Featured Posts

[Travel][feat1]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররের সুন্দর কিছু বাণী - Rabindranath Tagore Quotes in Bengali

March 31, 2020

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী 


  • ফুলের মধ্যে যে আনন্দ সে প্রধানত ফলের প্রত্যাশার আনন্দ, এটা অত্যন্ত মোটা কথা। বিশ্বাসৃষ্টিতে দেখতে পাই সৃষ্টিতেই আনন্দ, হওয়াটাই চরম কথা। তার ফুলেও আছে হাওয়া, ফলেও আছে হাওয়া। ফুলটা হল উপায় আর ফলটা হল উদ্দ্যেশ্য, তাই বলে উভয়ের মধ্যে মূল্যের কোনো ভেদ দেখতে পাইনে।
  • আশা করিবার অধিকারই মানুষের শক্তিকে প্রবল করিয়া তোলে।
  • মানবের মধ্যে দেবতার প্রকাশ, সংসারের মধ্যে দেবতার প্রতিষ্ঠা, আমাদের প্রতি মুহূর্তের সুখ-দুঃখের মধ্যে দেবতার সঞ্চার, ইহাই নব হিন্দুধর্মের মর্মকথা হইয়া উঠল।
  • যাহারা হৃদয়ে যত সৌন্দর্য বিরাজ করিতেছে সে তত সৌন্দর্য উপভোগ করিতে পারে সৌন্দর্যের সহিত তাহার নিজের ঐক্য যতই সে বুঝিতে পারে ততই সে আনন্দ লাভ করে। আমি যে এত ফুল ভালোবাসি তাহার কারণ আর কিছু নয়, ফুলের সহিত আমার হৃদয়ের গূঢ় একটি ঐক্য আছে—আমার মনে হয় ও একই কথা, যে সৌন্দর্য ফুল হইয়া ফুটিয়াছে, সেই সৌন্দর্যই অবস্থাভেদে আমার হৃদয় হইয়া বিকশিত হইয়াছে।
  • বহুবিধ বিষয় পাঠনার ব্যাবস্থা করিলেই যে শিক্ষায় লাভের অঙ্ক অগ্রসর হয় তাহা নহে, মানুষ যে বাড়ে সে’ণ মেধয়া ন বহুনা শ্রুতেন’। যেখানে গোপনে ত্যাগ, যেখানে একান্তে সাধনা, সেখানেই আমারা জ্ঞানের চর্চায় স্বয়ং প্রবৃত্ত সেইখানেই ছাত্রগণ বিদ্যাকে প্রত্যক্ষ দেখিতে পায়। বাহিরে বিশ্বপ্রকৃতির আবির্ভাব যেখানে বাধাহীন অন্তরে সেইখানেই মন সম্পূর্ণ বিকশিত। ব্রহ্মচর্যের সাধনায় চরিত্র যেখানে সুস্থ এবং আত্মবশ, ধর্মশিক্ষা সেইখানেই সরল ও স্বাভাবিক।
  • চোখে দেখিস, প্রাণে কানা , হিয়ার মাঝে দেখ্‌ না ধরে ভূবনখানা।
  • পৃথিবীতে যথাসম্ভব স্বাধীনতা পাইতে গেলাই নিজেকে অধীন করিতে হয়।
  • মানুষের মধ্যেই ভগবানের সত্যকার প্রকাশ, তেমনি দেশের মধ্যে।
  • সত্যকে যেদিন প্রত্যক্ষ দেখবে সি দিনই উৎসব।
  • কথা উঠেছে সাহিত্য বিচারে বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি শ্রদ্ধেয় কিনা। এ প্রশ্নের উত্তর দেবার পুর্বে আলোচ্য এই—কী সংগ্রহ করার জন্য এই বিশ্লেষণ। আলোচ্য সাহিত্যের উপাদান-অংশগুলি? আমি বলি সেটা অত্যাবশ্যক নয়, কারণ, উপাদানকে একত্র করার দ্বারা সৃষ্টি হয় না। সমগ্র সৃষ্টি আপন সমস্ত অংশের চেয়ে অনেক বাশি। সেই বেশিটুকু পরিমাণগত নয়। তাকে মাপা যায় না, ওজন করা যায় না, সেটা হল রূপরহস্য, সকল সৃষ্টির মূলে প্রচ্ছন্ন। প্রত্যেক সৃষ্টির মধ্যে সেটাই হল অদ্বৈত, বাহুর মধ্যে সে ব্যাপ্ত অথচ বহুর দ্বারা তার পরিমাপ হয় না। সে-কল অর্থাৎ তার মধ্যে সমস্ত অংশ আছে, তবু সে নিষ্কল, তাকে অংশে খণ্ডিত করলেই সে থাকে না। অতএব সাহিত্যে সমগ্র্যকে সমগ্র দৃষ্টি দিয়েই দেখতে হবে।
  • মৃত্যু সবচেয়ে নিশ্চিত—জীবনের সব গতিস্রোতের চরম সমুদ্র, সব ভালোমন্দের নিঃশেষ সমন্বয় তার মধ্যে।
  • ফন্দি জিনিসটা খুব ভালো যদি তার মধ্যে নিজে আটকা না পড়া যায়।
  • অন্য খরচের চেয়ে বাজে খরচেই মানুষকে যথার্থ চেনা যায়। কারণ মানুষ ব্যয় করে বাঁধা নিয়ম অনুসারে, অপব্যায় করে নিজের খেয়ালে।
  • ভালো জিনিসগুলিকে ঘেঁষাঘেঁষি করে রাখা তাদের অপমান করা—সে যেন সতী স্ত্রীকে সতীনের ঘর করতে দেওয়ার মতো।
  • আমরা সাধারণ পনেরো-আনা, আমারা নিজেদের যেন হেয় বলিয়ে না জ্ঞান করি। আমরা সংসারের গতি। পৃথিবীতে মানুষের হৃদয়ে আমাদের জীবনস্বত্ব আমার কিছুতেই দখল রাখি না, আকড়িয়া থাকি না, আমার চলিয়ে যাই। সংসারের সমস্ত কলগান আমাদের দ্বারা ধ্বনিত, সমস্ত ছায়ালোক আমাদের উপরই স্পন্দমান। আমরা যে হাসি, কাঁদি, ভালোবাসি, বন্ধুর সঙ্গে অকারণ খেলা করি, স্বজনের সঙ্গে অনাবশ্যক আলাপ করি, দিনের অধিকাংশ সময়ই চারিপাশের লোকের সহিত উদ্দেশ্যহীণভাবে যাপন করি, তারপরে ধুম করিয়া ছেলের বিবাহ দিয়া তাহাকে আপিসে প্রবেশ করাইয়া পৃথিবীতে কোনো খ্যাতি না রখিয়া মারিয়া-পুড়িয়া ছাই হইয়া যাই—আমার বিপুল সংসারের বিচিত্র তরঙ্গলীলার অঙ্গ, আমাদের ছোটোখাটো হাসি-কৌতুকেই সমস্ত জন-প্রবাহ ঝলমল করিতেছে, আমাদের ছোটোখাটো আলাপে-বিলাপে সমস্ত সমাজ মুখরিত।
  • স্বাধীন চলাফেরার জন্য অনেকখানি স্থান রাখা আবশ্যক, নতুবা আমাদের স্বাস্থ্য এবং আনন্দের ব্যাঘাত হয়। শিক্ষা সম্বন্ধেও এ কথা খাটে। যতটুকু কেবলমাত্র শিক্ষা, অর্থাৎ অত্যাবশ্যক, তাহারই মধ্যে শিশুদিগকে একান্ত নিবদ্ধ রাখিলে কখনোই তাহাদের মন যথেষ্ট পরিমাণে বাড়িতে পারে না। অত্যাবশ্যক শিক্ষার সহিত স্বাধীন পাঠ না-মিশাইলে ছেলে ভালো করিয়া মানুষ হইতে পারে না- বয়ঃপ্রাপ্ত হইলেও বুদ্ধিবৃত্তি সম্বন্ধে সে অনেকটা পরিমাণে বালকই থাকিয়া যায়।
  • আমি আছি, এইটেই হচ্ছে সৃষ্টির ভাষা।
  • প্রেমই উৎসবের দেবতা—মিলনই তাহাঁর সজীব সচেতন মন্দির।
  • চিন্তাশক্তি এবং কল্পনাশক্তি জীবনযাত্রা নির্বাহের পক্ষে দুইটি অত্যাবশ্যক শক্তি, তাহাতে আর সন্দেহ নাই। অর্থাৎ যদি মানুষের মতো মানুষ হইতে হয় তবে ঐ দুটা পদার্থ জীবন হইতে বাদ দিলে চলে না। অতএব বাল্যকাল হইতে চিন্তা ও কল্পনার চর্চা না করিলে কাজের সময় যে তাহাকে হাতের কাছে পাওয়া যাইবে না, একথা অতি পুরাতন। কিন্তু আমাদের বর্তমান শিক্ষায় সে পথ একপ্রকার রুদ্ধ।
  • দেখতে কেমন হবে? চেহারাটি বেশ ছিপছিপে, মাটির সঙ্গে অতি অল্পই সম্পর্ক, যেন ‘সঞ্চারিণী পল্লবিনী লাতেব।‘ অর্থাৎ যাকে দেখে মনে হবে অতি ক্ষীণবল- অস্তিত্বটুকু কেবলমাত্র—অথচ ওইটুকুর মধ্যে যে এত লীলা, এত বল, এত কৌতুক তা দেখে পলকে পলকে আশ্চর্য বোধ হবে।
  • বাজে কথাতেই মানুষ আপনাকে ধরা দেয়।

rabindranath tagore quotes in bengali  
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররের সুন্দর কিছু বাণী - Rabindranath Tagore Quotes in Bengali রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররের সুন্দর কিছু বাণী - Rabindranath Tagore Quotes in Bengali Reviewed by WisdomApps on March 31, 2020 Rating: 5

মার্চ ২৯ থেকে ০৪ এপ্রিল পর্যন্ত রাশিফল

March 29, 2020

মেষ রাশি: অভিনব কৌশলে সমস্যার জট কাটিয়ে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি ও দুরভ্রমণের সুযোগ। চারুকলায় নৈপুণ্যের কমবেশি স্বীকৃতি এবং সেই সূত্রে বাড়তি অর্থাগম। জ্ঞান-পড়শির সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে সম্পত্তির জমিজমা পেতে দেরি হতে পারে। সপ্তাহের আদ্যভাগে দুঃসাহসী সিদ্ধান্তে কাজ উতরে দিয়ে সামাজিক ক্ষেত্রে প্রশংসা লাভ। প্রিয়জনের স্বাস্থ্যহানিতে বহু ব্যয়, কাজকর্ম ব্যাহত হতে পারে। মধ্যভাগে প্রতিদ্বন্দ্বী পিছু হটে যাওয়ায় প্রেমপ্রণয়ে অগ্রগতি। অন্তভাগে আংশিক ঋণ পরিশোধের উপায় হতে পারে। মেষ লগ্নে জাত ব্যক্তির উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিলম্বিত সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত হবে না। পারিবারিক দায়িত্ব পালন সত্বেও অপবাদ জুটতে পারে। সৃষ্টিকালে প্রতিভার স্ফুরণ।

বৃষ রাশি: মিষ্টভাষণ ও সহৃদয় ব্যবহারে বিরুদ্ধবাদীদের বশে আনতে পারবেন। ধৈর্য্য ও সহিষ্ণুতার সাহায্যে প্রতিকূলতা কর্মস্থলে ও সামাজিক পরিমণ্ডলে কাটিয়ে কার্যোদ্ধার। সপ্তাহের আদ্যভাগে বৃত্তিগত প্রশিক্ষণে সাফল্য। একাধিক নামি সংস্থায় কাজের সুযোগ আসতে পারে। মধ্যভাগে লোক লৌকিকতায় বহু ব্যয় সত্ত্বেও সমালোচনা এড়ানো মুশকিল। সন্দেহবাতিক থেকে সংসারে অশান্তি তুঙ্গে উঠতে পারে। অন্তভাগে বাগ্মিতার উৎকর্ষে শ্রোতাদের মন জয়। বৃষ লগ্নে জাত ব্যক্তির অভাবিত প্রেমপ্রণয় জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দিতে পারে। রক্তচাপের হেরফেরে নানান শারীরিক জটিলতা ও মানসিক অবসাদ পেড়ে ফেলতে হবে।

মিথুন রাশি: কর্মস্থল পরিবর্তনে উদ্যোগে আশার আলো। ব্যবসা, ফাটকা বা শেয়ার আপাতত বিনিয়োগ না করায় ভালো। প্রিয়জনের বার্ধক্যজনিত পীড়ায় কাজকর্ম ব্যাহত হতে পারে। সপ্তাহের আদ্যভাগে পদস্থ ব্যক্তির সঙ্গে মতান্তর এবং সমস্যা বৃদ্ধি। উদ্যমের অভাবে উপার্জনের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা। মধ্যভাগে গৃহ সংস্কার ও নতুন নির্মাণের জন্য অর্থের সংস্থান হতে পারে। অন্তভাগে আত্মীয় বা বন্ধুর আঘাত কর্মে বাজতে পারে। মিথুন লগ্নে জাত ব্যক্তির মাতৃকুল বা শ্বশুরকুল সূত্রে অর্থসম্পত্তি প্রাপ্তির যোগ। আয়-ব্যয়ের মধ্যে সমতা রক্ষা করা কঠিন।

