কারও কারও উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ আসবে। বা বাধা থাকলেও তা কেটে যাবে। ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বাধা আসতে পারে। ব্যাপারটি নিয়ে চিন্তা ভাবনার প্রয়োজন। মনে হয় তা সুকৌশলে পরিহার করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

কর্কট রাশি: ছাত্র ছাত্রীদের নতুন বছর শুভই বলা যায়। অনেকেই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফল হবেন। যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চায় চূড়ান্ত কাগজপত্র এবছরই আসতে পারে। অনেকে আবার সৃজনশীল কাজের জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। নাচ গান শিখে যারা নাম করতে শুরু করেছে তাদের কেউ কেউ এই বছর অনেক রকম সুযোগ পাবে।

সিংহ রাশি: ছাত্র ছাত্রীদের বছরটা যাবে শুভাশুভ। ছাত্র ছাত্রীদের কোনও রকম ঝুটঝামেলায় জড়িয়ে পড়া উচিৎ হবে না। মিটিং মিছিলে যোগদান এড়িয়ে চলায় ভালো। অনেকেই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফল হবেন। যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চায় চূড়ান্ত কাগজপত্র এবছরই আসতে পারে। অন্য রাজ্য ইউনিভার্সিটির ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।

কন্যা রাশি: ছাত্র ছাত্রীদের বছরটা যাবে শুভ। পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়বে। যারা পড়াশোনায় ভালো সাফল্য পাচ্ছিলেন না তারা ভালো সাফল্য পেতে শুরু করবেন। অনেকেই বাইরে কোথাও পড়তে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এমনকি কারোর কারোর ভাগ্যে বৃত্তিও রয়েছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সেটা আটকে যেতে পারে। অসৎ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে কেউ কেউ পড়াশোনার ক্ষতি করতে পারে। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

তুলা রাশি: ছাত্রছাত্রীদের নতুন বছর মিশ্রফলদায়ক। কোনো মহলের চাপে পড়ে কাউকে রাজনীতিতে যোগদান করতে হতে পারে। কারোর কারোর ক্ষেত্রে ভর্তি সংক্রান্ত জটিলতার অবসান হবে। কেউ কেউ ভালো প্রস্তুতি ছাড়াই পরীক্ষায় আশাতীত ফলাফল অর্জন করবেন। শিক্ষা সফরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন কেউ কেউ। কেউ শিল্পকলা কিংবা সাহিত্যের জন্য উচ্চ পর্যায়ে স্বীকৃতি পাবেন। তবে পাশাপাশি সমালোচনাও জুটতে পারে।

বৃশ্চিক রাশি: ছাত্র ছাত্রীদের বছরটা যাবে শুভ।  কেউ কেউ ভালো প্রস্তুতি ছাড়াই পরীক্ষায় আশাতীত ফলাফল অর্জন করবেন। ইচ্ছার বিরুদ্ধে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়লে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হবেন। কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত জটিলতার অবসান হবে। যারা বিদেশে লেখাপড়া করতে আগ্রহী তারা এবিষয়ে এখন উদ্যোগী হতে পারেন। 

ধনু রাশি: ছাত্রছাত্রীদের নতুন বছর মিশ্রফলদায়ক। যাদের পরীক্ষার ফলাফল মুলতুবি রাখা হয়েছিল তাদের ব্যাপারে ইতিবাচক নিষ্পত্তির সম্ভাবনা রয়েছে। কারোর কারোর ক্ষেত্রে ভর্তি সংক্রান্ত জটিলতার অবসান। শিক্ষা সফরের সুবাদে নিকটবর্তী কোনো দেশ ভ্রমণ। তবে ভিসা সংক্রান্ত সমস্যায় কারোর কারোর বিদেশে অধ্যয়নের বিষয়টি পিছিয়ে যেতে পারে। উপযুক্ত প্রস্তুতি ছাড়াই পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করবেন কেউ কেউ।

মকর রাশি: ছাত্র ছাত্রীদের বছরটা যাবে শুভ। কারোর কারোর আটকে থাকা ফল প্রকাশিত হবে। কেউ কেউ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হবেন। কারোর কারোর হোস্টেলে সিট পাওয়া নিয়ে সমস্যা বিরাজ করছিল, সে সমস্যার অবসান হবে।
কুম্ভ রাশি: ছাত্রছাত্রীদের কারোর কারোর অভাবনীয় সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেউ কেউ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হবেন। পরীক্ষার আগে কোনো খারাপ খবর আচমকা মন ভেঙে দিতে পারে। বিদেশ থেকে ভালো খবর আসতে পারে। শিক্ষা ভ্রমনেরও সুযোগ রয়েছে।


মীন রাশি: নতুন বছর ছাত্রছাত্রীদের ভালোই কাটবে। যাদের ভর্তি নিয়ে চিন্তা ছিল তারা ভালো জায়গায় ভর্তি হতে পারবেন। যেন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটবে। কেউ কেউ রাজ্যের বাইরে অধ্যয়নের যে চেষ্টা চালাচ্ছিলেন তা সফল হবে। আর যারা ভাগ্যান্বেষণে বিদেশ যাত্রায় আগ্রহী তাদেরও মনোইচ্ছা পূর্ন হবে।
রাশি অনুযায়ী ২০২০ সাল ছাত্রছাত্রীদের জন্য কেমন যাবে ? রাশি অনুযায়ী ২০২০ সাল ছাত্রছাত্রীদের জন্য কেমন যাবে ? Reviewed by WisdomApps on January 06, 2020 Rating: 5
Powered by Blogger.