কর্কট রাশি: সময়োচিত তৎপরতার অভাবে বা উদাসীনতায় কর্মপরিকল্পনা ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা। আধ্যাত্মিক মননের জন্য গুরুগৃহে অবস্থানের পরিকল্পনা। সপ্তাহের আদ্যভাগে পৈতৃক সম্পত্তি ভাগবাটোয়ারা নিয়ে ভাই বোনের সঙ্গে বিরোধ আদালতে গড়ানোর আশঙ্কা। মধ্যভাগে উপস্থিত বুদ্ধি ও বিচক্ষণতার জেরে কর্মস্থলে অশান্তি প্রতিহত করে প্রশংসা লাভ। গৃহে নতুন  অতিথি আগমনের সংবাদ পেতে পারেন। অন্তভাগে লৌকিকতায় বহু ব্যয়ের দরুন সঞ্চয়ে হোঁচট। অতিরিক্ত পরিশ্রমে দেহে ক্লান্তি ও মানসিক অবসাদ। কর্কট লগ্নে জাত ব্যক্তির লাগামছাড়া উচ্চাভিলাষ বিপত্তি ডেকে আনতে পারে। প্রেম প্রণয়ে চোট-আঘাতের আশঙ্কা। পূজাপাঠ ও বেদপুরানের চর্চায় শান্তির সন্ধান।

সিংহ রাশি: ওষুধ ও রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবসায় বাড়তি বিনোযোগের আদর্শ সময়। শত্রুর শক্তিক্ষয়ের খবরে কিছুটা স্বস্তি। সপ্তাহের আদ্যভাগে স্বজনদের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে বিপত্তি, মানসিক অস্থিরতা। মধ্যভাগে অসতর্কতা থেকে রাস্তাঘাটে বিপদের আশঙ্কা কোনো আত্মীয়ের দায়িত্বভার নিতে হতে পারে। অন্তভাগে অপ্রিয় সত্যকথা নিজের কাছেই রাখা ভালো। শেয়ার, লটারিতে অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তিযোগ। সিংহ লগ্নে জাত ব্যক্তির উদারতা দেখাতে গিয়ে কর্মস্থলে অপদস্থ হওয়ার আশঙ্কা। বন্ধু নির্বাচনে সতর্ক না হলে বিপদ দেখা দিতে পারে। প্রিয়জনের ব্যাপারে প্রাথমিক আলোচনা।

কন্যা রাশি: দুষ্ট সহকর্মীদের দুরভিসন্ধি ফাঁস করে আত্মরক্ষার সঙ্গে সঙ্গে কর্মস্থলে প্রশংসা ও বাড়তি দায়িত্ব জুটতে পারে। আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সম্পত্তি সংক্রান্ত সমস্যার সাময়িক সমাধান। সপ্তাহের আদ্যভাগে কোনো অপরিচিতের সহায়তায় বিপদ থেকে উদ্ধার। মধ্যভাগে মন ও বুদ্ধির অস্থিরতায় ব্যবসায় অগ্রগতি হোঁচট খাবে। সন্তানের লেখাপড়ায় মনোযোগ ও উজ্জ্বল ফলাফলে আপনার চিন্তামুক্তি। অন্তভাগে একাধিক পথে উপার্জনের সুযোগ হেলায় হারানো উচিত হবে না। কঠোর সত্য তুলে ধরার আগে পরিণতি চিন্তা করা দরকার। কন্যা লগ্নে জাত ব্যক্তির অতিক্রধ থেকে কর্মক্ষেত্রে বা সামাজিক পরিমণ্ডলে বিপত্তি বিড়ম্বনার আশঙ্কা। প্রিয়জনের শুভ লাভ ত্বরান্বিত হতে পারে।

তুলা রাশি: সম্পত্তি সংস্কার ও নবনির্মান নিয়ে ভাইবোনের সঙ্গে বিবাদ আদালতে গড়াতে পারে। দুরূহ কাজের দায়িত্ব নিয়ে সফল রূপায়ণ। বেদ- পুরান চর্চা ও তীর্থভ্রমনে মনে শান্তি। সপ্তাহের আদ্যভাগে তৃতীয় পক্ষের আকস্মিক আবির্ভাব স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বোঝাপড়ায় হোঁচট এবং চরম অশান্তির আশঙ্কা। মধ্যভাগে পারিবারিক অনুষ্ঠানে কোনও অতিথির বিরূপ আচরণে মানসিক ক্লেশ। অন্তভাগে কল্যানকর কাজে শ্রম ও অর্থদানের সুবাদে সামাজিক প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। তুলা লগ্ন জাত ব্যক্তির যৌথ ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগে লাগাম দেওয়া দরকার। আটকে থাকা অর্থ ফেরত পেতে পারেন। দীর্ঘদিনের কোনও স্বপ্ন অংশত পূরণের সম্ভাবনা।

বৃশ্চিক রাশি: বহু শ্রম ও অধ্যবসায় সত্ত্বেও নতুন কর্মপরিকল্পনা হোঁচট খাওয়ার আত্মগ্লানি গ্রাস করতে পারে। সভাসমিতিতে অহেতুক বিবাদবিতর্ক থেকে বিড়ম্বনার আশঙ্কা। সংক্রমণ এড়াতে যথাসম্ভব নিঃসঙ্গ ভাবে দিন কাটানো দরকার। সপ্তাহের আদ্যভাগে গুরুজনের শারীরিক অবস্থার অবনতিতে উদ্বেগ, কাজকর্ম ব্যাহত হতে পারে। মধ্যভাগে সম্পত্তি নিয়ে স্বজন বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে। অন্তভাগে সৃষ্টিশীল কাজকর্মের জন্য স্বীকৃতি। বৃশ্চিক লগ্ন জাত ব্যক্তির দুঃসাহস ও হঠকারিতার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে বিপদ হতে পারে। সমাজসেবায় যোগ দিয়ে আত্মিক ঘেরাটোপ থেকে মুক্তির আশা।

ধনু রাশি: বুদ্ধিবিভ্রম বা মানসিক সমস্যায় কাজকর্ম বা পারিবারিক বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে। কর্মগত পরিবর্তন, দূরবর্তী স্থানে সাফল্যের সম্ভাবনা। সপ্তাহের অদ্যভাগে সম্পত্তি সংস্কার ও নবনির্মান নিয়ে স্বজনের সঙ্গে মতবিরোধ মানসিক ক্লেশ। মধ্যভাগে সৃষ্টিকাজে প্রতিভার বিশেষ স্ফুরণ, মুনশিয়ানার স্বীকৃতি এবং সেই সূত্রে বিদেশভ্রমনের সুযোগ আসতে পারে। অন্তভাগে জাতিশত্রুর কলকাঠিতে পারিবারিক স্থিতি টলমল। বিষয় সম্পত্তি বা যানবাহন কেনার পরিকল্পনা স্থগিত রাখাই সমীচীন। ধনু লগ্ন জাত ব্যক্তির ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই উচিত। বকেয়া অর্থ আদায় নিয়ে আত্মীয়বান্ধবের সঙ্গে বিরোধ।

মকর রাশি: নতুন কর্মদ্যোগে অপ্রভাবিত সাফল্য এবং সেই সূত্রে প্রভূত অর্থাগমের উজ্জ্বল সম্ভাবনা। চারুকলা চর্চায় অগ্রগতি এবং সেই সুবাদে বাড়তি উপার্জন। একটানা বুকের ব্যাথা সহ্য করলে বিপদের আশঙ্কা। সপ্তাহের আদ্যভাগে প্রিয়জনের শুভ লাভ ত্বরান্বিত হতে পারে। মধ্যভাগে শুভ সুযোগ হাতছাড়া। সম্পত্তি সংস্কারে বাধাবিপত্তি কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা। অন্তভাগে ঘনিষ্ট বন্ধুর প্রতারণায় বিশ্বাসভঙ্গের বেদনা। মকর লগ্ন জাত ব্যক্তির বিবাদ বিতর্ক না এরোতে পারলে বিড়ম্বনা বাড়বে। আধ্যাত্মিক চেতনার বিকাশ মন শান্ত রাখার সহায়ক হবে।

কুম্ভ রাশি: কর্মক্ষেত্রে এবং সামাজিক পরিমণ্ডলে মৌলিক চিন্তা ও পরিকল্পনা সফল হতে পারে। দাড়িয়ে হলেও বহু শ্রম, অধ্যবসায় ও নৈপুণ্যের যথার্থ মূল্যায়নের আশা। গৃহে পূজাপাঠ বা বান্ধব সম্মিলনীর মতো প্রীতি অনুষ্ঠান স্থগিত রাখাই ভালো। সপ্তাহের অদ্যভাগে কপট বন্ধুর স্বরূপ চিনে আত্মরক্ষার সাথে আত্মগ্লানি। মধ্যভাগে সন্তানের আচার আচরণ ও চলাফেরায় বাড়তি নজরদারি দরকার। প্রবাসী প্রিয়জনের খবর না পেয়ে দুশ্চিন্তা বাড়বে। অন্তভাগে বাড়তি উপার্জনের তাগিদে বাঁকা পথে পা দেওয়া উচিত হবে না। কুম্ভ লগ্ন জাত ব্যক্তির লাগামছাড়া উচ্চাভিলাষের অসংযত প্রকাশ থেকে বিড়ম্বনার আশঙ্কা।

মীন রাশি: নিরন্তর কঠোর সটিকথনে শত্রুর বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রিয়জনের বিরাগভাজন হতে পারেন। চিকিৎসায় গুরুজনের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে উদ্বেগের অবসান। সপ্তাহের আদ্যভাগে গৃহে আনন্দনুষ্ঠানে কোনো আত্মীয়ের বিরূপ আচরণে মনঃকষ্ট। মধ্যভাগে মৌলিক চিন্তা ও সৃজনী শক্তির বিকাশ। কোনো বিশেষ ইচ্ছা অংশত পূরণের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। অন্তভাগে কর্মস্থলে দুরূহ কাজের দায়িত্ব নিতে নিপুণ রূপায়ণ। শত্রু ভয় থেকে মুক্তি পেতে আইনি ব্যবস্থা দরকার। মীন লগ্নে জাত ব্যক্তির স্বনিযুক্ত প্রকল্পে পরিমিত বিনিয়োগে সাফল্যের সম্ভাবনা। দুর্ঘটনার আশঙ্কা, পথেঘাটে ও চলাফেরায় বাড়তি সতর্কতা দরকার।
মার্চ ২৯ থেকে ০৪ এপ্রিল পর্যন্ত রাশিফল মার্চ ২৯ থেকে ০৪ এপ্রিল পর্যন্ত রাশিফল Reviewed by WisdomApps on March 29, 2020 Rating: 5

গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা ও গৌতম বুদ্ধের বাণী - Gautam Buddha quotes in Bengali

March 28, 2020

গৌতম বুদ্ধ - গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা ও গৌতম বুদ্ধের বাণী 

·        ফোঁটা ফোঁটা  জলেই কলসি পূর্ণ হয়।

·        আজ আমরা যা কিছু করি তা সবাই আমাদের আতীতের ভাবনার পরিণতি। যদি কেউ অশুভ ভাবনা নিয়ে কোনো কথা বলে কিংবা কাজ করে, তা হলে দুঃখ তাকে অনুসরণ করে। যদি কেউ বিশুদ্ধ ভাবনা নিয়ে কথা বলে বা কজ করে, সুখ তাকে আনুসরণ করে ছায়ার মতন।

·        সকল কুকাজ মানুষের মন থেকেই উদ্ভব হয়। যদি মনের উত্তরণ ঘটানো যায়, কুকাজ কি করে সম্ভব?

·        অসৎ ও বিবেকহীন মানুষ বুনো পশুর থেকেও ভয়ংকর। কারণ বুনো পশুর কামড় দেহে জ্বালা ধরায়, অসৎ মানুষের কামড় জ্বালা ধরায় মনে।

·        সহস্র ফাঁপা শব্দ অপেক্ষা গুটিকয় শব্দের মূল্য অনেক বেশি যদি তা হৃদয়ে শান্তি নিয়ে আসে।
·        সকল জটিল বিষয়ে বিশৃঙ্খলা সহজাত, চেষ্টা করতে হবে দক্ষতার সঙ্গে।

·        অতীত কিংবা ভবিষ্যতে ডুবে না থেকে মনঃসংযোগ করো বর্তমানে, বর্তমান মুহূর্তগুলিতে।
·        যারা প্রকৃত অর্থেই বেঁচেছে তারা মরতে ভয় পায় না।

·        যা পেয়েছ তাকে অতিরিক্ত মূল্য দিও না, কাউকে ঈর্ষা করো না। যে অপরকে ঈর্ষা করে সে মনে শান্তি পায় না।

·        ঘৃণা কখনও ঘৃণা দ্বারা ধ্বংস করা যায় না, কেবল ভালোবাসার দ্বারাই তা সম্ভব, ইহাই শাশ্বত নিয়ম।

·        যিনি ৫০ জনকে ভালোবাসেন তার দুঃখের সংখ্যা ৫০। যিনি কাউকে ভালোবাসেন না তার একটিও দুঃখ নেই।

·        স্বাস্থ্য হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার, সন্তুষ্টি শ্রেষ্ঠ সম্পদ। বিশ্বস্ততা শ্রেষ্ঠ সম্পর্ক।

·        হৃদয়ে ক্রোধ ধারণের অর্থ এক টুকরো জ্বলন্ত কয়লা ছুঁড়ে ফেলার উদ্দেশ্যে মুঠোয় ধরে রাখা; এটা তোমরই হাত যা পুড়ে যাচ্ছে।

·        আমরা যত বড়ো বড়ো কথা বলি বা পড়ি না কেন যদি সেই অনুসারে কাজ না করি সেগুলি সব অর্থহীন।

·        যে কাজ সম্পাদিত হয়ে গেছে তা নিয়ে আমার মাথাব্যাথা নেই; যে কাজ এখনও বাকি এস সেদিকে নজর দেওয়া যাক।

·        বিতর্কে যে মুহূর্তে আমরা ক্রোধের খপ্পরে পড়ে জাই ঠিক তখনই সত্য থেকে বিচ্যুত হই এবং ক্রমাগত নিজেদের দিকে এগিয়ে চলি।

·        আকাশের নিজস্ব কোনো পুব কিংবা পশ্চিম নেই। মানুষই এই বিভেদ সৃষ্টি করে এবং তা সত্য বলে বিশ্বাস করে।

·        মানুষের কোনো বন্ধু কিংবা শত্রু নয়, তার মনই তাকে সকল পাপের পথে প্রচলিত করে।

·        হাজার যুদ্ধ জয়ের থেকেও নিজেকে জয় করা বেশি কঠিন। কারণ সে জয় সম্পূর্ণ তোমার, কারণ তা কোনো দেবতা কিংবা দৈত্য, স্বর্গ কিংবা নরক-কেউ তোমার থেকে কেড়ে নিতে পারে না।

·        গন্তব্যে পৌঁছানো অপেক্ষা সুন্দর ভ্রমণ কম উপভোগ্য নয়।

·        ঠিক যেমন একটি মোমবাতি আগুন ছাড়া জ্বলতে পারে না, অধ্যাত্মিক জীবন ছাড়া মানুষও তেমনি বাঁচতে পারে না।

·        যেভাবে পৃথিবী খুঁড়ে সম্পদ তুলে আনা হয়, তেমনি ভালো কাজের থেকে উঠে আসে পুণ্য এবং বিশুদ্ধ এবং প্রশান্ত হৃদয় থেকে আবির্ভূত হয় জ্ঞান। মানব জীবনের গোলকধাঁধাময় পথে নিরাপদে হাঁটতে প্রত্যেকেরই প্রয়োজন জ্ঞানের আলো ও পুণ্যের নির্দেশনা।

·        আমরা ছাড়া কেউই আমাদের রক্ষা করে না। কেউ না। আমাদের নিজেদের পথ নিজেদেরই হেঁটে পার হতে হয়।

·        শান্তি অন্তরে, একে বাইরে খোঁজা অর্থহীন।

·        পা-কে তখনই পা বলে অনুভূত হয় যদি তা মাটি স্পর্শ করে।

·        Mind is everything what we think we become.

·        যা আমরা সব থেক ভালোভাবে জানি তাতে গুরুত্ব না দেওয়াই হল জীবনের চরম ব্যার্থতা।

·        জিহ্বা ধারালো তরবারির মতো… এক বিন্দু রক্ত না ঝরিয়েও হত্যা করতে সক্ষম।

·        আকাশে কোনো পথই নেই। সব পথ হৃদয়ে।

·        অস্তিত্বের সব থেকে বড়ো রহস্য হল ভয়হীনতা। তোমার কী হবে এ কথা ভেবে কখনও ভীত হয়ো না, কারও ওপর নির্ভর কোরো না। যে মুহূর্তে তুমি সকল সাহায্যকে বাতিল করতে পারবে জেনো তুমি মুক্ত।

·        জ্ঞানীরা তাদের বক্তব্যকে ভাবনা দ্বারা অলঙ্কৃত করেন, ছাঁকেন যেভাবে চালুনি দ্বারা শস্য ছাঁকা হয়।
·        সত্যের পথযাত্রায় মানুষ দুটি ভুল সাধারণত করেঃ প্রথমত, যাত্রা শুরু না করে; দ্বিতীয়ত, মাঝপথে থেমে যায়।

·        সৎ বা পুণ্যের বিশুদ্ধতা প্রমাণের জন্য অসৎ বা পাপের উপস্থিতি অতি প্রয়োজন।

·        সন্দেহের মতন ভয়ংকর আর কিছুই হতে পারে না। সন্দেহ মানুষে মানুষে বিচ্ছেদ ডেকে আনে। এ এক এমনই বিষ যা বন্ধু কিংবা প্রিয়জনদের আলাদা করে দেয়। এমন এক কাঁটা যা সর্বদা খোঁচা দেয়, রক্ত ঝরায়; এটা এমন এক তরবারি যা হত্যা করে।

·        যারা সকল বিদ্বেষপুর্ণ ভাবনার উর্ধ্বে তারা নিশ্চিত ভাবেই শান্তি লাভ করেন।

·        তিনটি জিনিস দীর্ঘক্ষন লুকিয়ে থাকতে পারে না- সূর্য, চন্দ্র আর সত্যি।

·        অলসতা মৃত্যুর সহজ পথ, শ্রমই প্রকৃত জীবনের পথ; বোকারা অলস, জ্ঞানী ব্যাক্তির পরিশ্রমী।

·        সুস্বাস্থ্য উপভোগ, প্রকৃত পরিবারিক শান্তি প্রভৃতি লাভের জন্য প্রত্যেকেরই উচিত নিজের মনকে সংযত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ করা। যদি কেউ তার মনকে সংযত করতে পারে ষে মুক্তির পথ খুঁজে পায়, এবং যাবতীয় জ্ঞান ও পুণ্য স্বভাবতই তার কাছে আসে।
গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা ও গৌতম বুদ্ধের বাণী - Gautam Buddha quotes in Bengali গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা ও গৌতম বুদ্ধের বাণী - Gautam Buddha quotes in Bengali Reviewed by WisdomApps on March 28, 2020 Rating: 5

জীবনবাদী বইয়ের লেখক ডঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কিছু বাণী || জীবন বদলে দেবে

March 25, 2020
স্বনামধন্য লেখক , প্রফেসর , সম্পাদক ও একজন প্রকৃত গাইড ডঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কিছু বাণী  এখানে দেওয়া হল , আশাকরি চলার পথে ওনার এই কথাগুলো আপনাকে পথ চলতে সাহায্য করবে । 

তর্ক করবেন না
তর্ক করবেন না। আপনি তর্কে জয়ী হলে অপরপক্ষ আপনার শত্রু হবে আর তিনি জয়ী হলে আপনার শত্রু হবেন। তর্ক করে লাভ হয় না, সময় নষ্ট হয়। সম্পর্কও নষ্ট হয়। তার চেয়ে ইচ্ছা করেই হেরে যান। অপরপক্ষকে তার অহংকার নিয়ে থাকতে দিন।

তথ্যের খাতা করুন
নিয়মিত ডায়রি লেখার অভ্যাস না থাকলেও প্রতি বছর যেসব ডায়রি উপহার পান সেগুলিকে হিসাবের খাতা না করে তথ্যের খাতা করুন। বিভিন্ন বই, ম্যাগাজিন ও খবরের কাগজ থেকে প্রয়োজনে লাগবে আমন নানা তথ্য সংগ্রহ করে লিখে রেখে দিন। মনের মধ্যে যেসব চিন্তা-ভাবনা আসবে সেগুলি সঙ্গে সঙ্গে লিখে ফেলুন। সদ্য পরিচিত ব্যাক্তিদের নাম, ঠিকানা, ফোন নং লিখে পাশে লিখুন তিনি কে, কবে আলাপ হয়েছিল। বন্ধু-বান্ধবদের জন্মদিন লিখে রেখে জন্মদিনের দিন তাঁদের ফোন করে দিন। এই ধরনের খাতাকে ইংরিজিতে বলে- 'পিলো' বুক(Pillow Book)।

সময় নেই অজুহাত দেবেন না
কারো কাছে বিস্বস্ত হতে চাইলে কখনো সময় নেই বলে অজুহাত দেবেন না। সবচেয়ে বোকার মতো কথা হল, একদম সময় পাইনি। প্রথম, কেউই সময় পান না। সবাইকেই সময় করে নিতে হয়। সময় করে নেওয়ার ওপরেই নির্ভর করে কাজটিকে কত গুরুত্বপূর্ন ভাবছেন।

ত্রিশঙ্কু হবেন না
কোন গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত নেবেন সখন তখন আর পিছনে যাতে হটে আসতে না পারেন তাই পিছনের সেতুটা পুড়িয়ে দিন। হয় মৃত্যুবরণ, না হয় এগিয়ে চলা। ত্রিশঙ্কুর মতো ঝুলে থাকবেন না। মোটর গাড়ির চালকেরা গাড়ি চালাতে চালাতে পিছন ফিরে তাকান না। তারা সামনের আয়নাতেই পিছনটা দেখতে পান। ত্রিশঙ্কুর মতো 'হ্যাঁ' ও 'না' - এর মধ্যে যারা ঝুলে থাকেন, তাঁদের আত্মবিশ্বাস এভাবে ঝুলে থাকে। 'দৈব' সুযোগ এনে দিতে পারে কিন্তু সুযোগকে সুবিধায় পরিণত করা আপনার নিজের হাতে।

ক্ষমতায়নের গুপ্ত কথা
ক্ষমতা কেউ কাউকে দেয় না, ক্ষমতা অর্জন করতে হয়। তেমনি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সব সময়ই উপহার হিসাবে আসে। বাজারে টাকা দিয়ে তা কেনা যায় না। বাব-মা 'এঁকে প্রণাম করো ইনি তোমার আমুক হন।' কিন্তু আমি তাঁদের কিছুই হই না। তাঁদের বাবা-মাও সঙ্গে থাকেন না। তা সত্ত্বেও তরুণ-তরুণীরা অনেকে আমার কাছে আস্লেই আগে প্রণাম করে নেন। অনেকে প্রণাম করেন না। উপহার কখনো পাওনা হতে পারে না। ত ভালোবাসার স্বেচ্ছাকৃত দান।

রামধনু দেখতে হলে
বৃষ্টি হয়ে গেলে তবেই আকাশে রামধনু ওঠে। আমরা বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে রামধনুটাই দেখব। কিন্তু বৃষ্টিকে তাহলে পরিহার করতে পারব না। কারণ, রামধনু দেখতে হেলে বৃষ্টি পেতেই হবে। 

সবচেয়ে দামী বস্তু 'সময়'
যে কোনো কাজে দীর্ঘসুত্রতা পরিত্যাগ করতে গেলে ভাবতে হবে জীবন অনিশ্চিত; কে জানে আজকের দিনটাই জীবনের শেষ দিন কিনা। প্রতি বছর পৃথিবীতে ৫ লাখ লোক দুর্ঘটনায় মারা যায়। তাঁরা সকালে উঠেও জানতেন না যে সেই দিনই তাঁরা মারা যাবেন। প্রত্যেকের কাছেই তাই সবচেয়ে দামী বস্তু হল 'সময়'- যা প্রত্যেকেরই আছে কিন্তু কম লোকই তার মূল্য বোঝে। প্রতিটি মিনিটই প্রত্যেকের জীবনে দামী। তাই যে সময় নিজের বা জনগণের উপকারে বা কাজে লাগবে না, সে সময় নষ্ট করবেন না। টি. ভি.' র অধিকাংশ প্রোগ্রাম, খবরের কাগজের অধিকাংশ লেখা, লাইব্রেরীর অর্ধেকের বেশি বই কোন প্রয়োজনে লাগবে না। শুধু প্রয়োজনের অংশটুকু গ্রহণ করুন; অপ্রয়োজনের পিছনে ছুটে সময় নষ্ট করবেন না। 

সময় দিন
স্ত্রী পুত্র ও বন্ধু আপনাকে ভালবাসে কিনা তা বুঝতে আপনাকে রিটায়ারমেন্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। 

যারা আড্ডা দেন
দু'ধরণের লোক আড্ডা দেয়। এক, যাঁদের কাছে সময় থেমে আছে। অকর্মণ্য, হতাশ, অশিক্ষিত কিছু মানুষ অথবা যারা সময়কে থামিয়ে দিয়েছেন সময় মত কাজ করে। লেখক, শিল্পী প্রযুক্তিবিদ, বৈজ্ঞানিক তাঁরা সময়ের উপযুক্ত ব্যবহার করেছেন। নিজেদের যা দেওয়ার তা দিয়েছেন। এখন দউ কাজের মাঝখানে একটু সময় আড্ডা দিয়ে মাথা সাফ করে নিচ্ছেন। 

মন ও জামাকাপড় সাফ রাখুন
সব সময় মন ও পরনের জামা-কাপড় যেন সদ্য কাচা থাকে। বাসি চিন্তা করবেন না। বাসি কাপড়-জামা পরবেন না। পোশাকই মনের প্রতীক। কেমন ও কী রঙের পোশাক পরেন তা দেখে আপনি কেমন লোক তা বলে দেওয়া যায়। সহজ-সরল মানুষরা কখনো জমকালো পোশাক পরেন না, দৃষ্টিধারী নান্দনিক পোশাক পড়েন।

যতটুকু হজম হবে ততটুকু
এমনভাবে রান্না করবেন যাতে সহজেই হজম হয়। ততটুকুই খাবেন যতটুকু হজম করতে পারবেন। খাবারের বৈচিত্রের চেয়ে পরিপাকের শক্তিটাই যেন অগ্রাধিকার পায়। যতটুকু খেতে ইচ্ছে হবে ততটুকুই খাবেন। কিন্তু আগে থেকে এমন বেশি খাদ্য নেবেন না যাতে ভুক্তাবশেষ থেকে যায় বা খাদ্য অপচয় হয়।

হাসুন, কেন না...
আপনি কী অন্যের হাসিমুখ আশা করেন? তাহলে কাউকে দেখে হাসুন। প্রত্যূত্তরে তিনি যতই গোমড়ামুখো হন, তিনিও হাসবেন। আর যদি অন্যের গোমড়া মুখ দেখে আপনিও মুখ গোমড়া করে চলে যান, তাহলে তাঁর কোনো ক্ষতি হবে না। কারণ, তিনি তো গোমড়ামুখে থাকতেই অভ্যস্ত। ক্ষতি হবে আপনার। কারণ, আপনাকে কষ্ট করে রামগরুড়ের ছানার মতো মুখ করতে হবে, যাতে আপনি অভ্যস্ত নন। হাসি প্রত্যেকেরই আছে কিন্তু খুব কম লোকই তা খরচ করে। 

অন্যকে সমালোচনার আগে
কখনো সরকার ও সমাজ ব্যাবস্থার ঘাড়ে দোষ চাপাতে চাইলে তার আগে একবার ভেবে নিন ওই ব্যাপারে আপনি কতটুকু কি করেছেন বা কতটুকু করতে রাজি আছেন।

সমাধান আছে
এমন কোনো সমস্যা নেই, যার সমাধান নেই। তবে এমন কোনো সমাধান নেই যাতে সব সমস্যার শেষ হয়ে যায়। একটি সমস্যার সমাধান হয়ে গেলে আরো সমস্যা আসতে পারে।

রাজার মতো : গরিবের মতো
আপনি গরিব হলে রাজার মতো আচরণ করুন। আপনি ধনী হলে গরিবের মতো খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। Rich mind-এর বাংলা 'উন্নত মন'। কিন্তু Rich food-এর অর্থ 'তেল মশলা দেওয়া মুখরোচক খাবার', যা আপনার কাছে বিষ বলে গন্য হতে পারে। 

ভুলো মাৎ 
অর্থ ও ক্ষমতার শীর্সে উঠে গেলে দুর্দিনের গরিব বন্ধুদের ভুলে যাবেন না। কারণ, তাঁরা আপনার কাছে বিমার টাকার মতো। আবার খ্যাতি ও প্রতিপত্তির চূড়া থেকে নেমে আসার সময় এঁরাই বড় সম্পদ হবে।

জীবনবাদী বই 
৫০ টাকার একটি নোট পেলে তা দিয়ে বাঁচার জন্য খাদ্য কিনুন। আরেকটা ৫০ টাকার নোট পেলে তা দিয়ে একটি জীবনবাদী বই কিনুন। যা পড়ে কেন বাঁচবেন তা বুঝতে পারবেন।

আরম্ভ করে দিন
যে কোন কাজ একবার আরম্ভ করে দেওয়াটাই বড় কথা। ল্যাটিন প্রবাদ : Initium est dimidium dact আরম্ভ করে দেওয়া মানে কাজের অর্ধেকটাই শেষ করে দেওয়া। তাই অনেক কিছু করার স্বপ্ন না দেখে আজই একটা কিছু শুরু করে দিন।

আজই, এখনই
বই লিখবেন। আজই প্রথম পাতাটা লিখে ফেলুন। ফ্ল্যাট কিনবেন? আজই বিজ্ঞাপনদাতা প্রমোটারকে ফোন করুন। ছুটিতে পুরী যাবেন? আজই হোটেল বুক করে দিন। ব্যবসা করবেন। আজই একটি কোম্পানি তৈরির জন্য পরামর্শ দিন। কোনো একটি মেয়েকে মনে মনে ভলবাসেন? আজই তাকে ফোন করুন অথবা চিঠি লিখুন। শুরু না করে কোনো বাসনা শেষ করবেন না। এখনই শুরু করুন। দৌড়াতে গেলে দৌড়ানোটা শুরু করতে হয়। 

ধর্ম বনাম ধর্মান্ধকতা
প্রকৃত ধার্মিক তিনিই, যিনি মনে করেন না তাঁর ধর্মই শ্রেষ্ঠ। তিনি মনে করেন সব ধর্মই শ্রেষ্ঠ। কারণ জীবনের শ্রেষ্ঠ উপাদানগুলিকে নিয়েই ধর্ম তৈরি হয় যেমন- নিষ্ঠা সততা ও ভক্তি। এককথায় ধর্মের ওপর নাম মানবতা। পরধর্ম বিদ্বেষই হল অধর্ম।

উপভোগ করতে না পারলে
চাকরি বা পেশা যদি আপনি উপভোগ না করেন বুঝতে হবে ভুল ঠিকানায় এসে পড়েছেন। কর্মশক্তি বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত থাকতে পারে কিন্তু ঔৎসুক্য আর কল্পনাবিধ চল্লিশের পর কমতে বাধ্য। আর এ দুটো হারালে নতুন চাকরি পেলেও আর লাভ নেই। তাই সময় থাকতেই আনন্দহীন চাকরি বা পেশা ছাড়ুন। হয় এমন চাকরি বা পেশায় চলে যান যেখানে কাজের আনন্দ আছে। নয়ত ভি. আর. এস. নিন।

সুখী বনাম অবসাদগ্রস্ত
সুখী ও অবসাদ্গ্রস্ত ব্যাক্তির মধ্যে তফাৎ হল, একজন সুখী একা নির্জনতার মধ্যে এসে আনন্দ পান, একজন অবসাদ্গ্রস্ত জনতার মধ্যে থেকেও একাকীত্ব বোধ করেন। আবসাদ কাটিয়ে উঠতে গেলে জনতা ও নির্জনতা উভয়কেই সমান ভালোবাসতে হবে।

অল্প খান, হাসুন বেশি
অল্প খান কিন্তু বেশি হাসুন। শক্ত মানুষ হতে গেলে গম্ভীর মানুষ হতে হবে, তার কোনো মানে নেই। 

আশা করবেন না
মানুষের কাছ থেকে বেশি কিছু আশা করবেন না। আশা করে আশাভঙ্গ হলেই দুঃখ। এ দুঃখটা একান্ত আপনার। অন্যের তাতে কিছুই এসে যাবে না। তার চেয়ে প্রত্যাশার অতিরিক্ত কেউ কিছু দিলে আনন্দটা অনেক বেশি হয়।

প্রশ্ন ও উত্তর 
আপনার ছেলেমেয়েদের ছোটবেলা থেকে প্রশ্ন করতে শেখান আর স্ত্রীকে শেখান সে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে। পৃথিবীর সবচেয়ে দুটি বিখ্যাত গ্রন্থই প্রশ্নোত্তর। একটি 'শ্রিমদ্ভাগবতা গীতা' অন্যটি প্লেটোর 'রিপাবলিক'। অনুসন্ধানকামী মন সমস্ত জ্ঞানের উৎস।

বাঁচার অভিজ্ঞতা
কোনো অভিজ্ঞতা তা সে যতই খারাপ হোক না কেন বৃথা যায় না। তবে সেটা উপলব্ধি করে তা থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য বেঁচে থাকা চাই।

কোনো কাজ ফেলে রাখবেন না
কখনো কালকের জন্য ফেলে রাখবেন না যে সব কাজ : (১) পোস্টকার্ডে লেখা চিঠির উত্তর, (২) হাসপাতালে অসুস্থ আত্মীয় বা বন্ধুকে দেখে আসা, (৩) বকেয়া বিল, (৪) দিনের খবরের কাগজ পড়া, (৫) ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন পতে ওষুধ খাওয়া, (৬) প্রাতঃকৃত্য ও স্নান, (৭) জুতো পালিশ করা। 

তবু মানুষ
মানুষের চেয়ে গরু অনেক উপকারি, কুকুর অনেক বিশ্বস্ত, ঘোড়া অনেক পরিশ্রমী, পিঁপড়ে অনেক শৃঙ্খলাপরায়ণ, মৌমাছি অনেক সঞ্চয়ী, গাধা অনেক সহনশীল। তবু মানুষকে ভালবাসতে হবে কারণ একই মানুষ চেষ্টা করলে ও ইচ্ছা করলে সবগুলো গুণই আয়ত্ত করতে পারে। মানুষকে ভালবাসুন।




জীবনবাদী বইয়ের লেখক ডঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কিছু বাণী || জীবন বদলে দেবে জীবনবাদী বইয়ের লেখক ডঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কিছু বাণী || জীবন বদলে দেবে Reviewed by WisdomApps on March 25, 2020 Rating: 5

কোরোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার সহজ উপায় - পড়ুন ও শেয়ার করুন

March 21, 2020
কোরোনা ভাইরাস সম্বন্ধে এপর্যন্ত অনেক কিছুই আপনি জেনেছেন এবং পড়েছেন , কিন্ত এই লেখাটি পড়লে আপনার ভয় পালাবে , আত্মবিশ্বাস বাড়বে আর নিজের ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদেরকে জানাবেন । আসুন, কোরোনাকে ভয় না পেয়ে একসাথে মোকাবিলা করা যাক । 



প্রথমে একটা ব্যাপার জানুন - কোরোনা একটা ভাইরাস , কোনো ব্যাকটিরিয়া না । যারা জানেন না তাদের জানাই , ভাইরাস কিন্ত জীবন্ত নয় , আবার মৃতও নয় । ভাইরাস (Virus)হল একপ্রকার অতিক্ষুদ্র জৈব কণা বা অণুজীব যারা জীবিত কোষের ভিতরেই মাত্র বংশবৃদ্ধি করতে পারে । জীবিত কোষ না পেলে এরা জড় পদার্থের মত আচরন করে এবং সময় বিশেষে নস্ট হয়ে যায় ।
তাহলে এটা নিশ্চিত যে এই ভাইরাসটি যতক্ষন না আমাদের কারোর শরীরে প্রবেশ করছে ততক্ষন চিন্তা নেই ।  

এবার প্রশ্ন হল এরা আমার শরীরে প্রবেশ করবে কিভাবে ? 
দেখুন , কোরোনা বিভিন্ন মাধ্যমের মধ্যে দিয়েই প্রবেশ করতে পারে । এ ব্যাপারে আপনারা অনেক কিছু শুনেছেন । এখন একটা উদাহরন দিই । ধরুন আপনি একটা হোটেলে খেতে গেছেন , আপনি জানেন না যে সেখানে কিছুক্ষন আগে এক কোরোনা রুগী খাওয়ার খেয়েছে । সে হাঁচি দিয়েছে , মুখ খুলে কেশেছে , আর যে টেবিলে বসে খেয়েছে সেটায় এটোকাঁটা ছড়িয়েছে , এমনকি একটি স্টিলের গ্লাসে সে মুখ লাগিয়ে জলও খেয়েছে , তাহলে কিসে কিসে কোরোনা ভাইরাস লেগে থাকতে পারে ? 
দা ইংল্যান্ড জার্নাল ওফ মেডিসিন এর লেখা অনুযায়ী - করোনা ভাইরাস কার্ডবোর্ডের গায়ে দিব্যি ২৪ ঘন্টা আক্টিভ থাকতে পারে , তবে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হল স্টিলের ও প্লাস্টিকের জিনিসের গায়ে ৭২ ঘন্টা আক্টিভ থাকে করোনা । ভালো ব্যাপার হল - তামার পাত্রে কোরোনা ৪ (চার) ঘন্টার বেশী টিকে থাকে না , নস্ট হয়ে যায় । তাহলে এটা বুঝুন -কাপড়ের বা প্লাস্টিকের মাস্ক পড়া যেমন জরুরী তেমনই মাস্ক পরিস্কার রাখাটাও জরুরী , আপনার মাস্কে লেগে থাকা অনুজীব বায়ুর থেকে বেশী সময় আক্টিভ থাকবে । তাই যতটা পারেন , হাত , মুখ , মাস্ক সব ধুয়ে সাফ রাখুন । আর বাড়িতে তামার পাত্র থাকলে আজ থেকেই ব্যাবহার শুরু করুন । স্টিলের পাত্র ও প্লাস্টিকের বোতল যত কম ব্যবহার করেন ততই ভালো । এখন প্রায় সব বাড়িতেই জারে করে বাইরের জল কিনে খাওয়া হয় । সেই জলের জার করোনা মুক্ত কিনা তা তো আর পরীক্ষা করা সম্ভব নয় তাই বাড়িতে আনা জল তামার পাত্রে ভরে কয়েক ঘন্টা রেখে খান । এতে ক্ষতি তো হবেই না বরং শরীরের বেশ কিছুটা উন্নতি হবে । 
আর একটা ব্যাপার হল , কোরোনার বায়ুতে উড়ে বেড়ানোর সময়কাল ৩ ঘন্টা , অর্থাৎ কোরোনা সংক্রমিত বায়ুকে তিন ঘন্টার বেশী সময় চুপচাপ রেখে দিলে সেখানে করোনা আর আক্টিভ থাকে না । তাই , কয়েকদিন ঘর থেকে কম বার হন ।  


আচ্ছা , হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে কি করোনা মারা যায় ? 

অনেকেই হয়ত জানেন না , হ্যান্ড ওয়াশ আর হ্যান্ড স্যানিটাইজার আলাদা জিনিস । হ্যান্ড ওয়াশ হাতে লাগানোর পর জল দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হয় - এটা বেশী ভালো ব্যাপার । কিন্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যাবহার করা হয় যখন হাত ধোয়ার কোনো পরিস্থিতি থাকে না । ক্রিমের মত করে স্যানিটাইজার সারা হাতে মেখে নিতে হয় ।
তবে , হাতে  ভালো করে স্যানিটাইজার লাগিয়ে নিলেই কি হাত করোনা মুক্ত হয় ? 
livescience.com -এর মতে যে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের মধ্যে 62-71% ethanol ( অ্যালকোহল) আছে এবং সাথে  0.5% hydrogen peroxide বা 0.1% sodium hypochlorite (bleach) আছে শুধু সেটাই পারে করোনা ধ্বংস করতে । কিন্তু , স্যানিটাইজার লাগানোর সাথে সাথেই করোনা ধ্বংস হয় না , হাতে স্যানিটাইজার ভালোকরে লাগানোর পরে কোরোনা ধ্বংস হতে মিনিমাম ১ মিনিট সময় লাগবে । তাই একটু অপেক্ষা করুন বন্ধু । ( ধুতে থাকো ধুতে থাকো ) 

সত্যিই কি এটা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়েছে ? 

এই পোস্টটি লেখার সময় পর্যন্ত সারা বিশ্বে মোট ২০৯৮৩৯ জন মানুষ কোরোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এর মধ্যে মোত ৮৭৭৮  জন মানুষ মারা গেছেন । কাজেই ভয়ে মুষড়ে পড়ার প্রয়োজন নেই । ধরবে আর মারবে এমন ক্ষমতা কোরোনার নেই । তবে আপনাকে থাকতে হবে সাবধানে । 

যেহেতু , কারোর শরীরে ঢুকতে না পারলে কোরোনা প্লাস্টিকের গায়ে ৭২ ঘন্টা বেঁচে থাকতে পারে তাই যদি মাত্র ৭২ ঘণ্টার জন্য সমস্ত পাবলিক গ্যাদারিং বন্ধ করা হয় তাহলে কোরোনার ম্যাক্সিমাম প্রভাবকে নস্ট করা সম্ভব । 


সবাইকে ৩ ফুট দুরত্ব বজায় রাখতে বলছে কেন ? 

রাস্তা ঘাটে কেউ হাঁচি বা কাশি দিলে তার থেকে অন্তত ৩ ফুট দুরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে , কারন কোরোনা ভাইরাসের তো আর ডানা নেই যে সে উড়ে উড়ে আপনার নাকে এসে বসবে , একমাত্র সামনের লোকের শ্লেষ্মা বা থুথু আপনার নাকে মুখে লাগলে তবেই কোরোনা আপনার দেহে ঢুকতে পারবে । আর বিজ্ঞানীরা মেপে দেখেছেন একজন লোক হেঁচে তার শ্লেষ্মা তিন ফুটের বেশী দুরত্বে পাঠাতে গেলে  রীতিমত রকেট লঞ্চারের মত নাক প্রয়োজন । তাই মোটামুটি ৩ ফুট দুরত্বে থাকাই ভালো ।


আচ্ছা কোরোনা থেকে বাঁচার কোনো শর্টকাট উপায় আছে  ? 

অবশ্যই আছে -পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন , বাড়িতে থাকুন ।
টিভিতে তো দেখছেন - কোরোনা থেকে বাঁচার জন্য কেউ গোমূত্র খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন তো কেউ বিভিন্ন বাবা'র দারস্থ হয়ে টাকায় আগুন ধরাচ্ছেন  । কোরোনা থেকে বাঁচার জন্য  নদিয়ার কাঠালিয়া ও করিমপুর অঞ্চলের মানুষজন দৈনিক সন্ধ্যেবেলা বাড়ির সবার নামে একটি করে মোমবাতি জ্বালিয়ে বারান্দায় রেখে আসছেন - এমন খবরও পাওয়া গেছে ।  অনেক টোটকা বেরিয়ে পড়েছে  , আরো বেরোবে । দয়া করে এগুলোতে জড়াবেন না । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া গাইডলাইন মেনে চলুন । এখানে ক্লিক করে পুরোটা জানতে পারবেন । 


মুরগীর মাংস খেলেই কি কোরোনা ধরবে ? 

আজ্ঞে না । অবশ্য কে জানে আপনি রেঁধে খাবেন না কাঁচা খাবেন তাই জোর দিয়ে কেউ বলতেও পারবে না । তবে আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক সুগত দাশগুপ্ত বলেন, “ভারত সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রমাণিত হয়নি মুরগির মাংস, ডিম, এগুলির থেকে COVID-19-র সংক্রমণের ঝুঁকি। কাজেই কোনও কারণ নেই এই নিয়ে অকারণে বিতর্ক তৈরি করা বা ভয় পাওয়ার। "
 আর একটা ব্যাপার আপনি নিজেই ভেবে দেখুন -অন্যান্য ভাইরাসের মতোই কোরোনা ভাইরাসও বেশী তাপমাত্রায় বেঁচে থাকতে পারে না , তাহলে মুরগীর দেহে কোরোনা থাকলেও সেটা রান্না করে খেলে সেই ভাইরাস কি আর বেঁচে থাকবে ? মশাই আমরা তো আর চীনে পাবলিক নই , খাওয়ার ব্যাপারে বাঙালী অত কাঁচা নয় । মনে রাখবেন ,  সুসিদ্ধ কোনো খাবারেই কোরোনা থাকতে পারে না । 


আচ্ছা , কোনোভাবে আমি করোনা আক্রান্ত হলে কিভাবে বুঝব ? 


রোগের লক্ষ্মণ দেখবেন । শ্বাসকষ্ট ছাড়াও জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের বিভিন্ন সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষণ।এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে। সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই  উপসর্গ দেখা দেয়, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়। সাধারণত রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচদিন সময় নেয়।
এক কাজ করুন , শ্বাস নিয়ে দম বন্ধ করে কিছুক্ষন বসে থাকুন - ঘড়ি দেখুন - কতক্ষন পারছেন থাকতে ? ১০ সেকেন্ড এর আগেই দম ছেড়ে দিলে বারবার করে দেখুন ।মিনিমাম ১০-১৫ সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখতে না পারলে বুঝতে হবে স্বাশকস্ট দেখা দিচ্ছে । অন্যান্য উপসর্গ গুলো থাকলে একবার চেকাপ করিয়ে নিন । 


আচ্ছা , করোনা ভাইরাসের নাকি ওষুধ আবিস্কার হয়ে গেছে ? 

দেখুন আজ ২১শে মার্চ পর্যন্ত এমন কোনো খবর জানা যায়নি । অবশ্য আমরা ভারতীয়রা ও বাংলাদেশের মানুষেরা নিজেরাই অনেক ওষুধ আবিষ্কার করে ফেলেছে, তাড়াতাড়ি আমরা নোবেলও পেয়ে যেতে পারি ।  তবে যে কোরোনা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ওষুধ খান না কেন , খাওয়ার আগে একবার কোরোনা রোগের ভাইরাস SARS-CoV-2 এর ফুল ফর্মটা জিজ্ঞেস করে নেবেন । 


ভয় পাবেন না । ভয় ছড়াবেন না । পরিস্কার থাকুন । নিয়ম মেনে চলুন । লেখাটা শেয়ার করুন । 



SARS-CoV-2 :  severe acute respiratory syndrome coronavirus 2 



















কোরোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার সহজ উপায় - পড়ুন ও শেয়ার করুন কোরোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার সহজ উপায় - পড়ুন ও শেয়ার করুন Reviewed by WisdomApps on March 21, 2020 Rating: 5

সাপ্তাহিক রাশিফল - মার্চ - দ্বিতীয় সপ্তাহ

March 16, 2020

মেষ রাশি: বিশিষ্ট যোগাযোগে উপকৃত হবেন। আবার শরীরও ভালো হতে থাকবে। রবিবার তত শুভ নয়, পরিবারে বাধা। সোমবার দুশ্চিন্তা অব্যাহত। মঙ্গলে নানা কারণে অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে চলতে হবে। বুধে বিকেলে সুখবর আসতে পারে। বৃহস্পতিবার কর্ম নিয়ে অগ্রগতি। শুক্রে অনুকূল পরিবেশ থাকায় কোনো সমস্যা হবে না। শনিতে আনন্দবহুল পরিবেশ থাকবে। 

বৃষ রাশি: অর্থকরী নতুন যোগাযোগে উৎসাহ বাড়বে, শুভাশুভ নিয়েই জীবনপ্রবাহ মনে রাখতে হবে। রবিবার সাংসারিক ক্ষেত্রে শান্তি অব্যাহত। সোমবার বেলায় শত্রুপক্ষ সক্রিয় থাকবে। মঙ্গলে ন্যায্য পাওনা পেতে বিলম্ব হবে। বুধে কারোর ওপর নির্ভর করলে তত ভালো হবে না। বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতে গা ছাড়া মনোভাবের জন্য কাজে উৎসাহ পাবেন না। শুক্রে বিপরীত পক্ষকে সামলে চলতে হবে। শনিতে অপ্রত্যাশিত শুভ যোগাযোগ। 

মিথুন রাশি: যৌথ ব্যবসা সৃষ্টি করতে পারে মানসিক উদ্বিগ্নতা। রবিবার ঘরোয়া ব্যাপারে শান্তি পাবেন। সোমবার নতুন যোগাযোগের সম্ভাবনা। মঙ্গলে এগিয়ে যাওয়ার মতো লোকবল পাবেন। বুধে সন্ধ্যার আগে সব কাজ শেষ করার চেষ্টা করুন। বৃহস্পতিবার কারোর জন্য উতলা হয়ে লাভ নেই। শুক্রে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের দায়িত্ত্ব নিন। শনিতে জটিলতা অতিক্রম করার মতো মানসিক বল থাকবে।

কর্কট রাশি: আগামী দিনের প্রস্তুতির জন্য দিনটি হবে স্বরণীয়। রোববার কোনো বিরুপ মন্তব্য করবেন না। সোমবার শত্রুপক্ষ আপনার সঙ্গে এঁটে উঠতে পারবে না। মঙ্গলে দেহ ও মনে উদ্যম। বুধে বিকেলের পর শুভ প্রাপ্তি। বৃহস্পতিবার স্বজনদের সঙ্গে ভালোই মন্দয় সময় কাটবে। শুক্রে কাজ হাসিল করতে সমর্থ হবেন। শনিতে পরিশ্রমের মূল্যায়ন কম হবে।

সিংহ রাশি: সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির সহানুভূতি পাবেন। রোববার ঘরে বাইরে প্রতিকূলতাকে মানিয়ে নিতে হবে। সোমবার বিদ্যার্থীদের পক্ষে ব্যয়বহুল। মঙ্গলে বুদ্ধি দিয়ে সমাধানের পথ বের করতে হবে। বুধে কর্মস্থলে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার সাংসারিক ক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। শুক্রে বিকেলের পর শুভ পরিবর্তন। শনিতে ব্যক্তিগত কাজে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ হবে।

কন্যা রাশি: সচেতন ভাবে যেকোনো কাজে এগিয়ে যাওয়া উচিত। রবিবার মোটামুটি ভালো। সোমবার ধীরে চলুন, অর্থ নষ্ট হতে পারে। মঙ্গলে ও বুধে বিরুদ্ধ পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। বৃহস্পতিবার নিজের অভিযোগ কতৃপক্ষকে জানিয়ে রাখুন। শুক্রে বিকেলের পর শুভ পরিবর্তন। শনিতে আপনার বক্তব্য প্রাধান্য পাবে।

তুলা রাশি: পুরোনো বিশ্বস্ত ব্যক্তি প্রচেষ্টার পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। রবিবার তত শুভ নয়। সোমবার অল্প প্রচেষ্টায় জটিল ব্যাপারে সমাধান হবে। মঙ্গলে সহদরস্থানীয় ব্যক্তি নতুন প্রেরণা এনে দেবে। বুধে সন্ধ্যার পর সতর্ক হয়ে চলুন। বৃহস্পতিবার ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে। শুক্রে কোনো আলোচনায় নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করুন। শনিতে পরিবার ও কর্ম নিয়ে দুশ্চিন্তা।

বৃশ্চিক রাশি: গতানুগতিক ভাবে দিনগুলো কাটবে, প্রতিবেশী দ্বারা উপকৃত হবেন। রবিবার অংশীদারি ক্ষেত্রে বিতর্কে গেলে লাভ হবে না। সোমবার অর্থকরী ব্যাপারে মনটা চঞ্চল থাকবে। মঙ্গলে পরিবেশের তেমন পরিবর্তন হবে না। বুধে ভদ্র ব্যক্তির সহায়তায় নিশ্চিন্ত হবেন। বৃহস্পতিবার অধঃস্তন কর্মীর উপস্থিতিতে কর্মে এগিয়ে যাবেন। শুক্রে বিকেলে সামান্য সুযোগ পাবেন। শনিতে অর্থ, পরিবার সব দিকেই ব্যয় বহুল।

ধনু রাশি: বেকার ব্যক্তির কর্ম প্রাপ্তির যোগ রয়েছে, করতল বিচার আবশ্যক। রোববার অনিশ্চয়তা রয়েছে। সোমবার শুভ পরিবর্তন, হেরে যাবেন না। মঙ্গলে ন্যায্য পাওনা পেয়ে যাবেন। বুধে বিকেলে সুসংবাদ আসবে। বৃহস্পতিবার নিজেকে হীন মনে করবেন না। শুক্রে কর্মযোগ শুভ, অর্থযোগ মধ্যম। শনিতে পুরোনো ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ, কতটা নির্ভরযোগ্য বিবেচনা করুন।

মকর রাশি: সক্ষম ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনার সুযোগ পাবেন, ব্যবসা সাফল্যের পথে এগোবে। রবিবার অত্যন্ত শুভ, সমাজের কাজে সাফল্য। সোমবার সহকর্মীর সঙ্গে দূরত্ব রক্ষা করে চলুন। মঙ্গলে কাউকে বিশ্বাস করে বেশি ব্যয় হতে পারে। বুধে সন্ধ্যার পর সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। বৃহস্পতিবার নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। শুক্রে মোটামুটি স্থিতিশীল। শনিতে অগ্রগতি ব্যাহত।

কুম্ভ রাশি: এমন কিছু কাজ করতে হবে যেখানে লেনদেনের সম্পর্কে বিচার করা যাবে না। রবিবার পরিবারের সাহায্য পেতে নমনীয় ব্যবহার করুন। সোমবার বিরোধিতার মূল সূত্র খুঁজে পাবেন। মঙ্গলে প্রচেষ্টার দ্বারা আর্থিক প্রাপ্তি। বুধে বিকেলের মধ্যে কাজ করে উঠতে পারলে ভালো নাহলে দেরি হবে। বৃহস্পতিবার কেউ নিরাশ করবে। শুক্রে মতবিরোধের সম্ভাবনা। শনিতে স্বস্তি ফিরে পাবেন।

মীন রাশি: নিজের ন্যায্য পাওনা বিদায় হবে, সুসম্পর্কের অবনতিও ঘটবে। রবিবার পরাক্রমের দ্বারা আইনানুগ আলোচনা করুন। সোমবার ঘরে বাইরে অনুকূল প্রভাব থাকবে। মঙ্গলে কোনও উদ্যোগ নিলে সাফল্য আসবে। বুধে নিয়মের মধ্যে দিনটি কেটে যাবে। বৃহস্পতিবার সন্তানের ব্যাপারে বেশিই খোঁজখবর নেবেন। শুক্রে সমস্তরকম দরকারি কাজ শেষ করে ফেলুন। শনিতে শরীর নিয়ে বাধা।
সাপ্তাহিক রাশিফল - মার্চ - দ্বিতীয় সপ্তাহ সাপ্তাহিক রাশিফল - মার্চ - দ্বিতীয় সপ্তাহ Reviewed by WisdomApps on March 16, 2020 Rating: 5

মার্চ মাসের সাপ্তাহিক রাশিফল - প্রথম সপ্তাহ

March 09, 2020

মেষ রাশি: পারিপার্শ্বিক কারণে সন্তানকে ভুল বুঝবেন। রবিবার বেশি তাড়াহুড়োর মধ্যে চলতে হবে। সোমবার নতুন উদ্যোগ নেওয়া ঠিক হবে না। মঙ্গলে বিরোধীপক্ষকে দিয়েই কার্যোদ্ধার হবে। বুধে পছন্দমতো লোকজন দিয়ে দায়িত্ত্ব পালন করবেন। বৃহস্পতিবার ও শুক্রে দরকারি কাজে সাফল্য। শনিতে আর্থিক বাধা ও দুশ্চিন্তা। মাতার স্বাস্থ্যহানি।

বৃষ রাশি: দাম্পত্য জীবনকে স্থিতিশীল রাখতে অপ্রিয় মন্তব্য না করায় ভালো। রবিবার প্রতিকূল প্রভাব থাকায় কর্মে বাধা। সোমবার নানা সমস্যায় বিব্রত বোধ করবেন। মঙ্গলে অব্যবস্থার মধ্যে দিনটি কাটবে। বুধে কাউকে শাসন করে মুশকিলে পড়বেন। বৃহস্পতিবার নিয়মের মধ্যে দিনযাপন। শুক্রে দৃঢ়তার সঙ্গে পদক্ষেপ নেবেন। শনিতে কর্ম অর্থ ও পরিবার নিয়ে ভালোই কাটবে। গুরুতর সমস্যা নেই।

মিথুন রাশি: কোনও অপেক্ষার অবসান হবে। পিতার স্বাস্থ্যন্নোতি। রবিবার বন্ধুস্থানিয়ের সঙ্গে কথা বলে দেখতে পারেন। সোমবার দরকারি কাজ শেষ করে নিন। মঙ্গলবার পারিবারিক শান্তি ব্যাহত। বুধে অজানা কারণে সবদিক মানিয়ে চলতে কষ্ট হবে। বৃহস্পতিবার সন্তানের ব্যাপারে সমাধান মুশকিল। শুক্রে আপনার কথা অনেকেই বুঝে উঠতে পারবে না। শনিতে নিজের উদ্যমে পরিবেশের উন্নতি।

কর্কট রাশি: দূরে থাকতে পারলে সম্মান ও অর্থ দুইই রক্ষা করতে পারবেন। রোববার কাউকে কথা দিয়ে রক্ষা করা সম্ভব হবে না। সোমবার দুশ্চিন্তা রয়েছে। মঙ্গলে স্বপক্ষে পরিবেশ থাকবে। বুধে যতটা সম্ভব কাজ সেরে ফেলুন। বৃহস্পতিবার ও শুক্রে নানা সমস্যায় ঘরে বাইরে বিব্রত। শনিতে এমনভাবে বাক্য ব্যবহার করুন যা বিপরীত পক্ষ মেনে নেবে।

সিংহ রাশি: নিজের ভুলেই দরকারি কাগজ তৈরি হতে সময় নেবে।রবিবার প্রচুর নিয়ম মেনে শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব হবে।সোমবার দিনটি ভালোই কাটবে।মঙ্গলে বিশ্বাস করে কাউকে ভুল করবেন।বুধে অনিয়মের মধ্যে দিনটি কাটবে।বৃহস্পতি আপনার সিদ্ধান্তের ওপর প্রাপ্তি নির্ভর করবে।শুক্র ভালোই কাটবে।শনিবারে ছোট ব্যাপারে বেশি তর্কে গেলে অর্থনাশের আশঙ্কা।

কন্যা রাশি: কোথাও যাওয়ার ব্যাপারে মনস্থির করে উঠতে পারবেন না। রবিবার তত শুভ নয়। সোমবার আয় ব্যয়ের সমতা রক্ষা করা কঠিন। মঙ্গলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে। বুধে অনুকূলে পরিবেশ। বৃহস্পতিবার অগ্রজসম কেউ আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করে উঠতে পারবেন না। শুক্রে অস্থিরতার জন্য অতিরিক্ত ব্যয় হবে। শনিতে শুভ পরিবর্তন।

তুলা রাশি: জীবনযাত্রায় শারীরিক সমস্যা কমবে। রোববার  নতুন যোগাযোগের খবর আসতে পারে। সোমবার পারিবারিক ও অর্থনৈতিক দিকে স্থিতিশীল। মঙ্গলবার অন্য সিদ্ধান্তে যাওয়া সম্ভব হবে না। বুধে পরিস্থিতি প্রতিকূল, পিতার সঙ্গে মনোমালিন্য। বৃহস্পতিবার যাকে খুঁজছিলেন তাকে পেয়েযাবেন। শুক্রে ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে সুখবর। শনিতে ভালো মন্দতে কাটবে। 

বৃশ্চিক রাশি: অনিচয়তার প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসবেন, স্বামী/স্ত্রী একে অপরকে দোষারোপ করে শান্তি নষ্ট করবেন না। রবিবার ও সোমবার পছন্দমতো পরিবেশ থাকবে। মঙ্গলবার সুপ্ত ইচ্ছাপূরণ। বুধে অগ্রজসম কারোর মারফত অর্থ প্রাপ্তি হতে পারে। বৃহস্পতিবার কারোর কথা ধৈর্য্য ধরে শোনার চেষ্টা করুন। শুক্রে দেহমনে অবসাদ। শনিতে সন্তানের জন্য দূরে কোথাও যাওয়া ঠিক হবে না।

ধনু রাশি: বিদ্যার্থীদের পক্ষে শুভ, বড়রা কল্পনিকতা ছেড়ে বাস্তবে যার সাহায্যে পেলেন তাকে সম্মান জানান। রবিবার আশানুরূপ পরিবেশ। সোমবার প্রয়োজনীয় কাজে অগ্রগতি। মঙ্গলে পারিবারিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্র শুভ। বুধে আপনার ভালোই কাটবে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রে বয়সে বড় কারোর সাহায্য পাবেন। শনিতে শত্রুপক্ষ দুর্বল, চিন্তার কারণ নেই।

মকর রাশি: পরিচিত কেউ গাড়ি দিয়ে আপনার কাজটি ত্বরান্বিত করবে। রোববার আপনার অনিশ্চয়তা নিয়ে বাড়িতে কিছু জানিয়ে রাখুন। সোমবার দুশ্চিন্তা অব্যাহত। মঙ্গলবার আয় ব্যয়ের সমতা রক্ষা করা কঠিন। বুধে ধীরে ধীরে সমস্যা কমতে থাকবে। বৃহস্পতিবার ভাগ্যবলে যোগাযোগ আসবে। শুক্রে প্রিয়জন কারোর সঙ্গে দিনটি ভালোই কাটবে। শনিতে অপ্রত্যাশিত শুভযোগে, আটকে থাকা ব্যাপারে সার্থক হবেন।

কুম্ভ রাশি: ঘরে বাইরে সমতা রক্ষা করে চলতে চেষ্টা করবেন। রবিবার গুরুত্বপূর্ন ব্যাপারে সহকর্মীর সহায়তা পাবেন। সোমবার ন্যায্য পাওনা পেয়ে যাবেন। মঙ্গলে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন। বুধে শত্রুপক্ষ সক্রিয় থাকবে। বৃহস্পতিবার এলোমেলো ভাবে দিনটি কাটবে। শুক্রে কঠোর নিয়মের মধ্যে চলতে থাকবে। শনিতে সব ব্যাপারে ভীতি থাকবে কিন্তু কর্ম নিয়ে বাধা কমবে।

মীন রাশি: মাতার সহযোগিতায় আপনার জীবনযাপনের মান ধরে রাখতে পারবেন। রোববার মোটামুটি ভালোই কাটবে। সোমবার ঘটনার গতি আপনার অনুকূলে থাকবে। মঙ্গলে ও বুধে অনুকূলে পরিবেশ থাকবে। পরিজনের আপনাকে মানিয়ে চলবে। বৃহস্পতিবার আপনার কথা কেউ বুঝে উঠতে পারবেন না। শুক্রে বেশি খরচ হলেও এইটা ন্যায্য হবে। শনিতে নিজেই ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে আফসোস করবেন।
মার্চ মাসের সাপ্তাহিক রাশিফল - প্রথম সপ্তাহ মার্চ মাসের সাপ্তাহিক রাশিফল - প্রথম সপ্তাহ Reviewed by WisdomApps on March 09, 2020 Rating: 5

রাশিফল বাংলা ২৬ জানুয়ারী থেকে ২রা ফেব্রুয়ারি

January 26, 2020

মেষ রশি: নাটকের সাথে যুক্ত যারা তাদের সফল হবার সম্ভাবনা। রোববার ভালোই কাটবে। সোমবার প্রয়োজনীয় কাজের সুরাহা হবে। মঙ্গলবার একটু দূরে গিয়ে উদ্দেশ্য সফলের সম্ভাবনা। বুধে প্রিয়জনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি, দেহমনে অবসাদ। বৃহস্পতিবার প্রতিকূল প্রভাবের জন্য অখুশি। শুক্রে সন্ধ্যার পর শুভ পরিবর্তন। শনিতে শান্তি অব্যাহত।

বৃষ রাশি: উচ্চপদস্থ ব্যক্তির অনুগ্রহ লাভ করবেন, অর্থপ্রাপ্তিও সম্ভব। রবিবার সন্ধ্যার পর গুরুত্বপূর্ণ খবরে খুশি হবেন। সোমবার অনুকূল প্রভাবে কর্মে সাফল্য। মঙ্গলবার সম্মানীয় ব্যক্তির দ্বারা প্রশংসিত হতে পারেন। বুধে অধস্তন ব্যক্তির ব্যক্তির মাধ্যমে ন্যায্য প্রাপ্য আদায় হবে। বৃহস্পতিবার আশা করেননি এমন কোনও যোগাযোগ হতে পারে যা অত্যন্ত শুভ। শুক্রে সন্ধ্যার পর বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হবে না। শনিতে শারীরিক দিকে কাবু হবেন।

মিথুন রাশি: কোনও জলাশয়ের আসেপাশে গিয়ে যা খুঁজছেন তা পেয়ে যেতে পারেন, হাটু নিয়ে সতর্ক থাকবেন। রোববার দুশ্চিন্তায় কাটবে। সোমবার অপ্রতিহত বাধায় অগ্রগতি ব্যাহত। মঙ্গলে ধৈর্য ধরে দিনযাপন। বুধে প্রচেষ্টায় সাফল্য, পিতার স্বাস্থ্যন্নোতি। বৃহস্পতিবার আটকে গেছে এমন কাজে উন্নতি। শুক্রে প্রত্যাশিত শুভ সংবাদ পেয়ে যাবেন। শনিতে দরকারি কাজ শেষ করুন।

কর্কট রাশি: উইলের ব্যাপারে আলোচনা করার সময় এসেছে। রবিবার সন্ধ্যার পর পরিবেশ প্রতিকূল হওয়ার সম্ভাবনা। সোমবার ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে মুশকিলে পড়বেন। মঙ্গলে ঝামেলা রয়েছে। বুধে কাউকে সন্দেহ করা ঠিক হবে না। বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। শুক্রে বিকেলের পর সমাধানের ইঙ্গিত পাবেন। শনিতে অর্থ, কর্ম, পরিবার সব ক্ষেত্রেই সাফল্য।

সিংহ রাশি: দীর্ঘ ভ্রমণের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবার সম্ভাবনা। রবিবার পশ্চিমদিক থেকে কেউ সাহায্য করতে পারে। সোম ও মঙ্গলে যথাযথ প্রচেষ্টায় উদ্দেশ্য সফল হবে। বুধে শত্রুপক্ষ এড়িয়ে চলুন। বৃহস্পতিবার সহকর্মীদের সঙ্গে তুচ্ছ কারণে মনোমালিন্য। শুক্রে সন্ধ্যার পর সমস্যা বাড়তে পারে। শনিতে অনৈতিক ক্ষেত্র থেকে উপদ্রবের আশঙ্কা।

কন্যা রাশি: অকারণ ভীতি কাজকর্মে মনঃসংযোগে বাধা সৃষ্টি করবে। রবিবার অত্যন্ত পরিশ্রমের মধ্যে চলে রাতে স্বস্তি পাবেন। সোমবার অগ্রজসম কাউকে দরকারি কথা বলে দিন। মঙ্গলে যে কাজ করবেন ভেবেছেন তা করে ফেলুন। বুধে পারিপার্শ্বিক দিক অনুকূলে থাকবে। বৃহস্পতিবার কারোর ওপর ভরসা রাখতে পারেন। শুক্রে সন্ধ্যার পর পরিস্থিতির বদল হবার সম্ভাবনা। শনিতে বাধা রয়েছে।

তুলা রাশি: প্রতিভার স্বীকৃতি পাবেন, সন্তানের জন্য আনন্দিত হবেন। রোববার ঝকমারির ভেতরে কাটবে। সোমবার ও মঙ্গলবার বিদ্যার্থীদের পক্ষে বাধাবহুল, তাড়াহুড়োর দরকার নেই। বুধবার শুভ পরিবর্তন, ইচ্ছানুসারে পদক্ষেপ নিন। বৃহস্পতিবার প্রিয়জনের জন্য সুখবর আসতে পারে। শুক্রে অত্যন্ত শুভ পরিবর্তন, পারিবারিক জীবনে শান্তিলাভ। শনিতে কর্ম, অর্থ ও ভ্রমণ অনুকূল যোগ বর্তমান।

বৃশ্চিক রাশি: চুরি যাওয়া অর্থ ফেরতের ইঙ্গিত পেতে পারেন। রোববার বিকেলের পর কোনও বিতর্কে যাবেন না। সোমবার ও মঙ্গলবার কাজ নিয়ে আশাহত হলে ভুল করবেন। বুধে জটিলতা বাড়বে। বৃহস্পতিবার যতটা সম্ভব দায়িত্ত্ব নিন। শুক্রে সন্ধ্যার পর নিশ্চিত হবে। শনিতে সন্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারবেন।

ধনু রাশি: বন্ধুর সন্তানের ব্যাপারে আপনাকে যাওয়া লাগতে পারে। রোববার শুরুটা বাধাবহুল, বিকেলের পর স্বস্তি। সোমবার সাহসের সঙ্গে এগিয়ে কার্যে সাফল্য। মঙ্গলে পরিবেশ অনুকূলে থাকবে। বুধে প্রয়োজনে অর্থ খরচ হতে পারে। বৃহস্পতিবার প্রয়োজনীয় কারণে চিন্তায় থাকবেন। শুক্রে ভালো মন্দ মিলিয়ে দিনটি কাটবে। শনিতে গতানুগতিক ভাবে সাংসারিক ক্ষেত্র অনুকূল।

মকর রাশি: যারা খাদ্যদ্রব্যের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদের পক্ষে শুভদায়ক। রোববার কাউকে কিছু বলার আগে ভেবে দেখুন। সোমবার ও মঙ্গলবার তত শুভ নয়, ভ্রমণে বাধা। বুধে লেখাপড়ার ব্যাপারে প্রতিবেশীর কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে পারবেন। বৃহস্পতিবার শুভদায়ক। শুক্রে আশা করেননি এমন ঘটনা ঘটতে পারে। শনিতে ঘরে বাইরে সংগ্রামবহুল।

কুম্ভ রাশি: আনন্দবহুল পরিবেশ, কর সংক্রান্ত ব্যাপারে সুখবর পেতে পারেন। রোববার মনঃকষ্ট কাটিয়ে উঠবেন। সোমবার ও মঙ্গলে দরকারি কাজ এগিয়ে নিতে সমস্যা। বুধে কিছু ব্যয় করলে দরকারি জিনিস আয়ত্তের মধ্যে থাকবে। বৃহস্পতিবার সংযম রক্ষা করুন। শুক্রে সন্ধ্যার পর সুসংবাদ আসতে পারে। শনিতে দৈবানুগ্রহে কোনো ভুল হতে গিয়েও হবে না।

মীন রাশি: অংশীদারি ক্ষেত্রে কোনো খবরে আপনার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। রবিবার শুরুটা ভালোই, দুপুরের পর স্বাস্থ্যহানী। সোমবার বাধার ভেতরে দিনটি কাটবে। মঙ্গলে অশুভ প্রভাব অব্যাহত। বুধে শরীরে সুস্থবোধ। বৃহস্পতিবার প্রয়োজনীয় কাজ করে নিন। শুক্রে সন্ধ্যার পর কাউকে ঋণ দেবেন না। শনিতে অশুভ প্রভাব থাকবে।
রাশিফল বাংলা ২৬ জানুয়ারী থেকে ২রা ফেব্রুয়ারি রাশিফল বাংলা ২৬ জানুয়ারী থেকে ২রা ফেব্রুয়ারি Reviewed by WisdomApps on January 26, 2020 Rating: 5

সরস্বতী দেবী আদৌ ব্রহ্মার মেয়ে ছিলেন না আর তাঁদের নিয়ে যে মিথ্যা প্রচার চালানো হয় তার প্রকৃত সত্যটা জানুন

January 22, 2020
সরস্বতী দেবী কি ব্রহ্মার মেয়ে ছিলেন ? আর ব্রহ্মা কি সরস্বতী দেবীকে কুনজরে দেখে ছিলেন ? এবং বিয়ে করেছিলেন ? 






না , ব্রহ্মা কোনদিনও নিজ মেয়েকে বিয়ে করেননি । যারা জানেন না তারা হিন্দু ধর্মের অপপ্রচার করার জন্য বিভিন্ন ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছে । আমাদের এই লেখাটি পড়ার পর  নিজ বুদ্ধি দিয়ে বিচার করে বুঝে নিন কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যা !! 

হিন্দু ধর্মের এই মিথ্যা কালিমা মোছার জন্য এই লেখাটি আপনাকে শেয়ার আপনাকে করতেই হবে । লেখার একেবারে শেষে শেয়ার বটন পেয়ে যাবেন । 

হিন্দু ধর্মের গভিরতা নিয়ে রিসার্চ করছেন এমন দেশি ও বিদেশী গবেষকদের বই পড়েই কনফার্ম হয়ে এই লেখা । যে যে বই পড়ে এই ভিডিও বানানো হয়েছে তার মধ্যে থেকে কিছু বইয়ের লিঙ্ক আমরা নীচে দিয়ে দিয়েছি ,সন্দেহ থাকলে পড়ে নিতে পারেন ।  আপাতত লেখাটি  শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়ুন । 

অনেক ইউটিউব ভিডিওতে  দেখা যায় দেবী সরস্বতীকে ব্রহ্মার মেয়ে বলে প্রমান করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং ভগবান ব্রহ্মা দেবী সরস্বতিকে বিয়ে করেছেন এমনটা দেখানো হয়েছে ।  এই কথাটি প্রমান করার জন্য তারা সরস্বতী পুরাণ নামের এক হিন্দু পুরানের উল্লেখ করেছে । এরা হিন্দু পুরাণ সম্বন্ধে খুব কম জানে । আমার কথা বাদ দিন , এই দেখুন উইকিপিডিয়ার হিন্দু পুরাণ পেজ ,  এখানে পরিস্কার ভাবে হিন্দু ধর্মের প্রকৃত পুরাণ গুলির কথা উল্লেখ করা আছে । সরস্বতী পুরানের উল্লেখ উইকিপিডিয়ার কোথাও নেই । বোঝা যাচ্ছে এই ভিডিওগুলি হিন্দু ধর্মকে কালিমালিপ্ত করার এক বিপুল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে । 
এই ষড়যন্ত্রের শিকড় খুঁজতে আমরা বিভিন্ন বই পড়া শুরু করি । আমরা যা যা জেনেছি তা থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি - 

বিভিন্ন গল্প কথায় ব্রহ্মা বিষ্ণু , শিবের গল্প পড়তে পড়তে আমরা এনাদেরকে সাধারন মানুষ মনে করা শুরু করে দিয়েছি , তাই বাংলা সিরিয়ালের মত আমরা তিন ভগবানের বিয়ে , বাচ্চা এবস নিয়ে এত চিন্তিত হয়ে পড়েছি । মাথা থেকে এই বাংলা সিরিয়াল মার্কা কনসেপ্ট ঝেড়ে ফেলতে হবে । এনারা হলেন ট্রিনিটি - ব্রহ্মা , বিষ্ণু শিব । এনারা হলেন ভগবান । 
প্রথমে ট্রিনিটি র একজন ভগবান ব্রহ্মার সম্বন্ধে কিছু কথা শুনে নিন  । ভগবান বিষ্ণুর নাভী থেকে একটি পদ্মফুল বেরিয়ে আসে আর সেই পদ্মের ভিতরেই ছিলেন ভগবান ব্রহ্মা । ভগবান বিষ্ণু তাকে দায়িত্ব দেন সমস্ত ব্রহ্মান্ড রচনা করার । সেই হিসাবে ভগবান ব্রহ্মাকে সৃষ্টিকর্তা বলা হলেও যেহেতু ভগবান বিষ্ণুর শরীর থেকেই ব্রহ্মার সৃষ্টি তাই ব্রহ্মাদেবের গুরুত্ব বিষ্ণুদেবের থেকে বেশ কিছুটা কম । 

হিন্দু মাইথোলজি অনুযায়ী ভগবান ব্রহ্মা সারাদিন ধরে ব্রহ্মান্ড ও পৃথিবীর সৃষ্টির কাজে ব্যস্ত থাকেন । সুন্দর করে এই ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করার পর দিনের শেষে তিনি যখন ঘুমাতে যান তখন শুরু হয় প্রলয় । এই প্রলয়ে তার বানানো এই স্বর্গ , নরক ও পাতাল - এবং সমস্ত ব্রহ্মান্ড ধ্বংস হয়ে যায় । পরের দিন সকালে উঠে আবার তিনি নতুন করে ব্রহ্মান্ড বানানো শুরু করেন । এখন আপনি ভাবছেন - এমন হয় নাকি , আপনি তো প্রতিদিন সকালে উঠে পৃথিবী একই রকম দেখেন । কোনোদিনও আপনি সকালে উঠে পৃথিবী ধ্বংস হতে তো দেখেননি !! কেন দেখেননি বুঝুন , আমাদের যেমন ২৪ ঘণ্টায় ১ দিন হয় , ভগবান ব্রহ্মার সময়কাল আলাদা নিয়মে চলে , একে বলে কল্প । এবার ১ কল্প মানে কত দিন সেটা বুঝিয়ে দিই আগে । 
হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী যুগ ৪ টে । সত্য , ত্রেতা , দ্বাপর ও কলি । এখন চলছে কলি যুগ । কলি যুগের সময়কাল হচ্ছে ৪৩২০০০ বছর । দ্বাপর যুগের সময়কাল কলি যুগের দ্বিগুন অর্থাৎ ৮লক্ষ ৬৪হাজার বছর । তেমনই ত্রেতা যুগ হল কলি যুগের ৩ গুন অর্থাৎ ১২লক্ষ ৯৬ হাজার বছর এবং সবথেকে বেশী সময়কাল হল সত্য যুগের - কলি যুগের চারগুন অর্থাৎ ১৭লক্ষ ২৮হাজার বছর । এখন এই চার যুগ মিলিয়ে মোট সময়কাল হল ৪৩লক্ষ ২০হাজার বছর । এটাকে বলে এক মহাযুগ । এইরমকম ১০০০ মহাযুগ নিয়ে তৈরি হয় ১ কল্প অর্থাৎ ভগবান  ব্রহ্মার ১ দিন । 
অর্থাৎ ভগবান ব্রহ্মার  ১ দিন  পৃথিবীর ৪.৩২ বিলিয়ান বছরের সমান । আপনাদের যাদের মনে হয় এমনটা হতে পারে না তারা হলিউডের বিখ্যাত ইন্টারস্টেলার সিনেমাটি দেখে নেবেন । সেখানে পরিস্কার ভাবে ব্রহ্মার সময়ের কনসেপ্ট ব্যবহার করা হয়েছে । দেখবেন মহাকাশচারীরা ভিন গ্রহে কয়েক মিনিট কাটালেই পৃথিবীতে কীভাবে কয়েক বছর কেটে যায় । সময় যে চতুর্থ ডাইমেনশান সেটা এই সিনেমাতে যেমন বোঝানো হয়েছে তেমনই হাজার হাজার বছর আগে হিন্দু শাস্ত্রে বলা আছে ।  

যাইহোক,  আপনারা জানেন হিন্দু শাস্ত্র মতে যা জন্মাবে তা একদিন মারা যাবেই , এই তত্ব ভগবান ব্রহ্মার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য , তিনি যেহেতু জন্মেছেন তাই তিনি প্রতি ১০০ বছর পর মারা যান এবং নতুন ব্রহ্মার সৃষ্টি হয় । কিন্তু ভগবান ব্রহ্মার এই ১০০ বছর হল  ৩১১.০৪ ট্রিলিয়ন মানব বছরের সমান । ১ট্রিলিয়ন মানে কত - গুগলে সার্চ করে নেবেন । 

আশাকরি অন্তত এটুকু বুঝেছেন  যে ভগবান ব্রহ্মা আপনার পাড়ার বুড়ো দাদু নন যিনি লাখ টাকা পন নিয়ে বিয়ে করার জন্য পাগল হয়ে গেছেন  । ইনি সৃষ্টিকর্তা । ইনি ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করেছেন এবং সাথে সাথে তিনি প্রকৃতিকেও সৃষ্টি করেছেন । প্রকৃতি হলেন শতরূপা , যে শত শহস্ত্র রূপ ধারন করতে পারে । ভাবুন আপনি আপনার চারপাশে যা যা দেখছেন সবই প্রকৃতিরই বিভিন্ন রূপ । এই প্রকৃতি হলেন নিখাদ নলেজ অর্থাৎ শুদ্ধ জ্ঞানের দেবী সরস্বতী । আর ভগবান ব্রহ্মা এই প্রকৃতি অর্থাৎ সরস্বতী অর্থাৎ শতরূপাকে নিয়ন্ত্রিত করতে চেয়েছিলেন অর্থাৎ তিনি প্রকৃতিকে নিজ ক্ষমতায় আনতে চেয়েছিলেন ।  আসলে  উনি অহঙ্কার বসে ভেবেছিলেন , আমি সৃষ্টিকর্তা , আমার নিয়ন্ত্রনেই থাকবে প্রকৃতি । এইখানে কিছু লোকে ভেবে বসে সরস্বতী বুঝি ব্রহ্মার মেয়ে আর ব্রহ্মা তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন । আসলে যারা বিয়ে মানেই ভাবে মেয়েদেরকে নিয়ন্ত্রন করে রাখা তারাই এই নিয়ন্ত্রন করাকে বিয়ে মনে করে ।
 যাইহোক আসল কথা হল এই প্রকৃতিকে সৃষ্টি করে ভগবান ব্রহ্মা অস্থির হওয়া শুরু করেন । প্রকৃতি নিজে যেহেতু শত শহস্ত্র রূপ ধারন করতে পারেন তাই তিনি স্বনিয়ন্ত্রিত , তিনি স্বাধীন , তিনি ব্রহ্মার নিয়ন্ত্রনে থাকতে চান না । প্রকৃতিকে সর্বদা চোখে চোখে রাখার জন্য ভগবান ব্রহ্মার ৫ টি মাথার সৃষ্টি হয় , আসলে এটাও রূপক অর্থে ব্যবহার কয়া হয়েছে , ব্রহ্মার ৫ মাথার সৃষ্টি হয়নি , তিনি সব কাজ ভুলে শুধু প্রকৃতিকে নিজ নিয়ন্ত্রনে আনার কথাই ভাবতে থাকেন ।  ভগবান শিব ব্রহ্মার এই মানসিক অস্থিরতাকে নিয়ন্ত্রন করার জন্যই তার পঞ্চম মাথাটি খন্ডিত করে তাকে উপলব্ধি করান যে প্রকৃতি কারোর নিয়ন্ত্রনে থাকার নয় । সে শতরূপা , সে সর্ব শক্তিময়ী , সে স্বাধীন । 
আপনারাই ভাবুন , প্রকৃতিকে কি কেউ কোনদিন নিয়ন্ত্রন করতে পেরেছে না পারবে ? 
আমাদের তিন ভগবান - ব্রহ্মা বিষ্ণু ও মহেশ্বর , তিনজন প্রকৃতিকে তিন ভাবে দেখেছেন । ভগবান শিব প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল নন তাই তিনি উদাসিন সন্ন্যাসি হয়ে চোখ বন্ধ করে ধ্যানমগ্ন হয়েছেন  , আর ভগবান বিষ্ণু প্রকৃতিকে সঠিক সন্মান করে তাকে দেবী রূপে আহ্বান করেছেন ,  তাই তিনি যোগ্য সন্মানের অধিকারী কিন্তু ভগবান ব্রহ্মা প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রন করতে গেছেন ,তাই তিনি মানুষের কাছে তার ভগবান হিসাবে পুজো পাওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন   । এখানে ভগবান শিব ও ভগবান বিষ্ণুকে সমান চোখে দেখা হচ্ছে । কিন্তু ব্রহ্মা যেহেতু প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রন করে নিজ বশে আনার চেষ্টা কিরেছিলেন তাই তিনি পুজো পাওয়ার যোগ্য নন । 

বর্তমান সমাজেও এই ব্যাপারটি সমান ভাবে প্রযোজ্য , আপনি কেমন মানুষ তা নির্ভর করে পরিবারের প্রতি ও সমাজের প্রতি আপনার ব্যাবহারে । যে মানুষ সমাজ ও পরিবার সম্বন্ধে উদাসিন তিনি সন্ন্যাসী তাকে নিয়ে ভাববার কিছু নেই ,  তিনি নমস্য ,  তিনি শিব । যিনি পরিবার ও সমাজকে সঠিক সন্মান দেন তাকে সমাজের মানুষ মাথায় তুলে রাখে আর পরিবারের লোকজনের কাছ থেকেও তিনি প্রানভরা ভালোবাসা পান , তিনি হলেন বিষ্ণু । আর যে মানুষ পরিবারের ও সমাজের মানুষদের নিয়ন্ত্রন করতে চান তিনি কারোর ভালোবাসা পান না , লোকে হয়ত তাকে ভয় পায় কিন্তু ভালোবাসে না ,তিনি হলেন ব্রহ্মা ।  তিনি ব্রহ্মার ন্যায় পুজো পাওয়ার অধিকার হারান অর্থাৎ মানুষের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হন ।
আর  এবার আপনি ভাবুন , আপনি কোন ভগবানের স্বরূপ । 
আশাকরি , এই লেখাটি থেকে আপনি নিজের বুদ্ধি লাগিয়ে হিন্দু ধর্মের এই গভীর জ্ঞানটি বুঝতে পারলেন । এবার শেয়ার করার পালা । শেয়ার করে সমস্ত হিন্দু বিরোধী মানুষ গুলোকে জানিয়ে দিন - প্রকৃত সত্য । 

সরস্বতী দেবী আদৌ ব্রহ্মার মেয়ে ছিলেন না আর তাঁদের নিয়ে যে মিথ্যা প্রচার চালানো হয় তার প্রকৃত সত্যটা জানুন সরস্বতী দেবী আদৌ ব্রহ্মার মেয়ে ছিলেন না আর তাঁদের নিয়ে যে মিথ্যা প্রচার চালানো হয় তার  প্রকৃত সত্যটা জানুন Reviewed by WisdomApps on January 22, 2020 Rating: 5

স্তন ক্যানসার , কীভাবে পরীক্ষা করবেন ? সাবধান হন আর জেনে নিন কখন কি ট্রিটমেন্ট করাবেন ।

January 21, 2020


মহিলাদের মধ্যে যে ক্যান্সারের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি তা হলো স্তন ক্যান্সার। সাবধানে থেকে বা হাজার সাবধানতা নিয়েও এই রোগ কখনও কখনও আটকানো যায় না। তবে সচেতন থাকলে আগে ভাগেই চিনে ফেলতে পারেন এই ক্যানসার। প্রাথমিক স্তরে চিকিৎসা করালে রোগ নির্মূল করা যায় সহজেই। তাই চলুন দেরি না করে জেনে নিই এই রোগ চিনবেন কি করে।

● আয়নার দুপাশে হাত রেখে দাঁড়ান। দুদিকের স্তনের মধ্যে কোনও অসামঞ্জস্য আছে কি না লক্ষ করুন। এবার মাথার ওপর দুহাত তুলুন। মাথার পাশে রাখুন। দেখুন দুদিকের স্তনের মধ্যে কোনও অসামঞ্জস্য আছে কি না। হাতের চেটো দিয়ে প্রথমে একদিকের ও পরে অন্য দিকের স্তন পরীক্ষা করুন। কোনওরকম চাকা বা ফোলা ভাব আছে কি না ভালো করে লক্ষ্য করুন। এবার দেখুন নিপল বা স্তনবৃন্তে কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না। পরিবর্তন বলতে এক দিকের নিপল ভেতরের দিকে ঢুকে গেছে কি না বা নিপল এর পাশে কোনো ঘা আছে কি না। যদি ঘা এর সন্ধান পান তাহলে অবিলম্বে ব্রেস্ট ক্যানসার সার্জেনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। হতেই পারে, আপনার স্তনে ক্যানসার হয়নি। কিন্তু যদি হয়, তাহলে সঠিক সময়ে চিকিৎসার কোনো বিকল্প নেই।

● ট্রিপল এসেসমন্ট পদ্ধতি: ডায়াগনসিসের জন্য যেতে পারেন কোলকাতার ওয়ান স্টপ বেস্ট ক্লিনিকে। চিকিৎসার জন্য এখানে রয়েছে ট্রিপল এসেসমেন্ট পদ্ধতি - ১) প্রথমে একজন স্তন ক্যান্সার সার্জেন রোগীর পরীক্ষা করেন ও তার পারিবারিক ইতিহাস জানবেন। 

২) রোগীর স্তনের আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান বা ম্যামোগ্রাম করে হবে। ৩) সার্জেন রোগীর ল্যাম্প থেকে এফ এন এ সি বা কোর বয়োন্সি করবেন।
এখন বেশিভাগ ক্ষেত্রে কোর বয়োপ্সি করা হয় কারণ এটি উন্নত পদ্ধতি। অল্পবয়সীদের ক্ষেত্রে সাধারণত আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান করা হয়। ৩৫ বয়সের বেশি মহিলাদের ক্ষেত্রে রোগ শনাক্তকরণের জন্য ম্যামোগ্রাম করা হয়।

● সবসময় সার্জারির প্রয়োজন হয় না: প্রথম ধাপেই ক্যানসার ধরা পরলে সার্জারির প্রয়োজন হয় না। রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ সার্জেন ঠিক করেন কী ধরনের অস্ত্রপচার প্রয়োজন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে এখন প্রাথমিক স্তরে স্তন ক্যানসার ধরা পরলে স্তন কেটে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন পরে না। শুধুমাত্র টিউমার বাদ দিয়ে স্তনের বাকি অংশ রেডিওথেরাপি বা রে দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। এই সার্জারির সময় বগলের নিচের অংশের গ্ল্যান্ড গুলো সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়। এই রিপোর্টের ওপরেই নির্ভর করে রোগীর কেমোথেরাপির প্রয়োজন কি না। তবে বেড়ে যাওয়ার পর ধরা পরলে নিও অ্যাডযুকেন্ট কেমোথেরাপি দিয়ে সার্জারি করাটাই ভালো।

● হরমোন থেরাপিতেও রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব: বেশ কিছু ক্ষেত্রে স্তন ক্যানসার হরমোন রিসেপ্টর সেনসিটিভ হয়। এক্ষেত্রে রোগীর অ্যান্টি ইস্ট্রোজেন জাতীয় কোনো ওষুধ দিলে কার্যকর হয়। হরমোন ছাড়াও 'হার টু নিউ' নামক একটি রিসেপ্টর রয়েছে। এক্ষেত্রে হারসেপশন নামে একটি ওষুধ দেওয়া হয়। ওষুধটি ব্যয়বহুল হলেও স্তন ক্যানসারের চিকিৎসায় সাফল্য খুব আশানুরূপ। যাদের বয়স বেশি তাদের ক্ষেত্রে হরমোনথেরাপির মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।



লেখাটি শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করে দিন 
স্তন ক্যানসার , কীভাবে পরীক্ষা করবেন ? সাবধান হন আর জেনে নিন কখন কি ট্রিটমেন্ট করাবেন । স্তন ক্যানসার , কীভাবে পরীক্ষা করবেন ? সাবধান হন আর জেনে নিন কখন কি ট্রিটমেন্ট করাবেন ।  Reviewed by WisdomApps on January 21, 2020 Rating: 5
Powered by Blogger.